স্বাস্থ্যসহায়ক জীবনযাপন স্মৃতির প্রখরতা বাড়ায়


স্বাস্থ্যসহায়ক জীবনযাপন স্মৃতির প্রখরতা বাড়ায়

স্বাস্থ্যসহায়ক সুষম খাদ্য গ্রহণ ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন মানুষের স্মৃতির প্রখরতা বাড়ায় এবং ধরে রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরো বেশি কার্যকর। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত এক জরিপ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। খবর ইউএসএ টুডের।

ইউসিএলএর গবেষকরা ও গ্যালাপ ১৮ বছরের বেশি বয়সী যুক্তরাষ্ট্রের ১৮ হাজার ৫৫২ জন মানুষের ওপর জরিপটি পরিচালনা করেন। এতে দেখা যায়, যেসব ব্যক্তি স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ, ধূমপান বর্জন ও নিয়মিত শরীরচর্চা করেন; তাদের স্মৃতি অন্যদের তুলনায় প্রখর। যাদের স্বাস্থ্যসহায়ক জীবনযাপনের অভ্যাস আছে, তারা অন্যদের তুলনায় ২১ শতাংশ কম স্মৃতি-সংক্রান্ত সমস্যায় পড়েন। জরিপে দেখা যায়, ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সীদের ১৪ শতাংশ স্মৃতি-সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন; যা অপ্রত্যাশিত। কারণ এ বয়সে কারো এমন সমস্যায় পড়ার কথা নয়। এছাড়া ৪০ থেকে ৫৯ বছর বয়সীদের মধ্যে এ হার ২২ শতাংশ এবং ৬০ থেকে ৯৯ বছর বয়সীদের মধ্যে ২৬ শতাংশ।

এ বিষয়ে ইউসিএলএ লংজিবিটি সেন্টারের পরিচালক ও জরিপ কার্যটির প্রধান গ্যারি স্মল বলেন, ‘আমরা ধারণা করেছিলাম, শুধু মধ্যবয়সী ও বেশি বয়স্করাই স্মৃতিসম্পর্কীয় নানা জটিলতায় ভোগেন। কিন্তু কম বয়সী যুবক-যুবতীদের মধ্যেও যে এ সমস্যা থাকতে পারে, তা কখনো ভাবিনি।’ তিনি বলেন, সাধারণভাবে বয়স্কদের স্মৃতির সমস্যার সঙ্গে যুবকদের বেশ পার্থক্য আছে। এক্ষেত্রে রক্তচাপ একটি বড় ভূমিকা রাখে। স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন সব বয়সী মানুষেরই বোধশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে। তিনি বলেন, যদি যুবক বয়সে কেউ স্মৃতিবিভ্রাটজনিত কোনো সমস্যায় ভোগেন, তাহলে বিলম্ব না করে চিকিত্সকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

আমেরিকান সোসাইটি ফর নিউট্রিশনের মুখপাত্র ম্যারি অ্যান জনসন বলেন, স্বাস্থ্যসহায়ক জীবনধারণের পাশাপাশি
উপযুক্ত সুষম খাদ্যগ্রহণে হূিপণ্ড ও রক্ত সঞ্চালনও স্বাভাবিক থাকে। মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রমে যথাযথ রক্ত সঞ্চালন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্রঃ বনিকবার্তা