বাংলাদেশে আইনের শাসন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র চিন্তিত


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য ছাড়া পদ্মা সেতু প্রকল্পের ভবিষৎ অনিশ্চিতঃ

বাংলাদেশে আইনের শাসন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র চিন্তিত, বিদেশী বিনিয়োগের বড় বাঁধা হচ্ছে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা আর দুর্নীতি – ড্যান ডব্লিউ মজিনা

লস এঞ্জেলেস, ২৩ অক্টোবর (একুশ নিউজ মিডিয়া)ঃবাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা লস এঞ্জেলেসে প্রবাসীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমেরিকার তার নিজস্ব স্বার্থেই বাংলাদেশের পাশে থাকবে। পৃথিবীর সপ্তম বৃহত্তম ও বিশ্বের চতুর্থ মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশ ভূ-রাজনৈতিক কারণেই আমেরিকার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। গত ১০ বছরে বাংলাদেশের প্রতি ওয়াশিংটনের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে গেছে। দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক বিক্ষুদ্ধ চরমপন্থী সহিংসতার মাঝে মধ্যপন্থী সহিষ্ণু গণতান্ত্রিক লোকায়ত রাষ্ট্রশক্তি হিসাবে বাংলাদেশের বর্তমান উত্থান এই অঞ্চলে প্রচণ্ড আশাবাদ নিয়ে এসেছে। বর্তমানে প্রতিবেশী দেশ ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, বার্মা এমনকি চীনের সাথে বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ সহযোগীতার কেন্দ্রস্থল হিসাবে আবির্ভুত হচ্ছে। শান্তিরক্ষী মিশনে বিশ্বের প্রথম দুটি পূর্ণাঙ্গ মহিলা পুলিশ ইউনিট সহ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে  ১০ হাজার ৬৫৩ জন শান্তিরক্ষী সদস্যের বৃহত্তম শান্তিরক্ষা বাহিনী হিসাবে বিশ্বে বাংলাদেশ সুনাম কুড়াচ্ছে। তারজন্য আমেরিকা বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানায়।’ বাংলাদেশে গণতন্ত্র, মানবাধিকার রক্ষা ও মানবহিতৈষী কর্মকান্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সহযোগিতা ও সাহায্যের কথা ড্যান ডব্লিউ মজিনা অভিবাসী বাংলাদেশীদের জানান। তিনি বলেন আমেরিকা চায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে আরো উন্নত হোক।

This slideshow requires JavaScript.


বাংলাদেশের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য এখনো বিদ্যমান। তিনি এই প্রসঙ্গে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গ্রামীণ ব্যাংকের ভূয়সী প্রশংসা করেন। দারিদ্র্য দূরীকরণে মাইক্রোক্রেডিটকে সাফল্যকে যুগান্তকারী বলে আখ্যায়িত করে বলেন, আমেরিকা এই প্রতিষ্ঠানের সার্থক প্রসারের ধারায় অনুভূতিশীল ও সহানুভূতিশীল। আশ্রয়হীন, বিপদগ্রস্ত রোহিঙ্গাদের অতীতের মতোই আশ্রয় দেয়ার জন্য আবারও বাংলাদেশের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা। তিনি এই প্রসঙ্গে বাংলাদেশকে আরো মানবিক হতে আহ্বান জানান। তিনি বলেন ১৯৭১ সালে বাংলাদেশী উদ্বাস্তুরা ভারতে আশ্রয় নেয়, সেই ঘটনার কথা তিনি স্মরণে আনেন। শ্রমিক অসন্তোষ নিয়েও তার উদ্বেগের কথা জানান। বাংলাদেশকে আগামীর এশিয়ান টাইগার হিসেবে উল্লেখ করে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা বলেন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি রোধ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।  

