মধ্যবিত্ত ঘরের যুবক-যুবতীরা লিভ টুগেদারে আগ্রহী হয়ে উঠছে!


ঢাকায় লিভ টুগেদার বাড়ছে। মধ্যবিত্ত ঘরের যুবক-যুবতীরা লিভ টুগেদারে আগ্রহী হয়ে উঠছে। এ কারণে বাড়ছে খুনের মতো অপরাধও। গ্রাম থেকে আসা অনেক শিক্ষার্থীও ঢাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে লিভ টুগেদার করছে অনেকে।

সমাজবিজ্ঞানীরাও স্বীকার করছেন পাশ্চাত্য দুনিয়ার ওই ধারণা অনেকটা সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়ছে ঢাকায়। এ রকম এক জুটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। একই বিভাগে, একই ক্লাসে পড়তেন। গভীর বন্ধুত্ব তখন থেকেই। দু’জনই মেধাবী। রেজাল্টও ভাল। বন্ধুটি এখন ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। বান্ধবী পিএইচডি করছেন, এখনও শেষ হয়নি। থাকছেন বনানী এলাকার একটি অভিজাত ফ্ল্যাটে। ফ্ল্যাটটিও নিজেদের। লিভ টুগেদার করছেন। নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিয়ে করবেন না। দু’জনই চেষ্টা করছেন ইউরোপের একটি দেশে যেতে। বিত্তবান ঘরের সন্তান তারা।

বন্ধুটির বাড়ি ছিল ফেনীতে, বান্ধবীর ঢাকায়। শাহানা তার নতুন নাম। এ নামে কেবল জর্জই তাকে চেনে। জর্জকে ওই নামে অন্য কেউ চেনে না। এটা শাহানার দেয়া নাম। একে অপরকে দেয়া নতুন নামেই তাদের বাড়ি ভাড়া নেয়া উত্তরা এলাকায়। চাকরিজীবী দু’জনই। এক সময়ে চাকরি করতেন এই সংস্থায়। সেখান থেকে পরিচয় ঘনিষ্ঠতা। এখন তারা চাকরি করছেন পৃথক দু’টি বৈদেশিক সাহায্য সংস্থায়। উচ্চ বেতনে চাকরি। অফিসের গাড়ি। শাহানা ইংরেজি সাহিত্যে এমএ করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। জর্জ পড়াশোনা করেছেন ভারতের নৈনিতালে, বিজ্ঞান অনুষদের একটি বিষয়ে উচ্চ শিক্ষা নিয়েছেন। বছর পাঁচেক আগে ঢাকায় ফিরে চাকরি নিয়েছেন। লিভ টুগেদার করছেন। বিয়ের প্রতি আগ্রহ নেই তাদের। শাহানা ইউরোপ-আমেরিকায় পাড়ি জমাতে চান। সেখানে তার পরিবারের বেশির ভাগ লোক বসবাস করছে। শাহানার চিন্তা বিয়ে মানেই একটি সংসার, ছেলেমেয়ে, স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি। এখনই এগুলোর কথা ভাবতে গেলে তার ক্যারিয়ার হোঁচট খাবে, বিদেশে যাওয়া না-ও হতে পারে। এ কথাগুলো সে খুলে বলেছে জর্জকে। জর্জ রাজি হওয়ায় এক সঙ্গে থাকছেন তারা চার বছর ধরে। খাওয়া-দাওয়ার খরচ দু’জনে মিলে বহন করেন। সব কিছুই হয় দু’জনে শেয়ার করে। মনোমালিন্য হয় না তা নয়, হয় আবার তা মিটেও যায়। এভাবেই চলছে চার বছর ধরে।

একটি মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষে পড়াশোনা করছেন তারা। বসবাস করছেন ধানমন্ডির একটি ফ্ল্যাটে। ছেলেমেয়ে দুজনই ধনাঢ্য পরিবারের। দু’বছর ধরে লিভ টুগেদার করছেন। পড়শিরা জানে, স্বামী-স্ত্রী। অন্যদের সঙ্গে সেভাবেই নিজেদের পরিচয় দেন। যশোরের একটি গ্রাম থেকে ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে এসেছেন ওরা। পরিচয় তাদের স্কুল থেকে। ঢাকায় এসে প্রথম দু’বছর দু’জন থাকতেন আলাদা বাড়ি ভাড়া করে। এখন দু’জন মিলে থাকছেন একই বাসায়। ভাড়া দেন দু’জনে শেয়ার করে। গত এক বছর ধরে লিভ টুগেদার করছেন তারা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় লিভ টুগেদারের সংখ্যা বাড়ছে উল্লেখযোগ্য হারে। ঢাকার প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজগুলোর ছাত্র-শিক্ষক, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা এমনকি সাধারণ কর্মচারীরা পর্যন্ত লিভ টুগেদার করছে। শোবিজে লিভ টুগেদার এখন সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়ছে। জাতীয় ভাবে পরিচিত শোবিজের অনেক স্টার এখন লিভ টুগেদার করছেন। দেশব্যাপী পরিচিত দু’জন নৃত্যশিল্পীর লিভ টুগেদারের বিষয়টি ওপেন সিক্রেট শোবিজে। একজন পরিচিত কণ্ঠশিল্পী গত পাঁচ বছর ধরে লিভ টুগেদারের পর আপাত বিচ্ছেদ ঘটিয়ে এখন থাকছেন আলাদা। শোবিজের নাট্যাঙ্গনের চার জোড়া নতুন মুখ লিভ টুগেদার করছেন বছরখানেক ধরে। তাদের পরিচিত ও নিকটজনরা জানেন তাদের লিভ টুগেদার সম্পর্কে। নিজেদের ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে তারা কেউ আপাতত বিয়ের কথা ভাবছেন না। শোবিজে ছেলেমেয়ে উভয়ের উচ্চাসনে যাওয়ার পথে বিয়েকে একটি বড় বাধা মনে করেন তারা।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, গত দুই তিন বছরের মধ্যে ঢাকায় লিভ টুগেদারেরও অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আগে লিভ টুগেদারের বেশির ভাগ ছিল সমাজের উচ্চ স্তরের ছেলেমেয়েদের মধ্যে। এখন লিভ টুগেদারের প্রবণতা বেড়েছে মধ্যবিত্ত সমাজে। সদ্য গ্রাম থেকে এসে ঢাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া ছেলেমেয়েরা লিভ টুগেদার করছে। কেবলমাত্র পড়াশোনা শেষ করে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করেছে কিন্তু তাদের কাঙিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি এমন অনেক মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলেমেয়েরা ঢাকায় লিভ টুগেদার করছে।

ঢাকার একটি নামকরা মেডিকেল কলেজের একজন শিক্ষার্থী এই প্রতিবেদককে বলেন, তার জানা মতে তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কম করে হলেও এক শ’ জোড়া ছেলেমেয়ে লিভ টুগেদার করছে। বিষয়টি তাদের কাছে ওপেন সিক্রেট হলেও কেউ কাউকে নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করে না। ওই শিক্ষার্থী লিভ টুগেদারকে খারাপ কিছু মনে করেন না। তার ভাষায় দু’জনের মতের মিলেই তারা লিভ টুগেদার করে। এখানে অপরাধ কিছু নেই। ঢাকার ঐতিহ্যবাহী একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ ক’জন শিক্ষক-শিক্ষিকা লিভ টুগেদার করছেন। তাদের লিভ টুগেদারের কথা জানে তাদের অনেক ছাত্রও। ওই শিক্ষকদের একজন তার এক নিকটজনের কাছে বলেছেন, লিভ টুগেদারকে তিনি বরং গর্বের বিষয় মনে করেন।
ঢাকায় লিভ টুগেদার করছেন, বর্তমানে বসবাস করছেন গুলশান এলাকায়। চাকরি করেন একটি বিদেশী সাহায্য সংস্থায়। এর আগে তার কর্মস্থল ছিল পাপুয়া নিউগিনিতে। তিন বছর ধরে ঢাকায় আছেন। লিভ টুগেদার করছেন তারই এক সহকর্মী নারীর সঙ্গে। ওই ভদ্রলোক এই প্রতিবেদককে বলেন, আমরা দু’জনই বাংলাদেশী। তবে আমাদের কর্মক্ষেত্র আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশে পোস্টিং হয়। এখন বাংলাদেশে আছি, এক বছর পর অন্য কোথাও যেতে হতে পারে। সে কারণে আমরা দু’জনই ঠিক করেছি লিভ টুগেদার করতে।

তাছাড়া, লিভ টুগেদারের ধারণা খারাপ নয়, আমরা কেউ কারও বোঝা নই, আইনি বন্ধনও নেই। কারও ভাল না লাগলে তিনি এক সঙ্গে না-ও থাকতে পারেন। এতে কোন জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা নেই। ঢাকায় লিভ টুগেদার করছেন এমন কয়েকজনের সঙ্গে আলাপ করে এ প্রবণতার কিছু কারণ জানা গেছে। তাদের মতে, যে সব মেয়ে নিজেদের ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তা করে, নিজেদেরকে ইউরোপ-আমেরিকা বা দেশের অভ্যন্তরে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় তারা এখনই বিয়ে করে ছেলেমেয়ের ভার নিতে চায় না। সংসারের ঘানি টানতে চায় না। ওই সব মেয়ে নিজেদেরকে বিবাহিত বলে পরিচয় দিলে তাদের ক্যারিয়ার গড়তে সমস্যা হতে পারে বলে মনে করে। এমন অনেক ছেলেও আছে যারা ওই সব মেয়ের মতো ধারণা পোষণ করে না তারা কেবলমাত্র জৈবিক কারণে লিভ টুগেদার করছে। অর্থবিত্তে বা চাকরিতে প্রতিষ্ঠিত এমন অনেকে লিভ টুগেদার করছে কেবলমাত্র সমাজে তার একজন সঙ্গীকে দেখানোর জন্য, নিজের একাকিত্ব ও জৈবিক তাড়নায়। অনেকে বিয়ের প্রতি প্রচণ্ড রকম অনাগ্রহ থেকেও লিভ টুগেদার করছে। ঢাকা শহরের একজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতির কন্যা ঢাকায় লিভ টুগেদার করছেন একজন বিদেশী নাগরিকের সঙ্গে। ওই শিল্পপতির কন্যার প্রথম বিয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে সংসার জীবনের পাট চুকিয়ে এখন বিদেশী নাগরিকের সঙ্গে লিভ টুগেদার করছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় ব্যাপক হারে বেড়েছে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ছেলেমেয়েদের লিভ টুগদোর। ওয়েস্টার্ন সোসাইটির প্রতি এক ধরনের অন্ধ আবেগ ও অনুকরণের পাশাপাশি জৈবিক চাহিদা মেটাতে তারা লিভ টুগেদার করছেন। আবার ঘন ঘন তাদের লিভ টুগেদারে বিচ্ছেদও ঘটছে। সহসা আলাদা হয়ে যাচ্ছে। ঘটছে খুনের মতো অপরাধ। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত এক বছরে রাজধানীতে দশটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। পুলিশি অনুসন্ধানে শেষ পর্যন্ত বেরিয়ে এসেছে ওইসব হত্যাকাণ্ডের পেছনে ছিল লিভ টুগেদারের বিড়ম্বনা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে খুনের শিকার হয়েছে মেয়েরা। দেখা গেছে, স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এরা বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছে। এক পর্যায়ে মনোমালিন্য বা মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়লে তাকে খুন করে পালিয়েছে ছেলেটি। চলতি বছর জুলাই মাসে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় খুন হয় সুরাইয়া নামের এক যুবতী। তিনি চাকরি করতেন একটি বেসরকারি সংস্থায়। তাকে খুন করে বাসায় লাশ রেখে বাইরে থেকে তালা বন্ধ করে চলে যায় যুবক সুমন রহমান। পরে জানা যায়, প্রায় বছর খানেক ধরে লিভ টুগেদার করতেন সুমন ও সুরাইয়া।

এপ্রিল মাসে এক অজ্ঞাত তরুণীর লাশ পাওয়া যায় গাজীপুরের শালবন এলাকায়। পুলিশ অনুসন্ধানে জানা যায়, উত্তরা এলাকায় একটি বাড়িতে দুই-তিন বছর ধরে এক যুবকের সঙ্গে সে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ভাড়া থাকতো। মে মাসে রাজধানীর গুলশান এলাকায় বাসার ভেতরে এক তরুণীকে খুন করে পালিয়ে যায় ঘাতক। তারাও ভাড়া থাকতো স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে। মে মাসে রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে এক তরুণীর গলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জানা যায়, ঢাকার একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ওই তরুণী লিভ টুগেদার করতো তারই এক বন্ধুর সঙ্গে। মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়লে মনোমালিন্য শুরু হয় তাদের মাঝে। শেষে মেয়েটিকে খুন করে পালিয়ে যায় বন্ধুটি। গত ১লা নভেম্বর রর‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয় ম্যারেজ মিডিয়ার দুই পার্টনার। ফরিদপুর শহরের একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে একই শহরের আরেকটি মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে লিভ টুগেদার করছে। পারভীন নামের মেয়ে ও আরিফ নামের ছেলেটি অকপটে স্বীকার করেছে তারা লিভ টুগেদার করছে এবং এক সঙ্গে ম্যারেজ মিডিয়ার ব্যবসা করছে।

