লস এঞ্জেলেসে বাফলার অভিষেক অনুষ্ঠান ও ইফতার মাহফিল


লস এঞ্জেলেসে বাফলার অভিষেক অনুষ্ঠান ও ইফতার মাহফিল

বাফলার অভিষেক অনুষ্ঠানের ছবি 2013:
icon

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে গত ২৮ জুলাই লস এঞ্জেলসের দ্য বেভারলি গারল্যান্ড হলিডে ইন হোটেলের বলরুমে কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ইউনিটি ফেডারেশন অব লস আঞ্জেলেসের (বাফলা) ২০১৩-১৪ সনের নতুন পরিচালনা কমিটির এক অনাড়ম্বর অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
 বাংলাদেশ ইউনিটি ফেডারেশন অব লস আঞ্জেলেস বাফলা  BUFLA 2013-14 Cabinet  (R-L) President Shiper Chowdhury, Faruque Howlader - Public Relations Secretary, Mohammad Amzad Hossain - Organizing Secretary, Layek Ahmed - Finance secretary, Abul Hasnath Rayhan - Vice President, Anjuman Ara Sheulee - General Secretary

বাংলাদেশ ইউনিটি ফেডারেশন অব লস আঞ্জেলেস বাফলা
BUFLA 2013-14 Cabinet
(R-L) President Shiper Chowdhury, Faruque Howlader – Public Relations Secretary, Mohammad Amzad Hossain – Organizing Secretary, Layek Ahmed – Finance secretary, Abul Hasnath Rayhan – Vice President, Anjuman Ara Sheulee – General Secretary


স্বাগত বক্তব্যে ২০১২-১৩ সনের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ড্যানি তৈয়েব বলেন, গত সাত বছরে আগে লস এঞ্জেলেসের প্রায় সকল সংগঠন নিয়ে গঠিত এই ফেডারেশন বর্তমানে প্রবাসে সামাজিক সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

তিনি তার টার্মে থাকাকালীন ২০১৩ সালের সফল বাফলা প্যারেডসহ প্রথম ঈদ রিইউনিয়ন ও মেলা, একুশে ফেব্রুয়ারী উদযাপন, বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা ও এল এ সিটির সহযোগীতায় ফ্রি হেলথ ক্লিনিক ও সেমিনার, জব ফেয়ার, দেশে-বিদেশে দুর্গতদের সাহায্যার্থে ফান্ডরেইজিং সহ মূলধারায় বাংলাদেশীদের সম্মানজনক অবস্থায় প্রতিষ্ঠিত করতে লস এঞ্জেলেসের বুকে লিটল বাংলাদেশ সৃষ্টি ও সাম্প্রতিক মেয়র নির্বাচনে বর্তমান মেয়রের নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় অংশগ্রহনের বর্ননা দেন।

This slideshow requires JavaScript.


অনুষ্ঠান শুরু হয় মোঃ আমজাদ হোসেনের পরিচালনায় হামদ, নাথ ও সুরা আবৃত্তি প্রতিযোগীতা দিয়ে। বাফলার প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট ড্যানি তৈয়েব পুরষ্কার বিতরণ করেন ও নতুন কমিটিকে স্বাগত জানান। নতুন প্রজন্মের চোখে গত বছরে বাফলার উল্লেখ্যযোগ্য কার্যক্রম নিয়ে আদনান তৈয়েবের স্লাইডশো পরিবেশিত হয়। বাফলার এক্সিকিউটিভ মেম্বারসহ কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বাফলার কার্যক্রম নিয়ে বক্তৃতা দেন। বাফলার বোর্ড অব ট্রাষ্টির চেয়ারম্যান নাসিমুল গনি ও সদস্য টিয়া হাবিব নতুন কমিটির নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের শপথবাক্য পাঠ করান।

নবনির্বাচিত ক্যাবিনেট সদস্যরা হলেন, সভাপতি শিপার চৌধুরী, সহসভাপতি আবুল হাসনাত রাইহান, সাধারণ সম্পাদক আঞ্জুমান আরা শিউলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আমজাদ হোসেন, পাবলিক রিলেশন সম্পাদক ফারুক হাওলাদার, কোষাধ্যক্ষ লায়েক আহমেদ এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক দিলুর চৌধুরী।

নুতন ক্যাবিনেটকে শুভেচ্ছা, শুভকামনা ও সহযোগিতা করার অঙ্গীকার করে বক্তব্য দেন ডাক্তার এম এ হাশেম, খন্দকার আলম, আবুল কাশেম তোহা, নজরুল ইসলাম কাঞ্চন, নজরুল আলম, সালেক সোবহান, শামসুদ্দিন মানিক, সাইফ কুতুবী, জাকির খান, এনামুল হক এমরান, প্রফেসর আলী আকবর, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ মালেক, এম কে জামান, মুমিনুল হক বাচ্চু, ওমর হুদা, মুজিব সিদ্দীকি, সালেহ কিবরিয়া, জসিম আশরাফি আহমেদ, বাফলার প্রতিষ্ঠাতা ডঃ মাহবুব খান প্রমুখ।
ইফতারী, নামাজ ও ডিনারের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

প্রবাসে সাংবাদিকতা, মিডিয়া ও শিল্প-সাহিত্য-সংষ্কৃতিতে উল্লেখযোগ্য কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ একুশ নিউজ মিডিয়ার সম্পাদক ও প্রকাশক জাহান হাসানকে ক্রেষ্ট দিয়ে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

#jahanhassan #জাহানহাসান #বাফলা #BUFLA #littlebangladesh #লিটলবাংলাদেশ

BUFLA Awarded to Jahan Hassan in recognition for outstanding contributions to Bengali Literature, Language, Journalism and Media.
This Award honors public service journalism that explores and exposes an issue of importance to immigrant in the United States. #jahanhassan

বাফলার অভিষেক অনুষ্ঠানের পরে সামাজিকতার ছবি 2013
icon

লস এঞ্জেলেসে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত


লস এঞ্জেলেসে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

লস এঞ্জেলেসঃ ১০ জানুয়ারী, ২০১৩
লস এঞ্জেলেসে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্ণিয়া, যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দ্যোগে বাংলাদেশের স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করা হয়েছে।
লস এঞ্জেলেসে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

লস এঞ্জেলেসে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত


লস এঞ্জেলেসের সান ফেরন্যান্ডো ভ্যালীতে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্ণিয়ার সভাপতি শফিকুর রহমান। বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা স্মরণ করে শফিকুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হারিয়ে বাংলাদেশ যে পিছিয়ে পড়েছে সেই শূন্যতাকে তার সুযোগ্য উত্তরসূরি শেখ হাসিনা সুদৃড়ভাবে সামনে নিয়ে যাচ্ছেন ও তার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য প্রবাসীদের এগিয়ে আসতে হবে।

আলোচনায় বক্তারা বলেন- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হলেও ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্যদিয়ে জাতি বিজয়ের পূর্ণ স্বাদ গ্রহণ করে। বক্তারা সেই মাহেন্দ্রক্ষণকে স্মরণ করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, এটা সমগ্র বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের সংগ্রামের নিদর্শন স্বরূপ। বঙ্গবন্ধু হত্যা সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন।

লস এঞ্জেলেসে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

লস এঞ্জেলেসে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্ণিয়ার সাধারন সম্পাদক ডাঃ রবি আলমের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ক্যালিফোর্ণিয়া ছাত্রলীগের আহ্বায়ক শওকত আহমেদ চৌধুরী। স্থানীয় কমিউনিটির পক্ষে থেকে স্মৃতিচারণ করেন মোবারক হোসেন বাবলু, এম কে জামান, খন্দকার ইমতিয়াজ আহমেদ ইমু, কাজী নাজির আহমেদ হাসিব প্রমুখ।

বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যসহ যাঁরা ১৫ ই আগস্ট শাহাদাৎ বরণ করেছেন তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে ও বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এই উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর বর্ন্যাঢ্য জীবন নিয়ে চিত্র প্রর্দশনীর আয়োজন করা হয়।

লস এঞ্জেলেসে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত:ভিডিও:

The Liberator Bangabandhu Sheikh Mujib returns home: Video
http://www.facebook.com/v/10151325194521897
Pic: http://www.facebook.com/media/set/?set=a.10151325115691897.499885.826936896&type=1&l=a9c80f4b51

শুভ নববর্ষ স্বাগত স্বাগতম ২০১৩ Happy New Year 2013: Bangladeshi Los Angeles Style


শুভ নববর্ষ 2013: লস এঞ্জেলেসে আনন্দঘন আয়োজনে নতুন বছরকে স্বাগতমঃ
ভিডিওঃ আনন্দধারা বহিছে ভুবনেঃ

ছবি লিঙ্কঃ
http://www.facebook.com/media/set/?set=a.10151308912426897.497750.826936896&type=0a77cca6da

সবাইকে ইংরেজী নববর্ষ ২০১৩ সালের শুভেচ্ছা। প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে ২০১২ এই ইংরেজী সালটি আমাদের চলমান ডায়েরি থেকে খুয়ে গেলেও, ২০১৩ আসছে সম্ভাবনার নতুন বারতা নিয়ে। তাই এই নববর্ষটিকে জানাই সাদর সম্ভাষণ। মনের সব কালিমা ও ব্যর্থতাকে ঝেড়ে-মুছে লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নে চলুন নতুন করে সুন্দর এক ভবিষ্যত এর পানে ছুটে চলি যেখানে নিশ্চিত হবে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও প্রতিশ্রুতিশীল এক আবাসভূমি। সময় ও মহাকালের বহমান প্রবাহে কখনো কোন ছেদ ঘটে না। প্রতি মুহূর্তেই সময় বয়ে চলে সমান তালে। মানুষের মনে সেই বোধটা সবসময় উপলব্ধিতে আসে না। তবে কোনো কোনো সময় বেশ স্পষ্টভাবে সে সম্পর্কে বোধোদয় হয়। তেমনি একটি সময়কাল হলো ঠিক তখন, যখন আমরা পুরনো ক্যালেন্ডারটি বদলে দেয়ালে নতুন ক্যালান্ডার ঝুলাই। যখন পুরনো বছর সমাপনান্তে ঘটে আরেকটি নতুন বছরের সূচনা। তা সে হোক না বাংলা ক্যালেন্ডার কিংবা ইংরেজি ক্যালেন্ডার, যে কোনোটা। আজ নতুন ইংরেজি বছর ২০১৩-এর যাত্রা শুরু। অনেক চিন্তার সাথে আজ এ জিজ্ঞাসাটি জোরালোভাবে মনে জাগাটা বেশ স্বাভাবিক যে, পার হয়ে আসা ২০১২ সালটি কেমন গেল?

তৈরি পোশাক খাত:শ্রমিকসংকটের আশঙ্কা:বাংলাদেশে কারখানা সরিয়ে আনছে চীনা উদ্যোক্তারা:রেমিট্যান্সপ্রবাহে বিশাল ধস নেমেছে


তৈরি পোশাক খাত
শ্রমিকসংকটের আশঙ্কা
বদরুল আলম

দেশের প্রধান রফতানি খাত তৈরি পোশাকশিল্প সচল রেখেছেন প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক। তবে শিল্পমালিকরা বলছেন, এ খাতে শ্রমিক প্রয়োজন ৫০ লাখ। এ হিসাবে এখনই ১০ লাখ শ্রমিকের ঘাটতি রয়েছে। এর মধ্যেই ঘটছে তাজরীন ফ্যাশনসের মতো ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা, যা কর্মপরিবেশ নিয়ে উদ্বিগ্ন করে তুলছে শ্রমিকদের। এর ওপর আছে মজুরি নিয়ে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ। সব মিলিয়ে ভবিষ্যতে বড় ধরনের শ্রমিকসংকটে পড়তে যাচ্ছে বার্ষিক ২০ বিলিয়ন ডলার এনে দেয়া খাতটি।
শ্রমিকসংকটের কথা স্বীকার করছেন খাতসংশ্লিষ্টরাও। তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সহসভাপতি ফারুক হাসান এ প্রসঙ্গে বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সামনের দিনগুলোয় ভয়াবহ শ্রমিকসংকটের আশঙ্কা করছি আমরা। এর মূল কারণ, শ্রমিকরা আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন। এ আস্থার সংকটে উৎপাদন ব্যাহত হবেই।’

জানা যায়, তৈরি পোশাকের মূল সরবরাহকারী চীন তাদের অবস্থান থেকে ক্রমেই ছিটকে যাচ্ছে। দেশটিতে শ্রমের মজুরি বেড়ে যাওয়াই এর প্রধান কারণ। কয়েক বছর আগে চীন বিশ্বের মোট চাহিদার ৪২ শতাংশ তৈরি পোশাক সরবরাহ করলেও এখন তা ৩৭ শতাংশে নেমে এসেছে। ভারতেও শ্রমের মজুরি প্রতি বছরই বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সামনে সুযোগ এসেছে এ খাতে নিজেদের অবস্থান আরও সংহত করার। তবে মজুরি ও উপযুক্ত কর্মপরিবেশের অভাবে এ সুযোগ কাজে লাগানো কতটা সম্ভব, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
Bangladesh fire victims want old jobs back

Bangladesh fire victims want old jobs back

খাতসংশ্লিষ্ট সংগঠন সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে প্রতি মাসে ১৫-২০ শতাংশ শ্রমিক পোশাক কারখানা ছেড়ে যাচ্ছেন। তিন বছর আগেও এ হার ছিল ৫-১০ শতাংশ। কৃষিকাজে উপার্জনের সুযোগ বেড়ে যাওয়ায় গ্রামে ফিরে যেতে চাইছেন অনেকেই। দিনে ৩০০-৩৫০ টাকা হিসাবে একজন কৃষি শ্রমিক মাসে ৯-১০ হাজার টাকা আয় করতে পারছেন।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষক শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখন থেকে আগামী মার্চ পর্যন্ত এ হারে আয় করতে পারবেন তারা। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জে অনেক কারখানা আছে, যেগুলোর শ্রমিকরা এখন মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমাচ্ছেন। ফলে বাধ্য হয়েই কারখানাগুলোকে সারা বছরই শ্রমিক নিয়োগে চেষ্টা চালাতে হচ্ছে। ঢাকাসহ আশপাশ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বেশির ভাগ কারখানায়ই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ঝুলছে।

শ্রমিকদের মধ্যে পোশাক কারখানা ছেড়ে দেয়ার প্রবণতা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনা। এর সর্বশেষ উদাহরণ আশুলিয়ার তাজরীন ফ্যাশনস। এ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক মানুষ মারা যাওয়ার পর আতঙ্কিত শ্রমিকদের অনেকেই এখন এ পেশা ছেড়ে দেয়ার কথা ভাবছেন। সংগঠনগুলো তাজরীনের পাশের কারখানাগুলোয় শ্রমিকদের কাজের সুযোগ করে দেয়ার প্রস্তাব দিলেও তাতে সাড়া মিলছে না।

তাজরীন ফ্যাশনসের অপারেটর শামসুল হক এ বিষয়ে বলেন, ‘সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এ কারখানায় আর কাজ করব না। অন্য কারখানায়ও যেতে চাই না। বেশির ভাগ কারখানার পরিবেশই প্রায় একই রকম। তাই কাজ পেলেও নিরাপত্তা ঝুঁকি কমবে না।’

শ্রম পরিবেশ নিয়ে শ্রমিকদের অভিযোগগুলোর সত্যতা মেলে পোশাক খাত নিয়ে করা সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষায়। সমীক্ষা অনুযায়ী, পোশাক খাতের শ্রমিকপর্যায়ের ৬০ দশমিক ৯ শতাংশ চাকরিই অস্থায়ী। ৮০ শতাংশ কারখানার প্রশিক্ষণ সুবিধা নেই। ৫২ দশমিক ৩ শতাংশ কারখানায় চিকিত্সা সুবিধা নেই। পরিবহন সুবিধা দেয় না, এমন কারখানার হার ৯১ দশমিক ৮ শতাংশ।

অবশ্য শ্রমিক প্রতিনিধিরা এ সংকট সাময়িক বলে ধারণা করছেন। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক জোটের সভাপতি শিরিন আখতার বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো পোশাক শ্রমিকদের মধ্যে এক ধরনের ভীতি সৃষ্টি করেছে। সাময়িকভাবে এর প্রভাব পড়তে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শ্রমিকসংকট সাময়িক বা দীর্ঘমেয়াদি যা-ই হোক, এ খাতের সার্বিক কর্মপরিবেশ উন্নয়নে এখনই উদ্যোগ প্রয়োজন। কারণ এ খাতের মূল আকর্ষণই হচ্ছে শ্রমের সস্তা মজুরি।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা সংস্থার মহাপরিচালক মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে শ্রমিকরা খাত পরিবর্তনে বাধ্য হবেন কি না, তা এখন প্রশ্নবিদ্ধ ও সময়সাপেক্ষ। তবে এটাও ঠিক, তাদের হাতে খুব বেশি বিকল্পও নেই।

পোশাকশিল্প খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশির ভাগ শ্রমিকই নারী, যারা শহরে এসে একসময় বাসাবাড়িতে কাজ করতেন। এ পেশা ছেড়ে তারা আর আগের পেশায় ফিরে যেতে চাইবেন না। আবার গ্রামে কৃষিকাজের সুযোগ থাকলেও কায়িক শ্রম বেশি হওয়ায় পুরুষরা তাতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। এ ক্ষেত্রে বিকল্প হতে পারে— দেশের বাইরে চলে যাওয়া। কিন্তু সেখানেও রয়েছে নিরাপত্তার অভাব। কাজেই এ মুহূর্তে পোশাক কারখানাগুলোর উচিত কর্মপরিবেশের উন্নয়ন ঘটিয়ে বিশাল এ কর্মী বাহিনীকে ধরে রাখা।

বাংলাদেশে কারখানা সরিয়ে আনছে চীনা উদ্যোক্তারা
পোশাক শিল্পে সস্তা শ্রমের সুযোগ
সাইদুল ইসলাম

সস্তা শ্রমের সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশে পোশাক শিল্প কারখানা সরিয়ে আনছে বিশ্ব অর্থনীতির বৃহত্ শক্তি চীন। চীনা উদ্যোক্তারা বাংলাদেশে গার্মেন্টস তৈরি করে তা নিজেদের দেশের ভোক্তাদের জন্য রপ্তানিও করছে। বর্তমানে দেশে চীনা পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা একশ ছাড়িয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের উদ্যোক্তারাও চীনের মধ্যবিত্ত শ্রেণীর জন্য কম দামে পোশাক রপ্তানি করছে। জানা গেছে, চীনের স্থানীয় খোলাবাজারে সবচেয়ে বড় খুচরা বিক্রি প্রতিষ্ঠান ভ্যানসেল ইতিমধ্যে কিছু প্যান্ট এবং শার্টের অর্ডার বাংলাদেশকে দিয়েছে। এছাড়া পশ্চিমা ক্রেতা ওশান এবং এইচ এন্ড এম চীনা বাজারে পোশাক সরবরাহের জন্য বাংলাদেশের কারখানাগুলোতে কাজ করাচ্ছে।

বর্তমানে একজন চীনা শ্রমিকের সর্বোচ্চ বেতন প্রতিমাসে চারশ থেকে পাঁচশ মার্কিন ডলার। আর বাংলাদেশের একজন শ্রমিকের সর্বোচ্চ বেতন ৭০ থেকে ১০০ মার্কিন ডলার। চীনা বিনিয়োগকারীদের মতে, এ পরিমাণ বেতন দিয়ে অনেক সময় কারখানা চালাতে গিয়ে উত্পাদন ব্যয় বেড়ে যায়। রপ্তানির ক্ষেত্রে অনেক সময় পুষিয়ে উঠা সম্ভব হলেও অভ্যন্তরীণ বাজারে কম মূল্যে পোশাক রপ্তানি করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। কারণ ১৩০ কোটি জনসংখ্যার দেশ চীনের সবচেয়ে বড় অংশ মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত।

চীনের বন্দর শহর নিনগোতে একটি গার্মেন্টস কারখানা চালান সেখানকার নাগরিক রোজা দাদা। দৈনিক ইত্তেফাককে তিনি বলেছেন, চীনে কারখানা চালানো এখন দুরূহ হয়ে পড়েছে। গত দু’ বছরে শ্রমিকদের বেতন যে হারে বেড়েছে তাতে বাংলাদেশে কারখানা সরিয়ে আনা ছাড়া কোন উপায় ছিলো না। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশে আরেক চীনা প্রতিষ্ঠান ফোর সিজন ফ্যাশনের জন্য কাজ করেন। রোজা দাদা আরো বলেন, তিনি শুধু পণ্য ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির জন্য ঢাকায় অফিস খোলেননি। তিনি চীনে পোশাক রপ্তানির বিষয়টিও তদারকি করছেন। চীনা উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে গার্মেন্টস আমদানি করলে তাদের খরচ চীন থেকে ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কম পড়ে।

বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা জানিয়েছেন, তারা ৯০ শতাংশ গার্মেন্টস পণ্য যেমন টি-শার্ট, জিন্স এবং স্যুয়েটারে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা পায়। তাদের মতে, শুল্কমুক্ত সুবিধা অব্যাহত থাকলে চীনে রপ্তানি আরো বাড়বে। কয়েক বছর আগে চীনে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির পরিমাণ দুই কোটি মার্কিন ডলারের মতো থাকলেও বর্তমানে তা ১৫ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে এ রপ্তানি ৫০ কোটি ডলারে দাঁড়াবে বলে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা আশা করছেন।

তবে চীনা উদ্যোক্তাদের কারখানা সরিয়ে আনার খবরে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা কিছুটা শংকিত। একজন রপ্তানিকারক নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইত্তেফাককে বলেছেন, চীনা উদ্যোক্তারা এখানে ছোট একটি কারখানা প্রতিষ্ঠা করে। এর আদলে তারা বড় বড় ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে অর্ডার নিয়ে আসে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করিয়ে নিয়ে তারা পুরো মুনাফা নিজেদের পকেটে পুরছে। এছাড়া চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো দরকারি কাঁচামাল তাদের নিজ দেশ থেকে আমদানি করার কারণে বাংলাদেশের পশ্চাত্সংযোগ শিল্প (ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ) ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও মত দেন তিনি।

নভেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ৯৮ মিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক
রেমিট্যান্সপ্রবাহে যে ইতিবাচক ধারা শুরু হয়েছিল তাতে বিশাল ধস নেমেছে। গত অক্টোবরের চেয়ে ৩৫৫ মিলিয়ন ডলার কম রেমিট্যান্স এসেছে নভেম্বরে। এমনকি চলতি অর্থবছরের যেকোনো মাসের চেয়ে কম রেমিট্যান্স এসেছে নভেম্বরে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, নভেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৯৮ মিলিয়ন ডলার। অক্টোবরে এর পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৪৫৩ মিলিয়ন, সেপ্টেম্বর ও আগস্টে ছিল ১ হাজার ১৭৮ মিলিয়ন এবং জুলাইয়ে ছিল ১ হাজার ২০১ মিলিয়ন ডলার।

নভেম্বরে রাষ্ট্রায়ত্ত চার ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৫৩ মিলিয়ন ডলার। অক্টোবরে আসে ৪৪৬ মিলিয়ন ডলার। বেসরকারি খাতে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে নভেম্বরে এসেছে ৩০৬ মিলিয়ন ডলার, অক্টোবরে আসে ৩৯৮ মিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে নভেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছে ৭১৭ মিলিয়ন ডলার, অক্টোবরে যার পরিমাণ ছিল ৯৬৯ মিলিয়ন ডলার।

এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে ব্যাংকাররা জানান, দুই ঈদের কারণে রেমিট্যান্সপ্রবাহ বেড়েছিল। এখন জনশক্তি রফতানি কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে রেমিট্যান্সপ্রবাহে।
Sources: http://www.bonikbarta.com/?view=details&pub_no=162&menu_id=1&news_id=20414&news_type_id=1
http://www.bonikbarta.com/?view=details&pub_no=162&menu_id=11&news_id=20411&news_type_id=1

লস এঞ্জেলেসে মাইলস-এর মনমাতানো অনুষ্ঠান ও ফ্রেন্ডস ক্লাব অব ভ্যালীর পুরষ্কার বিতরণী


This slideshow requires JavaScript.

লস এঞ্জেলেসে মাইলস-এর মনমাতানো অনুষ্ঠান ও ফ্রেন্ডস ক্লাব অব ভ্যালীর পুরষ্কার বিতরণী

লস এঞ্জেলেসঃ গত ১৩ অক্টোবর লিটল বাংলাদেশ লস এন্জেলেসের প্রাণকেন্দ্রে ফাউন্ডার চার্চ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো ফ্রেন্ডস ক্লাব অব ভ্যালী, লস এন্জেলেস আয়োজিত ফ্রেন্ডস টুর্নামেন্ট ২০১২ র বার্ষিক পুরষ্কার বিতরণী ও মাইলস এর কনসার্ট। লস এঞ্জেলেস, সান ফেরন্যান্ডো ভ্যালী ও ইনল্যান্ড এম্পায়ারের বিভিন্ন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে অষ্টমবারের মতো আয়োজিত ৬টি ইভেন্ট। প্রায় দুইমাস ধরে ১০০ জনের ও বেশী প্রো ও সৌখিন ক্রীড়াবিদেরা ব্যাডমিন্টন, ক্যারাম, দাবা, টেবিল টেনিস, বাস্কেটবল ১ (আন্ডার ১২) ও বাস্কেটবল ২ (আন্ডার ২০) খেলায় অংশ নেন। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়ার পাশাপাশি সাবেক ক্রীড়াবিদ, সাংবাদিক, শিল্পী ও সংগঠকদের বিশেষ সম্মাননাও একই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রদান করা হয়।

আজীবন সম্মাননা জানানো হলো ক্রীড়াঙ্গনের তিনজন কৃতী ক্রীড়াবিদ ও সংগঠককে। বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসের জনপ্রিয় খেলোয়ার, জাতীয় দলের ১৭ বছরের গোলকীপার, জাতীয় দলের কোচ শহিদুর রহমান চৌধুরী সান্টুকে আজীবন সম্মাননায় ভুষিত করা হয়। ফ্লোরিডা প্রবাসী ফুটবল কোচ শহিদুর রহমান চৌধুরী সান্টু লস এঞ্জেলেসে তাকে দেওয়া সম্মাননায় অভিভূত হয়ে বলেন, প্রবাসে ফ্রেন্ডস ক্লাব অব ভ্যালীর এই উদ্যোগ প্রাক্তন ক্রীড়াবিদদের সোনালী অতীতকে সমুজ্জ্বল রাখার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকেও উৎসাহ দেবে। তিনি ফুটবল ক্রিকেটকে ফ্রেন্ডস ক্লাবের বার্ষিক ইভেন্টে আবারও অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান। বাংলাদেশ ক্রিকেট জাতীয় দলের স্টাইলিশ ওপেনার ব্যাটসম্যান ওয়াহিদুজ্জামান মন্টুকেও আজীবন সম্মাননায় ভুষিত করা হয়। আজীবন সম্মাননা পেলেন চট্টগ্রাম আবাহনীর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অন্যতম, চট্টগ্রামের ক্রীড়াজগতের সফল সংগঠক এ আর খান। সঙ্গীতে সম্মাননা প্রদান করা হয় ফিডব্যাক ব্যান্ডের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জনপ্রিয় ড্রামার খাজা এরশাদ মাইনুদ্দীন পপসিকে। বর্ণাঢ্য এই পুরষ্কার বিতরণী সন্ধ্যায় সাংবাদিকতায় লস এঞ্জেলেসের মিডিয়া ব্যক্তিত্ব লস এঞ্জেলেস প্রেসক্লাবের সদস্য একুশ নিউজ মিডিয়ার প্রধান জাহান হাসানকে ‘এক্সেলেন্স ইন জার্নালিজম অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। এছাড়াও গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড প্রদানকারী হলিউড ফরেন প্রেস অ্যাসোসিয়েশন-এর সদস্য ও প্রাক্তন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর জার্নালিষ্ট মুনওয়ার হোসেন পিয়ালকে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। অভিনেত্রী তারিন জাহান ও বিউটিশিয়ান নাহিন কাজীকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।

সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানে অ্যাওয়ার্ড প্রদানের বর্ণাঢ্য এই অনুষ্ঠানে লস এন্জেলেস প্রবাসীদের মনমাতানো ব্যান্ডসঙ্গীত উপহার দেয় ঐতিহ্যবাহী মাইলস। মাইলস-এর ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে জম-জমাট এই সম্মীলনিতে মাইলস-এর প্রাক্তন সদস্য লস এঞ্জেলেস প্রবাসী খাজা কামাল মাইনুদ্দীন ও লুসিয়ানা প্রবাসী মুসা রশীদ যোগ দেন।

অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন ফারহানা সাঈদ ও কেকা। পুরষ্কার বিতরনী পরিচালনা করেন ফ্রেন্ডস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা শফিউর রহমান ওরফে ফ্রেন্ড বাবু। সম্মাননা অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ফ্রেন্ডস ক্লাবের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক এম কে জামান নান্টু। ফ্রেন্ডস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট ফেরদৌস খান ক্রীড়াবিদসহ ক্রীড়া প্রসারে প্রবাসীদের আগ্রহ ও সহযোগীতার জন্য ধন্যবাদ জানান। অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশের ক্রীড়াবিদসহ অনেক প্রবাসীরা যোগ দেন।


ছবি লিঙ্কঃ http://www.facebook.com/media/set/?set=a.10151185741196897.478941.826936896&type=1&l=e34fa7233e

লস এঞ্জেলেসে মাইলস-এর মনোরম ব্যান্ড শো – ভিডিও হাইলাইটসঃ

World Tour of Miles 2012 in Hollywood with old band members of Miles

লস এঞ্জেলেসে সাম্প্রদায়িক ও জাতিগত আক্রমণের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান


This slideshow requires JavaScript.

লস এঞ্জেলেসে সাম্প্রদায়িক ও জাতিগত আক্রমণের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

লস এঞ্জেলেস (একুশ নিউজ মিডিয়া): গত ১০ই অক্টোবর বুধবার লস এঞ্জেলেসের হিন্দু সম্প্রদায় চট্টগ্রামের পটিয়া ও কক্সবাজারের রামু, উখিয়ার মন্দির, বৌদ্ধবিহার ও বসতিতে সাম্প্রদায়িক তাণ্ডবের প্রতিবাদে ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে লস এঞ্জেলেস্থ বাংলাদেশ কন্সুলেটের সামনে মানববন্ধনের আয়োজন করে ও কন্সুলেটে স্মারকলিপি প্রদান করে।

উইলশার সড়কে লস এঞ্জেলেস হিন্দু-বৌদ্ধ পরিষদ ও স্থানীয় কমিউনিটি নেতা-কর্মীরা শনিবার দুপর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। মানবন্ধন কর্মসূচি চলাকালে নেতৃবৃন্দরা কন্সাল জেনারেল মোঃ এনায়েত হোসেনের সাথে সাক্ষাৎ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করেন। কমিউনিটির পক্ষ থেকে বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিহার ও মন্দির বসতবাড়িতে ভাংচুর লুটপাট, অগ্নিসংযোগের তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও প্রবাসীদের গভীর উদ্বেগের কথা জানান এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। একই সাথে ক্ষতিগ্রস্তদের পুর্ণবাসনের দাবি জানানো হয়। মানবন্ধন কর্মসূচি থেকে আমেরিকার আদলে হেইট ক্রাইম বিল পাশের জোর দাবি জানানো হয়। বাংলাদেশে হিন্দুধর্ম্বাবলীরা যাতে নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন করতে পারেন তার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান।Hindu community protest in Los Angeles Ekush News Media / BCNN

মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচীতে হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষে ডাঃ পরিতোষ মজুমদার, ডাঃ প্রদীপ চৌধুরী, ডাঃ তপন সরকার, অসীম ভৌমিক, অসিত শীল, দীপক মিস্ত্রী সহ অনেকে উপস্থিত ও বক্তব্য রাখেন। বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের পক্ষে মিঠু বড়ুয়া, বাবু বড়ুয়া সহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় কমিউনিটির লিডার মমিনুল হক বাচ্চু সহ হিন্দু ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের একটি দল কন্সাল জেনারেল মোঃ এনায়েত হোসেনের সাথে মত-বিনিময় করেন। কন্সাল জেনারেল এই ন্যাকারজনক ঘটনায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এই ঘটনায় আমাদের দেশের ভাবমূর্তি, ইমেজ নষ্ট হচ্ছে। ডিপ্লোম্যাটিক কোরে আমাদের দেশ নিয়ে বিভিন্ন দেশের উদ্বেগে বাংলাদেশ সরকার বিব্রত ও লজ্জিত। সরকার দোষী ব্যক্তিদের তদন্তের মাধ্যমে খুঁজে বের করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এবং ঘৃণিত কাজের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এই ধরনের ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে তার জন্য সরকার যথার্থ কার্য্যকরী পদক্ষেপ নিয়েছে।Hindu community protest in Los Angeles Ekush News Media / BCNN

লস এঞ্জেলেস কমিউনিটির অনেক সদস্যরা মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে তাদের সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক ও জাতিগত আক্রমণের বিরুদ্ধে লস এঞ্জেলেসের বিভিন্ন সংগঠন, নেতৃবৃন্দ পৃথক পৃথক ভাবে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। বাংলাদেশ ইউনিটি ফেডারেশন অব লস আঞ্জেলেস (বাফলা) সামাজিক নেটওয়ার্ক থেকে উদ্ভূত ব্যক্তিগত এই উস্কানিমূলক কর্মকান্ড থেকে সবাইকে সতর্ক থাকবার জন্য এবং ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা ও দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আহ্বান জানিয়েছে।Hindu community protest in Los Angeles Ekush News Media / BCNN
Photo Courtesy: BCNN – Los Angeles

 

 