স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে আলাপ প্রসঙ্গে ড্যান মজিনা বলেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের প্রতিশ্রুত ১২০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ-সহায়তার উপরই নির্ভর করছে পদ্মা সেতুর ভবিষৎ। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, সেতু হলে বাংলাদেশের তথা এ দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলেরও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়বে। দক্ষিণ এশিয়ার উন্নয়নে পদ্মা সেতুর জন্য ঋণ পাওয়ার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র,ভারত এবং জাপানসহ বন্ধু রাষ্ট্রগুলো কাজ করছে। এখন ভারত সেই আশাবাদ থেকে সরে এসে  দক্ষিণ এশিয়ায় নিজেদের বাণিজ্যিক সম্প্রসারণে ভিন্নভাবে অগ্রসর হচ্ছে। পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিশ্বব্যাংক অর্থায়নের স্বাভাবিক শর্তে বর্তমান সরকারের অস্বাভাবিক আচরনে তিনি হতাশা ব্যক্ত করেছেন। নিজেদের আভ্যন্তরীণ আয়োজনে এই সেতু নির্মান করা প্রায় অসম্ভব বলে তিনি বলেন, পদ্মা সেতুর জন্য ঋনের ব্যাপারটাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা ও আগামী নির্বাচনে এই ইস্যুকে জনগনের সামনে এনে সুবিধা নেওয়ার চিন্তা-ভাবনা চলছে। 

গত কয়েক বছর ধরে আফ্রিকার কয়েকটি দেশে চলমান কর্মসূচীর অংশ হিসাবে প্রবাসী বাংলাদেশী-আমেরিকান শিক্ষাবিদ, চিন্তাবিদ, পেশাজীবী ও ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে নিজ নিজ দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে গুনগত উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ষ্টেট ডিপার্টমেন্টের সুদূরপ্রসারী উদ্যোগের অংশ হিসাবে মার্কিন কূটনীতিকদের এই আয়োজন। এই প্রকল্পের অংশ হিসাবে নতুন প্রজন্মদের সম্পৃক্ত করে নতুন ব্যবসা পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের জন্য মিলিয়ন ডলারের পুরষ্কারের ঘোষণা দিয়েছে ষ্টেট ডিপার্টমেন্টের মিতুল দেশাই। দেশে জনসেবায় প্রবাসীদের উদ্বুদ্ধ করার নিমিত্তে ষ্টেট ডিপার্টমেন্টের মাধ্যমে তাদের এমবেডেড এনজিওগুলির সাথে কাজ করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রবাসীদের অর্জিত ব্যবসা, প্রফেশনাল ও সাইন্টিফিক নেটওয়ার্ককে স্বদেশে সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এই কমিউনিটি উদ্যোগ ষ্টেট ডিপার্টমেন্ট ও আমেরিকান দূতাবাসের সহযোগীতায় তাদের আমব্রেলা অর্গানাইজেশনগুলির মাধ্যমে কো-ডেভেলপমেন্টের সুযোগ তৈরী করাই এই ইনিশিয়েটিভের লক্ষ্য। এই প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজিনা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে রপ্তানী এক বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় নয় হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়েছে। আগামী তিন বছরে এই রপ্তানিকে তিনগুন করার লক্ষ্যে প্রবাসী ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসবার আহ্বান জানান। আমেরিকান দূতাবাস এই ব্যাপারে সর্বাত্মক সাহায্য করার অঙ্গীকার করছে।

লস এঞ্জেলেসের ব্রেন্টউডে প্রবাসী ব্যবসায়ী ফিরোজ ফখরীর বাসভবনে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পার্টনারশিপ ডায়লগের অংশ হিসাবে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম (ইউ এস বি বি এফ) এ মতবিনিময় নৈশভোজের আয়োজন করে। গত সপ্তাহজুড়ে আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বিভিন্ন স্তরের এই মতবিনিময়ে অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও ষ্টেট ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তারা। এই পর্যায়ে নিউইয়র্ক, পোর্টল্যান্ড ও ক্যালিফোর্ণিয়ায় প্রবাসী সীমিতসংখ্যক বাংলাদেশী নাগরিকদের সাথে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও ষ্টেট ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তারা খোলামেলা কথা-বার্তা বলেন। লস এঞ্জেলেসে প্রথমে ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ণ ক্যালিফোর্ণিয়ায় শিক্ষক-ছাত্র ও কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে লাঞ্চ, বিকালে উডল্যান্ড হিলের এক প্রবাসীর বাসায় ইভনিং টী প্রোগ্রাম ও রাতে বেভারলি হিলস-ব্রেন্টউড এলাকায় ডিনার পার্টি আয়োজন করা হয়। আলোচনা ও নৈশভোজে স্থানীয় প্রবাসীদের সাথে রাষ্ট্রদূত পত্নী গ্রেস ফিনে মজিনাও উপস্থিত থেকে সবার সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ফিরোজ ফখরী তার স্বাগত বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত মজিনাকে এই কমিউনিটি উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানান। এরপর মজিনা অভ্যাগত অতিথিদেরও কয়েকটি প্রশ্নের জবাব দেন। এই পর্বটি পরিচালনা করেন ইউ এস বি বি এফ-এর প্রসিডেন্ট মোঃ জাফরুল্লাহ। 
Video: United States Ambassador to Bangladesh – Dan Mozena with Bangladeshi American in Los Angeles
-Jahan Hassan
Editor,
Ekush News Media
13659 Vicory Blvd, #376, Van Nuys, CA 91401, USA

