স্ক্রিননির্ভর জীবন


স্ক্রিননির্ভর জীবন

  

সারাদিন কর্মক্ষেত্রে ল্যাপটপের স্ক্রিনে চোখ রেখে ঘরে ফিরে আবার বসছেন টিভি স্ক্রিনের সামনে। রিমোটের নব ঘুরছে, একটার পর একটা চ্যানেল আসছে, কোথাও মন বসছে না। বেডরুমের টিভিতে গৃহকর্ত্রী তখন বুঁদ হয়ে আছেন হিন্দি সিরিয়ালে। পাশের রুমে মেয়ের খোলা দরজায় চোখ রেখে দেখলেন কম্পিউটারে ফেসবুকে নিমগ্ন মেয়ে। ছোট ছেলেটি পড়ার টেবিলে বসেই ভিডিও গেমের বাটন টিপে যুদ্ধজয়ের ভার্চুয়াল নেশায় উত্তেজনায় কাঁপছে। একই ছাদের নিচে নানা স্ক্রিনে চোখ রেখে চার আপনজন হয়ে উঠেছেন চার পৃথিবীর বাসিন্দা। এক অদ্ভুত একা, নিঃসঙ্গ, বিচ্ছিন্ন পৃথিবীর বাসিন্দা হয়েও যে যার মতো খুঁজে নিচ্ছেন আপন আপন জগৎ। আমরা বাঁধা পড়ছি এক নতুন জীবনচক্রে। এক দেয়ালের মধ্যে বসবাস করেও তৈরি হচ্ছে যোজন যোজন দূরের পৃথিবী। কখনো তা সুখ আনছে কখনো তা ডাকছে দুঃখ। কিন্তু এ থেকে যেন মুক্তি নেই। নিত্যদিনের জড়িয়ে যাওয়া এই নয়া পৃথিবীই যেন আমাদের নয়ানিয়তি। লিখেছেন শুভ কিবরিয়া

ভদ্রলোকের এক ছেলে এক মেয়ে। বেসরকারি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন পদে কাজ করেন। সকালে যখন অফিসে বের হন গাড়িতে মোবাইল ফোনের স্ক্রিনেই জেনে নেন সেদিনের দৈনিক সংবাদের শিরোনাম। অনলাইন মিডিয়ার কল্যাণে লম্বা সময় ধরে নিউজপ্রিন্টের সংবাদপত্র পাঠের ধকল আর সামলাতে হয় না তাকে। সংবাদ পাঠের মাঝেই দ্রুত নিজের পারসোনাল ই-মেইল চেক করে নেন। একবার উত্তরও দেন প্রয়োজনমতো মোবাইলের বাটন টিপে। মুঠোফোনের প্রতি এক ধরনের কৃতজ্ঞতা জেগে ওঠে। এক মোবাইল ফোন কত কাজের সুবিধা দিচ্ছে। 
অফিসে পৌঁছেই ল্যাপটপের মনিটরে চোখ রাখেন। আজকাল আর কাগজের বালাই নেই। ল্যাপটপের স্ক্রিনেই ব্যাংকিং জগতের গোটা দুনিয়ার খবর। প্রথম যখন পেশাগত জীবন শুরু করেছিলেন তখনও টেবিলজুড়ে কাগজপত্র থাকত। দ্রুত কাগজের অফিস হারিয়ে গেল। ল্যাপটপের মনিটরে চোখ রেখে এসব ভাবতে ভাবতেই মুঠোফোনের এসএমএস অ্যালার্ট বেজে ওঠে। মেয়ের স্কুলের কর্তৃপক্ষের মেসেজ। আগামী সপ্তাহে প্যারেন্টস ডে, তার খবর। ল্যাপটপ আর মোবাইল ফোন, দুই স্ক্রিনের এই চালাচালির মাঝেই দ্রুত অফিসের জরুরি মিটিংগুলো সারতে থাকেন। মিটিংয়ে থাকার সময় মুঠোফোন সাইলেন্স মুডে থাকে। মিটিং শেষে মুঠোফোন খুলে মেসেজ, মিসকলগুলোর দিকে তাকান। একটা নম্বর অচেনা মনে হয়। রিং করতেই ওপার থেকে তাকে মনে করিয়ে দেয়া হয় আজ রাত সাড়ে আটটায় মেডিসিনের প্রফেসরের সঙ্গে তার অ্যাপয়েনমেন্টের কথা। ছেলেকে নিয়ে যাবেন। বেসরকারি হাসপাতাল থেকে রিকনফার্ম করা হলো আজকের অ্যাপয়েনমেন্ট।
ছেলেটার মুখ ভেসে ওঠে। দেখতে দেখতে কী লম্বা হয়ে গেল। দেশের খ্যাতনামা একটা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের সিনিয়র সেকশনে পড়ছে। দেখতে অনেকটা দাদার মতো হয়েছে। আজকাল ছেলের মুখের দিকে তাকালে নিজের বাবার কথা মনে পড়ে। প্রায় ১৫ বছর আগে বাবা মারা গেছেন। কাজের ভিড়ে বাবার কথা মনেই পড়ে না। বাবা কি মিষ্টি আদর করতেন, আর প্রয়োজনে কি কড়া শাসন ছিল তার! নিজের ছেলের সঙ্গে অবশ্য সম্পর্কটা অন্যরকম। প্রায় বন্ধুর মতো। যদিও কর্মব্যস্ততার কারণে আস্তে আস্তে ছেলের সঙ্গে শেয়ার করার সময় কমে যাচ্ছে। ছেলে আর বাবা, দুই প্রজন্মের মাঝখানে দাঁড়িয়ে ভাবতে ভাবতে আলগোছে কাছে টেনে নেন নোটবুক। নোটবুকের টাচস্ক্রিনে দেখতে থাকেন নিজের বাবার ছবি। ফিরে আসতে থাকে স্মৃতি, শৈশব, ধূসর দিনের বহু উজ্জ্বল আনন্দঘন সময়ের কথা। একসময় দেখেন চোখের কোণে পানি জমেছে। একটু অবাক হয়েই পড়েন। আজ কি হলো? নোটবুক বন্ধ করে, মুঠোফোনে স্ত্রী এবং ছেলেকে মেসেজ পাঠান, আজ বিকেলে ডাক্তারের কাছে অ্যাপয়েনমেন্টের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে। স্ত্রীর তাৎক্ষণিক পাল্টা মেসেজ, ওকে, থ্যাংকস। মুচকি হাসতে থাকেন। বিয়ের আগে বছর দেড়েকের প্রেম ছিল। দুজনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলতেন। আজকাল দুজনের দেখা এবং কথা হয় যত, তার চেয়ে স্ক্রিনেই যোগাযোগ বেশি। আন্তর্জাতিক এক এনজিওতে দ্রুত ওর উন্নতি হচ্ছে। ক্যারিয়ারের প্রতি যত
œবান স্ত্রী, আজকাল ট্রেনিং, সেমিনার এসব নিয়ে বিদেশেই থাকেন বেশি। দেশে থাকলেও বেশির ভাগ সময় কাটে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর সঙ্গে গ্রামে। খাবার টেবিলে মাঝেমধ্যে তাই ছেলেটি রসিকতা করে মাকে বলে, মা এ মাসে কদিন তুমি দেশে থাকবে? ছেলেমেয়ের সঙ্গে বাবার মতো মায়ের যোগাযোগের বড় মাধ্যমও হয়ে উঠছে মুঠোফোন, মেইল, স্কাইপিÑ হরেক রকম স্ক্রিন।

২.
যে ঘটনাটির কথা উল্লেখ করা হলো, এরকম এক জীবনের মধ্যে দ্রুত ঢুকে যাচ্ছে উঠতি মধ্যবিত্ত। ছোট সংসারের, কর্মব্যস্ত, বৈষয়িক উন্নতির প্রতি ধাবমান এই নয়াপ্রজন্ম বাংলাদেশের মধ্যবিত্তের ষাটের দশকীয় মূর্তি ভেঙে দ্রুত ওপরে উঠছেন। ফ্ল্যাট, গাড়ি, ব্যাংক ব্যালেন্স, বিদেশ ভ্রমণ, অফিসনির্ভর জীবনের মাঝে পরিবার, সন্তান, স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে স্ক্রিন। মুঠোফোন, আইফোন, ল্যাপটপ, নোটবুক
Ñ এই ই-জগতের মাধ্যমেই পরিবার, বন্ধু-স্বজনদের সঙ্গে থাকছে নেটওয়ার্ক। এক অর্থে এই নেটওয়ার্ক এখন বড় হচ্ছে। বিদেশে বসবাসরত আত্মীয়-বন্ধুদের যাদের সঙ্গে একসময় বছরে একবারও দেখা হতো না, চিঠি চালাচালি ঘটত না, এখন তাদের সঙ্গে চলছে নিত্য যোগাযোগ। ফেসবুক, টুইটার, স্কাইপি, ইয়াহু, জি-মেইলÑ কত নিত্য পথে প্রতিদিন জানা হয়ে যাচ্ছে সবার খবর। 
এটা শুধু উঠতি মধ্যবিত্তের জীবনেই যে ঘটছে তা নয়। আমাদের সবার ঘরে, কোনো না কোনো কর্মে স্ক্রিনের উপস্থিতি নিত্য বাড়ছে। যাদের সামর্থ্য আছে, শিক্ষায় বিনিয়োগের সুযোগ আছে, সামাজিক যোগাযোগের শক্তি আছে তারা তো বটেই, যাদের সেসব নেই তারাও ঘরের মধ্যে স্ক্রিনের চৌহদ্দিতে আটকে থাকছেন। টেলিভিশনের স্ক্রিন এখন তাদের জীবনের বড় অংশ। হিন্দি, বাংলা সিরিয়াল, কৌতুকের রিয়েলিটি শো, গানের প্রতিযোগিতা, স্পোর্টস শো, নিউজ, প্রকৃতি হরেক রকম চ্যানেলের
  বহুবিচিত্র অনুষ্ঠান আমাদের ঘরের জীবনকে আটকে রেখেছে স্ক্রিনের কয়েক ইঞ্চির সীমানায়।

৩.
রাজনীতি কি স্ক্রিনের বাইরে? যে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি বা সংবাদ সম্মেলনে নেতাদের ক্যামেরার সামনের হুড়োহুড়ি খেয়াল করলেই এর উত্তর পাওয়া যাবে। টেলিভিশন ক্যামেরায় মুখ দেখিয়ে নেতা হবার রাজনৈতিক ইঁদুর দৌড় এখন প্রবল। যারা আরেকটু সৌভাগ্যবান, যাদের সামাজিক যোগাযোগ আরেকটু গতিময়, তাদের জন্য রয়েছে টেলিভিশনের টকশো। বিরোধী দল গত চার বছরে যা করতে পারেনি, এক টকশোই তার চেয়ে বেশি প্রভাব রেখেছে সরকারি দলের ওপর। টেলিভিশন স্ক্রিনের মধ্যরাতের টকশো খোদ প্রধানমন্ত্রীকে পর্যন্ত বিরক্ত করছে। মিডিয়ায় তিনি সেই বিরক্তি প্রকাশও করেছেন। স্ক্রিনে জনগণ তাই দেখছে।
শুধু বুর্জোয়া রাজনীতির দল আওয়ামী লীগ-বিএনপিই নয়, আগে যারা সমাজ বদলের কথা ভাবতেন, সেই বামপন্থি রাজনীতিবিদদের, রাজনৈতিক কর্মীদের ভরসাও এখন স্ক্রিন। ফেসবুকে তারা স্ট্যাটাস দিচ্ছেন, কে কখন কোথায় কোন বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টকশোতে যাচ্ছেন। ছোট স্ক্রিনে বার্তা রাখছেন, বড় রাজনৈতিক কর্মসূচির।
 
সামাজিক যোগাযোগের নেটওয়ার্ক ফেসবুকের স্ক্রিন যে বড় শক্তি অর্জন করেছে, তার প্রমাণ মধ্যপ্রাচ্যের আরব বসন্ত। বাংলাদেশেও তার স্বপ্নপ্রবণতা দেখা যায় রাজনৈতিক কর্মীদের ফেসবুক স্ট্যাটাসে। স্ক্রিন যে কত শক্তিশালী, কখনো কখনো কত আত্মধ্বংসী তার প্রমাণ মিলেছে রামুর সাম্প্রদায়িক সহিংসতায়। এর উপাদান, প্রণোদনা, প্ররোচনা ঘটিয়েছে মোবাইল আর কম্পিউটারের স্ক্রিনে ভেসে আসা কোরান অবমাননার ছবি।

৪.
শিক্ষার্থীদের জীবনে স্ক্রিনের প্রভাব বড় হয়ে উঠছে। আগে ছেলেমেয়েরা দল বেঁধে সিনেমা হলে যেত ছবি দেখতে। এখন কম্পিউটার স্ক্রিনেই তা সারছে। জ্ঞানভাণ্ডার এখন গুগল আর ইন্টারনেটের স্ক্রিন চৌহদ্দিতে ঢুকে যাওয়ায় ম্যানুয়াল লাইব্রেরির গুরুত্ব কমে যাচ্ছে। শিশুরাও এখন আর মাঠে যায় না, খোলা আকাশের দেখা পায় না। মাঠ কমছে, আকাশ হারিয়ে গেছে বলেই হয়ত শিশুদের খেলার জগৎ আর স্বপ্নপৃথিবী হচ্ছে স্ক্রিন। ডোরেমন তাদের এক নয়া অ্যাডিকশনের নাম। কার্টুন চ্যানেলগুলো এখন তাদের দিনরাত্রি কেড়ে নিচ্ছে। টেলিভিশন বা কম্পিউটার স্ক্রিনে বসেই ভিডিও গেমসে তৈরি হচ্ছে তার স্বপ্নজগৎ। ফার্মভিল তাকে শেখাচ্ছে কল্পিত গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগির ফার্ম তৈরির কথা। স্পোর্টস রাইডে চড়ে সে চলে যাচ্ছে তার অনন্ত স্বপ্নের ভার্চুয়্যাল জগতে। স্ক্রিন অ্যাডিকশনে খেলাধুলা, দৌড়াদৌড়ি কম
  বলে মুটিয়ে যাচ্ছে শিশুরা। সেই সমস্যা সমাধান করতে আবার এগিয়ে আসছে স্ক্রিন। ভার্চুয়্যাল জগতে শিশুদের খেলাধুলা, ব্যায়াম নিয়ে আসছে এক্সবক্স। টিভির মনিটরে চোখ রেখে দুরন্ত সব অ্যাডভেঞ্চারে মাতছে সচ্ছল পরিবারের শিশুরা।

৫.
স্ক্রিনের প্রভাব কি নেই তৃণমূলের জীবনে? যে কোনো বস্তি এলাকায় গেলে দেখা যাবে, ঘরে ঘরে চলছে টেলিভিশন, ভিডিও। মোবাইল ফোন তো সবার হাতে। গ্রামের ছোটবড় দোকানগুলো ছিল একসময় সামাজিক আড্ডার বড় কেন্দ্র। দোকান ঘিরে অবসর কাটত গল্প আড্ডায়। ধূমায়িত চায়ের সঙ্গে চলত রাজনীতির উজির-নাজির মারা। এখন সে জায়গারও দখল নিয়েছে স্ক্রিন। ছোটবড় প্রায় প্রতিটি দোকানে ডিভিডি চলছে সর্বক্ষণ। যার যার পছন্দমতো বাংলা কিংবা হিন্দি ছায়াছবি কিংবা গানের ট্রেলর চলছে। দোকানঘরের সব ক্রেতা কিংবা অবসর কাটানো আড্ডাপ্রিয় মানুষের চোখ আর মনোজগৎ দখল করে নিয়েছে টিভির কয়েক ইঞ্চির স্ক্রিন।
স্ক্রিন আমাদের সব দিচ্ছে। ধর্মীয় অনুষ্ঠান থেকে রিয়েলিটি শো হয়ে ন্যুড জগতের তাবৎ জিনিস পেয়ে যাচ্ছি আমরা স্ক্রিনে। এক স্ক্রিন থেকে অন্য স্ক্রিনে স্থানান্তরের সহজ প্রযুক্তির কল্যাণে জ্ঞানের জগৎ, সুশীল জগতের যেমন বিস্তার বাড়ছে, সহজগম্যতা ঘটছে, ঠিক তেমনি বাড়ছে অপরাধপ্রবণতাও।
পর্নোগ্রাফির প্রসার থেকে অনলাইন মার্কেটিংয়ের নয়াজগতের আবির্ভাব এখন এই স্ক্রিনেই। বাংলাদেশেই কোরবানির গরু কেনা যাচ্ছে অনলাইনের ল্যাপটপের মনিটরে চোখ রেখেই।

৬.
দেশে কি সুশাসন আসবে? দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে? এই শাসনগত প্রশ্নের সমাধানেও এগিয়ে এসেছে স্ক্রিন। কথা উঠেছে, ই-গভর্নেন্স প্রতিষ্ঠার। ই-টেন্ডারিংয়ের। এই ই-জগৎ এখন সুশাসনের সমার্থক হয়ে উঠেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের জয়গান চলছে। অফিস-আদালত সর্বত্র ডিজিটালাইজেশন হবার কথা উঠছে। সর্বত্রই ই-সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে নতুন শাসনদুনিয়ার পথে হাঁটতে চাইছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ এক স্ক্রিন সাম্রাজ্য এখন আমাদের আরাধ্য। দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন এখন তাই আসলে স্ক্রিন দুনিয়ার নয়ারাজ প্রতিষ্ঠার নামান্তর।

৭.
আমাদের ভাবনা, চিন্তা, কর্ম, বাণিজ্য, ধর্ম, শিক্ষা, স্বপ্ন
Ñ সর্বত্রই স্ক্রিনের উপস্থিতি বড় হয়ে উঠছে। এর ভালো দিক যেমন আছে মন্দ দিকও তেমনি আছে। ঘরের কোণে রাতের পর রাত যে মেধাবী ছেলেটি কম্পিউটারের স্ক্রিনে চোখ রেখে আউটসোর্সিং করে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে, তেমনি কেউ কেউ খুঁজে নিচ্ছে আল-কায়েদার যোগসূত্রও। গ্লোবাল পৃথিবীর এই নয়া স্ক্রিনরাজ তাই এখন এক বড় বিপদের নামও। এর হাত ধরে আমরা যেমন আবিষ্কার করতে পারি জ্ঞানের সমুদ্র ঠিক তেমনি ডুবে যেতে পারি সন্ত্রাসের, পর্নোগ্রাফির নিষিদ্ধ জগতেও। ছোট একটা স্ক্রিন যেমন আমাদের জীবনে আনতে পারে অনেক আনন্দের সংবাদ, ঠিক তেমনিই এই স্ক্রিনেই ভেসে উঠতে পারে সবচেয়ে বড় দুঃসংবাদ। কিন্তু স্ক্রিন থেকে মুক্তি নেই। আধুনিক দুনিয়ার এই নয়া আবিষ্কার আমাদের আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে ফেলেছে। পুঁজি আর বাণিজ্যের দুনিয়াবি সিন্ডিকেট তাতে দিয়েছে তা। কাজেই স্ক্রিন জগতেই এখন আমাদের নিত্যবাস।
এই ঈদে হরেক চ্যানেলে হাজার রকমের অনুষ্ঠানের বিজ্ঞাপন চলছে। এই ছোট স্ক্রিনের নানান অনুষ্ঠান কেড়ে নেবে আমাদের ঈদজীবন। এক চ্যানেল থেকে অন্য চ্যানেলের নব ঘুরিয়ে স্ক্রিনের মাহাত্ম্যেই হয়ত আমরা ভুলে যাব আমাদের সামাজিক আড্ডার কথা, আত্মীয় সম্মিলনের কথা। কিংবা হয়ত ফেসবুকে, মুঠোফোনে ঝালিয়ে নেব আমাদের আত্মীয়তা-বন্ধুত্ব ।
সূত্র ঃ http://www.shaptahik.com/v2/?DetailsId=7428

দ্য ইকনোমিস্টের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতি


দ্য ইকনোমিস্টের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতি
Bangladesh
Politics of hate
An ancient vendetta continues to eat away at public life << Original Link

আন্তর্জাতিক প্রভাবশালী সাময়িকী দ্য ইকনোমিস্টের ২০ নভেম্বর সংখ্যায় বাংলাদেশের বৈরিতার রাজনীতি নিয়ে প্রকাশিত বিশ্লেষণধর্মী নিবন্ধটির অনুবাদ

Hartal

Hartal

সেনাবাহিনীর দুর্যোগময় অন্তর্বর্তীকালীন ব্যর্থ শাসন ও দেশের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক শাসকপরিবারের নেতারা জেল থেকে মুক্ত হওয়ার দুই বছর পর বাংলাদেশ পুনরায় ঘৃণা ও সংঘাতের রাজনীতির আবর্তে ঘূর্ণায়মান। এর জন্য মূলত দুই নেতার একজন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অন্যজন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত প্রতিহিংসাই দায়ী।