লস এঞ্জেলেসে বাদাম-এর গুনীজন সম্মাননাঃ


লস এঞ্জেলেসে বাদাম-এর গুনীজন সম্মাননাঃ
আটজন ব্যক্তিত্বকে বাদাম-হলিউড পদক প্রদান
লস এঞ্জেলেস, ৩০ সেপ্টেম্বর (একুশ নিউজ মিডিয়া)ঃ লস এঞ্জেলেসের অভিজাত এক রেষ্টুরেন্টে বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব ডাইভার্সিটি, আর্টস এন্ড মিডিয়া (বাদাম) এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সেলেব্রেটি এওয়ার্ড প্রদান করে গত ৩০শে সেপ্টেম্বর। অত্যন্ত জাঁকজমকভাবে আটজন ব্যাক্তিত্বকে বাদাম-হলিউড পদক প্রদান করা হয়।
BADAM Ibne Mizan Ekush Jahan Hassan
দেশ ও প্রবাসে শিল্প-সাহিত্য-সংষ্কৃতি-ক্রীড়া ও সমাজ উন্নয়নের আইকনদের কর্মের মূল্যায়ন, উৎসাহ, অবদানের স্বীকৃতি এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে প্রেরনা সৃষ্টির মাধ্যমে সামাজিক মূল্যবোধ বৃদ্ধি ও স্বদেশী স্বকীয়তাকে সমুজ্জ্বল রাখার নিমিত্তেই বাদাম-হলিউড পদক-এর সৃষ্টি।

বাংলাদেশের যে আটজনকে নিয়ে বাদামের আজকের আয়োজন -তারা প্রতেকেই দেশের গুনী ব্যক্তিত্ব। এবারে যারা আজীবন সম্মাননা পদক পেলেন তারা হলেন, বাংলা চলচ্চিত্রের লিজেন্ড পরিচালক, প্রযোজক ইবনে মিজান, স্বাধীনতাউত্তর বাংলা ব্যান্ড সঙ্গীতের পুরোধা সৈনিক, “স্পন্দন” ব্যান্ডের নাসির আহমেদ অপু। আরো সম্মাননা পেলেন, কাজী নজরুল ইসলামের কর্মের উপর অবদানমূলক কাজের জন্য খিলখিল কাজী, ডঃ গুলশান আরা কাজী, কবি রেজাউদ্দীন ষ্টালিন ও প্রখ্যাত নজরুল সঙ্গীত শিল্পী ও শিক্ষক ফেরদৌস আরা। অভিনেত্রী তারিন জাহান, বিউটিশিয়ান – মেকআপ আর্টিষ্ট নাহিন কাজীকে ও সম্মাননায় ভূষিত করল বাদাম।
BADAM Tarin Nahin Zabin Hilton Jahan Hassan Ekush News Media
অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন কাজী মশহুরুল হুদা। সহযোগীতায় ছিলেন শাহানা পারভীন, এম কে জামান ও জাহান হাসান। সংগঠনের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরেন বাদামের উপদেষ্টা মোবারক হোসেন। সম্মানিত বরেন্য ব্যক্তিত্বদের উপর নির্মিত অডিও-ভিস্যুয়াল প্রর্দশনীর মাধ্যমে সম্মাননা প্রদান করা হয়। ইবনে মিজানকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন বাদামের প্রধান উপদেষ্টা এম কে জামান। নাহিন কাজীকে ব্যবসায়ী ও সংগঠক ফরিদ আহমেদ নুরু ও তারিন জাহানকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন চিকিৎসক ও সমাজসেবক ডাঃ রবি আলম।
BADAM Ekush News Media Jahan Hassan
তিন পর্বের এই অনুষ্ঠানে দ্বিতীয় পর্বের সঞ্চালনায় ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক সাইফুর রহমান ওসমানী জিতু। বাদামের পক্ষ থেকে ক্যালিফোর্ণিয়ায় ৬ষ্ঠ কাজী নজরুল ইসলাম এনডাউমেন্ট লেকচারশীপ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজক সংগঠন তরঙ্গ অব ক্যালিফোর্নিয়ার আগত কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এই পর্বে ফেরদৌস আরাকে স্মারক সম্মাননা প্রদান করেন বাদামের আহবায়ক জাহান হাসান। খিলখিল কাজীকে জাতীয় বক্সার আক্তার ভূইয়া, ডঃ গুলশান আরা কাজীকে মোবারক হোসেন ও রেজাউদ্দীন ষ্টালিনকে শফিঊল আলম (ফ্রেন্ড বাবু) স্মারক সম্মাননা প্রদান করেন।
BADAM Jahan Hassan ekush news media
সম্মানিতরা তাদের বক্তব্যে প্রবাসে তাদেরকে এই ধরনের তথ্যপূর্ণ ও ব্যক্তিগতভাবে যত্নশীল উপস্থাপনের জন্য বাদামকে ধন্যবাদ জানান এবং দেশ-প্রবাসের মাঝে সেতুবন্ধনের এই মহতী প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানান।

BADAM Jahan Hassan ekush news media

শেষ পর্বে সংগীত পরিবেশন করেন ইবনে মিজানের বড় ছেলে ব্যবসায়ী, চিত্রনায়ক টিটো মিজান।
বরেন্য ব্যক্তিত্বদের উপর ভিডিও নির্মান ও গবেষনায় ছিলেন জাহান হাসান। দর্শক-শ্রোতায় পরিপূর্ণ এই ভিন্নধর্মী অনুষ্ঠানে লস এঞ্জেলেস সহ পার্শ্ববর্তী শহরের বিদগ্ধজনেরা যোগ দেন।

ছবি লিঙ্কঃ http://www.facebook.com/media/set/?set=a.10151174942411897.477044.826936896&type=1&l=8db18e46cb