যুদ্ধক্লান্ত জীবনে এতো কবিতা আসে কী করে! ওদের তো দেশ নেই, ঘর নেই, মেঘের মতোই বেসে বেড়ায়, তারপরও এত আনন্দময় কী করে হয় জীবন?


সারা আকাশ আর কালো বোরখা

নু রু ল ক রি ম না সি ম

আরো কয়েকদিন থেকে গেলে হয়তো ভালো হতো। প্রবাসের বন্ধুরাও সেরকম ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু ওয়াহিদ মাহমুদের মন সাড়া দিচ্ছিল না, তার মন উড়ে গিয়েছিল ঢাকার ধানমন্ডির ৭ নম্বর সড়কের ছিমছাম একতলা অফিসে, তার একান্ত পৃথিবীতে। টরন্টো থেকে বিমানে উঠলেন আলো-অাঁধারের এক অপরূপ ভোরবেলা। এখন তীব্র শীত নেই। অসম্ভব গরমও নেই। এখন ফুরফুরে বাতাস আর চমৎকার আবহাওয়ার দিন।

সবসময়ই তার বিমানযাত্রা সুপ্রসন্ন হয়। এটা বহুবার ওয়াহিদ লক্ষ করে অভিভূত হয়েছে। এবং যেহেতু সে মার্কসিস্ট, সে তার অজানা ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। এবারও জানালার একান্ত পাশের সিট পেল। অন্য সিটগুলোতে তার পাশে বসলো একজন ভারতীয়, একজন আইরিশ। ওই দুজনের আলাপচারিতায় সে জানতে পারল ওরা বিজনেস পার্টনারও আবুধাবির এক কোম্পানির। ওয়াহিদের চিরকালের শখ বিমানের জানালায় বসে মেঘের অনিশ্চিত বিচরণ দেখা। ঠিক যেন জীবনের মতো। মাঝে মাঝে সে অবাক হয়। মেঘেরা যেমন অবয়ব বদলায়, রং বদলায় সেও যদি তেমনটি পারত, জীবন অন্যরকম হতো তাহলে। তার জীবন অনিশ্চয়তার দোলায় কেবলই দুলছে। ভালো চাকরি পেয়েছিল, করেনি। মন্ত্রী ডেকে ব্যবসা দিতে চেয়েছিলেন, কোথায় যেন তার অাঁতে ঘা লাগল কী কারণে, সেই প্রলোভনের ফাঁদে পা দেয়নি। রাজনৈতিক পার্টিতে ডেকেছিল, যায়নি। সৃজনশীল প্রকাশনা আর শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি তার প্রিয়তম পেশা। সে সেল্ফ অ্যাম্পলয়েড থাকতে ভালোবাসে। তা ছাড়া আছে বিশাল পৈতৃক সম্পত্তি। সেই উৎস থেকে কম টাকা আসে না প্রতি মাসে! লেবানিজ এয়ারহোস্টেসের সুরেলা কণ্ঠে তার কল্পনা আর ভাবনা ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেল। তার প্রচণ্ড তৃষ্ণা পেল পানীয়ের। কিছুক্ষণ পর হালকা ব্রেক ফাস্ট। সেইসাথে বিশেষ অনুরোধে পানীয় পেল। লেবাননের মেয়েটি সি্নগ্ধ ও মায়াবী, ঠিক তার সেক্রেটারি বীথিকার মতো। হঠাৎ সে কথা মনে হতেই দুষ্ট করে মনটা নিভে গেল। বাইরে তখন সূর্যের আলো হঠাৎ নিভে গেছে, মেঘে মেঘে ধোঁয়াটে হয়ে যাচ্ছে সারা আকাশ। তার ভেতর দিয়ে মেঘ কেটে কেটে এগোচ্ছে ভিনদেশি এই বিমানটি।