বেগম জিয়া ১৩ নভেম্বর ঢাকায় ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় যে বাড়িতে প্রায় ৩২ বছর ধরে বাস করে আসছিলেন তা থেকে উচ্ছেদ হন। এ পদক্ষেপ একটি হরতালের জন্ম দেয়। এটা ছিল বেগম জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিরোধী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ডাকা প্রতিবাদের রূপ। এতে তার বিএনপি ও শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের সমর্থকদের মধ্যে সহিংসতার ঘটনা ঘটে। দেশটির তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি সেনাবাহিনী হাইকোর্টের উচ্ছেদ আদেশ কার্যকরে সহায়তা করে। বেগম জিয়ার বাড়ির চারপাশের বিশাল এলাকা নির্বাচনে তার দল আওয়ামী লীগ ক্ষমতা গ্রহণের পর পর গত বছরের প্রথম দিকে (বিডিআর) বিদ্রোহে নিহত ৫৭ জন সামরিক কর্মকর্তার পরিবারের আবাসনের জন্য বরাদ্দের ঘোষণা দেন শেখ হাসিনা এবং এটি তার একটি কূটচাল।

উচ্ছেদ কার্যক্রম হচ্ছে বিএনপির মেরুদন্ড ভেঙে দেওয়ার জন্য (আওয়ামী) লীগের মিশনের অংশ। এটা হচ্ছে বেগম জিয়ার মরহুম স্বামী ও ১৯৭১ সালে পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের নায়ক জেনারেল জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত বংশানুক্রমিক রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ইতিহাস থেকে মুছে দেওয়ার আবিষ্টতাজাত।

ফেব্রুয়ারিতে সরকার ঢাকার জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নাম বদলে একজন শ্রদ্ধেয় সুফিসাধকের নামে রাখে। (সরকার) ১৯৭২ সালের সংবিধান ‘পুনর্মুদ্রণের’ সিদ্ধান্তও নিয়েছে জুলাইয়ে সুপ্রিম কোর্টের একটি যুগসন্ধিক্ষণমূলক রুলিংয়ের আলোকে, যাতে অন্যান্য নানা বিষয়ের সঙ্গে ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকান্ডের পর জেনারেল জিয়াসহ সব সামরিক শাসনকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এদিকে অক্টোবরে একটি আদালত বেগম জিয়ার ছোট ছেলের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।

সেনাসমর্থিত অন্তর্বর্তীকালীন শাসনের সময় বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা চারটি দুর্নীতি মামলা রয়েছে। অন্যদিকে একই সময়ে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা ১৩টি দুর্নীতি মামলা বর্তমান সরকারের আমলে তুলে নেওয়া হয়েছে। এমনকি সাম্প্রতিক এ আক্রমণের আগ থেকেই বিএনপি ধুকে ধুকে চলছিল। ৩০০ আসনের জাতীয় সংসদে দলটির মাত্র ৩০টি আসন রয়েছে। তারা এই জাতীয় সংসদও বয়কট করে চলছে। এটা এখন বিভক্ত। বেগম জিয়ার পক্ষে এখন সংখ্যালঘু সংখ্যার সমর্থন রয়েছে। এদিকে বিএনপির প্রধান সহযোগী বাংলাদেশের বৃহত্তম ইসলামি দল জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা জেলে রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময়কালের অপরাধের অভিযোগ এবং তারা এখন সম্ভাব্য শাস্তির সামনে। সাবেক একজন প্রধানমন্ত্রী এবং বেগম জিয়ার কৌঁসুলি মওদুদ আহমদ বলেন, এ জোট বিএনপির সুনাম, বিশেষ করে আন্তর্জাতিকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। কিন্তু তার পরও বিএনপির প্রয়োজন রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী সমর্থনের।

economist.com

economist.com

বেগম জিয়ার সামনে একমাত্র আশা যে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ সংকট এবং শেখ হাসিনার সরকারের সর্বগ্রাসী পুঁজিবাদী শাসন যা বেগম জিয়ার শাসনামলও (২০০১-০৬) ছাড়িয়ে গেছে তাতে জনগণ বীতশ্রদ্ধ ও হতাশ। সরকারের প্রতি জনগণের যে নির্ভরতা ছিল তাতে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বেগম জিয়া মনে করছেন, একসময় গণজোয়ার তার বড় ছেলে ও সম্ভাব্য উত্তরাধিকারী তারেক রহমান (যিনি এখন ব্রিটেনে নির্বাসনে রয়েছেন) এর পক্ষে ধাবিত হবে। যদিও তারেক রহমান সেনা হেফাজতে থাকাকালে ভাঙা মেরুদন্ড নিয়ে ২০০৮ সালে দেশত্যাগ করেন এবং তিনি বেগম জিয়ার শাসনামলের দুর্নীতির প্রতীক। এমনকি তিনি বিএনপি নেতাদেরও অনেকেরই অপছন্দের মানুষ।

ইতোমধ্যে শেখ হাসিনার প্রতিহিংসা ভারতীয় সরকারের সমর্থন লাভ করেছে। (এই সরকারের আমলে) বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। বেগম জিয়ার রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের শাসনের সমাপ্তি, ভারতের চোখে তার জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত। ভারত মনে করে, তার পরিবার ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে চলেছে। এই মাসে তারেক রহমানের ডান হাত বলে কথিত এক ব্যক্তি তদন্তকারীদের বলেছেন, ঢাকায় পাকিস্তানি দূতাবাস ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অসমিয়া জাতিসত্তার জন্য স্বাধীনতার লক্ষ্যে যুদ্ধরত সশস্ত্র গ্রুপ ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অব অসম (উলফা) বিএনপি (এ ক্ষেত্রে তারেক রহমান) ও তাদের সহযোগী বাংলাদেশী অদৃশ্য এক গোষ্ঠীকে এক কোটি ডলার প্রদান করেছে ভারতীয় সশস্ত্র গ্রুপের জন্য ১০ ট্রাক অস্ত্র গোপনে পাচার করতে।

100 injured in hartal clashes

100 injured in hartal clashes

পশ্চিমা সরকারগুলোও তারেক রহমানের ফিরে আসার বিরোধিতা করে। তারা সূক্ষ্ম ঘোমটায় টানা ২০০৭ সালের জানুয়ারির সেনা অভ্যুত্থানকে (যা বিএনপির নির্বাচনী ফলাফল ছিনিয়ে নেওয়া প্রতিহত করে বলে তারা মনে করে) সমর্থন করে। এই অভ্যুত্থান সাবেক বিএনপি সরকারকে ঘিরে যে ইসলামিক চরমপন্থী ছোট ছোট গ্রুপ গড়ে উঠেছিল তাদের ওপরও আক্রমণ করে। আওয়ামী লীগের নীতির কেন্দ্রীয় কৌশল হচ্ছে এই আক্রমণ চলমান রাখা।

সরকারের জনপ্রিয়তা কমতে থাকা সত্ত্বেও শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠজনেরা খালেদা জিয়ার ব্যাপারে নমনীয় নন যা বেগম জিয়াকে হ্রস্ব করে। এমন একটি পরিস্থিতিতে প্রায় চার দশকের পুরনো ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণে সৃষ্ট বিভেদের রাজনীতিতে (আওয়ামী) লীগ কী করে নিজেকে সংশ্লিষ্ট রাখতে পারে সেটাই দেখার বিষয়। এখন তাদের সময় এসেছে শাসনকাজে মন দেওয়ার। [সাপ্তাহিক বুধবারে প্রকাশিত]

আমাদের সময়, আলোচনা, ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ, জনকন্ঠ, ডেসটিনি, দিগন্ত, দিনের শেষে, নয়া দিগন্ত, প্রথম আলো, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ভোরের কাগজ, মানবজমিন, মুক্তমঞ্চ, যায় যায় দিন, যায়যায়দিন, যুগান্তর, সংগ্রাম, সংবাদ,চ্যানেল আই, বাঙ্গালী, বাংলা ভিশন, এনটিভি,এটিএন বাংলা, আরটিভি, দেশ টিভি, বৈশাখী টিভি, একুশে টিভি, প্রবাস, প্রবাসী, ঠিকানা, জাহান হাসান, বাংলা, বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস, লিটল বাংলাদেশ, ইউএসএ, আমেরিকা, অর্থনীতি, প্রেসিডেন্ট ওবামা,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,অর্থ, বাণিজ্য, শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামাত, রাজাকার, আল বদর, সুখ, টেলিভিশন, বসন্ত উৎসব, Jahan, Hassan, jahanhassan, Ekush, bangla, desh, Share, Market, nrb, non resident, los angeles, new york, ekush tube, ekush.info,

টিভি গাইডঃ ঈদের অনুষ্ঠানমালা


টিভি গাইড

ঈদের আগের দিন

বিটিভি

৫-৩০ ঈদের তাৎপর্য ও নিয়মাবলী

৫৫-৫৫ মনের কথা

৬-১৫ ছোটদের অনুষ্ঠান

৭-০০ নৃত্যানুষ্ঠান

৭-৩০ ঈদের রান্না

৯-০০ সঙ্গীতানুষ্ঠান

১০-৩০ আনন্দ মেলা

১২-০০ খোলা চিঠি

এটিএন বাংলা

৯-১৫ নাটক: লীলাবতী

১০-৩০ টকশো: হ্যালো বাংলাদেশ

১১-১৫ সিটি ভিশন ২০২০

১২-১৫ সড়ুল ভিত্তিক ম্যাগাজিন: অফ টাইম

১-২৫ সঙ্গীতানুষ্ঠান: এটিএন মিউজিক

২-৪৫ ছায়াছবি: বধুবরণ

৬-১০ মুক্তিপ্রাপ্ত ছায়াছবি নিয়ে : শুভমুক্তি

৮-০০ নাটক: হাজার রজনীর গল্প

৯-১০ গীত ও গজলসন্যা

১০-৫৫ নাটক: প্রপোজাল

চ্যানেল আই

১-৩০ হূদয়ের গান

২-৪০ ধারাবাহিক নাটক ভালোমন্দ মানুষেরা

৩-০৫ চ্যানেল আই সেরাকণ্ঠ’১০

৩-৩০ আপনার সুস্বাস্থ্য

৪-০৫ মুক্তিযুদ্ধ প্রতিদিন

৫-৩০ গল্প নয় নাটক

৬-০০ ধারাবাহিক নাটক কষ্ট শুধুই আমার

৬-১৫ স্পেশাল অনুষ্ঠান

৬-৩০ বিহাইন্ড দ্যা সিন অব গহীনে শব্দ

৭-৫০ নাটক: হোয়াইটওয়াশ

১১-৩০ তারকাদের নিয়ে অনুষ্ঠান ঈদ ভাবনা

১২-০০ আজকের সংবাদপত্র

একুশে টেলিভিশন

৭-৩০ নাটক: জিন্নাহ কশাই

৮-৩০ নৃত্যানুষ্ঠান: নাচ আনন্দ

৯-৩০ চলচ্চিত্র বিষয়ক অনুষ্ঠান: ঈদ মুভিজ

১০-০০ অপূর্ব সঙ্গে তাহাদের মধুচন্দ্রিমা

১১-৩০ নাটক: তিনটি প্রিয় মুখ

১২-৩০ এন্ড্রূ কিশোর ও সাবিনা ইয়াসমিন মিউজিক স্পেশাল: গানের পাখি

আরটিভি

৮-০০ ঈদ স্পেশাল বোটানিক এরোমা

১২-০৫ নিউজ হেডলাইন

২-৩০ টেলিফিল্ম: ঝুমুর ঝুমুর প্রেম

৪-৪৫ হজ্ব ও ওমরা

৫-৪৫ ত্যাগের মহিমায় কোরবানী

৮-০০ ঈদ স্পেশাল নৃত্যানুষ্ঠান

৯-০০ নাটক: দুই লাইন কম বুঝে

১১-৩০ নাটক: তোমাদের সাগড় পাড়ে

ঈদের দিন

বিটিভি

৪-০৫ নৃত্যানুষ্ঠান

৪-৪০ সঙ্গীতানুষ্ঠান

৫-৪০ তারার ভূবনে সুরের ছোঁয়া

৭-০০ ছায়াছন্দ

৮-৩০ ঈদের নাটক

১০-২৫ আনন্দ মেলা

এনটিভি

১০-০৫ পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা ছায়াছবি ‘লুটতরাজ’

২-৩০ টেলিফিল্ম ‘অ্যাংকর মফিজ’

৫-৩০ একটি ভুবন দুটি তারা

৬-১৫ এলো খুশির ঈদ

৮-১৫ বিশেষ নাটক ‘চন্দ্রাহত’

৯-৪৫ অ্যাডভেঞ্চার গেইম শো ‘জি-ফ্যাক্টর’

১১-৩০ মিনিটে প্রচারিত হবে নাটক ‘৫.৫’

এটিএন বাংলা

০৯-১০ ছোটদের ‘ঈদ আনন্দে মাতি’

১০-০০ এটিএন বাংলা সংবাদ

১০-৩০ রান্নার অনুষ্ঠান ‘এটিএন রান্নাঘর’

১১-১৫ বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘অজান্তে’

১২-১৫ সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘মুসাফির চলতে চলতে’

১২-৪৫ ঈদের বিশেষ টেলিছবি ‘কৃষ্ণপক্ষ খোঁজে কুমারী চাঁদ’

০৩-৩০ ছায়াছবি ‘চিরদিন আমি তোমার’

০৭-৪৫ বিশেষ নাটক ‘গণিত মানব’

০৮-৫০ ঈদের বিশেষ নাটক ‘?’

১০-৪৫ ইভা রহমানের একক সঙ্গীতানুষ্ঠান মন থেকে দূরে নয়

একুশে টিভি

০৮.০০ বিশেষ অনুষ্ঠান ঃ কুরবানীর মহিমা

০৮.৩০ বিশেষ একুশের সকাল(সরাসরি)

০৯.৩০ বিশেষ অনুষ্ঠান ঃ মজার কিচ্ছা

১০.০২ ঈদ স্পেশাল মুক্ত খবর

১১.৩০ ডকুড্রামা ঃ অপেক্ষা, আনন্দ, বেদনা

১২.০২ বিশেষ একুশের দুপুর(সরাসরি)

১২.৩০ রান্নাবিষয়ক ঃ টমি মিয়ার রেসিপি

০১.৩০ বাংলা সিনেমা : আমার স্বপ্ন তুমিপরিচালনা ঃ হাসিবুল ইসলাম মিজান

০৫.২৫ ঈদ এক্সক্লুসিভ মোমেন্টস

০৬.৩০ বিশেষ একুশের সন্ধ্যা(সরাসরি)

০৭.৩০ বিশেষ নাটক ঃ জিন্নাহ কশাই

০৮.৩০ বিশেষ নৃত্যানুষ্ঠান ঃ নাচ আনন্দ

০৯.৩০ চলচ্চিত্র বিষয়ক ঃ ঈদ মুভিজ

১০.০০ অপুর্বর সঙ্গে তাহাদের মধুচন্দ্রিমা

১১.৩০ বিশেষ নাটক ঃ তিনটি প্রিয় মানুষ

১২.৩০ বিশেষ এন্ড্রু কিশোর ও সাবিনা ইয়াসমিন মিউজিক স্পেশাল ঃ গানের পাখি

চ্যানেল আই

৮.০৫ ঈদ স্পেশাল

১০.৪০ পূরবী ঈদ আনন্দ

১১.৩০ ঈদ স্পেশাল নাটক

১.৩০ গহীনে শব্দ

২.০০ চ্যানেল আই দুপুরের সংবাদ

৬.৩০ বিহাইন্ড দ্য সিন অব ডুবসাঁতার

৭.০০ চ্যানেল আই সন্ধ্যার সংবাদ

৭.৫০ মীরার দিন-রাত্রি (নাটক)

৯.০০ চ্যানেল আই রাতের সংবাদ

৯.৩৫ আলাপী (নাটক)

১০.৩০ চ্যানেল আই রাতের সংবাদ

১২.০০ ভালোবাসার বাংলাদেশ, পর্ব-১

আরটিভি

০৮-৩০ ঈদ স্পেশাল বোটানিক এরোমা

০৯-০০ নির্বচিত অনুষ্ঠান

০৯-৪৫ আরটিভির সকালের সংবাদ

১০-০০ বাংলা ছায়াছবি- ভাইয়া

১২-০৫ নিউজ হেডলাইন

০২-৩০ ঈদ টেলিফিল্ম- হাট টু ডুডু

০৪-৪৫ বিশেষ অনুষ্ঠান- দস্যুদের দস্যিপনা

০৮-০০ ঈদ ধারাবাহিক ‘গরিবের বন্ধু’

০৯-০০ ঈদ নাটক ‘সারমেয়’

১১-৩০ ঈদ জেগে আছো কি?

বাংলাভিশন

৮:০০ ঈদের বিশেষ নাটক ‘দি কাউ’

৯:০০ বাংলাভিশন নিউজ টপ টেন

৯:০৫ এলিট লাচ্ছা সেমাই আমাদের রান্নাঘর

৯:৩০ বাংলাভিশনের ঈদ আয়োজন

১০:০০ বাংলাভিশন সংবাদ

১০:১০ বাংলা চলচ্চিত্র ‘সুন্দরী বধূ’

১:০০ বাংলাভিশন নিউজ টপ টেন

২:০০ বাংলাভিশন সংবাদ

২:১০ বিটিভির সংবাদ

২:৪০ বিশেষ টেলিফিল্ম ‘বেহালা’

৪:০০ বাংলাভিশন সংবাদ

৫:০০ সংবাদ দেশজুড়ে

৫:১৫ বাংলাভিশনের ঈদ আয়োজন

৬:০০ বাংলাভিশন নিউজ টপ টেন

৬:০৫ মঞ্চ থেকে পর্দায়

৭:৩০ বাংলাভিশন সংবাদ

৮:১০ বিশেষ নাটক ‘চাঁদের বুড়া’

৯:৪০ গানের যাদুকরদের ‘সালেকা মালেকা’

১১:১৫ বিশেষ নাটক ‘হাইওয়ে টু হেভেন’

দেশ টিভি

৮:০০ গানের- খুঁজি তারে নতুন করে

৯:০০ কার্টুন ছবি: টম অ্যান্ড জেরি

৯:৩০ শিশুতোষ: কল্পলোকের গল্পকথা

১০:৩০ ছায়াছবি: রূপবান

২:৩০ টেলিফিল্ম: আয়শার ইতিকথা

৬:০০ বিশেষ রান্নার অনুষ্ঠান: রান্না বান্না

৬:২৫ সেলিব্রেটি শো: হঠাৎ একদিন

৭:৩০ ৭ দিনের ধারাবাহিক নাটক: মুর্তি

৮:৩০ সাত তরুনের নাটক: যা দেখি নাই

১০:০০ ৭ দিনের ধারাবাহিক নাটক: জিম্মি

১১:৪৫ লাইভ শো : ব্যান্ডদল বাংলা

বৈশাখী

১০.৪০ ছায়াছবি: পৃথিবী তোমার আমার

৩.১০ টেলিফিল্ম : গেন্দু চোরার প্রেম কাহিনী

৫.২০ ঈদ সিনেমার গান

৬.২০ গাঁও গেরামের ঈদ: পর্ব-১

৭.৫০ ধারাবাহিক প্রেমের নাম বেদনা- পর্ব ১

৮.৩০ বিশেষ নাটক : মুগ্ধ নীলিমার প্রান্ত

১০.৩৫ বিশেষ নাটক: জোড়া শালিক

১২.০০ সময় কাটুক গানে গানে

দিগন্ত টিভি

১১-৩০ আনন্দ সম্ভার

১২-০০ মধ্যাহ্নের সংবাদ

০২-০০ দুপুরের সংবাদ

০২-৩০ দি উইলো টি

০৪-৩০ বানিজ্য সংবাদ

০৬-০৫ প্রাণে প্রাণে ঈদ প্রচার

০৭-০০ নিউজ আওয়ার

০৮-০৫ কথায় গানে ঈদের দিনে

০৯-০০ বিশেষ নাটক ‘দুই তষ্কর’

১০-০০ প্রাইম টাইম

১১-০৫ কিছুক্ষণ

ঈদের দ্বিতীয় দিন

বিটিভি

৫-৩০ নাটক: বাবা

৭-০০ তারাদের গান

৭-৩০ বেশী ছিল অভিমান

৮-৩০ নাটক: ব্যান্ড মাষ্টারের কোরবানী

১০-৩০ নাটক: তোমার জন্য উপহার

এনটিভি

১০-০৫ পূর্ণদৈঘর্্য বাংলা ছায়াছবি ‘মায়ের হাতে বেহেস্তের চাবি’

২- ৩০ মিনিটে প্রচারিত হবে টেলিফিল্ম ‘ইনসমনিয়া’

৫-৩০ সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘মনে লাগে দোলা’

৬-৪৫ প্রীতি বিতর্ক অনুষ্ঠান ‘তর্কে বহুদূর’

৮-১৫ মিনিটে প্রচারিত হবে নাটক ‘ভালবাসি তোমাকেই’

৯-১৫ মিনিটে প্রচারিত হবে সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘দু’জনে মিলে’

১১-৩০ মিনিটে প্রচারিত হবে নাটক ‘দ্বিধা’

এটিএন বাংলা

১০-৩০ ছোটদের ‘রাম গরুড়ের ছানা’

১১-১৫ রম্য বির্তক ঈদ আনন্দ ডট কম

১২-১০ পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা ছায়াছবি ‘ঢকাইয়া পোলা বরিশালের মাইয়া’

০৩-৪৫ বিশেষ টেলিছবি ‘ভ্যাজাল মন্ডল’

০৬-১০ বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘টিউন ক্যাফে’

০৭-৪৫ ঈদের বিশেষ নাটক ‘মায়া ম্যাডাম’

০৮-৫০ ঈদের বিশেষ নাটক ‘তুরুপের তাস’

১০-৪০ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘পাঁচ ফোড়ন’

