ঐতিহাসিক বদর দিবস


আজ ১৭ রমজান, পবিত্র বদর দিবস। এদিনে সংঘটিত বদর প্রান্তের যুদ্ধ ছিল ইসলামের প্রথম সিদ্ধান্তমূলক সামরিক যুদ্ধ। দ্বিতীয় হিজরীর ১৭ রমজান তারিখে বদর প্রান্তরে-এ ঐতিহাসিক যুদ্ধ সংঘটিত হয়ে মুসলমানদের বিজয় রচিত হয়েছিল। বদর যুদ্ধের মধ্য দিয়ে পবিত্র মক্কা বিজয়ের মাধ্যমে ইসলাম তথা মুসলমানদের বিজয়ের ধারা সূচিত হয়েছিল এবং পূর্ণাঙ্গ ইসলামী রাষ্ট্রক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

এ দিনেই প্রথম রোজা ফরজ হয়। ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধে আবু জেহেলের ১০০০ সুসজ্জিত বাহিনীর বিপরীতে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর ৩১৩ জন সাহাবায়ে কেরাম সাধারণ অস্ত্র নিয়ে আল্লাহ তায়ালার গায়েবী সাহায্যে আবু জেহেলের বিশাল বাহিনীকে পর্যুদস্ত করেছিলেন অত্যন্ত কঠিনভাবে। এ যুদ্ধে মুশরিক বাহিনীর ২৪ জন সর্দারের লাশ একটি নোংরা কুয়ায় নিক্ষেপ করা হয়েছিল। এ যুদ্ধে দুই জন আনসার কিশোর সহদর হযরত মায়াজ (রা.) ও হযরত মোয়াজ (বা.) আবু জেহেলকে হত্যা করে। সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে মাসউদ (রা.) ও হযরত মোয়াজ (রা.) আবু জেহেলের মাথা কেটে রাসূল (সা.) এর নিকট হাজির করেছিলেন।

বদর যুদ্ধ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনের সুরা আনফালের ১২-১৪নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন আর স্মরণ করুন সে সময়ের কথা যখন আপনার রব ফেরেশতাদের কাছে এমর্মে প্রত্যাদেশ পাঠালেন যে নিশ্চয়ই আমি আপনাদের সংগে আছি। আপনারা পরস্পর ঈমানী মনবল ও সাহস বৃদ্ধি করুন। অচিরেই আমি কাফেরদের অন্তকরণে ভয়ভীতি সৃষ্টি করবো। আল্লাহ অন্যত্র বলেন, আমি এমন বাহিনী দিয়ে সাহায্য করছি যা তোমরা কখনও দেখনি।

ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর ১২ জন মতান্তরে ১৪ জন শহীদ হয়েছিলেন, আর মুশরিক বাহিনীর ৭০ জন নিহত এবং ৭০ জন বন্দী হয়েছিলেন। আর এরা ছিল গোত্রসমূহের সর্দার এবং নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি।

যুদ্ধ শেষে বদর প্রান্তের নিয়ম অনুযায়ী ৩ দিন অবস্থান শেষে চতুর্থ দিনে রাসূল (সা.) মদিনার পথে যাত্রা করলেন। এসময় তাঁর সাথে ছিল বন্দী কোরায়েশগণ এবং গণীমতের মালামাল। আর এসবের তত্ত্বাবধানে ছিলেন হযরত আবদুল্লাহ ইবনে কা’ব (রা.)। রাসূল (সা.) ছাফরা প্রান্তরে কাফের বাহিনীর পতাকা বহনকারী নযর ইবনে হারেশকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন। যেসব পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ কারণে বদরযুদ্ধে সূচনা হয় তা হচ্ছে- মদীনা শরীফে সাফল্যজনকভাবে ইসলাম সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়ায় কুরাইশদের হিংসা, আবদুল্লা-বিন-ওবাইর ও ইহুদীদের ষড়যন্ত্র, সন্ধি শর্ত ভঙ্গ, কুরাইশদের যুদ্ধের হুমকি, বাণিজ্য বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা, কাফেরদের আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা, ইসলামের ক্রমবর্ধমান শক্তির ধ্বংস সাধন করা এবং নবীজি (সা.)কে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করার অশুভ আকাক্সক্ষা (নাউজুবিল্লাহ)।

