আপনি কতটা রসিক!


আপনি কতটা রসিক!

তির্যক মন্তব্য হাস্যরসের সূক্ষ্মতম রূপ। তবে তার প্রয়োগ হতে হবে সঠিক জায়গায়, সঠিক সময়ে। জেনে নিন এ বিষয়ে আপনি কতটা কুশলী। আপনি কি স্থানকাল বিবেচনা না করে শ্লেষাত্মক বাক্য বলে থাকেন? নাকি অকারণেই ভাঁড়ামি করে বসেন?
১. বোনের সাবেক ছেলেবন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়েছে। তার শরীর থেকে ভার্সাচির (Versace) ইরোসের (Eros) সুগন্ধ আসছে। আপনি:
ক. কিছুই বলবেন না (+৫)
খ. বলবেন, দারুণ সুগন্ধি (+১০)
গ. নাক বাঁকিয়ে চলে যাবেন (-৫)
ঘ. বলবেন, ভার্সাচির দুঃসময় চলছে (+২০)

২. অনেকগুলো টয়লেট টিস্যু একসঙ্গে কিনেছেন। পথে কেউ বলে উঠল, এত্ত টয়লেট টিস্যু? আপনি:
ক. স্থির দৃষ্টিতে তার দিকে তাকাবেন (+৫)
খ. বলবেন, বাড়িতে অনেক মানুষ (+১০)
গ. লোকটিকে অবজ্ঞা করবেন (+১৫)
ঘ. বলে উঠবেন, ওহ! আপনিও কিনেছেন (+২০)

৩. দৈত্য আকৃতির মোটাসোটা এক ব্যক্তি ছোট রুগ্ণ কুকুর নিয়ে ঘুরছেন। আপনি—
ক. হাসবেন (-১০)
খ. বলবেন, বাচ্চাটি অনেক মুটিয়ে গেছে (-৫)
গ. চোখে পানি আসা পর্যন্ত হাসতেই থাকবেন (-২০)
ঘ. চোখে চোখ রেখে বলবেন, সুন্দর কুকুর (+১০)

৪. সমুদ্রসৈকতে বন্ধুর সঙ্গে রয়েছেন। বন্ধুটির গায়ে নতুন জামা। সে জিজ্ঞেস করল, কেমন লাগছে? আপনি:
ক. বলবেন, জামা ছাড়াই তোকে ভালো লাগে (+২০)
খ. আমাকে এত ভালো মানাত না (+১০)
গ. ভালোই তো, বলে মুচকি হাসবেন (+৫)
ঘ. বলে উঠবেন, দারুণ! চল সাঁতার কাটি (+৩০)

৫. রেস্টুরেন্টে খাচ্ছেন। কিন্তু খাবার ভালো হয়নি। যখন ওয়েটার বলল, ‘সব ঠিক আছে, স্যার’। আপনি:
ক. কিছুই বলবেন না (+১০)
খ. নতুন খাবারের অর্ডার দেবেন (+৫)
গ. বলবেন, এগুলো কি মানুষের খাবার? (-১০)
ঘ. বিরসবদনে বলবেন, দারুণ (+১৫)

৬. আপনার জন্মদিনে শ্বশুর মশায় একটি শার্ট উপহার দিয়েছেন। পোশাকটি আপনার পছন্দ হয়নি। আপনি বলবেন:
ক. ধন্যবাদ, শার্টটি গায়ে দিলেই আপনার কথা মনে পড়বে (-৫)
খ. ধন্যবাদ, ভালোই হয়েছে (+১০)
গ. ধন্যবাদ (+৫)
ঘ. শার্টটিতে আমাকে ভালোই মানাবে (+১৫)

৭. পায়ে ভীষণ ব্যথা পেয়েছেন। আপনার বন্ধু প্রশ্ন করল, অনুভূতি কী? আপনি:
ক. গটমট করে তাকাবেন (+৫)
খ. বিরক্ত হয়ে বলবেন, আপনার কী মনে হয়? (+১০)
গ. আন্তরিক হয়ে বলবেন, ঠিক হয়ে যাবে (+১৫)
ঘ. ভেংচি কেটে বলবেন, ওহ! গ্রেট (+২০)