1 818 266 7539
editor@Ekush.info
FaceBook: 
http://www.facebook.com/jahan.hassan.1

Pic Link: http://www.facebook.com/media/set/?set=a.10151198517861897.480982.826936896&type=1&l=a99bed5285


Dan Mozena Grace Feeney -Jahan Hassan Ekush News Media জাহান হাসান একুশ নিউজ মিডিয়া
Editor

http://www.probashipotro.com/2012/10/26/padmasetu/

অপরাধ ব্যবসা বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ অর্থনীতি


জাতিসংঘের ভাষ্য : প্রধান ২০ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ১টি অপরাধমূলক ব্যবসা

বিশ্বের প্রধান ২০টি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি হচ্ছে অপরাধ-সম্পর্কিত ব্যবসা। সম্প্রতি বিশ্বব্যাংক ও জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিচার কার্যালয়ের (ইউএনওডিসি) ২০০৯ সালের বিভিন্ন উপাত্ত বিশ্লেষণ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। খবর দ্য টেলিগ্রাফের।
এ তথ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য হুমকি বলে মনে করেন ইউএনওডিসির নির্বাহী পরিচালক ইউরি ফেদোটোভ। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, অপরাধ ব্যবসা বিশ্বের অন্যতম বৃহত্ অর্থনীতির কাতারে চলে এসেছে। এখন তা প্রধান ২০টি অর্থনৈতিক কার্যক্রমের একটি।
অপরাধ দমন ও বিচার-সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক কমিশনের (সিসিপিসিজে) সপ্তাহব্যাপী সম্মেলনের প্রথম দিনে বক্তব্য রাখার সময় ফেদোটোভ জানান, এ পরিস্থিতি আরও খারাপ দিকে মোড় নিতে পারে। তবে নির্দিষ্ট কোনো মন্তব্য করার আগে আরও বিশ্লেষণের কথা জানান তিনি।
ফেদোটোভের মতে, দুর্নীতির কারণে প্রতি বছর ৪ হাজার কোটি ডলার লোকসান হচ্ছে উন্নয়নশীল দেশগুলোর। আবার আদম পাচারের মতো অবৈধ ব্যবসা থেকে অপরাধীরা আয় করছে ৩ হাজার ২০০ কোটি ডলারের মতো।
অন্য এক বক্তব্যে ফেদোটোভ বলেন, ‘এক হিসাব অনুযায়ী, গড়ে ২৪ লাখ মানুষ আদম পাচারের শিকার হচ্ছে। এ হচ্ছে আধুনিক দাসত্বের এক নিকৃষ্ট উদাহরণ।’
তিনি জানান, অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ফলেও বিশাল অঙ্কের অর্থ আয় করছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
জাতিসংঘের এ কর্মকর্তা আরও জানান, ‘সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল)’ অর্জনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হচ্ছে সংঘটিত অপরাধ, অবৈধ আদম ব্যবসা, উগ্রবাদ ও দুর্নীতি। ২০১৫ সালের মধ্যে বিশ্বের দরিদ্রতম মানবগোষ্ঠীর দারিদ্র্য নিরসন ও স্বাস্থ্য উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০০০ সালে আন্তর্জাতিকভাবে এ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছিল।
অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় আরেকটি সম্মেলনে জাতিসংঘের প্রিন্সিপাল ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ব্রায়ান নিকোলাস জানান, আইনের ফাঁকফোকর বের করে নিজেদের টিকিয়ে রাখা ও মুনাফা লোটার নিত্যনতুন উপায় বের করতে অপরাধীদের জুড়ি নেই। তিনি বলেন, আগের দিনের পারিবারিকভাবে নিয়ন্ত্রিত শ্রেণীভিত্তিক অপরাধীদের সঙ্গে এখনকার অপরাধ চক্রগুলোর কোনো মিল নেই বললেই চলে।
তিনি আরও বলেন, ‘পারিবারিক নিয়ন্ত্রণের বদলে এখনকার অপরাধচক্রগুলো শিথিল ও অপ্রচলিত যোগাযোগব্যবস্থার মাধ্যমে সংযুক্ত। এখনকার অপরাধীরা নিজেদের সুবিধামতো উপায়ে যোগাযোগ করে আর তাদের কার্যপরিধিও অনেক বিস্তৃত।’
নিকোলাস অবশ্য ইউএস ব্যুরো অব ইন্টারন্যাশনাল নারকোটিকস অ্যান্ড ল এনফোর্সমেন্ট অ্যাফেয়ার্সের সঙ্গেও যুক্ত।
তিনি জানান, এখনকার সন্ত্রাসী দলগুলোও অর্থায়নের জন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। নিকোলাস বলেন, এমনও দেখা গেছে, নিজেদের সুবিধার জন্য সন্ত্রাসীরা অপরাধ উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করছে।
[বণিক বার্তা ডেস্ক]
একুশ নিউজ মিডিয়া এখন ফেস বুক এ Video News: www.EkushTube.com Visit us on FaceBook

Cheap International Calls


http://www.unodc.org/documents/data-and-analysis/Studies/Illicit_financial_flows_2011_web.pdf
April 23, 2012 11:03 AM

U.N.: Crime
is one of world’s “top 20 economies”

(CBS/AP)

(CBS/AP) VIENNA – Criminality worldwide generates proceeds in the trillions of dollars each year, making crime one of the world’s “top 20 economies,” a senior U.N. official said Monday

With the scope of global crime — and particularly organized crime — threatening emerging economies and fomenting international instability, Yury Fedotov called for concerted world action to combat the trend.

“We need to recognize that the problem requires a global solution,” Fedotov, the head of the U.N. Office on Drugs and Crime, told reporters outside an international conference focused on preventing the exploitation of illegal migrants and other crimes linked to human trafficking. “No country can handle this problem alone.”

Fedotov said that “criminal business” earns those behind it $2.1 trillion — nearly 1.6 trillion euros — a year, which he said is equivalent to nearly 7 percent of the size of the global economy.

Complete speech by Yury Fedotov, Executive Director, UNODC

In a recent UNODC report, global gross proceeds were calculated from such illicit activities as money-laundering (US$1.6 trillion in 2009) and cocaine trafficking (US$84 billion for 2009).

Other criminal enterprises which added to UNODC’s $2.1 trillion estimate were counterfeiting; human trafficking; and trafficking in oil, wildlife, timber, fish, art and cultural property, gold, human organs, and small and light weapons). (Criminal proceeds within a national sector, such as burglaries, fraud, loan sharking or protection racketeering, were not included.)

Transnational crime threatens Millennium Development Goals (UNODC)

In separate comments inside the meeting, Fedotov said that as many as 2.4 million people may be victims of human trafficking worldwide at any given time, calling it “a shameful crime of modern-day slavery.”

Corruption is another concern of the meeting. Fedotov told the opening session that estimates put the amount of money lost through corruption in developing countries at $40 billion annually.

U.S. delegate Brian A. Nichols said the changed face of organized crime makes prosecution more difficult than in the past.

“Today, most criminal organizations bear no resemblance to the hierarchical organized crime family groups of the past,” he told the meeting.

