পবিত্র রমজান উপলক্ষে লস এঞ্জেলেস সিটি হলে ইন্টারফেইথ ইফতার ও ডিনার


পবিত্র রমজান উপলক্ষে লস এঞ্জেলেস সিটি হলে ইন্টারফেইথ ইফতার ও ডিনার

একুশ নিউজ মিডিয়া, লস এঞ্জেলেস, জুলাই ১০,২০১৩:
দি সিটি অব লস এঞ্জেলেস হিউম্যান রিলেশন্স কমিশন (এইচ আর সি এল এ) গত বুধবার সিটি হলের টম ব্র্যাডলী টাওয়ারে এক আন্তধর্মীয় ইফতার ও ডিনারের আয়োজন করেন।

ধর্মীয় অনুভুতিতে সহনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও আদর্শকে সমুন্নত রাখার প্রত্যয়ে ব্যতিক্রমী এ অনুষ্ঠানে লস এঞ্জেলেসের বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের স্কলার, পুরোহিত, ইমাম সহ বিভিন্ন স্তরের কমিউনিটির প্রভাবশালী ব্যক্তিরা অংশ নেন।

HRC-Interfaith Meeting in Los Angeles

2013 CITY HRC INTERFAITH IFTAR DINNER @ Los Angeles City Hall

বক্তব্যে ইসলামী চিন্তাবিদ ডঃ মেহার হাতুত বলেন, ভিন্নধর্মীদের কাছে প্রমাণিত করতে প্রয়োজন হবে শুধুই যুক্তি, ধৈর্য, সহনশীলতা আর শালিনতার। যেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে আমাদের ব্যক্তিগত সততা ও বদান্যতা, সেই সাথে ধর্মীয় অনুভুতির নিরপেক্ষ বিশ্বাস।

প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার পক্ষে হোয়াইট হাউস থেকে প্রেসিডেন্টের বিশেষ প্রতিনিধি ডঃ জান্নাহ স্কট ধর্মীয় সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সকল সম্প্রদায়ের মাঝে সম্প্রসারিত করতে সকল ধর্মের এক কথা আদর্শ ও মানবিকতা নিয়ে একসাথে কাজ করার লক্ষ্যে প্রেসিডেন্টের বানী পৌঁছে দেন।

এইচ আর সি এল এল এ ইয়ুথ অ্যাম্বাসেডার ওয়াসি মামুন তরুণদের মাঝে রমজানের শিক্ষার অভিব্যক্তি নিয়ে আলোকপাত করেন।
ইফতার প্রার্থনা পরিচালনা করেন ফিকাহ কাউন্সিল অব নর্থ আমেরিকার চেয়ারম্যান ডঃ সিদ্দীকী।
collage-Interfaith
অনুষ্ঠানে বিশপ শেরাপেইন ও ডঃ মেহার হাতুতকে আন্ত-ধর্মীয় সংযোগের জন্য বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। ওয়ান নেশন ইনিশিয়েটিভের এলিসা বাফেইকে ও সম্মাননা জানায় এইচ আর সি এল এ।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এইচ আর সি এল এ-র সিনিয়র পলিসি ডিরেক্টর জুমানা সিলান-সাবা ও এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর প্যাট্রিশিয়া ভিয়াসিনোর। মেয়রের পক্ষে তার প্রেস সচিব আমন্ত্রিত অতিথিদের সিটি হলের ২৭ তলায় টম ব্র্যাডলী টাওয়ারে অভর্থ্যনা জানান।

অনুষ্ঠানে মিশর, পাকিস্তানের কন্সাল জেনারেল ছাড়াও বাংলাদেশী কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মাঝে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাফলার ভাইস প্রেসিডেন্ট আফম জিয়াউল ইসলাম ও কমিউনিটি এক্টিভিষ্ট, মিডিয়া কর্মী জাহান হাসান।

IMG_2257003

Bangladeshi Journalist & Community Activist Jahan Hassan with Dr. Jannah Scott, Center of the White House Office of Faith-based & Neighborhood Partnerships at 2013 CITY HRC INTERFAITH IFTAR DINNER in Los Angeles City Hall

More Pics: http://goo.gl/TZoIo

https://www.facebook.com/groups/littlebangladeshlosangeles/
#HRCLosAngeles #LittleBangladesh