৮. সহকর্মীর জন্মদিনে ডিনারে যাচ্ছেন। জিজ্ঞাসা করলেন, কী খাওয়াবেন? উত্তর পেলেন, ইতালিয়ান। কিন্তু খাবারটি আপনার পছন্দ নয়। আপনি বলে উঠবেন:
ক. গ্রেট (+২০)
খ. ধন্যবাদ (+১০)
গ. হুমম, তাদের কয়েকটি খাবার বেশ ভালোই (-৫)
ঘ. কিছুই বলবেন না (+৫)

৯. আপনার বন্ধু গাড়িতে ট্রেকিং সরঞ্জাম ভরছেন। তিনি জানালেন, প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যেতে প্রথমবারের মতো ট্রেকিংয়ে বের হচ্ছেন। আপনি প্রতিক্রিয়া দেখাবেন:
ক. খুব মজার হবে (+২০)
খ. শরীরকে ব্যথা দিতে চান? (-১০)
গ. এটা ভালো পরিকল্পনা। তবে ধকল সামলাতে পারবেন? (+১০)
ঘ. অহেতুক সময় নষ্ট (-২০)

১০. কেউ শ্লেষাত্মক কথা বললে, আপনি:
ক. হাসতে থাকেন (+২০)
খ. কড়া ভাষায় জবাব দিয়ে থাকেন (-৫)
গ. মজা পান (+৫)
ঘ. মন খারাপ করেন (-৩০)

ফলাফল: যোগ বা বিয়োগ ফল ১৫০ নম্বরের বেশি হলে, আপনি কথাবার্তায় বেশ কুশলী। ১০০ থেকে ১৫০ হলে পরিস্থিতি সামাল দিতে মোটামুটি দক্ষ। ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে নম্বর পেলে আরো ভালো করতে পারবেন। তবে নম্বর ৫০-এর কম হলে আপনার মধ্যে ভাঁড়ামির অভ্যাস রয়েছে।

রঙ-ঢঙ ডেস্ক
স্কয়ার অবলম্বনে
-Source: http://bonikbarta.com/

স্বাস্থ্যসহায়ক জীবনযাপন স্মৃতির প্রখরতা বাড়ায়


স্বাস্থ্যসহায়ক জীবনযাপন স্মৃতির প্রখরতা বাড়ায়

স্বাস্থ্যসহায়ক সুষম খাদ্য গ্রহণ ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন মানুষের স্মৃতির প্রখরতা বাড়ায় এবং ধরে রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে বিষয়টি আরো বেশি কার্যকর। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত এক জরিপ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। খবর ইউএসএ টুডের।

ইউসিএলএর গবেষকরা ও গ্যালাপ ১৮ বছরের বেশি বয়সী যুক্তরাষ্ট্রের ১৮ হাজার ৫৫২ জন মানুষের ওপর জরিপটি পরিচালনা করেন। এতে দেখা যায়, যেসব ব্যক্তি স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ, ধূমপান বর্জন ও নিয়মিত শরীরচর্চা করেন; তাদের স্মৃতি অন্যদের তুলনায় প্রখর। যাদের স্বাস্থ্যসহায়ক জীবনযাপনের অভ্যাস আছে, তারা অন্যদের তুলনায় ২১ শতাংশ কম স্মৃতি-সংক্রান্ত সমস্যায় পড়েন। জরিপে দেখা যায়, ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সীদের ১৪ শতাংশ স্মৃতি-সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন; যা অপ্রত্যাশিত। কারণ এ বয়সে কারো এমন সমস্যায় পড়ার কথা নয়। এছাড়া ৪০ থেকে ৫৯ বছর বয়সীদের মধ্যে এ হার ২২ শতাংশ এবং ৬০ থেকে ৯৯ বছর বয়সীদের মধ্যে ২৬ শতাংশ।