“Instead, they consist of loose and informal networks that often converge when it is convenient and engage in a diverse array of criminal activities, including the smuggling of counterfeit goods, firearms, drugs, humans, and even wildlife to amass their illicit profits.”
http://www.cbsnews.com/8301-202_162-57418890/u.n.-crime-is-one-of-worlds-top-20-economies/

জাতিসংঘের ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়


জাতিসংঘের ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়

ভিওবিডি, ঢাকা থেকে

জাতিসংঘের ঝঁুকিপূর্ণ শহরগুলোর তালিকায় ঢাকা দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। ঢাকা সম্পর্কে আশঙ্কা করা হয়েছে এখানে বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ ঘটতে পারে। কারণ জনসংখ্যার ঘনত্ব, ত্রুটিপূর্ণ অবকাঠামো ও ঘন বিল্ডিং নির্মাণ। গতকাল রোববার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) মিলনায়তনে একশন এইড বাংলাদেশ ও ইউরোপিয়ান কমিশন ফর হিউম্যানিটারিয়ান এইড এর সহযোগিতায় বিজিএমইএ ও পপুলেশন সার্ভিসেস এন্ড ট্রেনিং সেন্টারের (পিএসটিসি) যৌথ উদ্যোগে পোশাক শিল্পে কর্মরতদের ভূমিকম্প ও অগ্নি দুর্ঘটনা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এ আশঙ্কার কথা উঠে আসে। কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী ড· মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক এ ঝঁুকির কথা জানান।

তিনি বলেন, ভূমিকম্প ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে শ্রমনিবিড় পোশাক শিল্পে নিয়োজিত বিপুল জনগোষ্ঠী। এ খাতে একই ভবনে বহু শ্রমিককে একসঙ্গে কাজ করতে হয়। কিন্তু তারা জানে না ভূমিকম্প হলে কিভাবে বিপদ থেকে উদ্ধার পেতে হবে। তাই এ বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে শ্রমিকদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির জন্য এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হয়েছে। বিজিএমইএ সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন একশন এইড বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক প্রতিনিধি আসগর আলী সাবরি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগে· জে· আবু নাঈম মোঃ শহীদুলস্নাহ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বুøরোর মহাপরিচালক আহসান জাকির, পিএসটিসির নির্বাহী পরিচালক মিলন বিকাশ পাল, বিজিএমইএর দ্বিতীয় সহসভাপতি সফিউল ইসলাম (মহিউদ্দিন), সহসভাপতি (অর্থ) মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান, ফায়েজুন নবী চৌধুরীসহ বিজিএমইএর পরিচালকবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

ড· মুহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক আরো বলেন, জাতীয় অর্থনীতিতে পোশাক শিল্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ভূমিকম্পকালীন যাতে ক্ষয়ক্ষতি কম হয়, সেজন্য প্রস্তুতি ও প্রতিরোধের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা উচিত। তিনি বলেন, ভূমিকম্পে জীবন বাঁচানো ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমানোর লক্ষ্যে তার মন্ত্রণালয় থেকে ৭০ কোটি টাকার যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হয়েছে। এ ছাড়াও ভূমিকম্পে বিপন্ন মানবতাকে সাহায্য করার জন্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী ৬২ হাজার স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করার প্রক্রিয়া চলছে।

আব্দুস সালাম মুর্শেদী বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের কল্যাণে বিজিএমইএ এ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই অবস্থায় ৩৫ লাখ শ্রমিকদের খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা, বছরব্যাপী চাল, ডাল, তেল, লবণ, আটাসহ খাদ্যসামগ্রী ন্যায্যমূল্যে তারা যাতে পেতে পারে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিজিএমইএ সভাপতি মাননীয় মন্ত্রীকে অনুরোধ জানান। আসগর আলী সাবরি বলেন, ২০০৬ সাল থেকে বাংলাদেশে অগ্নি নিরাপত্তা কার্যক্রম শুরু করে ২০০৯ সালে বিজিএমইএর সঙ্গে সমঝোতা স্বাক্ষর করা হয়। তিনি বলেন, অগ্নি নিরাপত্তা ছাড়াও একশনএইড বাংলাদেশ বিজিএমইএর সঙ্গে কমপস্নায়েন্সের ক্ষেত্রগুলোয় কাজ করতে আগ্রহী।

%d bloggers like this: