প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১ কোটি মানুষ পুঁজিবাজারের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। গত এক বছরে অনেক ভাল কোম্পানি পুঁজিবাজারে এসেছে।


প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত এক কোটি মানুষ
রাজু আহমেদ ॥ দেশের পুঁজিবাজারে গত এক বছরে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে ১৯ লাখ বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যাংক আমানত ও সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমে যাওয়া এবং বিদু্যত ও জ্বালানি সঙ্কটের কারণে উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ অনুকূল পরিস্থিতি না থাকায় ২০১০ সালে বিপুলসংখ্যক মানুষ পুঁজিবাজারের দিকে ঝুঁকেছেন। এ কারণে বছরজুড়ে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন। সেন্ট্রাল ডিপোজটরি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) সূত্রে জানা গেছে, ২০১০ সালের ১ জানুয়ারি দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের আওতায় বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাবধারী বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ছিল ১৪ লাখ ৬৭ হাজার ৪৬৭। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবায়ন না করায় গত জুলাই মাসে প্রায় ১ লাখ এবং অক্টোবরে প্রায় ৩০ হাজার বিও হিসাব বাতিল করা হয়। তা সত্ত্বেও ৩১ ডিসেম্বর বিও হিসাবধারী বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ৩২ লাখ ৭৯ হাজার ১৫৮ জনে দাঁড়িয়েছে। সেই হিসাবে এক বছরে পুঁজিবাজারে নতুন প্রায় ১৯ লাখ ৪২ হাজার বিনিয়োগকারী যুক্ত হয়েছেন। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বর্তমানে সক্রিয় বিও হিসাবধারী বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ২৪ লাখ ১৮ হাজার ৩১০ পুরুষ এবং ৮ লাখ ৫২ হাজার ৪৪৬ জন নারী। এছাড়া বাকি ৮ হাজার ৪০২টি বিও হিসাব বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে চালু করা হয়েছে। অন্যদিকে বর্তমানে প্রবাসী বাংলাদেশীদের নামে চালু থাকা বিও হিসাবের সংখ্যা ১ লাখ ৩৫ হাজার ২৪৩। এদিকে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ানোর জন্য গত বছর ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবের ওপর ২০০ টাকা ফি আরোপ করা হয়েছে। ফলে বিও হিসাব পরিচালনার জন্য বর্তমানে বিনিয়োগকারীদের সর্বমোট ৫০০ টাকা ফি দিতে হচ্ছে। এর আগে বিও হিসাব নবায়নের জন্য মোট ৩০০ টাকা বার্ষিক ফি নির্ধারিত ছিল। এর মধ্যে সিডিবিএল ১৫০ টাকা, হিসাব পরিচালনাকারী ব্রোকারেজ হাউস ১০০ টাকা এবং এসইসি ৫০ টাকা পেত। বিও হিসাব পরিচালনা ফি বাড়ানো হলেও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারী বৃদ্ধির হারে তা কোন প্রভাব ফেলেনি। এমনকি বাজারে বড় দরপতন সত্ত্বেও ডিসেম্বর মাসে প্রায় ১ লাখ নতুন বিও হিসাব চালু হয়েছে। ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী জনকণ্ঠকে বলেন, জাতীয় উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ৰেত্রে পুঁজিবাজার গুরম্নত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১ কোটি মানুষ পুঁজিবাজারের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। গত এক বছরে অনেক ভাল কোম্পানি পুঁজিবাজারে এসেছে। সরকারের পুঁজিবাজারবান্ধব নীতি এবং এসইসি ও ডিএসইর সমন্বিত প্রচেষ্টাসহ বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে শেয়ারবাজারে টেকসই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা সম্ভব হবে। সংশিস্নষ্টরা জানান, ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি গত এক বছরে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর সংখ্যা অনেক বেড়ে যাওয়ায় বাজারে নগদ টাকার প্রবাহ ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পায়। শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভাল শেয়ারের চাহিদা বেড়ে গেছে আগের তুলনায় অনেক বেশি। কিন্তু চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ না থাকার কারণে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর অস্বাভাবিকহারে বেড়েছে। বিশেস্নষণে দেখা গেছে, ১৯৯৬ সালে বড় ধসের পর শেয়ারবাজার সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ব্যাপক নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছিল। ওই সময়ে পুঁজি হারানো হাজার হাজার মানুষের মধ্যে শেয়ারবাজার ছিল বড় আতঙ্কের নাম। ‘৯৬-এ পুঁজি হারানো বিনিয়োগকারীরা তো বটেই সাধারণ মানুষের মধ্যেও নতুন করে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের চিনত্মা আসেনি। ফলে হাতেগোনা কিছু মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে শেয়ারবাজারের লেনদেন। ২০০৪ সালের পর থেকে বাজারে বিনিয়োগের পরিমাণ বাড়তে থাকে। মূলত শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করার অবাধ সুযোগ দেয়ার কারণেই সেই সময় বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছিল বলে ধারণা করা হয়। তবে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ঊর্ধগতি শুরম্ন হয় গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে। ওই সরকারের নানামুখী অভিযানের কারণে দেশের শিল্প ও বাণিজ্য খাতে বিনিয়োগের সুযোগ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও সঙ্কুচিত হয়ে পড়ে। ওই অবস্থায় অনেকেই শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকে লাভজনক মনে করতে শুরম্ন করেন। তাছাড়া দুর্নীতির বিরম্নদ্ধে অভিযান চালালেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারও কালোটাকার প্রশ্নহীন বিনিয়োগের সুযোগ দেয়ায় শেয়ারবাজার চাঙ্গা করতে গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনের পর বর্তমান মহাজোট সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর শেয়ারবাজারে লেনদেন ব্যাপকহারে বাড়তে থাকে। বিপুল পরিমাণ নতুন বিনিয়োগকারী যুক্ত হওয়ায় বেড়ে যায় অধিকাংশ শেয়ারের দর। ২০০৯-১০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে পুঁজিবাজারবান্ধব বিভিন্ন সিদ্ধানত্ম এবং উৎপাদনমুখী খাতে বিনিয়োগে মন্দার কারণে শেয়ারবাজারে অর্থপ্রবাহ ব্যাপকহারে বাড়তে থাকে। চলতি অর্থবছরের বাজেটেও শেয়ারবাজার বিকাশে বিভিন্ন পদৰেপের পাশাপাশি সঞ্চয়পত্রের সুদের হার কমিয়ে দেয়ায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। [যুগান্তর]