ঢাকাতে লিভ টুগেদার বেড়ে যাওয়া সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শাহ এহসান হাবীব বলেন, বর্তমান গ্লোবালাইজেশনের প্রভাবে নানা ধরনের মুভি সিনেমাডকুমেন্টারি আমাদের সমাজমানসে পাশ্চাত্য জীবনের নানা দিক প্রভাব ফেলছে, অনেকে সেটা গ্রহণ করছে। তার সঙ্গে আমাদের সমাজে ইন্ডিভিজ্যুয়াল বা ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের সৃষ্টি হয়েছে। মানুষের চিন্তা ব্যক্তিকেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে। সে কারণে লিভ টুগেদারের সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়াও অনেক যুবক-যুবতী এখন ফ্যামিলিকে একটা বার্ডেন মনে করে, বিয়েকে তাদের ক্যারিয়ারের অন্তরায় মনে করে। দেখা যাচ্ছে, এরা বিয়ের চেয়ে লিভ টুগেদারকে বেশি পছন্দ করছে। এতে তাদের জৈবিক চাহিদাও মিটছে আবার সামাজিক নিরাপত্তাও পাচ্ছে। তারা সুখে দুঃখে একজন আরেক জনের সঙ্গী হচ্ছে। মধ্যবিত্তদের লিভ টুগেদারে আগ্রহী হয়ে ওঠা সম্পর্কে তিনি বলেন, ঢাকা শহরে এখন বাড়ি ভাড়া একটি বড় সমস্যা। বাইরে থেকে পড়তে আসা বা চাকরি করতে আসা যুবক বা যুবতীকে বাড়ির মালিক আলাদা আলাদা বাড়ি ভাড়া দিতে চায় না। সে ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, এরা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাড়ি ভাড়া নিয়ে এক সঙ্গে থাকছেন, লিভ টুগেদার করছেন। এতে তাদের জৈবিক চাহিদাও মিটছে আবার সামাজিক নিরাপত্তাও থাকছে। আবার অনেক ছেলেমেয়ে মনে করছে লিভ টুগেদার করে কয়েক বছর কাটিয়ে দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়ে তারা আবার অবিবাহিত পরিচয়ে সমাজে ফিরে যাবে যাতে সমাজে তাদের মর্যাদা ঠিক থাকে। তিনি বলেন, তবে এতে সমস্যা হচ্ছে সমাজে এক ধরনের ক্রাইম তৈরি হচ্ছে, কোন কারণে বনিবনা না হলে খুন হয়ে যাচ্ছে মেয়ে বা ছেলেটি।
http://allsharenews.com/

US cracks down on ayurvedic, homeopathic diabetes remedies


US cracks down on ayurvedic, homeopathic diabetes remedies

Washington, July 26 (IANS) The US Food and Drug administration is cracking down on the sale of alternative remedies, including ayurvedic and homeopathic products and dietary supplements, for the treatment of diabetes.

The agency has issued letters warning 15 companies including some that procure alternative diabetes remedies from India, that the sale of their illegally marketed diabetes products violates federal law.

Foreign and domestic companies whose products claiming to mitigate, treat, cure or prevent diabetes and related complications, were sold online and in retail stores have been asked to tell FDA within 15 days how they will correct the violations.

The FDA has also advised consumers not to use these or similar products because they may contain harmful ingredients or may be otherwise unsafe, or may improperly be marketed as over-the-counter products when they should be marketed as prescription products.

Many of the illegally sold products include claims such as “prevents and treats diabetes,” and “can replace medicine in the treatment of diabetes,” FDA said.

These illegally sold products, according to FDA, include dietary supplements and ayurvedic products described as “medicine of the healing arts that originated in India” with claims to treat, cure, and/or prevent diabetes.

Medications cited in the ban order included unapproved versions of metformin and Januvia, which is procured from India and sold online in the US, and Diexi, manufactured by Amrutam LifeCare of Surat.

Amrutam was also cited for claims with regards to supplements such as Zoom (for erectile dysfunction), Arexi (for arthritis) Allexi (for allergy), Cholexi (for cholesterol control), and Obexi (for obesity).

The FDA acknowledged that it’s not aware of any reports of injury or illness associated with the illegally sold products, but said it’s taking action to protect the public health from potential harm.

“Diabetes is a serious chronic condition that should be properly managed using safe and effective FDA-approved treatments,” said FDA Commissioner Margaret A. Hamburg, in a media release.

Out of a worldwide total of 300 million diabetes patients, nearly 26 million are Americans and over 60 million Indians. Sales of diabetes medication have increased 60 per cent – from $14 billion to $22 billion – in the last four years

মেধা নাকি যৌন আবেদনে আসে খ্যাতি!


যৌন আবেদন নাকি মেধা?