প্রত্যক্ষ কারণ হচ্ছে- নাখলার ঘটনা, কাফেরদের রণপ্রস্তুতি, আবু সুফিয়ানের অপপ্রচার, যুদ্ধ প্রস্তুতির জন্য ওহী লাভ, মক্কাবাসীদের ক্ষোভ। এসব কারণে আবু জেহেলের নেতৃত্বে এক হাজার সৈন্য নিয়ে মদীনা আক্রমণ। কুরাইশদের মদীনা আক্রমণের সংবাদ শুনে তাদের গতিরোধ করার জন্য ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ মার্চ, ১৭ রমজান ৩১৩ জন মুজাহিদ (৬০ জন মুহাজির অবশিষ্টরা ছিল আনছার) নিয়ে মদীনা শরীফের দক্ষিণ-পশ্চিম কোনে ৮০ মাইল দূরে বদর নামক স্থানে যুদ্ধে উপনীত হন এবং ১৭ মার্চ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

বদর যুদ্ধের সফলতা হচ্ছে: আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি, বিশ্ব বিজয়ের সূচনা, সর্বোত্তম ইতিহাস সৃষ্টি, প্রথম সামরিক বিজয়, কুরাইশদের শক্তি খর্ব, ইসলামী রাষ্ট্রের পত্তন, নবযুগের সূচনা, চূড়ান্ত ভাগ্য নির্ধারক যুদ্ধ, রাজনৈতিক ক্ষমতায় ভিত্তি স্থাপন, জেহাদের অনুপ্রেরণা, বীরত্বের খেতাব লাভ, পার্থিব শক্তির ভিত্তি স্থাপন, ইসলাম ও মহানবী (সা.)’র প্রতিষ্ঠা, মিথ্যার ওপর সত্যের জয় এবং সত্য-মিথ্যার পার্থক্য সৃষ্টি। বদরযুদ্ধের পর মুসলমানরা রাসুল (সা.) উপর নেতৃত্বে উহুদ খন্দক বন্ধ নাজীর, বনু করাইজা বনু কায়নোকা খায়বর যুদ্ধে, তায়েফ মক্কা বিজয় হুনাইন যুদ্ধে কাফিরদের সাথে মুসলমানদের মোকাবিলা হলেও বদর যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসে যুগান্তকারী যুদ্ধ। কারণ এযুদ্ধে মুসলমানরা বিজয়ী না হলে পৃথিবী থেকে ইসলামের নিশানা বিলীন হয়ে যেত। আর এ যুদ্ধের অপর গুরুত্বপূর্ণ দিকটি হলো বদর যুদ্ধের বছরই মুসলমানদের উপর রোজা ফরজ হয়। অসম বদর যুদ্ধের মাধ্যমেই হক ও বাতিলের পার্থক্য সুনিশ্চিত হয়েছে।
সূত্রঃ ইসলামিক নিউজ

Advertisements

Please Donate Your Zakat to Rights and Sight for Children (RSC) to Help Underprivileged Children


Please Donate Your Zakat to Rights and Sight for Children (RSC) to Help Underprivileged ChildrenDCI Kids in MohammedPur Dhaka

Dear Friends:

Assalamu Alaikum. The precious days of Ramadan are upon us, and with them the blessings of giving Zakat and Sadaqa. We are now in the holy month of Ramadan, the month of self-sacrifice and fasting.  As you consider where to donate your Zakat and Fitra this year, we humbly ask that you consider contributing your charity to RSC Zakat Fund. Your generous donation will ensure that we can continue our important work on behalf of underprivileged and orphaned children in Bangladesh. Please see the attached Zakat Flyer for more details.

Rights and Sight for Children (RSC) is a non-profit Bangladeshi child rights organization established in 1996. RSC’s mission is to protect the rights of children, stop child labor, and help families lift themselves out of the poverty cycle through education, healthcare, family support, and income generating opportunities. To learn more about RSC, please visit www.rscbd.org.

We proudly report that with your assistance RSC has been able to help over 5,000 village children. We have also been able to provide 10,000 Dhaka City slum residents with preventive healthcare support. This is just a small sample of what we have achieved so far through the generosity and commitment of people like you. To see more achievements, please visit our website at www.rscbd.org, or visit our projects in Bangladesh to see for yourself!

Please continue your support and consider donating your Zakat to relieve suffering in the following ways:

SPONSOR A CHILD (Sun-Child Sponsorship Program): For only $15/month ($180/yr) you can sponsor a child in rural school. Keep a child in school, prevent child labor, provide health care, vision care, improve schools, create income opportunities for the child’s family and support community development.

SPONSOR AN ORPHAN
(Orphan Support Program): For only $50/month ($600/yr) you can provide housing, food, basic necessities, healthcare, vision care, education support, and skill training to Bangladeshi orphans at our Sun Child Home. Help provide the orphans with tutors, counselors, life skills training, and job training to help them transition from the orphanage to the outside world once they have reached their teens.

SPONSOR AN EYE SURGERY
: $50 can provide an eye surgery for an individual to prevent blindness.

OR:
Make a donation in any amount, for your specific interest or to our general emergency fund.
This Ramadan your Zakat can make a difference to a child, a family, or a whole community. You can also give Sadaqa for programs such as Eid Gifts for Children and Fitra.

May Allah bless you all for your contribution to this noble cause.

With kindest regards,

Salma Qadir
Chief Coordinator
Rights and Sight for Children (RSC)
Mob# 01727264688, Tel#02-9135122
E-mail: salmadcirsc@gmail.com

How to send your Zakat and donation to RSC:

RSC ZAKAT Fund
House # 167, Rd # 3, Mohammadia Housing Ltd.,
Mohammadpur, Dhaka, Bangladesh

Please send Checks or Money Orders payable to Rights & Sight for Children (RSC), Current Account No-001055919, Janata Bank Limited, Mohammadpur Corporate Branch, Mohhampur, Dhaka-1207.
Swift Code: JANBBDDHTKD

You may also donate through cash through visiting our office at House # 167, Rd # 3, Mohammadia Housing Ltd., Mohammadpur, Dhaka, Bangladesh.
Tel# 88-01727264688, 8802-9135122

Salma Qadir, B.A. (Hons),  M.A.
Coordinator, Distressed Children & Infants International (DCI)-Bangladesh
House#167, Road#3, Mohammadi Housing Ltd., Mohammadpur, Dhaka-1207, Bangladesh
Tel# 88-01727264688, 88-01552460242, 8802-9135122
Email: salmadcirsc@gmail.com, dci@distressedchildren.org, dci@cox.net

————————————————

– Jahan Hassan
Ekush News Media,
Little Bangladesh, Los Angeles, USA
( জাহান হাসান, একুশ নিউজ মিডিয়া, লস এঞ্জেলেস )
+1 818 266 7539

ভিডিও ।  Video : www.EkushTube.com
ফেস বুক । FaceBook : JahanHassan
Jahan@JahanHassan.com

সর্বকালের সেরা ভারতীয় গান: বিবিসির জরিপ


বিবিসির জরিপে সেরা
বাহারো ফুল বারসাও…

এখনো হয়তো পুরান ঢাকার কিছু সরু গলির টং দোকানে বাজে ষাট/সত্তরের দশকের ভারতীয় গানগুলো। সেই সুবাদেই অনেকের কাছে পরিচিত ১৯৬৬ সালের ‘সুরাজ’ ছবির গান ‘বাহারো ফুল বারসাও মেরা মেহবুব আয়া হ্যায়’। মোহাম্মদ রফির গাওয়া গানটি এখনো ধরে আছে এর আবেদন, যার প্রমাণ মিলল বিবিসির সাম্প্রতিক এক জরিপে। সর্বকালের সেরা ভারতীয় গানের তালিকায় গানটি দখল করল শীর্ষস্থান।