শেয়ার লেনদেন থেকে সরকারের রাজস্ব আয় সাড়ে ৩শ’ কোটি টাকা

সমকাল, Sun 2 Jan 2011
শেয়ারবাজারে অনুষ্ঠিত লেনদেন থেকে ২০১০ সালে প্রায় সাড়ে ৩০০ কোটি টাকার রাজস্ব পেয়েছে সরকার। এর মধ্যে দেশের প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ জমা দিয়েছে ৩১৫ কোটি টাকা। অবশিষ্ট টাকার কর এসেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) লেনদেন থেকে। শেয়ার লেনদেনের ওপর আরোপিত উৎসে আয়কর বাবদ এ রাজস্ব পায় সরকার। ২০১০ সালে ডিএসই থেকে প্রাপ্ত করের পরিমাণ আগের বছরের চেয়ে ৪০৮ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের বাজেটে লেনদেনের ওপর আরোপিত কর হার বৃদ্ধি এবং বাজারে সামগ্রিক লেনদেন জ্যামিতিক হারে বেড়ে যাওয়ায় করের এ ব্যাপক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। অন্যদিকে উদ্যোক্তা ও প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি বাবদ আরও ৭৩ কোটি টাকা কর পায় সরকার।
স্টক এক্সচেঞ্জে নিষ্পন্ন প্রতিটি লেনদেনের ওপর সরকারকে একটি নির্দিষ্ট হারে কর দিতে হয়। গত অর্থবছরে ওই করের পরিমাণ ছিল ১০০ টাকায় আড়াই পয়সা। চলতি অর্থবছরে তা বাড়িয়ে ১০০ টাকায় পাঁচ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। কর হার দ্বিগুণে উন্নীত হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই তা মোট রাজস্ব আয়ের পরিমাণ বাড়িয়েছে। অন্যদিকে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ৬০৪ কোটির জায়গায় গত বছর এক হাজার ৬৪৪ কোটি টাকায় উন্নীত হয়। লেনদেন বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রদত্ত করের পরিমাণও বেড়েছে।
জানা গেছে, লেনদেন বাবদ উৎসে কর সংগ্রহ করে গত জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর ৩১৫ কোটি ৩৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে ডিএসই। ২০০৯ সালে এ খাত থেকে সরকারের আয়ের পরিমাণ ছিল ৬২ কোটি ৪৬ লাখ ৩৯ হাজার টাকা।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গত ৪ বছর শেয়ার লেনদেন থেকে আদায়কৃত উৎসে করের পরিমাণ ব্যাপক হারে বেড়েছে। ২০০৬ সালে এ খাত থেকে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে এক কোটি ৯৫ লাখ ১৯ হাজার ৩৮৬ টাকা। ২০০৭ সালে রাজস্ব আয় হয় ৯ কোটি ৬৮ লাখ ৪৫ হাজার, ২০০৮ সালে ডিএসইর আদায়কৃত উৎস করের পরিমাণ ২০ কোটি ৩ লাখ ৮৮ হাজার ২৬৭ টাকায় দাঁড়ায়। গত দু’বছরে দেশের শেয়ারবাজারের ব্যাপক সম্প্রসারণের ফলে এ খাত থেকে সরকারের আয় জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পায়।
চলতি অর্থবছরের বাজেটে প্রথম পাঁচ মাসে উদ্যোক্তা ও প্লেসমেন্ট শেয়ার বিক্রি থেকে ৭৩ কোটি ২২ লাখ ৯৩ হাজার টাকা রাজস্ব পেয়েছে সরকার। চলতি অর্থবছরের বাজেটে প্রথমবারের মতো উদ্যোক্তাদের শেয়ার এবং প্লেসমেন্টে প্রাপ্ত শেয়ার বিক্রি থেকে অর্জিত মুনাফার ওপর ৫ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হয়।

ঐক্যবদ্ধ বাফলা’র আহ্বানে বাংলাদেশ ইউনিটি ফেডারেশন অব লস এঞ্জেলেস-এর (বাফলা) মাসিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিতঃ


ঐক্যবদ্ধ বাফলা’র আহ্বানে
বাংলাদেশ ইউনিটি ফেডারেশন অব লস এঞ্জেলেস-এর (বাফলা) মাসিক সাধারন সভা অনুষ্ঠিতঃ

বাফলা লস এঞ্জেলেস

BUFLA Los Angleles বাফলা লস এঞ্জেলেস


অক্টোবর ৩১, ২০১০ একুশ রিপোর্ট

মাসিক সভার নিয়ম অনুযায়ী সভা শুরু হলেও বাফলা’র জেনারেল সেক্রেটারী ও প্রেসিডেন্ট গত ইসি মিটিং-এর অপ্রীতিকর ঘটনায় উদ্বেগ ও দুঃখ প্রকাশ করে ঐক্যবদ্ধ বাফলা’র আহ্বানে তাদের পরবর্তী দিকনির্দেশনা লক্ষ্যে উপস্থিত সকলের সহযোগীতা কামনা করেন। নিজেদের মাঝে ভূল বুঝাবুঝির অবসানের আকাঙ্ক্ষায় আলোচনায় বাফলার কর্মকর্তা ছাড়াও স্থানীয় প্রবাসীরা অংশ নেয়।

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ২য় অ্যামেন্ডম্যন্ট আগামী প্যারেড পর্যন্ত স্থগিত করা হয়। যারা বাফলায় থেকেও বিভক্তির পথে পা বাড়িয়েছেন তাদের সম্মানজনকভাবে বাফলা-র কর্মকান্ডে সক্রিয় করার জন্যে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। আগামী ২ সপ্তাহের মাঝে কমিটিকে রির্পোট পাঠাতে অনুরোধ করা হয়েছে।

অন্যদিকে বাফলা রিফর্ম গ্রুপ বা বাফলা ক্লিনজিং কমিটি ৭ই নভেম্বর স্থানীয় তৌরাত রেষ্টুরেন্টে দুপুর ২টায় পরবর্তী কর্মপন্থা নিয়ে আলোচনার জন্যে ৪২টি সংগঠনকে ডেকেছে।

বাফলায় সেই মিটিংএ যা ঘটেছিলো, তার সূত্রপাত হয় অনেক আগেই। সেই সর্ম্পকে বাফলার প্রেসিডেন্ট জসীম আশরাফী যা বলেন…. পার্ট ১

বাফলা’র বর্তমান অবস্থান নিয়ে কয়েকজন ইসি মেম্বারের (বাফলা ক্লিনজিং কমিটির) উৎকন্ঠাঃ বোর্ড অব ট্রাষ্টীকে পাঠানো চিঠি নিয়ে আলোচনা … পার্ট ২

বাফলা’র বর্তমান অবস্থান নিয়ে ইসি মেম্বারদের মন্তব্য … পার্ট ৩

BUFLA : বাফলা’র বর্তমান পরিস্থতি নিয়ে সাধারন আলোচনা।
আবু হানিফার প্রবাস কমিক রিলিফ। … পার্ট ৪

BUFLA : Vote and reaction of Bufla cleansing committee
ভোট ও বাফলা ক্লিনজিং কমিটির বক্তব্য .. পার্ট ৫

– Jahan Hassan ( জাহান হাসান, লস এঞ্জেলেস )
1 818 266 7539
http://www.Ekush.wordpress.com
http://www.EkushTube.com

%d bloggers like this: