লস এঞ্জেলেসে বাফলার অভিষেক অনুষ্ঠান ও ইফতার মাহফিল


লস এঞ্জেলেসে বাফলার অভিষেক অনুষ্ঠান ও ইফতার মাহফিল

বাফলার অভিষেক অনুষ্ঠানের ছবি 2013:
icon

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে গত ২৮ জুলাই লস এঞ্জেলসের দ্য বেভারলি গারল্যান্ড হলিডে ইন হোটেলের বলরুমে কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ইউনিটি ফেডারেশন অব লস আঞ্জেলেসের (বাফলা) ২০১৩-১৪ সনের নতুন পরিচালনা কমিটির এক অনাড়ম্বর অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
 বাংলাদেশ ইউনিটি ফেডারেশন অব লস আঞ্জেলেস বাফলা  BUFLA 2013-14 Cabinet  (R-L) President Shiper Chowdhury, Faruque Howlader - Public Relations Secretary, Mohammad Amzad Hossain - Organizing Secretary, Layek Ahmed - Finance secretary, Abul Hasnath Rayhan - Vice President, Anjuman Ara Sheulee - General Secretary

বাংলাদেশ ইউনিটি ফেডারেশন অব লস আঞ্জেলেস বাফলা
BUFLA 2013-14 Cabinet
(R-L) President Shiper Chowdhury, Faruque Howlader – Public Relations Secretary, Mohammad Amzad Hossain – Organizing Secretary, Layek Ahmed – Finance secretary, Abul Hasnath Rayhan – Vice President, Anjuman Ara Sheulee – General Secretary


স্বাগত বক্তব্যে ২০১২-১৩ সনের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ড্যানি তৈয়েব বলেন, গত সাত বছরে আগে লস এঞ্জেলেসের প্রায় সকল সংগঠন নিয়ে গঠিত এই ফেডারেশন বর্তমানে প্রবাসে সামাজিক সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

তিনি তার টার্মে থাকাকালীন ২০১৩ সালের সফল বাফলা প্যারেডসহ প্রথম ঈদ রিইউনিয়ন ও মেলা, একুশে ফেব্রুয়ারী উদযাপন, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা ও এল এ সিটির সহযোগীতায় ফ্রি হেলথ ক্লিনিক ও সেমিনার, জব ফেয়ার, দেশে-বিদেশে দুর্গতদের সাহায্যার্থে ফান্ডরেইজিং সহ মূলধারায় বাংলাদেশীদের সম্মানজনক অবস্থায় প্রতিষ্ঠিত করতে লস এঞ্জেলেসের বুকে লিটল বাংলাদেশ সৃষ্টি ও সাম্প্রতিক মেয়র নির্বাচনে বর্তমান মেয়রের নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় অংশগ্রহনের বর্ননা দেন।

This slideshow requires JavaScript.


অনুষ্ঠান শুরু হয় মোঃ আমজাদ হোসেনের পরিচালনায় হামদ, নাথ ও সুরা আবৃত্তি প্রতিযোগীতা দিয়ে। বাফলার প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট ড্যানি তৈয়েব পুরষ্কার বিতরণ করেন ও নতুন কমিটিকে স্বাগত জানান। নতুন প্রজন্মের চোখে গত বছরে বাফলার উল্লেখ্যযোগ্য কার্যক্রম নিয়ে আদনান তৈয়েবের স্লাইডশো পরিবেশিত হয়। বাফলার এক্সিকিউটিভ মেম্বারসহ কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বাফলার কার্যক্রম নিয়ে বক্তৃতা দেন। বাফলার বোর্ড অব ট্রাষ্টির চেয়ারম্যান নাসিমুল গনি ও সদস্য টিয়া হাবিব নতুন কমিটির নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের শপথবাক্য পাঠ করান।

নবনির্বাচিত ক্যাবিনেট সদস্যরা হলেন, সভাপতি শিপার চৌধুরী, সহসভাপতি আবুল হাসনাত রাইহান, সাধারণ সম্পাদক আঞ্জুমান আরা শিউলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আমজাদ হোসেন, পাবলিক রিলেশন সম্পাদক ফারুক হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ লায়েক আহমেদ এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক দিলুর চৌধুরী।

নুতন ক্যাবিনেটকে শুভেচ্ছা, শুভকামনা ও সহযোগিতা করার অঙ্গীকার করে বক্তব্য দেন ডাক্তার এম এ হাশেম, খন্দকার আলম, আবুল কাশেম তোহা, নজরুল ইসলাম কাঞ্চন, নজরুল আলম, সালেক সোবহান, শামসুদ্দিন মানিক, সাইফ কুতুবী, জাকির খান, এনামুল হক এমরান, প্রফেসর আলী আকবর, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মালেক, এম কে জামান, মুমিনুল হক বাচ্চু, ওমর হুদা, মুজিব সিদ্দীকি, সালেহ কিবরিয়া, জসিম আশরাফি আহমেদ, বাফলার প্রতিষ্ঠাতা ডঃ মাহবুব খান প্রমুখ।
ইফতারী, নামাজ ও ডিনারের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

প্রবাসে সাংবাদিকতা, মিডিয়া ও শিল্প-সাহিত্য-সংষ্কৃতিতে উল্লেখযোগ্য কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ একুশ নিউজ মিডিয়ার সম্পাদক ও প্রকাশক জাহান হাসানকে ক্রেষ্ট দিয়ে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

#jahanhassan #জাহানহাসান #বাফলা #BUFLA #littlebangladesh #লিটলবাংলাদেশ

BUFLA Awarded to Jahan Hassan in recognition for outstanding contributions to Bengali Literature, Language, Journalism and Media.
This Award honors public service journalism that explores and exposes an issue of importance to immigrant in the United States. #jahanhassan

বাফলার অভিষেক অনুষ্ঠানের পরে সামাজিকতার ছবি 2013
icon

পবিত্র রমজান উপলক্ষে লস এঞ্জেলেস সিটি হলে ইন্টারফেইথ ইফতার ও ডিনার


পবিত্র রমজান উপলক্ষে লস এঞ্জেলেস সিটি হলে ইন্টারফেইথ ইফতার ও ডিনার

একুশ নিউজ মিডিয়া, লস এঞ্জেলেস, জুলাই ১০,২০১৩:
দি সিটি অব লস এঞ্জেলেস হিউম্যান রিলেশন্স কমিশন (এইচ আর সি এল এ) গত বুধবার সিটি হলের টম ব্র্যাডলী টাওয়ারে এক আন্তধর্মীয় ইফতার ও ডিনারের আয়োজন করেন।

ধর্মীয় অনুভুতিতে সহনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও আদর্শকে সমুন্নত রাখার প্রত্যয়ে ব্যতিক্রমী এ অনুষ্ঠানে লস এঞ্জেলেসের বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের স্কলার, পুরোহিত, ইমাম সহ বিভিন্ন স্তরের কমিউনিটির প্রভাবশালী ব্যক্তিরা অংশ নেন।

HRC-Interfaith Meeting in Los Angeles

2013 CITY HRC INTERFAITH IFTAR DINNER @ Los Angeles City Hall

বক্তব্যে ইসলামী চিন্তাবিদ ডঃ মেহার হাতুত বলেন, ভিন্নধর্মীদের কাছে প্রমাণিত করতে প্রয়োজন হবে শুধুই যুক্তি, ধৈর্য, সহনশীলতা আর শালিনতার। যেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখবে আমাদের ব্যক্তিগত সততা ও বদান্যতা, সেই সাথে ধর্মীয় অনুভুতির নিরপেক্ষ বিশ্বাস।

প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার পক্ষে হোয়াইট হাউস থেকে প্রেসিডেন্টের বিশেষ প্রতিনিধি ডঃ জান্নাহ স্কট ধর্মীয় সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সকল সম্প্রদায়ের মাঝে সম্প্রসারিত করতে সকল ধর্মের এক কথা আদর্শ ও মানবিকতা নিয়ে একসাথে কাজ করার লক্ষ্যে প্রেসিডেন্টের বানী পৌঁছে দেন।

এইচ আর সি এল এল এ ইয়ুথ অ্যাম্বাসেডার ওয়াসি মামুন তরুণদের মাঝে রমজানের শিক্ষার অভিব্যক্তি নিয়ে আলোকপাত করেন।
ইফতার প্রার্থনা পরিচালনা করেন ফিকাহ কাউন্সিল অব নর্থ আমেরিকার চেয়ারম্যান ডঃ সিদ্দীকী।
collage-Interfaith
অনুষ্ঠানে বিশপ শেরাপেইন ও ডঃ মেহার হাতুতকে আন্ত-ধর্মীয় সংযোগের জন্য বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। ওয়ান নেশন ইনিশিয়েটিভের এলিসা বাফেইকে ও সম্মাননা জানায় এইচ আর সি এল এ।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এইচ আর সি এল এ-র সিনিয়র পলিসি ডিরেক্টর জুমানা সিলান-সাবা ও এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর প্যাট্রিশিয়া ভিয়াসিনোর। মেয়রের পক্ষে তার প্রেস সচিব আমন্ত্রিত অতিথিদের সিটি হলের ২৭ তলায় টম ব্র্যাডলী টাওয়ারে অভর্থ্যনা জানান।

অনুষ্ঠানে মিশর, পাকিস্তানের কন্সাল জেনারেল ছাড়াও বাংলাদেশী কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মাঝে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাফলার ভাইস প্রেসিডেন্ট আফম জিয়াউল ইসলাম ও কমিউনিটি এক্টিভিষ্ট, মিডিয়া কর্মী জাহান হাসান।

IMG_2257003

Bangladeshi Journalist & Community Activist Jahan Hassan with Dr. Jannah Scott, Center of the White House Office of Faith-based & Neighborhood Partnerships at 2013 CITY HRC INTERFAITH IFTAR DINNER in Los Angeles City Hall