এ বিষয়ে ইউসিএলএ লংজিবিটি সেন্টারের পরিচালক ও জরিপ কার্যটির প্রধান গ্যারি স্মল বলেন, ‘আমরা ধারণা করেছিলাম, শুধু মধ্যবয়সী ও বেশি বয়স্করাই স্মৃতিসম্পর্কীয় নানা জটিলতায় ভোগেন। কিন্তু কম বয়সী যুবক-যুবতীদের মধ্যেও যে এ সমস্যা থাকতে পারে, তা কখনো ভাবিনি।’ তিনি বলেন, সাধারণভাবে বয়স্কদের স্মৃতির সমস্যার সঙ্গে যুবকদের বেশ পার্থক্য আছে। এক্ষেত্রে রক্তচাপ একটি বড় ভূমিকা রাখে। স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন সব বয়সী মানুষেরই বোধশক্তি ভালো রাখতে সহায়তা করে। তিনি বলেন, যদি যুবক বয়সে কেউ স্মৃতিবিভ্রাটজনিত কোনো সমস্যায় ভোগেন, তাহলে বিলম্ব না করে চিকিত্সকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

আমেরিকান সোসাইটি ফর নিউট্রিশনের মুখপাত্র ম্যারি অ্যান জনসন বলেন, স্বাস্থ্যসহায়ক জীবনধারণের পাশাপাশি
উপযুক্ত সুষম খাদ্যগ্রহণে হূিপণ্ড ও রক্ত সঞ্চালনও স্বাভাবিক থাকে। মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রমে যথাযথ রক্ত সঞ্চালন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
সূত্রঃ বনিকবার্তা

চলতি প্রজন্ম মিলনের বেস্ট সময় বেছে নিচ্ছে ঘুমভাঙা সকাল


চলতি প্রজন্ম মিলনের বেস্ট সময় বেছে নিচ্ছে ঘুমভাঙা সকাল

স্বাস্থ্য ডেস্ক (২০ ফেব্রুয়ারি , ২০১৩) : 

সেক্স নিয়ে এই প্রজন্মের আর কোনও রাখঢাক নেই। গ্রাসাচ্ছাদনের অতি প্রয়োজনীয়তার বাইরে যে রয়েছে যৌনজীবনের আবশ্যিকতা, তা খুল্লমখুল্লা স্বীকার করেই এই প্রজন্ম বলে- সেক্সের কোনও বয়স হয় না, কোনও সময়ও হয় না। কিন্তু চলতি হাওয়ার প্রতিটা সময় যখন ঘড়ি ধরে একেবারে পাক্কা গুণে গুণে চলে, তখন পারফেক্ট সময়ের তালিকা থেকে সেক্সই বা বাদ যায় কেন? সকালের ৮টার গ্রিন টি বা দুপুরে কাজের ফাঁকে মনে করে ৫মিনিটের বন্ধ চোখের যোগাসন বা সন্ধে ৭টার জিম-

সবেতেই তো টাইমে পাক্কা এই প্রজন্ম। তা, পারফেক্ট টাইমিংয়ের এহেন শিডিউলের নির্দিষ্ট ফাঁকে সেক্সকেও গুঁজে দিতে হবে বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল। আর তার জন্য ঘুম ভাঙার ঠিক পরের সময়টাই আদর্শ!


আসলে সকালের বিশ্রি অ্যালার্মে সাধের ঘুম আর স্বপ্নের পিন্ডি চটকে বেজার মুখে বিছানা ছাড়লে পুরো দিনটাই মাটি। অ্যালার্মের কান ঝালাপালা সকালের চেয়ে তাই বরং একটি মিষ্টি মিলন হোক আপনার দিন শুরুর প্রথম উপহার। মনোরোগ বিশেষজ্ঞ এবং সেক্সোলজিস্টদের মতে রাতের ঘুমপাড়ানিয়া নয়, সেক্স যদি হয় ঘুমভাঙানিয়া- তবেই সম্পর্কের সমীকরণ একদম জমে দই। আর এমন ভাল শুরুর বাকি দিনটাও ফুরফুরে যেতে বাধ্য। ক্লান্ত দিনের শেষে বালিশ আঁকড়ে শুয়ে পড়তে চাইলেও, সেক্স প্যাশনে জর্জরিত চলতি প্রজন্ম কিন্তু মিলনের বেস্ট সময় হিসেবে বেছে নিচ্ছে ঘুমভাঙা সকালকেই।

তাছাড়া অ্যালার্ম আর স্নুজের বিরক্তিকর এপাশ-ওপাশে বিছানা ছাড়ার প্রভাব পড়তে পারে গোটা দিনে। ডাক্তারদের মতে সকালের ঘুমভাঙার পরে ঝরঝরে মনে বিছানা থেকে ওঠাই শরীর ও মনের পক্ষে মঙ্গল। এখন শারীরিক মিলনের চেয়ে রিল্যাক্স আর কীসেই বা হতে পারে? সকালের মিষ্টি শুরুটাই পালটে দেবে পুরো দিনের ছবিটা। তবে হ্যাঁ, ভাল কিছু পাওয়ার জন্য বেশ কিছু নিয়মাবলী অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। মুখের দুর্গন্ধ কিন্তু শারীরিক মিলনের বড় বাধা। আর সকালের প্রথম চুমুতে এ ঘটনা ঘটাই স্বাভাবিক। কিন্তু খেয়াল করে রাতে শোয়ার আগে ভাল করে ব্রাশ করে নিয়ে মাউথ ওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। এরপর সিগারেটও চলবে না। দেখবেন সকালের চুমুতে পাশের কাছে মানুষটি আর বিশেষ মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন না।


আরও বলি, সেক্স মানেই তো পুরুষের আগেভাগে এগিয়ে যাওয়ার আধিপত্য আর বিশেষ নেই। তাই মহিলারাই বা কেন সকালের শুরুর শুরুটা করবেন না? চায়ের কাপ হাতে গুড মর্নিং কলের বদলে খানিক গা ঘেঁষে গাঢ় স্বরে স্বামীকে জাগিয়ে তুলুন। প্রাথমিক ছোঁওয়ার উষ্ণতায় প্রিয় মানুষটা একবার মাখামাখি হলে বাকি সময়ের স্বর্গসুখ অনুভবেই পাবেন। আর হ্যাঁ, বিছানার সাইড টেবিলে যেন কন্ডোমের প্যাকেট অবশ্যই রাখা থাকে। সকালের আলস্য কাটিয়ে মন যখন সোহাগে আনচান আরও কিছু চাইছে, তখন ঘরময় ঘুমচোখে কন্ডোমের খোঁজ সব কিছু মাটি করতে পারে।


তা, সকাল সকাল নানান রকম এক্সপেরিমেন্ট চলতে পারে? কেন নয়, এক্সপেরিমেন্ট তো মিলনের একটা বড় অংশ! কিন্তু তা যেন কখনওই বিরক্তির কারণ না-হয়ে যায়। অফিসের তাড়ার কথা মাথায় রেখেই বেশি গদগদ এক্সপেরিমেন্টাল হবেন না। এতে রিল্যাক্স হওয়ার বদলে ‘দৌড়া দৌড়া ভাগা ভাগা সা’ সময়ই জুটবে। এক্সপেরিমেন্টের সময় রাতের জন্য তুলে রেখে শরীরে-মনে এক হয়ে যাওয়ার আনন্দই বা কম কীসে? আর হ্যাঁ, শুধু রাতের বাসি বিছানা কেন? অ্যাটাচড বাথরুমে রোম্যান্সের আইডিয়াল সুযোগও যে এই সকালেই।
এর পর আর কী ভাবছেন বলুন তো? ঘুম ভাঙলেই বসের রাগী মুখ মনে পড়ার পর কি আর এসবে মন দেওয়া যায়? একবার দিয়েই দেখুন না; শরীরে মনে তাজা-ফুরফুরে হয়ে সারাদিনের টেনশন হেলায় কাটিয়ে আপনি কেমন চিরতরুণটিই থেকে যান!