বীথিকা হঠাৎ কী এক অজানা কারণে দেশ ত্যাগ করে চলে গেল। শুনেছে লন্ডনে বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করছে। তার হাজবেন্ড ভীষণ ভালোবাসত, বলা চলে একটু বেশি ভালোবাসত। সব সময় বাইরের ঝড়ঝঞ্ঝা থেকে আগলে রাখতে চাইত। একটু বেশি পজিটিভ ছিল। এটা বীথিকার ভালো লাগত না। তাদের কারো বছরের দাম্পত্য জীবনে কোনো সন্তান নেই। বীথিকার মনে সব সময়ই সন্তানের জন্য একটা হাহাকার ছিল। সব কথা তার বস ওয়াহিদ মাহমুদকে বলত; কিন্তু লন্ডন যাওয়ার কথাটা বলেনি। তার স্বামীও জানতো না ব্যাপারটা। এক ডিভোর্সি বান্ধবী, যে আগেই চলে গিয়েছিল, জানা যায় সমস্ত ব্যবস্থা সেই করেছিল।

সোনালি রংয়ের পানীয় দিয়ে সোনালি চুল দুলিয়ে সি্নগ্ধ সুন্দর এয়ারহোস্টেস চলে গেল। ধন্যবাদ দিয়ে ওয়াহিদ বলল : না, তোমার চক্ষু দুইটি সত্যিই অপূর্ব সুন্দর। ইওর আইস আর বিউটিফুল। মেয়েটি শব্দ করে হাসল। অজস্র চুড়ি যেন ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে মেঝেতে গড়িয়ে পড়ল। মেয়েটির ভারি নিতম্ব দুলে উঠলো। উদ্ধত বুক যেন তীব্র কটাক্ষ হানলো। মেয়েটি বললো, ‘ইহা আমার চক্ষুদ্বয় নহে, ইহা সুন্দর তোমার দৃষ্টি যা আমাকে দেখে।’ ভোরের চমৎকার আলোর মতো এতক্ষণের জমে থাকা মেঘমেদুর বেদনা উড়ে গেল। তার মনে হলো, এরা কি জন্মগত কবি। যুদ্ধক্লান্ত জীবনে এতো কবিতা আসে কী করে! ওদের তো দেশ নেই, ঘর নেই, মেঘের মতোই বেসে বেড়ায়, তারপরও এত আনন্দময় কী করে হয় জীবন?

বোরখা ও নেকাব

বোরখা ও নেকাব

দীর্ঘ যাত্রা শেষে আবুধাবিতে ট্রানজিট। আধ ঘণ্টার। ওয়াহিদ নামল না। একটি সিলেটি পরিবার তার পাশের সিটে এসে বসলো। ভদ্রলোকের মুখে সামান্য দাড়ি। তার স্ত্রীর সারা শরীর কালো বোরখায় ঢাকা, শুধু চাঁদের মতো অপূর্ব মুখাবয়বটুকু বের করা। এতো সুন্দর মুখ অনেকদিন দেখেনি। বাংলাদেশের মেয়েরাও এরকম সুন্দর ও সি্নগ্ধ হতে পারে, তা ভেবে ভালো লাগে। এয়ারহোস্টেস মেয়েটির চেয়ে সুন্দর ও মায়াবী। চোখ দুটো কালো ও প্রেমময়। ঠোঁট দুটো পেলব, অনেকদিন সম্ভবত সেখানে চুমু পড়েনি। ভদ্রলোক সিলেটি। তিনি নিজে যেঁচে কথা বললেন। স্ত্রী-কন্যার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন। সব সিলেটিরা রক্ষণশীল নয়, ওয়াহিদের বিস্ময় জাগল। কথায় কথায় ওয়াহিদের বেশ কয়জন সিলেটি বন্ধুদের চিনতে পারলেন ভদ্রলোক। বিমান যাত্রার এই ভাসমান আড্ডা আরো জমে উঠল। ঢাকার স্মৃতি, সিলেটের স্মৃতি, টরন্টোর স্মৃতি_কত ছবি, কত কথা ওয়াহিদের লন্ডনের হারিয়ে যাওয়া যৌবনের দিনগুলো অবচেতনে নক করতে লাগল। এক সিলেটি বাসায় আশির দশকে সে পেয়িংগেস্ট হিসেবে ছিল। এসএসসিতে পড়ত। থাকত দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনের বালামের কাছে ফোর্টস্কিউ রোডের একতলা লালইটের ছবির মতো এক বাড়িতে। হঠাৎ কী যেন হয়ে গেল, দেশ তাকে গভীরভাবে টানল। সে পড়াশোনা অসম্পূর্ণ রেখে চলে এলো বাংলাদেশে। সিলেটি ভদ্রলোকের কোনো কথা তার কানে ঢুকছে না। আর ঢুকবে না পরবর্তী মুহূর্তগুলোতে। সে কোথায় কোন সুদূরে যেন হারিয়ে গেছে। তার আর উদ্ধার নেই, তার আর মুক্তি নেই।

বিমান ঢাকা এয়ারপোর্টের হাইওয়ে স্পর্শ করেছে। সবাই নেমে যাচ্ছে। সিলেটি পরিবারটিও বিদায় নিয়ে নেমে গেল। মহিলা শব্দহীন রহস্যময় হাসলেন। সেও। এখানেই কি সব কিছু শেষ! হঠাৎ সেলফোন বেজে উঠল। মহিলার কল এসেছে। তিনি হেসে হেসে খুব মৃদুস্বরে কী যেন বলছেন। সিলেটি ভদ্রলোক অস্থির, বিরক্ত এবং ক্ষেপে যাচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত ওয়াহিদের কাছে এসে অভিযোগ করলেন_অনেকটা সে রকম কণ্ঠ, ‘ওমরাও করাইয়া আনলাম, তবুও মাগির টেলিফোনের অভ্যাস গেল না।’

বিশ্বচরাচরের কোনোদিকে খেয়াল নেই, কালো বোরখা পরা মহিলাটি নিরন্তর কথা বলে যাচ্ছে_যেন এ আলাপচারিতা সহসা শেষ হওয়ার নয়।

—————————————————————————————————————————–

আকাশপথের খাবার : চলছে গবেষণা



বিমানের ভেতরের পরিবেশ কিছুটা ঠাণ্ডা লেগে যাওয়ার মতো। কারণ যখন নাক বন্ধ হয়ে ঘ্রাণশক্তির সমস্যা হয়, স্বাদের অনুভূতিও কমে যায়। কম বায়ুচাপে আকাশপথে কফি খেতে খারাপ লাগে, তবে যাত্রীদের কাছে টমেটোর সস স্বাদু মনে হয়
জার্মানির লুফ্থহানসা এয়ারলাইন্স এবং এর ক্যাটারিং সহযোগী এলএসজি ফ্রাউনহফার ইনস্টিটিউটকে অনুরোধ করেছে যে, ১০ হাজার মিটার উঁচুতে কোন ধরনের খাবার ভালো লাগবে এবং কোনটি লাগবে না।

ফ্রাউনহফার ইনস্টিটিউটের গবেষকরা নিশ্চিত হয়েছেন, আকাশ ভ্রমণে বর্তমান প্রচলিত খাবার হতে হবে কড়া ধরনের অর্থাৎ ঝালে-মসলায় ভরা যারা আকাশপথে ভ্রমণ করেন তারা প্রত্যেকেই জানেন যে, বিমানের ভেতরের আবহাওয়া এবং পরিবেশটি কেমন থাকে। বিমানের ভেতর আর্দ্রতা থাকে মাত্র ১৫ শতাংশ। বিমানের শব্দে আরোহীদের চারপাশে ঠিক যেন মেলা থাকে এক ধোঁয়াটে সাদা চাদর। আর বায়ুচাপে শরীরের তরল হয় ঊর্ধ্বমুখী। এ রকম পরিস্থিতিতে তৃষ্ণা বেড়ে যায়, শ্বাস কম প্রবাহিত হয় এবং ঘ্রাণশক্তির ব্যাঘাত ঘটে। সম্প্রতি জার্মানির ফ্রাউনহফার ইনস্টিটিউটের গবেষকরা বিমানে পরিবেশন করা খাবার সম্পর্কে এক মজার তথ্য প্রকাশ করেছেন। আর তা হলো, আকাশপথে ভ্রমণের সময় বিমানের খাবারে লবণ, ঝাল এবং মসলাযুক্ত খাবার আরও বেশি দরকার। ফ্রাউনহফার ইনস্টিটিউটের গবেষক ড. ফ্লোরিয়ান মায়ার এ বিষয়গুলো নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাচ্ছেন এবং সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধান করছেন। তিনি বলেন, বিমানের ভেতরের পরিবেশটা কিছুটা ঠাণ্ডা লেগে যাওয়ার মতো। কারণ তখন নাক বন্ধ হয়ে ঘ্রাণশক্তির সমস্যা হয়, স্বাদের অনুভূতিও কমে যায়। বায়ুচাপ কমে গেলেও এমনটিই ঘটে।

জার্মানির লুফ্থহানসা এয়ারলাইন্স এবং এর ক্যাটারিং সহযোগী এলএসজি এ কারণেই ফ্রাউনহফার ইনস্টিটিউটকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে অনুরোধ করেছিল যে, ১০ হাজার মিটার উঁচুতে কোন ধরনের খাবার ভালো লাগবে এবং কোনটি লাগবে না। জানা গেছে, এ গবেষণার জন্য একটি বিমানের সামনের অংশে ৩০ মিটার দীর্ঘ টিউব আকৃতির চেম্বার তৈরি করা হয়েছে। এই চেম্বারটির ভেতরের বায়ুচাপটি নিয়ন্ত্রিত এবং স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম। ফ্লোরিয়ান মায়ার এ ব্যাপারে বলেন, এখানে আর্দ্রতার পরিমাণ রাখা হয়েছে ১০ থেকে ১৫ শতাংশের মধ্যে। আকাশে থাকার সময় বিমানের ভেতরে যে পরিবেশটি থাকে, তেমন পরিবেশই তারা তৈরি করেছেন এই চেম্বারটিতে। তিনি আরও বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের চেয়েও এর ভেতরের চাপটি কম রাখা হয়েছে। ভূপৃষ্ঠে বায়ুচাপ থাকে ৯৫০ হেক্টো প্যাসকল, কিন্তু বিমান যখন আকাশে থাকে তখন এর ভেতরের বায়ুচাপটি থাকে ৭৫০ থেকে ৮০০ হেক্টো প্যাসকল। আর এই টিউব আকৃতির চেম্বারটির ভেতরে আকাশ ভ্রমণে বিমানের ভেতরের পরিবেশটি যেমন থাকে, ঠিক তেমন পরিবেশই তৈরি করা হয়েছে। ঠিক যেভাবে বিমানের আসনগুলো কাঁপে এবং শব্দ হয়, এখানেও একইরকমভাবে কাঁপন এবং শব্দ হয়। শুধু তা-ই নয়, বিমানে দেওয়া খাবারের মেন্যুর মতোই এখানে খাবার দেওয়া হয়। এই পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে ফ্রাউনহফার ইনস্টিটিউটের গবেষকরা নিশ্চিত হয়েছেন, আকাশ ভ্রমণে বর্তমান প্রচলিত খাবার হতে হবে কড়া ধরনের অর্থাৎ ঝালে-মসলায় ভরা। ড. ফ্লোরিয়ান মায়ারের মতে, মসলাদার খাবার যেমন থাই বা ইন্ডিয়ান খাবার এ পরিবেশে দারুণ মানানসই হবে। আর এর কারণ হচ্ছে, এই খাবারের স্বাদটি সবসময় এক থাকে। এর মসলাদার ঝাল ঝাল ভাবটি কখনও কমে যায় না। কিন্তু সাধারণ খাবারে বাড়তি মসলা ঢেলে দিয়ে তবেই স্বাদ বাড়াতে হয়। অবশ্য লুফ্থহানসা তার বিমানের খাবারের মেন্যুতে বাড়তি কোনো সুরুয়া জাতীয় খাবার যুক্ত না করলেও এর ক্যাটারিং সার্ভিসটি ইতিমধ্যেই তাদের সরবরাহকৃত ব্রেডরোলে যুক্ত করেছে।
এক জরিপে দেখা গেছে, আকাশ ভ্রমণে যাত্রীরা টমেটোর সস বেশি খায়। আর কেন তারা টমেটোর সস বেশি খায় এ প্রশ্নের উত্তরও খুঁজছিলেন গবেষকরা। লুফ্থহানসা এয়ারলাইন্স তার বিমানের খাবারের সঙ্গে বছরে শুধু ১৭ লাখ লিটার টমেটোর সসই সরবরাহ করে থাকে। টমেটোর এই সস একই সঙ্গে লবণ আর ঝালের কাজ করলেও ড. মায়ার বলেছেন ভিন্ন কথা। তিনি বলেছেন, বায়ুচাপের সঙ্গে সঙ্গে টমেটোর স্বাদও বদলাতে থাকে। তাই মাটিতে বা ভূপৃষ্ঠে টমেটোর জুসের যে বদনাম রয়েছে সেটির স্বাদই আকাশপথে ভ্রমণের সময় সুস্বাদু হয়ে ওঠে। ড. মায়ার আরও বলেছেন, কম বায়ুচাপের কারণে আকাশপথে কফি খেতে একেবারেই খারাপ লাগে।

যে কোনো ডেজার্টে আরও চিনি ঢেলে তারপর এর মিষ্টি ভাবটা আনতে হয়। অনেক বিমানেই প্যাক করা স্যান্ডউইচ, কিছু মাঝারি ধরনের সাদামাটা খাবার সামান্য পরিবেশন করা হয়। গবেষণায় বলা হয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত নতুন কোনো ঝাল-মসলাদার খাবার কিংবা স্বাদ বাড়ায় এমন মুখরোচক খাদ্য বিমানের খাবার মেন্যুতে যুক্ত না হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত খাবারের মেন্যুতে টমেটোর সস বা জুস টিকে থাকছে। আকাশপথে ভ্রমণের নতুন খাবার নিয়ে গবেষকদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা খুব শিগগিরই চূড়ান্তভাবে সম্পন্ন হবে এবং ভোজনরসিকরাও মেপে মেপে কম মসলায় রাঁধা সব খাবারের পরিবর্তে ঝাল ও মসলাদার বিভিন্ন খাবার খেয়ে রসনায় তৃপ্তি আনতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রদীপ সাহা

আমাদের সময়, আলোচনা, ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ, জনকন্ঠ, ডেসটিনি, দিগন্ত, দিনের শেষে, নয়া দিগন্ত, প্রথম আলো, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ভোরের কাগজ, মানবজমিন, মুক্তমঞ্চ, যায় যায় দিন, যায়যায়দিন, যুগান্তর, সংগ্রাম, সংবাদ,চ্যানেল আই, বাঙ্গালী, বাংলা ভিশন, এনটিভি,এটিএন বাংলা, আরটিভি, দেশ টিভি, বৈশাখী টিভি, একুশে টিভি, প্রবাস, প্রবাসী, ঠিকানা, জাহান হাসান, বাংলা, বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস, লিটল বাংলাদেশ, ইউএসএ, আমেরিকা, অর্থনীতি, প্রেসিডেন্ট ওবামা,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,অর্থ, বাণিজ্য, শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামাত, রাজাকার, আল বদর, সুখ, টেলিভিশন, বসন্ত উৎসব, Jahan, Hassan, jahanhassan, Ekush, bangla, desh, Share, Market, nrb, non resident, los angeles, new york, ekush tube, ekush.info,