একুশে টিভি

০৯.৩০ বিশেষ অনুষ্ঠান ঃ মজার কিচ্ছা

১০.০২ বিশেষ নাটক ঃ জিন্নাহ কশাই

১১.৩০ শিশুতোষ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ঃ স্বপ্ন

০১.৩০ ছায়াছবি: ফুল নেবো না অশ্রু নেবো

০৫.২৫ এক্সক্লুসিভ ইভেন্টস

০৭.৩০ বিশেষ নাটক ঃ পুরুষ আশ্রম

০৮.৩০ মিলার একক ঃ দোলা দে

০৯.৩০ বিশেষ নৃত্যানুষ্ঠান ঃ রঙের নাচ

১০.০০ বিশেষ নাটক ঃ অপেক্ষা

১১.৩০ বিশেষ নাটক ঃ কনফিডেন্স

১২.৩০ বিশেষ ফোনো লাইভ স্টুডিও

চ্যানেল আই

৭.০০ চ্যানেল আই সকালের সংবাদ

৮.০৫ ঈদ স্পেশাল

৯.০০ চ্যানেল আই সকালের সংবাদ

৯.৪৫ গ্রামীণফোন তৃতীয় মাত্রা

১০.৩০ ডুবসাঁতার ছায়াছবি

৩.০৫ নিউইয়র্ক (টেলিফিল্ম)

৫.৩০ হূদয়ের ছবি (নাটক)

৭.৫০ গন্তব্যের পথে (নাটক)

৯.৩৫ লাভ ষ্টোরী ২০২০ (নাটক)

১২.০০ ভালোবাসার বাংলাদেশ, পর্ব-২

আরটিভি

০৮-৩০ ঈদ স্পেশাল বোটানিক এরোমা

০৯-০০ নির্বচিত অনুষ্ঠান

০৯-৪৫ আরটিভির সকালের সংবাদ

১০-০০ বাংলা ছায়াছবি – ভাইয়া

১২-০৫ নিউজ হেডলাইন

০২-৩০ ঈদ টেলিফিল্ম-হাট টু ডুডু

০৪-৪৫ বিশেষ অনুষ্ঠান- দস্যুদের দস্যিপনা

০৮-০০ ঈদ ধারাবাহিক ‘গরিবের বন্ধু’

০৯-০০ ঈদ নাটক ‘সারমেয়’

১১-৩০ ঈদ জেগে আছো কি?

বাংলাভিশন

৬:০০ ‘সালেকা মালেকা’

৬:৩০ সংগীতানুষ্ঠান ‘সেরাদের সেরা’

৮:০০ নৃত্যানুষ্ঠান ‘সোল ড্যান্স’

৮:৩০ সাবিনা ইয়াসমিনের ‘কেমন আছো’।

৯:০০ বাংলাভিশন নিউজ টপ টেন

৯:০৫ নাটক ‘জলতরঙ্গ’

১০:১০ বাংলা চলচ্চিত্র ‘উল্টা পাল্টা ৬৯’

২:৪০ টেলিফিল্ম ‘চিকেন টিক্কামাসালস্না’

৫:০০ সংবাদ দেশজুড়ে

৫:১৫ বাংলাভিশনের ঈদ আয়োজন

৬:০৫ ‘মন শুধু মন ছুয়েছে’

৮:১০ বিশেষ নাটক ‘সোনার ডিম’

৯:৪০ জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লার ‘তারার পানে চেয়ে’

১১:১৫ বিশেষ নাটক ‘আছে নাকি নাই’

১:৩০ বিশেষ নাটক ‘সোনার ডিম;

দেশ টিভি

৯:০০ বম্বে সুইটস ঈদ উৎসব: কার্টুন ছবি: টম অ্যান্ড জেরি

৯:৩০ বম্বে সুইটস ঈদ উৎসব: শিশুতোষ আয়োজন : কল্পলোকের গল্পকথা

১০:৩০ ছায়াছবি: খাইরুন সুন্দরী

২:৩০ টেলিফিল্ম: ধুলোর মানুষ, মানুষের ঘ্রান

৬:০০ বিশেষ রান্নার অনুষ্ঠান: রান্না বান্না

৬:২৫ ফান শো: দেশ ব গল্প

৭:৩০ ৭ দিনের ধারাবাহিক নাটক: মুর্তি

৮:৩০ সাত তরুনের নাটক: সব রাতের গল্প এক রকম নয়

১০:০০ ৭ দিনের ধারাবাহিক নাটক: জিম্মি

১১:৪৫ লাইভ শো: ঈধষষ- এর গান : কোলকাতার ব্যান্ডদল দোহার

বৈশাখী

৯.১৫ নির্বাচিত অনুষ্ঠান

১০.৪০ ছায়াছবি: সত্য মিথ্যার লড়াই

৩.১০ টেলিফিল্ম : ভালবাসার উল্টোপিট)

৫.২০ ঈদ সিনেমার গান

৬.২০ গাঁও গেরামের ঈদ : পর্ব-২

৭.৫০ ধারাবাহিক প্রেমের নাম বেদনা- পর্ব ২

৮.৩০ বিশেষ নাটক : আমাদের ফলো করু

১০.৩৫ নাটক সুখ-অসুখের সালতামামি

১২.০০ সময় কাটুক গানে গানে (লাইভ মিউজিক্যাল শো)

দিগন্ত টিভি

১১-৩০ আনন্দ সম্ভার

১২-০০ মধ্যাহ্নের সংবাদ

০২-০০ দুপুরের সংবাদ

০২-৩০ বাংলা ছায়াছবি জজ ব্যরিস্টার

০৪-৩০ বানিজ্য সংবাদ

০৬-০৫ ফানশো

০৭-০০ নিউজ আওয়ার

০৮-০৫ মিউজিক ক্যারাভান

০৯-০০ বিশেষ নাটক একটি নোট

১০-০০ প্রাইম টাইম

ঈদের তৃতীয় দিন

বিটিভি

১১-০৫ ঈদ আনন্দ

৫-৩০ নাটক: অত:পর টিয়া পাখি উড়িয়া চলিল

৭-০০ সিনে ম্যাগাজিন তারকা মেলা

৭-৩০ সঙ্গীতানুষ্ঠান: চাওয়া পাওয়া

৮-৩০ নাটক: শালিকের ঘাড়ে রোগ

১০-৩০ নাটক: সেই তো আবার

এনটিভি

১০-০৫ পূর্ণদৈঘর্্য বাংলা ছায়াছবি ‘মনের সাথে যুদ্ধ’

২-৩০ মিনিটে প্রচারিত হবে টেলিফিল্ম ‘ছবিওয়ালা’

৫-৩০ ‘বৃত্তের বাইরে’

৬-১৫ সেলিব্রেটি শো ‘মিট দ্য সেলিব্রেটি’

৮-১৫ নাটক ‘চোখ’

৯-১৫ সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘মন পবনের ঘুড়ি’

১১-৩০ নাটক ‘স্বপ্ন’

এটিএন বাংলা

১০-৩০ বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘রম্যরস’

১১-১৫ বিশেষ নৃত্যানুষ্ঠান ‘আনন্দ হিলেস্নাল’

১২-১০ বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘অবশেষে পেলাম’

১২-৪৫ ছায়াছবি ‘চাঁদের মত বউ’

০৪-৩০ বিশেষ টেলিছবি ‘দরজার ওপাশে’

০৭-৪৫ বিশেষ নাটক ‘ভরসা কোচিং সেন্টার’

০৮-৫০ ঈদের বিশেষ নাটক ‘অ্যান্টিক্লক’

১০-৪০ শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের একক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘গল্প গানে সাবিনা ইয়াসমিন’

একুশে টিভি

০৭.০০ একুশে সংবাদ

০৮.০০ আজকের পত্রিকায়

০৮.৩০ বিশেষ একুশের সকাল(সরাসরি)

০৯.০০ একুশে সংবাদ

০৯.৩০ বিশেষ অনুষ্ঠান ঃ মজার কিচ্ছা

১০.০২ বিশেষ নাটক ঃ পুরুষ আশ্রম

১১.০০ একুশে সংবাদ

১১.৩০ গাও গেরামের ঈদ

১২.০২ বিশেষ একুশের দুপুর(সরাসরি)

১২.৩০ রান্নাবিষয়ক ঃ টমি মিয়ার রেসিপি

০১.০০ একুশে সংবাদ

০১.৩০ বাংলা সিনেমা : মায়ের মত ভাবী

০৫.০০ একুশের সংবাদ

০৫.২৫ এক্সক্লুসিভ ইভেন্টস ঃ আইডল নাইটথাকছেন শ্রীরাম, ভূমি , রাকেশ

০৬.৩০ বিশেষ একুশের সন্ধ্যা(সরাসরি)

০৭.০০ একুশে সংবাদ

০৭.৩০ বিশেষ নাটক ঃ মায়াজাল

০৮.৩০ বিশেষ অনুষ্ঠান ঃ পপ কর্ণ

০৯.০০ একুশে সংবাদ

০৯.৩০ বিশেষ চলচ্চিত্র বিষয়ক ঃ ঈদ মুভিজ

১০.০০ বিশেষ নাটক ঃ মামার বালিশ কোথায়

১১.০০ একুশে সংবাদ

১১.৩০ নাটক ঃ মনু মিয়ার মালকা বানু

১২.৩০ বিশেষ ফোনো লাইভ স্টুডিও কর্নসার্টথাকছে আরফিন রুমি

চ্যানেল আই

৭.০০ চ্যানেল আই সকালের সংবাদ

৮.০৫ ঈদ স্পেশাল

৯.০০ চ্যানেল আই সকালের সংবাদ

৯.৪৫ গ্রামীণফোন তৃতীয় মাত্রা

১০.৩০ জব্বর আলী (নাটক)

১২.৩৫ নায়িকার মা (টেলিফিল্ম)

১.৩০ এক প্রেম দুই গল্প (টেলিফিল্ম)

২.০০ চ্যানেল আই দুপুরের সংবাদ

৪.৩০ কৃষকের ঈদ আনন্দ (গেম শো)

৫.০০ জনপদের খবর

৫.১৫ কৃষি সংবাদ

৬.০০ ঈদ স্পেশাল

৭.৫০ কমিশনার (নাটক)

৯.০০ চ্যানেল আই রাতের সংবাদ

৯.৩৫ বাতাস যখন খুঁজে পেল কাঁশবন (নাটক)

১০.৩০ চ্যানেল আই রাতের সংবাদ

১.০০ গ্রামীণফোন তৃতীয় মাত্রা

আরটিভি

০৮-৩০ ঈদ স্পেশাল বোটানিক এরোমা

০৯-৪৫ আরটিভির সকালের সংবাদ

১০-০০ বাংলা ছায়াছবি- ভাইয়ের শত্রু ভাই

১২-০৫ নিউজ হেডলাইন

০১-৪৫ আরটিভি সংবাদ

০২-৩০ ঈদ টেলিফিল্ম- ‘সায়াহ্নে’

০৪-৪৫ নৃত্যাঅনুষ্ঠান- নুপুরের ছন্দে

০৮-০০ ঈদ ধারাবাহিক ‘গরিবের বন্ধু’

০৯-০০ ঈদ নাটক ‘ফেলু কাজল’

১০-৪৫ আরটিভি সংবাদ

১১-৩০ নুরজাহান আরটিভি স্টুডিও ঈদ কনসর্াট

বাংলাভিশন

৮:৩০ রুনা লায়লার একক গানের অনুষ্ঠান ‘আমি আছি তোমাদের হূদয়ে’

৯:০৫ নাটক ‘ঢোলের বাদ্য’

১০:১০ বাংলা চলচ্চিত্র ‘সবার উপরে প্রেম’

২:৪০ ঈদ উপলক্ষে বিশেষ টেলিফিল্ম ‘সাম্পান’

৪:০০ বাংলাভিশন সংবাদ

৫:০০ সংবাদ দেশজুড়ে

৫:১৫ বাংলাভিশনের ঈদ আয়োজন

৬:০৫ ‘গুরুকে সালাম’

৮:১০ বিশেষ নাটক ‘আরমান ভাই ফাইসা গেছে’

৯:৪০ ঈদ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘নায়ক মহানায়ক’

১০:৩০ বাংলাভিশন সংবাদ

১১:১৫ ঈদ উপলক্ষে বিশেষ নাটক ‘এক কোটি পনেরশ ষাট টাকা’

দেশ টিভি

৯:০০ কার্টুন ছবি: টম অ্যান্ড জেরি

৯:৩০ শিশুতোষ : কল্পলোকের গল্পকথা

১০:৩০ ছায়াছবি: অবিচার

২:৩০ টেলিফিল্ম : সহোদর

৬:০০ বিশেষ রান্নার অনুষ্ঠান: রান্না বান্না

৬:২৫ সেলিব্রেটি শো: যা কিছু প্রথম

৭:৩০ ৭ দিনের ধারাবাহিক নাটক: মুর্তি

৮:৩০ সাত তরুনের নাটক: আপন খবর

১০:০০ ৭ দিনের ধারাবাহিক নাটক: জিম্মি

১১:৪৫ কোলকাতার ব্যান্ডদল চন্দ্রবিন্দু

বৈশাখী

৯.১৫ নির্বাচিত অনুষ্ঠান

১০.৪০ পূর্ণদৈর্ঘ বাংলা ছবি: মায়ের সম্মান

৫.২০ ঈদ সিনেমার গান

৬.২০ বিশেষ অনুষ্ঠান: রেডি স্টেডি গো

৭.৫০ ধারাবাহিক নাটক : প্রেমের নাম বেদনা-

৮.৩০ বিশেষ নাটক : স্বপ্নওয়ালা

১০.৩৫ বিশেষ নাটক: পূর্ণ দৈর্ঘ্য বাংলা

১২.০০ সময় কাটুক গানে গানে

দিগন্ত টিভি

০৬-৩০ পথ ও পাথেয়

০৮-০৫ সুবর্ণ সকাল (লাইভ)

১১-৩০ শিশুতোষ ম্যাগাজিন

০২-৩০ বাংলা ছাায়াছবি মহানায়ক

০৬-০৫ খুশির খেয়া

০৭-০০ নিউজ আওয়ার

০৮-০৫ রসনা বিলাস

০৯-০০ বিশেষ নাটক স্বার্থপর

১০-০০ প্রাইম টাইম

১১-০৫ গানে গানে ঈদ আনন্দে(লাইভ)