১৯৪০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত মুক্তি পাওয়া ১০০ জনপ্রিয় গান নিয়ে এ জরিপ পরিচালনা করা হয়। বিবিসি এশিয়ান নেটওয়ার্কের শ্রোতাদের ১০০ গানের তালিকা থেকে ভোটের মাধ্যমে সেরা গানটি বাছাইয়ের সুযোগ দেয়া হয়। সে সময় সবচেয়ে বেশি ভোট আসে সুরাজ ছবির গানটির জন্য। ভারতীয় চলচ্চিত্রের ১০০ বছর উদযাপনকে ঘিরেই এ জরিপ চালায় বিবিসির এশিয়া অঞ্চলের বেতার চ্যানেলটি।

সর্বকালের সেরা গানের তালিকার দ্বিতীয় স্থানে আছে ‘আওয়ারা’ ছবির ‘আওয়ারা হু’ গানটি। আর এর পরই আছে নব্বইয়ের দশকের সবচেয়ে সফল ছবি ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’র ‘তুঝে দেখা তো ইয়ে জানা সানাম’। ‘দিল আপনা অউর প্রিত পারায়’ ছবির ‘আজিব দাস্তা হ্যায় ইয়ে’ গানটি আছে চতুর্থ স্থানে এবং পাঁচে আছে যশ চোপড়ার ক্ল্যাসিক ছবি ‘কাভি কাভি’র গান ‘কাভি কাভি মেরে দিল মে’।

বিবিসির ১০০ গানের প্রাথমিক তালিকাটি তৈরি করেছেন তিনজন। এরা হলেন— ভারতীয় হিপ-হপ গায়িকা হার্ড কর, চলচ্চিত্র সমালোচক রাজীব মসনদ ও বিবিসি এশিয়ান নেটওয়ার্কের অনুষ্ঠান সঞ্চালিকা নওরীন খান।

সেরা দশের তালিকায় থাকা শেষ পাঁচটি গান হলো ‘বীর-জারা’ ছবির ‘তেরে লিয়ে’, ‘শোলে’ ছবির ‘ইয়ে দোস্তি’, ‘মুগল-এ-আজম’র ‘যাব পেয়ার কিয়া তো ডারনা কেয়া’, ‘দিল সে’ ছবির ‘ছাইয়া ছাইয়া’ এবং ‘পাকিজা’ ছবির ‘চলতে চলতে’।




যুক্তরাজ্য প্রবাসী ১০০ প্রভাবশালী বাংলাদেশির তালিকায় যারা


যুক্তরাজ্য প্রবাসী ১০০ প্রভাবশালী বাংলাদেশির তালিকায় যারা

লন্ডন, ২৩ জানুয়ারি: যুক্তরাজ্য প্রবাসী ‘একশ প্রভাবশালী বাংলাদেশির’ দ্বিতীয় তালিকায় ৩৫ নতুন মুখের নাম উঠে এসেছে। ‘বিবিপাওয়ার ১০০’ উপদেষ্টা কমিটি মঙ্গলবার লন্ডনের ওয়েস্ট মিনিস্টারে হাউস অব কমন্সের কমনওয়েলথ কক্ষে ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার ১০০ নামের এই তালিকা প্রকাশ করে।

Lutfur Rahman is the first directly elected mayor of Tower Hamlets, in London. He was elected to the role in 2010, having previously been the leader of Tower Hamlets London Borough Council from 2008 to 2010


যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ‘সবচেয়ে প্রভাবশালী’দের এই তালিকায় টাওয়ার হ্যামলেটসের প্রথম নির্বাচিত মেয়র লুৎফুর রহমান, পার্লামেন্ট মেম্বার রুশনারা আলী ও আইরিন জুবায়দা খানের পাশাপাশি প্রতিশ্রুতিশীল এক ঝাঁক প্রবাসী তরুণও জায়গা করে নিয়েছেন।

Rushanara Ali is a British Labour Party politician and Associate Director of the Young Foundation, who has been the Member of Parliament for Bethnal Green and Bow since 2010

বিভিন্ন ক্ষেত্রে ‘বিশেষ অবদানের জন্য’ সীমার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ, মেকআপ শিল্পী রুবি মিলি, ব্যারিস্টার আজমালুল হুসেইন কিউসি, জন র‌্যাডক্লিফ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক টিপু জাহেদ আজিজ, ইউনিভার্সিটি অফ ওয়েস্ট স্কটল্যান্ডের অধ্যাপক অ্যান্ডি মিয়া, দ্য রয়েল ব্যাংক অফ স্কটল্যান্ডের করপোরেট ব্যাংকিং বিভাগের ট্রেজারার ড. মুরাদ চৌধুরী, সংবাদ উপস্থাপক নিনা হোসেন, ব্রিটিশ কিকবঙিং চ্যাম্পিয়ন রুকসানা বেগম, তরুণ উদ্যোক্তা সাবিরুল ইসলাম, মানবাধিকার সংস্থা রেস্টলেস বিংসের প্রতিষ্ঠাতা রহিমা বেগম, মোবো বিজয়ী জো রহমান ও লেখক তাহমিমা আনামও রয়েছেন।

Irene Zubaida Khan is a British Bangladeshi human rights activist who has been based in the United Kingdom. She was the seventh Secretary General of Amnesty International until her resignation on 31 December 2009.


লন্ডন অলিম্পিক ও প্যারা অলিম্পিকে অবদান রাখা বাংলাদেশিদের নামও রয়েছে এ তালিকায়।

এদের মধ্যে কোরিওগ্রাফার ও লন্ডন অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া নৃত্যশিল্পী আকরাম খান, অলিম্পিকের বোর্ড মেম্বার ড. আব্দুল বারি, অলিম্পিকের ৫ পাউন্ডের স্মারক মুদ্রার নকশাকার সাইমন মিয়া, বিড মেম্বার আয়েশা কোরেশি ও কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবীও রয়েছেন।

এছাড়া ডা. আনিসুর রহমান, ডা. তাহসেন চৌ্‌ধুরী ও রুবাইয়াৎ হক, পুলিশ কর্মকর্তা পিসি সাকিরা সুজিয়া, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. নবাব উদ্দীন, জো রহমান ও তরুণ উদ্যোক্তা সাবিরুল ইসলামের মতো নতুন মুখ স্থান পেয়েছে এবারের তালিকায়।

এ তালিকা প্রকাশ অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ মন্ত্রী টেরেসা মে বলেন, যুক্তরাজ্যের সামাজিক অগ্রগতি ও নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বাংলাদেশিরা অবদান রেখে চলেছেন।

মেধা নাকি যৌন আবেদনে আসে খ্যাতি!


যৌন আবেদন নাকি মেধা?

ফোর্বস ম্যাগাজিনের সাম্প্রতিক এক তালিকা দেখে এমন প্রশ্নের আবির্ভাব৷ তালিকাটা ৩০ বছরের কম বয়সি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অর্থ উপার্জনকারী সেলিব্রেটিদের৷ তাতে শীর্ষ দশের সাতজনই হচ্ছেন নারী৷

একেবারে শীর্ষ অবশ্যই লেডি গাগা৷ গত বছরে তাঁর আয় ছিল ৮০ মিলিয়ন ডলার৷ হিট গান বিক্রি, ওয়ার্ল্ড ট্যুর আর বিভিন্ন পণ্যের মডেল হয়ে এই অর্থ আয় করেছেন লেডি গাগা৷ পরিমাণটা হয়ত আরও বাড়তে পারতো যদি না ইনজুরির কারণে কয়েকটি ট্যুর বাতিল না করতেন৷ ঐ সময়টা তাঁকে তাঁর ২৪ ক্যারেট সোনা দিয়ে তৈরি হুইলচেয়ারে কাটাতে হয়েছে!

এরপরেই আছেন তালিকায় থাকা তিন তরুণের প্রথমজন ক্যানাডিয়ান সেনসেশন জাস্টিন বিবার৷ তবে তাঁর আয় লেডি গাগার চেয়ে ২২ মিলিয়ন ডলার কম, অর্থাৎ ৫৮ মিলিয়ন৷ তালিকার অন্য দুই ছেলে তারকা হলেন ডিজে ক্যালভিন হ্যারিস ও অভিনেতা টেলর লাউটনার৷ তাঁদের আয় যথাক্রমে ৪৬ ও ২২ মিলিয়ন ডলার৷ আর মেয়েদের মধ্য আছেন টেলর সুইফট (৫৫ মিলিয়ন ডলার), রিহানা (৪৩ মিলিয়ন), কেটি পেরি (৩৯ মিলিয়ন), আডেলে (২৫ মিলিয়ন), জেনিফার লরেন্স (২৬ মিলিয়ন ডলার) ও ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট (২২ মিলিয়ন)৷

তবে শুধু কম বয়সি তারকাদের তালিকায় নয়, গত জুনে ফোর্বস যে ‘পাওয়ারফুল সেলিব্রেটি'-দের লিস্ট তৈরি করেছিল তাতেও শীর্ষ দশে ছিলেন ছয়জন নারী৷

ফেমিনিস্ট ওয়েবসাইট জেজেবেল ডটকমের ব্লগার কেট ড্রাইস বলছেন, ‘‘শুধু যৌন আবেদন দিয়ে মেয়েরা অর্থ আয়ের ক্ষেত্রে পুরুষদের চেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে তা ঠিক নয়, বরং গানের শিল্পীরা শুধু মিউজিশিয়ান হওয়ার চেয়ে আরো অন্যান্য বিষয়েও দক্ষতা অর্জন করছেন৷ তাই তাঁরা বেশি আয় করছেন৷

তিনি বলেন, লেডি গাগা, রিহানা, টেলর সুইফট, কেটি পেরির মতো তারকারা পণ্যের মডেল হয়েই বেশি আয় করছেন৷ বিশেষ করে তাঁরা চান বিভিন্ন কসমেটিক পণ্যের সঙ্গে নিজের নাম জড়াতে৷ এমনকি জাস্টিন বিবারও তরুণীদের কাছে তাঁর নাম বেঁচে অনেক অর্থ আয় করছেন বলে মনে করেন ড্রাইস৷
প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন?

‘আমেরিকার দৃষ্টিতে মিশরে সামরিক অভ্যুত্থান হয়নি’


‘আমেরিকার দৃষ্টিতে মিশরে সামরিক অভ্যুত্থান হয়নি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মার্কিন প্রশাসন মিশরের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ঘটনাকে ‘সামরিক অভ্যুত্থান’ হিসেবে ঘোষণা করবে না। আমেরিকার সরকারি কর্মকর্তারা এ ঘোষণা দিয়েছেন। কংগ্রেসের উভয় কক্ষের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা উইলিয়াম বার্নসের বরাত দিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন মার্কিন কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন।

আমেরিকা থেকে মিশর প্রতিবছর ১৩০ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা পেয়ে থাকে। মিশরের প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর মার্কিন এ সহায়তা স্থগিত হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছিল। আমেরিকার আইন অনুযায়ী, বিশ্বের যে দেশেই সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার উতখাত করা হবে সে দেশে মার্কিন সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা অবশ্যই স্থাগিত করতে হবে।

তবে, গত ৩ জুলাই মিশরের প্রেসিডেন্ট মুরসিকে সেনাবাহিনী ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়ার পরও সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা স্থগিত করার ঘোষণা দেয়নি আমেরিকা। মার্কিন সামরিক সহায়তা অব্যাহত রাখতেই মিশরের ঘটনাকে সামরিক অভ্যুত্থান বলতে গড়িমসি করছে ওয়াশিংটন।

এছাড়া, দখলদার ইসরাইলের শীর্ষ পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতারা আমেরিকাকে সামরিক সহায়তা স্থগিত না করার জন্য একের পর এক ফোন করে চলেছেন। ইসরাইলি কর্মকর্তারা আমেরিকাকে বার বার সতর্ক করে বলছেন, মিশরে সামরিক সহায়তা বন্ধ করা হলে ইসরাইলের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বে।

প্রেস টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাইকেল বার্নস বলেছেন, মিশরের বর্তমান পরিস্থিতিকে ইসরাইলের স্বার্থ রক্ষার কাজে ব্যবহারের চেষ্টা করছে আমেরিকা। আইআরআইবি

দরবেশ থাকেন ভাড়া বাড়িতে?


Some content on this page was disabled on October 27, 2016 as a result of a DMCA takedown notice from Deshe Bideshe. You can learn more about the DMCA here:

https://en.support.wordpress.com/copyright-and-the-dmca/