ফেসবুক বলে দেবে প্রেমের গভীরতা!


ফেসবুক বলে দেবে প্রেমের গভীরতা!

ঢাকা টাইমস ডেস্ক ঢাকা: নিত্যদিনের আর পাঁচটা দরকারি কাজকম্মের মতোই ফেসবুকটিও জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে পড়েছে। এই ব্যাপারটি আর যেই হোক, তর্কবাগীশ বাঙালি কিন্তু অস্বীকার করতে পারবেন না। সে আপনি ফেসবুক ব্যবহার করতে চান বা না-ই চান! কী পারে না এই ফেসবুক? প্রাত্যহিকভাবে নতুন কোনও কিছুর হদিশ দিতে পারা এই ফেসবুকে একদিকে যেমন অন্যের দেওয়ালে নাকগলানো বা ‘পোক’ করা যায়, তেমনই জোড়া লাগানো বা ফাটল ধরানোও যায় সম্পর্কে। তবে এতসব জটিলতার মাঝে হারিয়ে না গিয়ে এবার ফেসবুক থেকে জেনে নিতে পারেন আপনার প্রেমিকের সততা বা সম্পর্কের দায়বদ্ধতার কথাটিও! ভাবছেন, কী করে বুঝবেন মনের মানুষটি আপনাকে ঠকাচ্ছেন কিনা?
Facebook Love
১. ফেসবুকে তাঁর নিত্যনতুন ছবি আপলোড হয়ে থাকলেও আপনাদের জুটির ছবির কোনওটাই কি ফেসবুকের চৌকাঠ মাড়ায় না? তাহলে বরং একটু নড়েচড়ে বসুন দেখি! আর ভাবুন, কেন আপনাকে অন্যান্য বন্ধুদের কাছে দেখাতে চাইছেন না পুরুষটি। সেটা কিছুটা অতিরিক্ত অধিকারবোধের জায়গা থেকেও হতে পারে বইকি। সেক্ষেত্রে তাঁর কাছে একদিন আলতো করে পেড়েই দেখুন না কথাটা। তার পরেও তিনি অভ্যেস না বদলালে আপনার নেতিবাচক দিকটার কথা ভাবাই বোধহয় উচিত হবে। তাছাড়া নিজেতে মত্ত থাকার প্রমাণস্বরূপ আপনার প্রেমের মানুষটি যদি একটু বেশিই নিজের ছবি পোস্ট করে থাকেন, তবে শুনুন, তিনি কিন্তু নার্সিসিস্ট! মানে শুধু নিজেকেই ভালবাসেন, এমন একজন মানুষ।

২. এরই উল্টোদিকে আপনার কিম্বা আপনাদের প্রচুর ছবি যদি আপনার প্রেমিক পোস্ট করেন ফেসবুকে, তাও আবার সম্পর্কের মাস কয়েকের মধ্যেই অথবা প্রেমপ্রস্তাব স্বীকার করার মুহূর্তের মধ্যেই তিনি যদি ‘ইন আ রিলেশনশিপ’ রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে দেন আপনাকে- তবে নিশ্চিন্ত থাকুন, সেটিও আর যাই হোক- প্রেম নয়। তাহলে? কিছুই না, আপনার বয়ফ্রেন্ড বড় ধরনের রিলেশনশিপ অ্যাডিক্ট! এবার তিনি মনেপ্রাণে কতটা চাইছেন আপনাকে, আর কতটাই বা শুধুই রিলেশনশিপের চাহিদা- ভাল করে ভেবে দেখুন।

৩. মাস কয়েকের বেশি সময় ধরেই আপনাদের প্রেমলীলা চলছে, তবুও প্রিয় পুরুষের ফেসবুকের ‘সিঙ্গল’ স্টেটাসটিকে কি আপনি পারেননি বদলাতে? তবে জানবেন মানুষটি একেবারেও সিরিয়াস নন আপনাকে নিয়ে, তিনি সেটি ইচ্ছাকৃতভাবেই রেখেছেন ‘সিঙ্গল’ করে।

৪. কারও প্রেমে পড়লে স্বাভাবিকভাবেই ফেসবুকে ডুবে থাকার সময়টি কমে যায় মানুষের জীবনে। চারপাশে একটু তাকিয়ে দেখুন, কথাটার সত্যতা হাড়ে হাড়ে টের পাবেন। ঘন্টার পর ঘন্টা ফেসবুককে উৎসর্গ করা সময়টি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে থাকে না ততটাই খালি। কিন্তু সম্পর্কে ঘোরতরভাবে ঢুকে যাওয়ার পরেও, আগের মতো কমিটেড লংটাইম ফেসবুক সারফিং করলে বুঝবেন, মানুষটি একেবারেই সিরিয়াস নন সম্পর্টিকে নিয়ে।

৫. অতি তুচ্ছ কারণে মনের মানুষের সব কিছুই ফেসবুকে পোস্ট করাকেও দেখতে পারেন সন্দেহের চোখে। যেমন ধরুন, তাঁর মায়ের শরীর খারাপে তিনি মর্মাহত, কিম্বা চাকরি নিয়ে বীতশ্রদ্ধ… এমন ব্যক্তিগত কথা যদি আপনাকে না জানিয়ে পুরুষটি পোস্ট করেন আগেভাগেই ফেসবুকে, তার মানে আপনার নয়, অন্য মহিলাদেরও অ্যাটেনশন চাইছেন তিনি। ভাবছেন, এবারে আপনার কী কর্তব্য? আর কিছু না, ফেসবুকে তাঁর গতিবিধি দেখে এবারে ঠাহর করে নিন বয়ফ্রেন্ডের মনের গোপন কথা। স্পষ্ট মালুম হবে, কতটাই বা আছে তাঁর কমিটমেন্ট আপনাদের সম্পর্কের জন্য!