মেধা নাকি যৌন আবেদনে আসে খ্যাতি!


যৌন আবেদন নাকি মেধা?

ফোর্বস ম্যাগাজিনের সাম্প্রতিক এক তালিকা দেখে এমন প্রশ্নের আবির্ভাব৷ তালিকাটা ৩০ বছরের কম বয়সি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অর্থ উপার্জনকারী সেলিব্রেটিদের৷ তাতে শীর্ষ দশের সাতজনই হচ্ছেন নারী৷

একেবারে শীর্ষ অবশ্যই লেডি গাগা৷ গত বছরে তাঁর আয় ছিল ৮০ মিলিয়ন ডলার৷ হিট গান বিক্রি, ওয়ার্ল্ড ট্যুর আর বিভিন্ন পণ্যের মডেল হয়ে এই অর্থ আয় করেছেন লেডি গাগা৷ পরিমাণটা হয়ত আরও বাড়তে পারতো যদি না ইনজুরির কারণে কয়েকটি ট্যুর বাতিল না করতেন৷ ঐ সময়টা তাঁকে তাঁর ২৪ ক্যারেট সোনা দিয়ে তৈরি হুইলচেয়ারে কাটাতে হয়েছে!

এরপরেই আছেন তালিকায় থাকা তিন তরুণের প্রথমজন ক্যানাডিয়ান সেনসেশন জাস্টিন বিবার৷ তবে তাঁর আয় লেডি গাগার চেয়ে ২২ মিলিয়ন ডলার কম, অর্থাৎ ৫৮ মিলিয়ন৷ তালিকার অন্য দুই ছেলে তারকা হলেন ডিজে ক্যালভিন হ্যারিস ও অভিনেতা টেলর লাউটনার৷ তাঁদের আয় যথাক্রমে ৪৬ ও ২২ মিলিয়ন ডলার৷ আর মেয়েদের মধ্য আছেন টেলর সুইফট (৫৫ মিলিয়ন ডলার), রিহানা (৪৩ মিলিয়ন), কেটি পেরি (৩৯ মিলিয়ন), আডেলে (২৫ মিলিয়ন), জেনিফার লরেন্স (২৬ মিলিয়ন ডলার) ও ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট (২২ মিলিয়ন)৷

তবে শুধু কম বয়সি তারকাদের তালিকায় নয়, গত জুনে ফোর্বস যে ‘পাওয়ারফুল সেলিব্রেটি'-দের লিস্ট তৈরি করেছিল তাতেও শীর্ষ দশে ছিলেন ছয়জন নারী৷

ফেমিনিস্ট ওয়েবসাইট জেজেবেল ডটকমের ব্লগার কেট ড্রাইস বলছেন, ‘‘শুধু যৌন আবেদন দিয়ে মেয়েরা অর্থ আয়ের ক্ষেত্রে পুরুষদের চেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে তা ঠিক নয়, বরং গানের শিল্পীরা শুধু মিউজিশিয়ান হওয়ার চেয়ে আরো অন্যান্য বিষয়েও দক্ষতা অর্জন করছেন৷ তাই তাঁরা বেশি আয় করছেন৷

তিনি বলেন, লেডি গাগা, রিহানা, টেলর সুইফট, কেটি পেরির মতো তারকারা পণ্যের মডেল হয়েই বেশি আয় করছেন৷ বিশেষ করে তাঁরা চান বিভিন্ন কসমেটিক পণ্যের সঙ্গে নিজের নাম জড়াতে৷ এমনকি জাস্টিন বিবারও তরুণীদের কাছে তাঁর নাম বেঁচে অনেক অর্থ আয় করছেন বলে মনে করেন ড্রাইস৷
প্রিয় পাঠক, আপনি কি মনে করেন?