More Pics: http://goo.gl/TZoIo

https://www.facebook.com/groups/littlebangladeshlosangeles/
#HRCLosAngeles #LittleBangladesh

লস এঞ্জেলেসে সম্মিলিত একুশে উদযাপনের প্রয়াস


লস এঞ্জেলেসে সম্মিলিত একুশে উদযাপনের প্রয়াস

সম্মিলিত অমর একুশে পালনের উদ্দেশ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলুমনাই এসোসিয়েশনের উদ্যোগে “লস এঞ্জেলেস সম্মিলিত একুশে উদযাপন কমিটি” এর ব্যানারে স্থানীয় কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠনগুলি লস এঞ্জেলেসে সম্মিলিতভাবে অমর একুশে ফেব্রুয়ারী ২০১৩ উদযাপন করবে।
 লস এঞ্জেলেস সম্মিলিত একুশে উদযাপন কমিটি


লস এঞ্জেলেস সম্মিলিত একুশে উদযাপন কমিটি


এই বিষয়ে গত ১২ জানুয়ারী লস এঞ্জেলেসের আলাদীন রেষ্টুরেন্টে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলুমনাই এসোসিয়েশনের এর পক্ষে খন্দকার আলমের পরিচালনায় সভায় বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহন করেন।

সভায় অংশগ্রহণকারী সংগঠনের বাইরে অন্যান্য সংগঠনগুলিও এই উদ্যোগে সামিল হবে, এই আশাবাদ জানিয়ে আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত রেখে সম্মিলিত প্রয়াসের এই একুশে উদযাপনের আয়োজনে অংশগ্রহনে ইচ্ছুক সংগঠনদের পারষ্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে সম্মিলিত একুশে উদযাপনের রূপরেখা প্রণয়নের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ড্যানী তৈয়ব, নজরুল ইসলাম কাঞ্চন, জাহিদ হোসেন পিন্টু, মেজর (অবঃ) এনামুল হক, মাশহুরুল হুদা, এম হোসেন বাবু, আবু হানিফা, নজরুল ইসলাম, জসিম আহমেদ আশরাফি, মারুফ হোসেন, ফ্রেন্ডস বাবু, ফেরদৌস খান, শওকত চৌধুরী, আহমেদ কবীর, মিঠুন চৌধুরী, আব্দুল খালেক, জাহান হাসান প্রমুখ।

লস এঞ্জেলেস সম্মিলিত একুশে উদযাপন কমিটির পরবর্তী সভা আগামী শুক্রবার ১৮ই জানুয়ারী সন্ধা ৬ ঘটিকা আলাদিন রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হবার কথা আছে।

http://www.facebook.com/media/set/?set=a.10151331155646897.500556.826936896&type=1&l=130b33eeb9
ভিডিওঃ

শুভ নববর্ষ স্বাগত স্বাগতম ২০১৩ Happy New Year 2013: Bangladeshi Los Angeles Style


শুভ নববর্ষ 2013: লস এঞ্জেলেসে আনন্দঘন আয়োজনে নতুন বছরকে স্বাগতমঃ
ভিডিওঃ আনন্দধারা বহিছে ভুবনেঃ

ছবি লিঙ্কঃ
http://www.facebook.com/media/set/?set=a.10151308912426897.497750.826936896&type=0a77cca6da

সবাইকে ইংরেজী নববর্ষ ২০১৩ সালের শুভেচ্ছা। প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে ২০১২ এই ইংরেজী সালটি আমাদের চলমান ডায়েরি থেকে খুয়ে গেলেও, ২০১৩ আসছে সম্ভাবনার নতুন বারতা নিয়ে। তাই এই নববর্ষটিকে জানাই সাদর সম্ভাষণ। মনের সব কালিমা ও ব্যর্থতাকে ঝেড়ে-মুছে লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নে চলুন নতুন করে সুন্দর এক ভবিষ্যত এর পানে ছুটে চলি যেখানে নিশ্চিত হবে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও প্রতিশ্রুতিশীল এক আবাসভূমি। সময় ও মহাকালের বহমান প্রবাহে কখনো কোন ছেদ ঘটে না। প্রতি মুহূর্তেই সময় বয়ে চলে সমান তালে। মানুষের মনে সেই বোধটা সবসময় উপলব্ধিতে আসে না। তবে কোনো কোনো সময় বেশ স্পষ্টভাবে সে সম্পর্কে বোধোদয় হয়। তেমনি একটি সময়কাল হলো ঠিক তখন, যখন আমরা পুরনো ক্যালেন্ডারটি বদলে দেয়ালে নতুন ক্যালান্ডার ঝুলাই। যখন পুরনো বছর সমাপনান্তে ঘটে আরেকটি নতুন বছরের সূচনা। তা সে হোক না বাংলা ক্যালেন্ডার কিংবা ইংরেজি ক্যালেন্ডার, যে কোনোটা। আজ নতুন ইংরেজি বছর ২০১৩-এর যাত্রা শুরু। অনেক চিন্তার সাথে আজ এ জিজ্ঞাসাটি জোরালোভাবে মনে জাগাটা বেশ স্বাভাবিক যে, পার হয়ে আসা ২০১২ সালটি কেমন গেল?

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্ণিয়ার বিজয় দিবস উদযাপন ২০১২ (Victory Day Celebration, 2012)


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্ণিয়ার বিজয় দিবস উদযাপন ২০১২
(Victory Day Celebration, 2012)

১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মত লস এঞ্জেলেসেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্ণিয়া বিজয় দিবস
উদযাপন করে। স্থানীয় স্টার অব ইন্ডিয়া রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত মহান বিজয় দিবসের ৪১তম বার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সাঈদুর রহমান পাটেল, বিশেষ অতিথি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মোস্তাইন দারা বিল্লাহ, ইংলিশ চ্যানেল বিজয়ী সাতারু স্বাধীনতা দিবস পদক প্রাপ্ত মোশারফ হোসেন ও মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ রেনু কনা বড়ুয়া।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্ণিয়ার প্রেসিডেন্ট শফিকুর রহমান। বক্তব্য রাখেন মোস্তাইন দারা বিল্লাহ, সাঈদুর রহমান পাটেল, শফিকুর রহমান, মোশারফ হোসেন, মোঃ আনিসুর রহমান, টি জাহান কাজল, মোবারক হোসেন বাবলু, জহির আহমেদ, লেঃ (অবঃ) জিয়া, ইমতিয়াজ হাসান সোহেল, সৈয়দ মুরাদ আলী, খন্দকার আহমেদ ইমু, ফজলুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম, শওকত আহমেদ চৌধুরী প্রমুখ।

ভিডিও কাভারেজঃ
বিজয় দিবস উদযাপন ২০১২ Bangladesh Awami League CA 1

একাত্তরের ঘাতকদের বিচার সম্পন্ন করে সামনের বছর চিহ্নিত রাজাকারমুক্ত বাংলাদেশে পরিপূর্ণ বিজয় দিবস উদযাপনের জন্যে চলমান বিচারের সপক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত সুসংহত করার প্রতয়ে লস এঞ্জেলেসে ৪২তম বিজয় দিবস উদযাপিত হলো।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্ণিয়ার বিজয় দিবস অনুষ্ঠানের কর্মসূচির মধ্যে ছিল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্র আলোকচিত্র প্রদর্শনী, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান ও স্মৃতিচারণ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্ণিয়ার সাধারন সম্পাদক ডাঃ রবি আলম।

ভিডিও কাভারেজঃ
বিজয় দিবস উদযাপন ২০১২ Bangladesh Awami League CA 2

ভিডিও কাভারেজঃ
Muktijuddhader Bijoy-Gatha 2 – Saidur Rahman Patel & Others

অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রবাসীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এম কে জামান, মিজানুর রহমান শাহীন, ফরিদ ইউ আহমেদ, ডাঃ নাসির আহমেদ অপু, এম হোসেন বাবু, মোঃ দিদার আহমেদ, মনিকা আহমেদ, মিঠু বড়ুয়া, আতিক রহমান, মিসেস সাঈদুর রহমান, মিঞা আব্দুর রব, মোঃ শামীম হোসেন, মোদাসসের হাসান মুহিত, মিসেস নিলা মোশারফ, খাজা এরশাদ মইনুদ্দীন পপসি, মাহবুব মোর্শেদ জুনায়েদ, জাহান হাসান ও আরো অনেকে।

ভিডিও কাভারেজঃ
Muktijuddhader apon kahini – Dr. Renukona Barua & Pic Story

‘বঙ্গবন্ধুকে যুদ্ধাপরাধের আসামি করার সক্রিয় পরিকল্পনা’ শিরোনামে সাপ্তাহিক ঠিকানা পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে স্টার অব ইন্ডিয়া রেস্টুরেন্টের পার্কিলটে পত্রিকা পোড়ানো হয়।

ভিডিও কাভারেজঃ
Thikana Burning in Los Angeles, Bijoy Dibosh 2012 by AL CA Chapter

Bijoy Dibosh 2012 by AL California (152 photos)
৪১তম মহান বিজয় দিবস উদযাপনঃ আয়োজনে – ক্যালিফোর্ণিয়া ষ্টেট আওয়ামী লীগ — at Star of India Tandoori Restaurant.
http://www.facebook.com/media/set/?set=a.10151282630466897.493794.826936896&type=1&l=745fad4556

তৈরি পোশাক খাত:শ্রমিকসংকটের আশঙ্কা:বাংলাদেশে কারখানা সরিয়ে আনছে চীনা উদ্যোক্তারা:রেমিট্যান্সপ্রবাহে বিশাল ধস নেমেছে


তৈরি পোশাক খাত
শ্রমিকসংকটের আশঙ্কা
বদরুল আলম

দেশের প্রধান রফতানি খাত তৈরি পোশাকশিল্প সচল রেখেছেন প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক। তবে শিল্পমালিকরা বলছেন, এ খাতে শ্রমিক প্রয়োজন ৫০ লাখ। এ হিসাবে এখনই ১০ লাখ শ্রমিকের ঘাটতি রয়েছে। এর মধ্যেই ঘটছে তাজরীন ফ্যাশনসের মতো ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা, যা কর্মপরিবেশ নিয়ে উদ্বিগ্ন করে তুলছে শ্রমিকদের। এর ওপর আছে মজুরি নিয়ে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ। সব মিলিয়ে ভবিষ্যতে বড় ধরনের শ্রমিকসংকটে পড়তে যাচ্ছে বার্ষিক ২০ বিলিয়ন ডলার এনে দেয়া খাতটি।
শ্রমিকসংকটের কথা স্বীকার করছেন খাতসংশ্লিষ্টরাও। তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সহসভাপতি ফারুক হাসান এ প্রসঙ্গে বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সামনের দিনগুলোয় ভয়াবহ শ্রমিকসংকটের আশঙ্কা করছি আমরা। এর মূল কারণ, শ্রমিকরা আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন। এ আস্থার সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হবেই।’

জানা যায়, তৈরি পোশাকের মূল সরবরাহকারী চীন তাদের অবস্থান থেকে ক্রমেই ছিটকে যাচ্ছে। দেশটিতে শ্রমের মজুরি বেড়ে যাওয়াই এর প্রধান কারণ। কয়েক বছর আগে চীন বিশ্বের মোট চাহিদার ৪২ শতাংশ তৈরি পোশাক সরবরাহ করলেও এখন তা ৩৭ শতাংশে নেমে এসেছে। ভারতেও শ্রমের মজুরি প্রতি বছরই বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সামনে সুযোগ এসেছে এ খাতে নিজেদের অবস্থান আরও সংহত করার। তবে মজুরি ও উপযুক্ত কর্মপরিবেশের অভাবে এ সুযোগ কাজে লাগানো কতটা সম্ভব, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
Bangladesh fire victims want old jobs back

Bangladesh fire victims want old jobs back

খাতসংশ্লিষ্ট সংগঠন সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে প্রতি মাসে ১৫-২০ শতাংশ শ্রমিক পোশাক কারখানা ছেড়ে যাচ্ছেন। তিন বছর আগেও এ হার ছিল ৫-১০ শতাংশ। কৃষিকাজে উপার্জনের সুযোগ বেড়ে যাওয়ায় গ্রামে ফিরে যেতে চাইছেন অনেকেই। দিনে ৩০০-৩৫০ টাকা হিসাবে একজন কৃষি শ্রমিক মাসে ৯-১০ হাজার টাকা আয় করতে পারছেন।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষক শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখন থেকে আগামী মার্চ পর্যন্ত এ হারে আয় করতে পারবেন তারা। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জে অনেক কারখানা আছে, যেগুলোর শ্রমিকরা এখন মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমাচ্ছেন। ফলে বাধ্য হয়েই কারখানাগুলোকে সারা বছরই শ্রমিক নিয়োগে চেষ্টা চালাতে হচ্ছে। ঢাকাসহ আশপাশ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ কারখানায়ই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ঝুলছে।

শ্রমিকদের মধ্যে পোশাক কারখানা ছেড়ে দেয়ার প্রবণতা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনা। এর সর্বশেষ উদাহরণ আশুলিয়ার তাজরীন ফ্যাশনস। এ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক মানুষ মারা যাওয়ার পর আতঙ্কিত শ্রমিকদের অনেকেই এখন এ পেশা ছেড়ে দেয়ার কথা ভাবছেন। সংগঠনগুলো তাজরীনের পাশের কারখানাগুলোয় শ্রমিকদের কাজের সুযোগ করে দেয়ার প্রস্তাব দিলেও তাতে সাড়া মিলছে না।

তাজরীন ফ্যাশনসের অপারেটর শামসুল হক এ বিষয়ে বলেন, ‘সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এ কারখানায় আর কাজ করব না। অন্য কারখানায়ও যেতে চাই না। বেশির ভাগ কারখানার পরিবেশই প্রায় একই রকম। তাই কাজ পেলেও নিরাপত্তা ঝুঁকি কমবে না।’

শ্রম পরিবেশ নিয়ে শ্রমিকদের অভিযোগগুলোর সত্যতা মেলে পোশাক খাত নিয়ে করা সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায়। সমীক্ষা অনুযায়ী, পোশাক খাতের শ্রমিকপর্যায়ের ৬০ দশমিক ৯ শতাংশ চাকরিই অস্থায়ী। ৮০ শতাংশ কারখানার প্রশিক্ষণ সুবিধা নেই। ৫২ দশমিক ৩ শতাংশ কারখানায় চিকিত্সা সুবিধা নেই। পরিবহন সুবিধা দেয় না, এমন কারখানার হার ৯১ দশমিক ৮ শতাংশ।

অবশ্য শ্রমিক প্রতিনিধিরা এ সংকট সাময়িক বলে ধারণা করছেন। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক জোটের সভাপতি শিরিন আখতার বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো পোশাক শ্রমিকদের মধ্যে এক ধরনের ভীতি সৃষ্টি করেছে। সাময়িকভাবে এর প্রভাব পড়তে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শ্রমিকসংকট সাময়িক বা দীর্ঘমেয়াদি যা-ই হোক, এ খাতের সার্বিক কর্মপরিবেশ উন্নয়নে এখনই উদ্যোগ প্রয়োজন। কারণ এ খাতের মূল আকর্ষণই হচ্ছে শ্রমের সস্তা মজুরি।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা সংস্থার মহাপরিচালক মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে শ্রমিকরা খাত পরিবর্তনে বাধ্য হবেন কি না, তা এখন প্রশ্নবিদ্ধ ও সময়সাপেক্ষ। তবে এটাও ঠিক, তাদের হাতে খুব বেশি বিকল্পও নেই।

পোশাকশিল্প খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশির ভাগ শ্রমিকই নারী, যারা শহরে এসে একসময় বাসাবাড়িতে কাজ করতেন। এ পেশা ছেড়ে তারা আর আগের পেশায় ফিরে যেতে চাইবেন না। আবার গ্রামে কৃষিকাজের সুযোগ থাকলেও কায়িক শ্রম বেশি হওয়ায় পুরুষরা তাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। এ ক্ষেত্রে বিকল্প হতে পারে— দেশের বাইরে চলে যাওয়া। কিন্তু সেখানেও রয়েছে নিরাপত্তার অভাব। কাজেই এ মুহূর্তে পোশাক কারখানাগুলোর উচিত কর্মপরিবেশের উন্নয়ন ঘটিয়ে বিশাল এ কর্মী বাহিনীকে ধরে রাখা।

বাংলাদেশে কারখানা সরিয়ে আনছে চীনা উদ্যোক্তারা
পোশাক শিল্পে সস্তা শ্রমের সুযোগ
সাইদুল ইসলাম

সস্তা শ্রমের সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশে পোশাক শিল্প কারখানা সরিয়ে আনছে বিশ্ব অর্থনীতির বৃহত্ শক্তি চীন। চীনা উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে গার্মেন্টস তৈরি করে তা নিজেদের দেশের ভোক্তাদের জন্য রপ্তানিও করছে। বর্তমানে দেশে চীনা পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা একশ ছাড়িয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের উদ্যোক্তারাও চীনের মধ্যবিত্ত শ্রেণীর জন্য কম দামে পোশাক রপ্তানি করছে। জানা গেছে, চীনের স্থানীয় খোলাবাজারে সবচেয়ে বড় খুচরা বিক্রি প্রতিষ্ঠান ভ্যানসেল ইতিমধ্যে কিছু প্যান্ট এবং শার্টের অর্ডার বাংলাদেশকে দিয়েছে। এছাড়া পশ্চিমা ক্রেতা ওশান এবং এইচ এন্ড এম চীনা বাজারে পোশাক সরবরাহের জন্য বাংলাদেশের কারখানাগুলোতে কাজ করাচ্ছে।

বর্তমানে একজন চীনা শ্রমিকের সর্বোচ্চ বেতন প্রতিমাসে চারশ থেকে পাঁচশ মার্কিন ডলার। আর বাংলাদেশের একজন শ্রমিকের সর্বোচ্চ বেতন ৭০ থেকে ১০০ মার্কিন ডলার। চীনা বিনিয়োগকারীদের মতে, এ পরিমাণ বেতন দিয়ে অনেক সময় কারখানা চালাতে গিয়ে উত্পাদন ব্যয় বেড়ে যায়। রপ্তানির ক্ষেত্রে অনেক সময় পুষিয়ে উঠা সম্ভব হলেও অভ্যন্তরীণ বাজারে কম মূল্যে পোশাক রপ্তানি করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। কারণ ১৩০ কোটি জনসংখ্যার দেশ চীনের সবচেয়ে বড় অংশ মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত।

চীনের বন্দর শহর নিনগোতে একটি গার্মেন্টস কারখানা চালান সেখানকার নাগরিক রোজা দাদা। দৈনিক ইত্তেফাককে তিনি বলেছেন, চীনে কারখানা চালানো এখন দুরূহ হয়ে পড়েছে। গত দু’ বছরে শ্রমিকদের বেতন যে হারে বেড়েছে তাতে বাংলাদেশে কারখানা সরিয়ে আনা ছাড়া কোন উপায় ছিলো না। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশে আরেক চীনা প্রতিষ্ঠান ফোর সিজন ফ্যাশনের জন্য কাজ করেন। রোজা দাদা আরো বলেন, তিনি শুধু পণ্য ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির জন্য ঢাকায় অফিস খোলেননি। তিনি চীনে পোশাক রপ্তানির বিষয়টিও তদারকি করছেন। চীনা উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে গার্মেন্টস আমদানি করলে তাদের খরচ চীন থেকে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কম পড়ে।

বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা জানিয়েছেন, তারা ৯০ শতাংশ গার্মেন্টস পণ্য যেমন টি-শার্ট, জিন্স এবং স্যুয়েটারে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা পায়। তাদের মতে, শুল্কমুক্ত সুবিধা অব্যাহত থাকলে চীনে রপ্তানি আরো বাড়বে। কয়েক বছর আগে চীনে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির পরিমাণ দুই কোটি মার্কিন ডলারের মতো থাকলেও বর্তমানে তা ১৫ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এ রপ্তানি ৫০ কোটি ডলারে দাঁড়াবে বলে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা আশা করছেন।

তবে চীনা উদ্যোক্তাদের কারখানা সরিয়ে আনার খবরে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা কিছুটা শংকিত। একজন রপ্তানিকারক নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইত্তেফাককে বলেছেন, চীনা উদ্যোক্তারা এখানে ছোট একটি কারখানা প্রতিষ্ঠা করে। এর আদলে তারা বড় বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে অর্ডার নিয়ে আসে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করিয়ে নিয়ে তারা পুরো মুনাফা নিজেদের পকেটে পুরছে। এছাড়া চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো দরকারি কাঁচামাল তাদের নিজ দেশ থেকে আমদানি করার কারণে বাংলাদেশের পশ্চাত্সংযোগ শিল্প (ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ) ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও মত দেন তিনি।

নভেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ৯৮ মিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
রেমিট্যান্সপ্রবাহে যে ইতিবাচক ধারা শুরু হয়েছিল তাতে বিশাল ধস নেমেছে। গত অক্টোবরের চেয়ে ৩৫৫ মিলিয়ন ডলার কম রেমিট্যান্স এসেছে নভেম্বরে। এমনকি চলতি অর্থবছরের যেকোনো মাসের চেয়ে কম রেমিট্যান্স এসেছে নভেম্বরে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, নভেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৯৮ মিলিয়ন ডলার। অক্টোবরে এর পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৪৫৩ মিলিয়ন, সেপ্টেম্বর ও আগস্টে ছিল ১ হাজার ১৭৮ মিলিয়ন এবং জুলাইয়ে ছিল ১ হাজার ২০১ মিলিয়ন ডলার।

নভেম্বরে রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৫৩ মিলিয়ন ডলার। অক্টোবরে আসে ৪৪৬ মিলিয়ন ডলার। বেসরকারি খাতে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে নভেম্বরে এসেছে ৩০৬ মিলিয়ন ডলার, অক্টোবরে আসে ৩৯৮ মিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে নভেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছে ৭১৭ মিলিয়ন ডলার, অক্টোবরে যার পরিমাণ ছিল ৯৬৯ মিলিয়ন ডলার।

এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে ব্যাংকাররা জানান, দুই ঈদের কারণে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বেড়েছিল। এখন জনশক্তি রফতানি কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে রেমিট্যান্সপ্রবাহে।
Sources: http://www.bonikbarta.com/?view=details&pub_no=162&menu_id=1&news_id=20414&news_type_id=1
http://www.bonikbarta.com/?view=details&pub_no=162&menu_id=11&news_id=20411&news_type_id=1

পোশাক শিল্পে আগুন: লস এঞ্জেলেসে বাদাম-এর শোক সমাবেশ ও আলোচনা সভা


পোশাক শিল্পে আগুন, প্রবাসীদের শোকঃ নিহতদের প্রতি সহানুভূতি এবং সমবেদনা
লস এঞ্জেলেসে বাদাম-এর শোক সমাবেশ ও আলোচনা সভা
লস এঞ্জেলেস, ২৭ নভেম্বর, একুশ নিউজ মিডিয়াঃ শিল্প-কারখানায় শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও শ্রমিকদের জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তার জন্য অবিলম্বে সরকারকে নিরাপদ কার্যক্ষেত্র নিশ্চিত করতে হবে। তদন্ত শেষে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষ স্থায়ী ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। অনিরাপদ ভবনে শিল্পকারখানা গড়ে তোলার কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে বিল্ডিংকোড শক্তিশালী করে নিরাপত্তা পরিদর্শকদের আরও দায়িত্ববান হওয়া ও দুর্নীতি, দায়িত্বে অবহেলা আর অযোগ্যতার বিরুদ্ধে সরকারের পূর্নদৃষ্টি দেবার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন লস এঞ্জেলেসের প্রবাসী বাংলাদেশীরা।

গত মঙ্গলবার বাংলাদেশে ঘোষিত জাতীয় শোক দিবসে লস এঞ্জেলেসের প্রাণকেন্দ্র লিটল বাংলাদেশে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে উদ্বেগ ও প্রবাসীদের অবস্থান’ শীর্ষক আলোচনা ও শোকসভায় এসব কথা বলা হয়। সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ডাইভার্সিটি ইন আর্টস অ্যান্ড মিডিয়া (বাদাম)।

আশুলিয়ায় তৈরি পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক লোকের প্রাণহানির ঘটনা ও চট্টগ্রামে উড়াল সেতু দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ডাইভার্সিটি ইন আর্টস এন্ড মিডিয়া (বাদাম) এক শোক সমাবেশ ও আলোচনা সভার আয়োজন করে। বাদাম-এর আহবানে স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মী, লেখক, সাংবাদিক ও সাধারণ প্রবাসীরা এই সভায় যোগ দেন।

শোকসভায় কারখানার নিরাপত্তা, কাজের পরিবেশ ও শ্রমিক অধিকার নিয়ে ক্রেতা কোম্পানিগুলোর দায়বদ্বতা নিয়ে প্রবাসীরা তাদের মূল্যবান মতামত তুলে ধরেন। গত শনিবার সংঘটিত দেশের পোশাক শিল্পের ইতিহাসে বৃহত্তম এবং ভয়াবহতম অগ্নিকাণ্ডের পর বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে এর সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া যাতে পোশাক শিল্পকে হুমকির মুখে না নিয়ে যায়, প্রবাসীরা এই ব্যাপারে সরকারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করার নিমিত্তে দল-মত নির্বিশেষে একমত পোষণ করে।

সভায় মোবারক হোসেন বাবলু স্মারকলিপি পড়ে শোনান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অ্যাঞ্জেলিনোদের মাঝে সুচিন্তিত রূপরেখাসহ বক্তব্য দেন সিরাজুল ইসলাম খোকন, ফরিদ উ আহমেদ, সোহেল রহমান বাদল, মুশফিকুর চৌধুরী খসরু, এম হোসেন বাবু, ইসমাইল হোসেন, ড্যানী তৈয়ব, এম এ বাসিত, ডঃ জয়নাল আবেদিন, তৌফিক সোলেমান খান তুহিন, মোরশেদুল ইসলাম, আবু হানিফা, ডঃ মাহবুব হাসান, ফারহানা সাঈদ, মোঃ মুরাদ হোসেন, মুজিব সিদ্দিকী ও এম কে জামান।

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিতে যেন কোন নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া না পড়ে তার প্রতি সতর্ক ও সচেতন দৃষ্টি দেবার জন্য সকলকে কাজ করে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানান লস এঞ্জেলেসের রাজনৈতিক কর্মীরা। সভায় নিরাপত্তা পরিদর্শকদের বিরুদ্ধে সীমাহীন দুর্নীতি, দায়িত্বে অবহেলা আর অযোগ্যতার অভিযোগ তুলে প্রবাসীরা বলেন, ব্যাক্তিস্বার্থের উর্ধে উঠে দেশের এই বৃহত্তর শিল্পকে বিশ্বের বুকে সম্মানজনক পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে।

This slideshow requires JavaScript.

বক্তারা জানান, কর্তৃপক্ষের অবহেলা যেমন বাঞ্ছনীয় নয়, তেমনি শ্রমিকদের ঘামের বিনিময়ে মুনাফার অংশ যেন শ্রমিকদের কল্যাণে সচেতনভাবে ব্যয় হয় তার প্রতি মালিক সম্প্রদায়ের দায়বদ্বতা অস্বীকার করার সুযোগও নেই। দুর্ঘটনা যেন হত্যাকাণ্ডে পরিণত না হয় তার জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান সচেতন প্রবাসীরা।

গার্মেন্টসে অগ্নিকাণ্ড ও চট্টগ্রামে উড়াল সেতু দুর্ঘটনায় নিহতদের সত্যিকারের পরিচয় সংগ্রহ করে সেই সকল দুস্থ পরিবারদের সরাসরি সাহায্য করার জন্য প্রবাসীরা একটি তহবিল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন। আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে পোশাক শিল্প কারখানায় সংগঠিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের পরিবার ও পরিজনকে প্রবাসীদের পক্ষ থেকে সমবেদনা জানানো হয়। এ ঘটনায় যারা আহত হয়েছেন তাদের দ্রুত আরোগ্য লাভ কামনা করা হয়।

আলোচনা ও শোকসভায় আরো যোগ দেন সাইফুল আনসারী চপল, জহির ইউ আহমেদ, আবদুল খালেক মিয়া, রেজাউল চৌধুরী, আব্দুল কে মিয়া, জামাল হোসেন, মতিউর রহমান মার্টিন, আলী তৈয়ব, কাজী নাজির হাসিব, রেজাউল চৌধুরী, জামাল হোসেন, মশিউর চৌধুরী, আখতার ভুঁইয়া প্রমুখ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন বাদাম-এর আহবায়ক জাহান হাসান। সহযোগিতায় ছিলেন পঙ্কজ দাস ও শফিউল ইসলাম বাবু।