ফোর্বস ম্যাগাজিনের সাম্প্রতিক এক তালিকা দেখে এমন প্রশ্নের আবির্ভাব৷ তালিকাটা ৩০ বছরের কম বয়সি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অর্থ উপার্জনকারী সেলিব্রেটিদের৷ তাতে শীর্ষ দশের সাতজনই হচ্ছেন নারী৷

একেবারে শীর্ষ অবশ্যই লেডি গাগা৷ গত বছরে তাঁর আয় ছিল ৮০ মিলিয়ন ডলার৷ হিট গান বিক্রি, ওয়ার্ল্ড ট্যুর আর বিভিন্ন পণ্যের মডেল হয়ে এই অর্থ আয় করেছেন লেডি গাগা৷ পরিমাণটা হয়ত আরও বাড়তে পারতো যদি না ইনজুরির কারণে কয়েকটি ট্যুর বাতিল না করতেন৷ ঐ সময়টা তাঁকে তাঁর ২৪ ক্যারেট সোনা দিয়ে তৈরি হুইলচেয়ারে কাটাতে হয়েছে!

এরপরেই আছেন তালিকায় থাকা তিন তরুণের প্রথমজন ক্যানাডিয়ান সেনসেশন জাস্টিন বিবার৷ তবে তাঁর আয় লেডি গাগার চেয়ে ২২ মিলিয়ন ডলার কম, অর্থাৎ ৫৮ মিলিয়ন৷ তালিকার অন্য দুই ছেলে তারকা হলেন ডিজে ক্যালভিন হ্যারিস ও অভিনেতা টেলর লাউটনার৷ তাঁদের আয় যথাক্রমে ৪৬ ও ২২ মিলিয়ন ডলার৷ আর মেয়েদের মধ্য আছেন টেলর সুইফট (৫৫ মিলিয়ন ডলার), রিহানা (৪৩ মিলিয়ন), কেটি পেরি (৩৯ মিলিয়ন), আডেলে (২৫ মিলিয়ন), জেনিফার লরেন্স (২৬ মিলিয়ন ডলার) ও ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট (২২ মিলিয়ন)৷

তবে শুধু কম বয়সি তারকাদের তালিকায় নয়, গত জুনে ফোর্বস যে ‘পাওয়ারফুল সেলিব্রেটি'-দের লিস্ট তৈরি করেছিল তাতেও শীর্ষ দশে ছিলেন ছয়জন নারী৷

ফেমিনিস্ট ওয়েবসাইট জেজেবেল ডটকমের ব্লগার কেট ড্রাইস বলছেন, ‘‘শুধু যৌন আবেদন দিয়ে মেয়েরা অর্থ আয়ের ক্ষেত্রে পুরুষদের চেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে তা ঠিক নয়, বরং গানের শিল্পীরা শুধু মিউজিশিয়ান হওয়ার চেয়ে আরো অন্যান্য বিষয়েও দক্ষতা অর্জন করছেন৷ তাই তাঁরা বেশি আয় করছেন৷

তিনি বলেন, লেডি গাগা, রিহানা, টেলর সুইফট, কেটি পেরির মতো তারকারা পণ্যের মডেল হয়েই বেশি আয় করছেন৷ বিশেষ করে তাঁরা চান বিভিন্ন কসমেটিক পণ্যের সঙ্গে নিজের নাম জড়াতে৷ এমনকি জাস্টিন বিবারও তরুণীদের কাছে তাঁর নাম বেঁচে অনেক অর্থ আয় করছেন বলে মনে করেন ড্রাইস৷
প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন?

Too Much Social Media Use Causes Low Self Esteem in Teen Girls


Too Much Social Media Use Causes Low Self Esteem in Teen Girls: Study
By Press Trust of India
Jul 22, 2013

A recent study at New Flinders University has found that teen girls who spend more time on social media are more likely to be unhappy with their bodies and therefore have low self-esteem.

Teen girls spending more time on social media, posting their weight-loss progress selfies, are more likely to be dissatisfied with their bodies and have low self-esteem, a new study has found.

Researchers at the New Flinders University interviewed more than 1,000 high school girls and found conversations about appearance were “intensified” on social media and were more influential because they involved peers.

The girls, who were first interviewed aged 8 and 9 years, were asked about their social media habits and self-esteem.

They were then interviewed at ages 10 and 11. By then 90 percent had a Facebook account, with an average of 475 friends, and were uploading pictures of themselves to the internet, Sun-Herald reported.

The time the girls spent on social media had blown out from one hour a day to two-and-a-half hours.

Although 80 percent of the girls surveyed were classified as being of normal weight, 46 percent said they were dissatisfied with how much they weighed.

“Time spent on social network sites was related to lower self-esteem, body-esteem, sense of identity and higher depression,” researcher Amy Slater said.

Young girls seeking affirmation via social media were “setting themselves up for negative mental health outcomes,” social commentator Melinda Tankard Reist said.

“They feel they have to be on display. We live in a culture that rewards exhibitionism (and) everyone is judged on their physical appearance,” Reist said.

Experts believe social media has a more powerful influence on teenage girls than traditional media because it is so pervasive and interactive.

Read more at http://www.indiawest.com/news/12310-too-much-social-media-use-causes-low-self-esteem-in-teen-girls-study.html

ফেসবুক বলে দেবে প্রেমের গভীরতা!


ফেসবুক বলে দেবে প্রেমের গভীরতা!

ঢাকা টাইমস ডেস্ক ঢাকা: নিত্যদিনের আর পাঁচটা দরকারি কাজকম্মের মতোই ফেসবুকটিও জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে পড়েছে। এই ব্যাপারটি আর যেই হোক, তর্কবাগীশ বাঙালি কিন্তু অস্বীকার করতে পারবেন না। সে আপনি ফেসবুক ব্যবহার করতে চান বা না-ই চান! কী পারে না এই ফেসবুক? প্রাত্যহিকভাবে নতুন কোনও কিছুর হদিশ দিতে পারা এই ফেসবুকে একদিকে যেমন অন্যের দেওয়ালে নাকগলানো বা ‘পোক’ করা যায়, তেমনই জোড়া লাগানো বা ফাটল ধরানোও যায় সম্পর্কে। তবে এতসব জটিলতার মাঝে হারিয়ে না গিয়ে এবার ফেসবুক থেকে জেনে নিতে পারেন আপনার প্রেমিকের সততা বা সম্পর্কের দায়বদ্ধতার কথাটিও! ভাবছেন, কী করে বুঝবেন মনের মানুষটি আপনাকে ঠকাচ্ছেন কিনা?
Facebook Love
১. ফেসবুকে তাঁর নিত্যনতুন ছবি আপলোড হয়ে থাকলেও আপনাদের জুটির ছবির কোনওটাই কি ফেসবুকের চৌকাঠ মাড়ায় না? তাহলে বরং একটু নড়েচড়ে বসুন দেখি! আর ভাবুন, কেন আপনাকে অন্যান্য বন্ধুদের কাছে দেখাতে চাইছেন না পুরুষটি। সেটা কিছুটা অতিরিক্ত অধিকারবোধের জায়গা থেকেও হতে পারে বইকি। সেক্ষেত্রে তাঁর কাছে একদিন আলতো করে পেড়েই দেখুন না কথাটা। তার পরেও তিনি অভ্যেস না বদলালে আপনার নেতিবাচক দিকটার কথা ভাবাই বোধহয় উচিত হবে। তাছাড়া নিজেতে মত্ত থাকার প্রমাণস্বরূপ আপনার প্রেমের মানুষটি যদি একটু বেশিই নিজের ছবি পোস্ট করে থাকেন, তবে শুনুন, তিনি কিন্তু নার্সিসিস্ট! মানে শুধু নিজেকেই ভালবাসেন, এমন একজন মানুষ।

২. এরই উল্টোদিকে আপনার কিম্বা আপনাদের প্রচুর ছবি যদি আপনার প্রেমিক পোস্ট করেন ফেসবুকে, তাও আবার সম্পর্কের মাস কয়েকের মধ্যেই অথবা প্রেমপ্রস্তাব স্বীকার করার মুহূর্তের মধ্যেই তিনি যদি ‘ইন আ রিলেশনশিপ’ রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে দেন আপনাকে- তবে নিশ্চিন্ত থাকুন, সেটিও আর যাই হোক- প্রেম নয়। তাহলে? কিছুই না, আপনার বয়ফ্রেন্ড বড় ধরনের রিলেশনশিপ অ্যাডিক্ট! এবার তিনি মনেপ্রাণে কতটা চাইছেন আপনাকে, আর কতটাই বা শুধুই রিলেশনশিপের চাহিদা- ভাল করে ভেবে দেখুন।

৩. মাস কয়েকের বেশি সময় ধরেই আপনাদের প্রেমলীলা চলছে, তবুও প্রিয় পুরুষের ফেসবুকের ‘সিঙ্গল’ স্টেটাসটিকে কি আপনি পারেননি বদলাতে? তবে জানবেন মানুষটি একেবারেও সিরিয়াস নন আপনাকে নিয়ে, তিনি সেটি ইচ্ছাকৃতভাবেই রেখেছেন ‘সিঙ্গল’ করে।

৪. কারও প্রেমে পড়লে স্বাভাবিকভাবেই ফেসবুকে ডুবে থাকার সময়টি কমে যায় মানুষের জীবনে। চারপাশে একটু তাকিয়ে দেখুন, কথাটার সত্যতা হাড়ে হাড়ে টের পাবেন। ঘন্টার পর ঘন্টা ফেসবুককে উৎসর্গ করা সময়টি সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লে থাকে না ততটাই খালি। কিন্তু সম্পর্কে ঘোরতরভাবে ঢুকে যাওয়ার পরেও, আগের মতো কমিটেড লংটাইম ফেসবুক সারফিং করলে বুঝবেন, মানুষটি একেবারেই সিরিয়াস নন সম্পর্টিকে নিয়ে।

৫. অতি তুচ্ছ কারণে মনের মানুষের সব কিছুই ফেসবুকে পোস্ট করাকেও দেখতে পারেন সন্দেহের চোখে। যেমন ধরুন, তাঁর মায়ের শরীর খারাপে তিনি মর্মাহত, কিম্বা চাকরি নিয়ে বীতশ্রদ্ধ… এমন ব্যক্তিগত কথা যদি আপনাকে না জানিয়ে পুরুষটি পোস্ট করেন আগেভাগেই ফেসবুকে, তার মানে আপনার নয়, অন্য মহিলাদেরও অ্যাটেনশন চাইছেন তিনি। ভাবছেন, এবারে আপনার কী কর্তব্য? আর কিছু না, ফেসবুকে তাঁর গতিবিধি দেখে এবারে ঠাহর করে নিন বয়ফ্রেন্ডের মনের গোপন কথা। স্পষ্ট মালুম হবে, কতটাই বা আছে তাঁর কমিটমেন্ট আপনাদের সম্পর্কের জন্য!

ফ্রেন্ডস ক্লাব অব ইউ এস এ ‘র ইফতার সন্ধ্যা


ফ্রেন্ডস ক্লাব অব ইউ এস এ ‘র ইফতার সন্ধ্যা

Friends Club of USA Iftar 2013
গত সোমবার স্থানীয় একটি রেস্টুরেন্টে ফ্রেন্ডস ক্লাব অব ইউ এস এ’র উদ্যোগে ইফতার সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে ক্রীড়া সংগঠনের অনেক সদস্য ছাড়াও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পেশাজীবীরা যোগ দেন।
ফ্রেন্ডস ক্লাব অব ইউ এস এ-র গভনিং বডির চেয়ারম্যান এম কে জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইফতার সন্ধ্যায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সংগঠনের সভাপতি ফেরদৌস খান। ইফতার সন্ধ্যার ব্যবস্থাপনায় ছিলেন শফিউল আলম ওরফে ফ্রেন্ডস বাবু। Friends Club of USA Iftar 2013
Pic Link: https://www.facebook.com/media/set/?set=oa.603920226296471&type=1
http://goo.gl/NCCy6

আপনি কতটা রসিক!


আপনি কতটা রসিক!

তির্যক মন্তব্য হাস্যরসের সূক্ষ্মতম রূপ। তবে তার প্রয়োগ হতে হবে সঠিক জায়গায়, সঠিক সময়ে। জেনে নিন এ বিষয়ে আপনি কতটা কুশলী। আপনি কি স্থানকাল বিবেচনা না করে শ্লেষাত্মক বাক্য বলে থাকেন? নাকি অকারণেই ভাঁড়ামি করে বসেন?
১. বোনের সাবেক ছেলেবন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়েছে। তার শরীর থেকে ভার্সাচির (Versace) ইরোসের (Eros) সুগন্ধ আসছে। আপনি:
ক. কিছুই বলবেন না (+৫)
খ. বলবেন, দারুণ সুগন্ধি (+১০)
গ. নাক বাঁকিয়ে চলে যাবেন (-৫)
ঘ. বলবেন, ভার্সাচির দুঃসময় চলছে (+২০)

২. অনেকগুলো টয়লেট টিস্যু একসঙ্গে কিনেছেন। পথে কেউ বলে উঠল, এত্ত টয়লেট টিস্যু? আপনি:
ক. স্থির দৃষ্টিতে তার দিকে তাকাবেন (+৫)
খ. বলবেন, বাড়িতে অনেক মানুষ (+১০)
গ. লোকটিকে অবজ্ঞা করবেন (+১৫)
ঘ. বলে উঠবেন, ওহ! আপনিও কিনেছেন (+২০)

৩. দৈত্য আকৃতির মোটাসোটা এক ব্যক্তি ছোট রুগ্ণ কুকুর নিয়ে ঘুরছেন। আপনি—
ক. হাসবেন (-১০)
খ. বলবেন, বাচ্চাটি অনেক মুটিয়ে গেছে (-৫)
গ. চোখে পানি আসা পর্যন্ত হাসতেই থাকবেন (-২০)
ঘ. চোখে চোখ রেখে বলবেন, সুন্দর কুকুর (+১০)

৪. সমুদ্রসৈকতে বন্ধুর সঙ্গে রয়েছেন। বন্ধুটির গায়ে নতুন জামা। সে জিজ্ঞেস করল, কেমন লাগছে? আপনি:
ক. বলবেন, জামা ছাড়াই তোকে ভালো লাগে (+২০)
খ. আমাকে এত ভালো মানাত না (+১০)
গ. ভালোই তো, বলে মুচকি হাসবেন (+৫)
ঘ. বলে উঠবেন, দারুণ! চল সাঁতার কাটি (+৩০)

৫. রেস্টুরেন্টে খাচ্ছেন। কিন্তু খাবার ভালো হয়নি। যখন ওয়েটার বলল, ‘সব ঠিক আছে, স্যার’। আপনি:
ক. কিছুই বলবেন না (+১০)
খ. নতুন খাবারের অর্ডার দেবেন (+৫)
গ. বলবেন, এগুলো কি মানুষের খাবার? (-১০)
ঘ. বিরসবদনে বলবেন, দারুণ (+১৫)

৬. আপনার জন্মদিনে শ্বশুর মশায় একটি শার্ট উপহার দিয়েছেন। পোশাকটি আপনার পছন্দ হয়নি। আপনি বলবেন:
ক. ধন্যবাদ, শার্টটি গায়ে দিলেই আপনার কথা মনে পড়বে (-৫)
খ. ধন্যবাদ, ভালোই হয়েছে (+১০)
গ. ধন্যবাদ (+৫)
ঘ. শার্টটিতে আমাকে ভালোই মানাবে (+১৫)

৭. পায়ে ভীষণ ব্যথা পেয়েছেন। আপনার বন্ধু প্রশ্ন করল, অনুভূতি কী? আপনি:
ক. গটমট করে তাকাবেন (+৫)
খ. বিরক্ত হয়ে বলবেন, আপনার কী মনে হয়? (+১০)
গ. আন্তরিক হয়ে বলবেন, ঠিক হয়ে যাবে (+১৫)
ঘ. ভেংচি কেটে বলবেন, ওহ! গ্রেট (+২০)

৮. সহকর্মীর জন্মদিনে ডিনারে যাচ্ছেন। জিজ্ঞাসা করলেন, কী খাওয়াবেন? উত্তর পেলেন, ইতালিয়ান। কিন্তু খাবারটি আপনার পছন্দ নয়। আপনি বলে উঠবেন:
ক. গ্রেট (+২০)
খ. ধন্যবাদ (+১০)
গ. হুমম, তাদের কয়েকটি খাবার বেশ ভালোই (-৫)
ঘ. কিছুই বলবেন না (+৫)

৯. আপনার বন্ধু গাড়িতে ট্রেকিং সরঞ্জাম ভরছেন। তিনি জানালেন, প্রকৃতির সঙ্গে মিশে যেতে প্রথমবারের মতো ট্রেকিংয়ে বের হচ্ছেন। আপনি প্রতিক্রিয়া দেখাবেন:
ক. খুব মজার হবে (+২০)
খ. শরীরকে ব্যথা দিতে চান? (-১০)
গ. এটা ভালো পরিকল্পনা। তবে ধকল সামলাতে পারবেন? (+১০)
ঘ. অহেতুক সময় নষ্ট (-২০)

১০. কেউ শ্লেষাত্মক কথা বললে, আপনি:
ক. হাসতে থাকেন (+২০)
খ. কড়া ভাষায় জবাব দিয়ে থাকেন (-৫)
গ. মজা পান (+৫)
ঘ. মন খারাপ করেন (-৩০)

ফলাফল: যোগ বা বিয়োগ ফল ১৫০ নম্বরের বেশি হলে, আপনি কথাবার্তায় বেশ কুশলী। ১০০ থেকে ১৫০ হলে পরিস্থিতি সামাল দিতে মোটামুটি দক্ষ। ৫০ থেকে ১০০-এর মধ্যে নম্বর পেলে আরো ভালো করতে পারবেন। তবে নম্বর ৫০-এর কম হলে আপনার মধ্যে ভাঁড়ামির অভ্যাস রয়েছে।

রঙ-ঢঙ ডেস্ক
স্কয়ার অবলম্বনে
-Source: http://bonikbarta.com/