‘আমেরিকার দৃষ্টিতে মিশরে সামরিক অভ্যুত্থান হয়নি’


‘আমেরিকার দৃষ্টিতে মিশরে সামরিক অভ্যুত্থান হয়নি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মার্কিন প্রশাসন মিশরের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করার ঘটনাকে ‘সামরিক অভ্যুত্থান’ হিসেবে ঘোষণা করবে না। আমেরিকার সরকারি কর্মকর্তারা এ ঘোষণা দিয়েছেন। কংগ্রেসের উভয় কক্ষের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে এ ধরনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা উইলিয়াম বার্নসের বরাত দিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন মার্কিন কর্মকর্তা এএফপিকে জানিয়েছেন।

আমেরিকা থেকে মিশর প্রতিবছর ১৩০ কোটি ডলার সামরিক সহায়তা পেয়ে থাকে। মিশরের প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদ মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর মার্কিন এ সহায়তা স্থগিত হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছিল। আমেরিকার আইন অনুযায়ী, বিশ্বের যে দেশেই সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার উতখাত করা হবে সে দেশে মার্কিন সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা অবশ্যই স্থাগিত করতে হবে।

তবে, গত ৩ জুলাই মিশরের প্রেসিডেন্ট মুরসিকে সেনাবাহিনী ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়ার পরও সামরিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা স্থগিত করার ঘোষণা দেয়নি আমেরিকা। মার্কিন সামরিক সহায়তা অব্যাহত রাখতেই মিশরের ঘটনাকে সামরিক অভ্যুত্থান বলতে গড়িমসি করছে ওয়াশিংটন।

এছাড়া, দখলদার ইসরাইলের শীর্ষ পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতারা আমেরিকাকে সামরিক সহায়তা স্থগিত না করার জন্য একের পর এক ফোন করে চলেছেন। ইসরাইলি কর্মকর্তারা আমেরিকাকে বার বার সতর্ক করে বলছেন, মিশরে সামরিক সহায়তা বন্ধ করা হলে ইসরাইলের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বে।

প্রেস টিভিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাইকেল বার্নস বলেছেন, মিশরের বর্তমান পরিস্থিতিকে ইসরাইলের স্বার্থ রক্ষার কাজে ব্যবহারের চেষ্টা করছে আমেরিকা। আইআরআইবি

দরবেশ থাকেন ভাড়া বাড়িতে?


Some content on this page was disabled on October 27, 2016 as a result of a DMCA takedown notice from Deshe Bideshe. You can learn more about the DMCA here:

https://en.support.wordpress.com/copyright-and-the-dmca/

পার্থকে নিয়ে বিপাকে শেখ হেলাল পরিবার


পার্থকে নিয়ে বিপাকে শেখ হেলাল পরিবার

June 19, 2013
Andalib Parthoঢাকা:মেয়ের জামাইকে নিয়ে বিপাকেই পড়েছেন প্রধানমন্ত্রীর চাচাতো ভাই শেখ হেলাল উদ্দিন। কোনো কিছুতেই বাগে আনতে পারছেন না তাকে। বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্য হয়ে ও হরহামেশাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সরকারের মুখোরোচক সমালোচনা করে যাচ্ছেন তিনি। এই তিনির নাম আন্দালিব রহমান পার্থ। তিনি আঠারো দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির সভাপতি।

ভোলা সদরের সাংসদ আন্দালিব রহমান পার্থকে নিয়ে আওয়ামী লীগে ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে­ নিয়ে তাঁর বক্তব্য ভাল ভাবে নিচ্ছেন না সরকারের নীতি নির্ধারকরা। শেখ হেলাল কেন পার্থ কে বোঝাতে পারেন না তা নিয়ে ও নানা কথা আছে আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে। শুধু তিনিই নন, আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম পার্থর মামা। ভাগ্নের কারণে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয় তাকেও। খালাতো ভাই জাতীয় সংসদের হুইপ নূর-ই-আলম লিটন চৌধুরী ও এর বাইরে নয়। তিনি ও সমালোচকের দায় এড়াতে পারেন না সহজে। খালু আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী। মামাতো ভাই ফজলে নূর তাপসও এ নিয়ে আন্দালিব রহমান পার্থের সঙ্গে কথা বলেছেন।

পার্থর ঘনিষ্ঠ সূত্র ঢাকাটাইমসকে জানায়, কদিন আগে বিজেপি নেতার বাসায় আওয়ামী লীগের তার ঘনিষ্ঠরা এ নিয়ে বৈঠক ও করেন। তারা পার্থকে হেফাজতে ইসলামের আন্দোলনের পক্ষে বক্তৃতা-বিবৃতি থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করেন। এরপর থেকে অনেকটা গা ঢাকা দিয়ে আছেন বিজেপি চেয়ারম্যান।

এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য আন্দালিব রহমান পার্থর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে হারিয়ে ভোলা সদরের এমপি হন পার্থ। বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুর হাত ধরেই রাজনীতিতে আসা পার্থের। সাবেক মন্ত্রী নাজিউরের জনপ্রিয়তা কাজে লাগিয়ে এলাকায় নিজের অবস্থান তৈরি করে ফেলেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলালের মেয়ে শেখ সায়রা রহমানকে বিয়ে করেছেন তিনি। এই দম্পতির দুই কন্যা মাহাম সানজিদা রহমান এবং দিনাবিনতে আন্দালিব।

ঢাকায় সেন্টযোসেফ ও ল্যাবরেটরি স্কুলে পড়া লেখা করেছেন পার্থ। লন্ডনে রলিং কনসইন থেকে ১৯৯৭ সালে সম্পন্ন করেন বার-অ্যাট-ল। ইংল্যান্ডের উল্ভার হ্যাম্পটন ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছিলেন পার্থ। টিউশন নিয়েছেন হল্বর্ন কলেজ থেকে। তিনি লিংকন সইনের মেম্বার। দেশে ফিরে চার বছর কাজ করেন প্রখ্যাত আইনজীবী রফিক-উল হকের সঙ্গে।

পার্থ মনে করেন, ছাত্রলীগ যুবলীগ দিয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা হবে না। সোনার বাংলা গড়তে হলে যে প্রবাসী শ্রমিকরা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে এদেশে টাকা পাঠায় তাদের মূল্যায়ণ করতে হবে। তাদের ভালোবাসতে হবে। যে পোশাক শ্রমিকরা ‘মেড ইন বাংলাদেশ’কে বিশ্বের কাছে পরিচিত করেছে তাদের সম্মান করতে হবে।
সোমবার জাতীয় সংসদে বাজেটের উপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) আন্দালিব রহমান পার্থ এ কথা বলেন।

পদ্মাসেতু, হলমার্ক, হেফাজতে ইসলাম, জঙ্গী, শাহবাগ, ভিওআইপিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরকারের বিতর্কিত ভূমিকার সমালোচনা করে বক্তৃতা করেন তিনি। বিতর্কিত ভূমিকার জন্য দপ্তরবিহীন মন্ত্রী সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের পদত্যাগও দাবি করেন পার্থ।

ওয়ান ইলেভেনের সময়ে সরকারের নির্যাতন, অনিয়মের প্রসঙ্গ এনে তিনি বলেন, এজন্য দায়ী কোন সেনা কর্মকর্তার বিচার হয়নি।
পার্থের বক্তৃতার সময় সরকার দলীয় সদস্যরা হৈ চৈ করে প্রতিবাদ জানান। বক্তৃতা শেষে সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত ব্যক্তিগত আক্রমণের জবাব দিতে চাইলে স্পিকার তাকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, আপনাকে পরে সময় দেওয়া হবে।

http://newstimes24.net/?p=10849

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ভার্সিটির গভর্নিং বোর্ডের প্রথম মুসলিম সদস্য হলেন সাদিয়া সাইফুদ্দিন


যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ভার্সিটির গভর্নিং বোর্ডের প্রথম মুসলিম সদস্য হলেন সাদিয়া সাইফুদ্দিন