ফোর্বসের শিক্ষায় শীর্ষ ১৫ উদ্ভাবকের তালিকায় সালমান খান | তেল উৎপাদনে সৌদিকে ছাড়িয়ে যাবে যুক্তরাষ্ট্র


লন্ডনকে হারিয়ে অর্থনৈতিক রাজধানী নিউইয়র্ক

চাকরির দিক থেকে পৃথিবীর বৃহত্তম অর্থনৈতিক রাজধানীর মুকুটটি হারিয়েছে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডন। ২০১৫ সালের মধ্যে শহরটি এদিক দিয়ে তৃতীয় স্থানে নেমে আসবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
২০১১ সালে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে থাকা নিউ ইয়র্ক ও হংকং থেকে কিছুটা এগিয়ে ছিলো লন্ডন। কিন্তু চলতি বছর অবশেষে শহরটিকে নিউ ইয়র্কের কাছে হার মানতে হলো। এছাড়া তিন বছরের মধ্যে লন্ডনকে ছাড়িয়ে যাবে হংকং, এমনই ভবিষ্যদ্বাণী করেছে যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি ও ব্যবসায় গবেষণা কেন্দ্র (সিইবিআর)।
এমনকি সিঙ্গাপুরও খুব দ্রুত এ তালিকার উপরের দিকে উঠে আসছে বলে মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।
সিইবিআর আরও জানায়, পূর্বাঞ্চলের দিকে ঝুঁকে পড়ার কারণেই লন্ডন তার প্রভাব হারিয়েছে, পাশাপাশি রয়েছে অদূরদর্শী নিয়ম-কানুনের খড়গ, অহেতুক কর ও ব্যাংকারদের অনিয়ম।

তেল উৎপাদনে সৌদিকে ছাড়িয়ে যাবে যুক্তরাষ্ট্র
২০১৭ সাল নাগাদ সৌদি আরবকে ছাড়িয়ে বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ হয়ে দাঁড়াবে যুক্তরাষ্ট্র। পশ্চিমা জ্বালানি সংস্থা আইইএ সোমবার এ পূর্বাভাস দিয়েছে। অতীতের নানা পূর্বাভাসের সম্পূর্ণ বিপরীত এই পূর্বাভাস দিয়ে ‘ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি’ (আইইএ) বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানিতে অনেকটাই স্বয়ং-সম্পূর্ণ হয়ে উঠতে সক্ষম হবে। যা আগে অচিন্তনীয় বলে মনে করা হচ্ছিল।
শিল্পোন্নত বড় বড় দেশগুলোর জ্বালানি নীতির পরামর্শ দানকারী আইইএ তাদের আগের কয়েকটি প্রতিবেদনে জানিয়েছিল, ২০৩৫ সাল নাগাদ সৌদি আরবই বিশ্বের শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ হয়ে থাকবে।
কিন্তু এবার দীর্ঘমেয়াদের বার্ষিক প্রতিবেদনে আইইএ বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি খাতের প্রভূত উন্নতি হয়েছে। জ্বালানি খাতসহ উত্তর আমেরিকাতেও এর সুদূরপ্রসারী প্রভাব পরিলক্ষিত হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি উৎপাদন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এবারই আইইএ সবচেয়ে আশাব্যাঞ্জক পূর্বাভাস দিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সাল নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের তেল আমদানি কমতে থাকবে এবং তেল রপ্তানিকারক হয়ে উঠবে উত্তর আমেরিকা। আর ২০৩৫ সালের মধ্যে জ্বালানিতে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠবে যুক্তরাষ্ট্র।

৪ বছরে যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাবে চীনের অর্থনীতি
আগামী ৪ বছরে যুক্তরাষ্ট্রকে টপকে বিশ্বের সর্ববৃহৎ অর্থনীতির দেশ হবে চীন। এ কথাই বলছে আন্তর্জাতিক একটি গবেষণা ও পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান। প্যারিসভিত্তিক অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (ওইসিডি) বলেছে, এ বছরের শেষ নাগাদ চীনের অর্থনীতি ইউরোজোনের দেশগুলোর সম্মিলিত অর্থনীতিকে ছাড়িয়ে যাবে। আর এভাবেই ২০১৬ সালের শেষ নাগাদ চীনের অর্থনৈতিক অগ্রগতি যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাবে। ওইসিডির ঊর্ধ্বতন অর্থনীতিবিদ আশা জোহানসন বলেন, আগামী ৫০ বছরে বিশ্বের জিডিপি বাড়বে বার্ষিক ৩ শতাংশ হারে; কিন্তু বিভিন্ন দেশ এবং অঞ্চলভেদে এর বড় ধরনের তারতম্যও ঘটবে। তিনি বলেন, ২০৬০ সাল নাগাদ চীন ও ভারতে মানুষের আয় ৭ গুণ বেড়ে যাওয়াসহ দরিদ্র দেশগুলোতে বেশিরভাগ মানুষের আয় অনেক বাড়লেও বৈষম্য দূর হবে না। ২০২৫ সাল নাগাদ চীন এবং ভারতের সম্মিলিত জিডিপি ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার সম্মিলিত জিডিপিকে ছাড়িয়ে যাবে। ভবিষ্যতে বিশ্বে অর্থনৈতিক শক্তির ভারসাম্যে এ ধরনের পরিবর্তনই পরিলক্ষিত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। অক্টোবরে চীনের অর্থনৈতিক উপাত্তে দেখা গেছে, দেশটিতে তিন বছরের ধীরোগতির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গতি সঞ্চার হয়েছে। অক্টোবরের তথ্যে দেখা গেছে এ উন্নয়নের ধারা। অবকাঠামো বিনিয়োগ এবং উৎপাদন বেড়ে ৫ মাসে দ্রুত সচল হয়েছে চীনের অর্থনীতি। রয়টার্স।

এক ধাপ পেছাল বাংলাদেশ

আসজাদুল কিবরিয়া: বিশ্ব আর্থিক উন্নয়ন সূচকে এক ধাপ পিছিয়ে গেছে বাংলাদেশ। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম বা ডব্লিউইএফ) বিশ্বের ৬২টি দেশকে নিয়ে এ বছর এই সূচক প্রণয়ন করেছে। এতে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৭তম। আর গত বছর ৬০টি দেশের মধ্যে অবস্থান ছিল ৫৬তম।
অবশ্য এই সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার আরও দুটি দেশ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। দেশ দুটি হলো ভারত ও পাকিস্তান। এই দুই দেশও এই সূচকে আগের বছরের চেয়ে পিছিয়ে গেছে।
ভারত গতবারের ৩৬তম অবস্থান থেকে এবার নেমে গেছে ৪০তম স্থানে। আর পাকিস্তান গতবারের ৫৫তম অবস্থান থেকে এবার নেমে এসেছে ৫৮তম স্থানে। সুতরাং, অবনমনের বিবেচনায় ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশের অবনমন কম হয়েছে।
উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর আর্থিক খাতের বিভিন্ন দিকের ওপর পর্যালোচনা করে ডব্লিউইএফ এ সূচক প্রণয়ন করে থাকে। চলতি মাসে এই সূচকভিত্তিক পঞ্চম বার্ষিক প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। ১০০টির বেশি উপকরণকে মূল্যায়ন করে সাতটি স্তম্ভের ওপর সার্বিক সূচক নির্ণয় করা হয়েছে। ব্যাংকব্যবস্থা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা খাত, পুঁজিবাজার, ব্যবসার পরিবেশ, প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশ ইত্যাদি বিবেচনা করা হয়েছে।
ডব্লিউইএফের এ সূচক থেকে দেখা যায়, সাতটি স্তম্ভের মধ্যে আর্থিক স্থিতিশীলতা স্তম্ভে বাংলাদেশ ৬২টি দেশের মধ্যে ৩৭তম অবস্থানে রয়েছে। মুদ্রা বিনিময়ের স্থিতিশীলতার ওপর নির্ভর করে মূলত এ অগ্রগতি হয়েছে। এই উপসূচকে বাংলাদেশের অবস্থান নবম। আবার যেসব উপকরণ দিয়ে এই উপসূচক গঠিত, তাতে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) বিপরীতে বৈদেশিক ঋণ উপকরণে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম।
আবার আর্থিক স্থিতিশীলতা স্তম্ভের ব্যাংকব্যবস্থার স্থিতিশীলতা উপসূচকের পাঁচটি উপকরণের শেষটি হলো, ব্যাংকিং-সংকটে উৎপাদনের লোকসান। এই উপকরণে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম। এর মানে হলো, বিশ্বজুড়ে ব্যাংকিং-সংকটে বাংলাদেশের কোনো লোকসান হয়নি। অবশ্য আরও ২০টি দেশ একই রকম অবস্থানে আছে। কাজেই এককভাবে বাংলাদেশের এ ক্ষেত্রে শীর্ষ অবস্থান নেই।
এভাবে যেসব উপকরণের ওপর এই স্তম্ভগুলো দাঁড়িয়ে আছে, সেগুলোর কোনো কোনোটিতে বাংলাদেশের অবস্থান বেশ ভালো প্রতীয়মান হয়। যেমন: অব্যাংক আর্থিক সেবা স্তম্ভের বিমা উপসূচক গঠিত হয়েছে পাঁচটি উপকরণ নিয়ে। এর মধ্যে একটি হলো জীবন বিমায় ঘনত্ব। এ উপকরণে শীর্ষে আছে ভারত। আর সাধারণ বিমা ঘনত্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৩তম। ভারতের অবস্থান তৃতীয়। বিমার ঘনত্ব বলতে কোনো দেশে নির্দিষ্ট সময়ে জনসংখ্যার বিপরীতে বিমার প্রিমিয়ামের অনুপাতকে বোঝানো হয়।
ব্যবসার পরিবেশ শীর্ষক স্তম্ভে ব্যবসা করার ব্যয় উপসূচক গঠিত হয়েছে ছয়টি উপকরণ দিয়ে। এর অন্যতম হলো ব্যবসা বন্ধ করার ব্যয়। এতে বাংলাদেশ আছে ১৭তম স্থানে।
আর্থিক প্রবেশগম্যতা (অ্যাকসেস) স্তম্ভের খুচরা প্রবেশগম্যতা উপসূচকে ক্ষুদ্রঋণ হিসাব উপকরণে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম।

ফোর্বসের শিক্ষায় শীর্ষ ১৫ উদ্ভাবকের তালিকায় সালমান খান
শিক্ষাক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা বিশ্বের শীর্ষ ১৫ জন ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্বস সাময়িকী। এ তালিকায় রয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন সালমান খান।
শিক্ষাক্ষেত্রে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এই ১৫ জন বিশ্বব্যাপী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য নবধারা প্রবর্তন করেছেন। ফোর্বস সাময়িকী এই ১৫ ব্যক্তিকে ‘শ্রেণীকক্ষের বিপ্লবী’ আখ্যা দিয়ে তাঁরা কীভাবে বিশ্বের শিক্ষাব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছেন, তার বর্ণনা দিয়েছে।
ফোর্বস-এর তালিকায় স্থান পাওয়া ১৫ জনের মধ্যে ভারতীয় বংশোদ্ভূত দুজন মার্কিনও রয়েছেন। তাঁরা হলেন: ভারতে কম দামের ট্যাবলেট কম্পিউটার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ডেটাউইন্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুনীত সিং ও ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) অধ্যাপক অনন্ত আগারওয়াল। টাইমস অব ইন্ডিয়া।

স্থায়ী ক্যাম্পাস না গড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিপদ!


স্থায়ী ক্যাম্পাস না গড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিপদ!


বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের সর্বশেষ অবস্থা জানতে চেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় সনদ অর্জনের যোগ্যতা অর্জন করেছে সেই তথ্য জানতে চেয়ে গত রবিবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) কাছে চিঠি পাঠায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশিস্নষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ করতে না পারা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যই এ তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০-এর ৪৭ ধারা উদ্ধৃত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, ১৯৯২ সালের আইনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত যেসব বিশ্ববিদ্যালয় এখনো শর্ত পূরণ করে সনদ নিতে পারেনি সেসব বিশ্ববিদ্যালয়কে বিদ্যমান আইনের সংশিস্নষ্ট শর্ত পূরণ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সনদ গ্রহণ করে স্থায়ী হতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব বিশ্ববিদ্যালয় শর্ত পূরণ করে সনদ গ্রহণ করে স্থায়ী হতে পারবে না, সরকার সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের সাময়িক অনুমতি বাতিল করে বন্ধ ঘোষণা করবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ কালের কণ্ঠকে বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-গুলোর সর্বশেষ অবস্থা জানার জন্যই ইউজিসিকে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। ইউজিসি এ বিষয়ে তথ্য দেওয়ার পর একটি সভা করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হবে।

ইউজিসির সদস্য (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়) অধ্যাপক আতফুল হাই শিবলী কালের কণ্ঠকে বলেন, মন্ত্রণালয়ের চিঠি পাওয়ার পর স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কী অবস্থান সে বিষয়ে কাজ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত প্রায় ১০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসে গিয়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করেছে।

সংশিস্নষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, স্থায়ী ক্যাম্পাসে কাজ শুরু করা এসব বিশ্ববিদ্যালয়ই সনদ পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। অন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিষয়ে কী হবে জানতে চাইলে অধ্যাপক শিবলী বলেন, আমরা (ইউজিসি) তথ্য দেওয়ার পর তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনের আলোকে সনদ অর্জনে ব্যর্থ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সনদ অর্জনের গ্রহণযোগ্যতা সাপেক্ষে চলতি বছরের ফল সেমিস্টার পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ভর্তি করতে পারবে বলে গত ১৭ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় আদেশ জারি করে। ওই আদেশের আলোকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সর্বশেষ অগ্রগতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ১৮ অক্টোবর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি সভা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অনিবার্য কারণে সভাটি হয়নি। এ অবস্থায় ফল সেমিস্টার শেষ হওয়ার পথে। ফলে স্থগিত হওয়া সভাটি শিগগিরই অনুষ্ঠিত হবে। আর ওই সভা সামনে রেখেই ইউজিসি থেকে সব তথ্য জানতে চেয়ে চিঠি দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রণালয় সূত্রে আরো জানা যায়, গত বছরের ডিসেম্বরে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ যে ২২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাপারে ্তুরেড অ্যালার্ট্থ জারি করেছিলেন সেগুলোর মধ্যে ১৪টি স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে বিভিন্নভাবে উদ্যোগ নিয়েছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সহসভাপতি আবুল কাশেম হায়দার কালের কণ্ঠকে বলেন, স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় জমি খুঁজছে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকের সঙ্গে আমার আলাপ হয়েছে। সরকারকে তাঁদের সময় দিতে হবে। কারণ জমি পেলেই তো হবে না, এগুলোর প্রসেস করতে একটু সময় লাগে। তিনি বলেন, যেসব বিশ্ববিদ্যালয় এরই মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে গেছে তারা সময় পেয়েছে ১২ বছর। অন্যদিকে যারা যেতে পারেনি তাদের (বিশ্ববিদ্যালয়) জন্ম হয়েছে মাত্র সাত-আট বছর। কাজেই স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য সবাইকে একই পরিমাণ সময় দেওয়া উচিত।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের একটি সূত্রে জানা যায়, দেশে ৫৪টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সাতটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য কোনো উদ্যোগই নেয়নি। ৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ভবন রয়েছে; কিন্তু আইনানুযায়ী নির্ধারিত পরিমাণ জমিতে নয়। ১৭টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য জমি কিনেছে; কিন্তু অবকাঠামো নির্মাণ শুরু করেনি। সাতটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, যারা স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য জমি কিনে এখন অবকাঠামো নির্মাণ করছে। ৯টি বিশ্ববিদ্যালয় এরই মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে চলে গেছে। তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় আদালতের অনুমতি নিয়ে চালাচ্ছে। একটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না পাওয়ায় স্থায়ী ক্যাম্পাসের হিসাবে আসেনি।

সূত্র মতে, যেসব বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসে গেছে সেগুলো হলো নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চট্টগ্রাম, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম, আহ্‌ছান উলস্নাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এগ্রিকালাচার অ্যান্ড টেকনোলজি, বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ও স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় সাভারে স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ করেছে বলে ইউজিসিকে জানিয়েছে। তবে স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কোনো তথ্য ইউজিসিতে পাঠানো হয়নি। সেখানে পুরোপুরিভাবে শিক্ষা কার্যক্রমও শুরু করা হয়নি।

যেসব বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য জমি কিনেছে এবং অবকাঠামো নির্মাণ করছে সেগুলো হলো ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, গণবিশ্ববিদ্যালয়, সাউথ ইস্ট ইউনিভার্সিটি, সিটি ইউনিভার্সিটি, দি ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি। যেসব বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য জমি কিনেছে কিন্তু অবকাঠামো নির্মাণ শুরু করেনি সেগুলো হলো আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, শান্ত মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়া, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভ, লিডিং ইউনিভার্সিটি সিলেট, ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেস, ইবাইস ইউনিভার্সিটি, মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি সিলেট, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ, উত্তরা ইউনিভার্সিটি ও নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।

যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ভবন আছে কিন্তু আইনানুযায়ী নির্ধারিত পরিমাণ জমিতে নেই সেগুলো হলো পিপলস ইউনিভর্সিটি অব বাংলাদেশ, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, স্টেট ইউনিভার্সিটি, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি, ডেফোডিল ইউনিভার্সিটি, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, দ্য মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটি ও সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।

অতীশ দীপংকর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এক বিঘা জমি কিনেছে বলে জানিয়েছে। বিষয়টি ইউজিসি তদন্ত করছে।

এ ছাড়া আদালতের স্থগিতাদেশ নিয়ে চালু রয়েছে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়। এগুলো হচ্ছে আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি, কুইন্স ইউনিভার্সিটি, সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটি। সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটির শিক্ষা কার্যক্রম চালানোর জন্য আদালতের রায় থাকলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমতি মেলেনি।

যেসব বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য উদ্যোগ নেয়নি সেগুলো হলো দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়, প্রাইম ইউনিভার্সিটি, ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটি, রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা ও বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।

দৈনিক কালের কণ্ঠ / প্রথম পাতা : ২৯/১১/২০১১
—————————————–
Here is the list of the UGC Approved private university of Bangaldesh:

1. Ahsanullah University of Science and Technology(AUST)
2. American International University – Bangladesh(AIUB)
3. America Bangladesh University
4. ASA University Bangladesh (ASAUB)
5. Asian University of Bangladesh (AUB)
6. Atish Dipankar University of Science & Technology(ADUST)
7. Bangladesh University(BU)
8. Bangladesh University of Business and Technology(BUBT)
9. Begum Gulchemonara Trust University(BGTU)
10. BGC Trust University Bangladesh(BTUB)
11. Brac University(BracU)
12. Central Women’s University
13. City University(CU)
14. Daffodil International University (DIU)
15. Darul Ihsan University
16. Dhaka International University(DIU)
17. East West University (EWU)
18. Eastern University (EU)
19. Gano Bishwabidyalay
20. Green University of Bangladesh (GUB)
21. IBAIS University
22. Independent University, Bangladesh (IUB)
23. International Islamic University Chittagong (IIUC)
24. International University of Business, Agriculture & Technology (IUBAT)
25. Leading University
26. Manarat International University (MIU)
27. Metropolitan University, Sylhet
28. North South University (NSU)
29. Northern University – Bangladesh (NUB)
30. Premier University , Chittagong
31. Presidency University
32. Prime University
33. Primeasia University
34. Pundra University of Science and Technology
35. Queens University
36. Royal University of Dhaka (RUD)
37. Santa Marium University of Creative Technology
38. South East University (SEU)
39. Southern University
40. Stamford University
41. State University of Bangladesh (SUB)
42. Sylhet International University
43. The People’s University of Bangladesh (PUB)
44. The Millenium University
45. The University of Asia Pacific (UAP)
46. United International University (UIU)
47. University of Development Alternative (UODA)
48. University of Information Technology & Sciences (UITS)
49. University of Liberal Arts Bangladesh (ULAB)
50. University of Science and Technology, Chittagong (USTC)
51. University of South Asia (UniSA)
52. Uttara University
53. Victoria University of Bangladesh
54. World University of Bangladesh

Private university in Bangladesh is increasing day by day. As the students are rapidly increasing & the number of public university in Bangladesh are very few; so there is no substitute of private university to manage the higher education for the passed students of all over the Bangladesh.

But students have to be careful to choose the correct private university (Which is UGC Approved) for him/her to enlighten his/her future academic life. I am saying so because a lot of private university is inaugurating almost every new year; who are just selling the certificates by taking lots of money without providing any proper and qualified education.