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বারের মতো একজন মুসলিমকে গভর্নিং বোর্ডের ছাত্র সদস্য হিসেবে নিয়োগ করেছে। আমেরিকান মুসলিম এ ছাত্রীর নাম সাদিয়া সাইফুদ্দিন। ইহুদি গ্র`পগুলোর প্রবল বিরোধিতা সত্ত্বেও তিনি এ নিয়োগ লাভ করেন।২১ বছর বয়স্কা সাদিয়া বার্কেলেতে অবস্থিত মর্যাদা সম্পন্ন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের ছাত্রী। ১৭ জুলাই বুধবার গভর্নিং বোর্ডের ২৬ জন রিজেন্টের মধ্যে ২৫ জনই তার পক্ষে ভোট প্রদান করেন। একজন রিজেন্ট ভোটদানে অনুপস্থিত থাকেন। সাদিয়া ২০১৪ সালে এক বছর দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় তার ভোটাধিকার থাকবে না। এক বছর পর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরভিন ক্যাম্পাসের আইন বিভাগের ছাত্রী সিনথিয়া ফ্লোরেসের স্থলাভিষিক্ত হবেন এবং ভোটাধিকারপ্রাপ্ত হবেন।

বিখ্যাত সাইমন উইসেনথাল সেন্টারসহ ইহুদি গ্রপগুলো তার মনোনয়নের জোর বিরোধিতা করে। তাদের বক্তব্য ছিল যে সাদিয়া সাইফুদ্দিন ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর সাথে ব্যবসা আছে এমন সব কোম্পানি থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল প্রত্যাহারের আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন। পাশাপাশি `ইসলামো ফোবিয়া`র (ইসলাম সম্পর্কে ভীতি) বিরুদ্ধে তার স্পষ্টভাষিতা তাকে ক্যাম্পাস রাজনীতির সবচেয়ে বিভক্তি সৃষ্টিকারী বিষয়গুলোর একটি ইসরাইল-ফিলিস্তিন সম্পর্ক -এর একেবারে কেন্দ্রবিন্দুতে স্থাপন করে।

এ উপলক্ষে দেয়া বক্তৃতায় তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থাকে অধিক সংখ্যক ছাত্রের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী। আরো পরিষ্কার করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য অধিক আর্থিক সুবিধার ব্যবস্থা করা এবং সকল ছাত্র-ছাত্রীর জন্য ক্যাম্পাসকে আরো প্রীতিকর করে তোলাই তার লক্ষ্য।

তারা সাদিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সিনেটে একটি প্রস্তাবের পৃষ্ঠপোষকতা করার অভিযোগ করে। ঐ প্রস্তাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্তাক্রুজ ক্যাম্পাসে এক বক্তার নিন্দা করা হয় যিনি `ইসলামোফোবিয়া` বিষয়ে বক্তব্য রাখেন।

উইসেনথাল সেন্টারের রাব্বি আরন হায়ার বলেন, যে বছরটিতে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থার ক্যাম্পাস- পরিবেশ প্রধান বিষয়ে পরিণত হয়েছে, সেখানে ক্যাম্পাস ও এর বাইরে হাজার হাজার মানুষের মেরুকরণের কাজ করেছেন এমন ব্যক্তিকে নিয়োগের জন্য ভোট দেয়া দু:খজনক। একজন উপযুক্ত মুসলিমকে এ পদে নিয়োগ করা হলে তিনি যোগ্যতার সাথে কাজ করতে পারতেন। আমরা সাদিয়াকে যোগ্য প্রার্থী মনে করি না।

সাদিয়ার সমর্থকরা বলেন, তিনি একজন দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী ছাত্রী যিনি সকল ধর্মের ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি যতবান। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সমিতির সিনেটর ও মুসলিম ছাত্র সমিতির সদস্য হিসেবে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবস্থার কল্যাণে কাজ করেছেন।

ছাত্র রিজেন্ট নির্বাচন কমিটির চেয়ারম্যান রিজেন্ট বনি রিস বলেন, সাদিয়া একজন গুরুত্বপূর্ণ তরুণী নারী। তিনি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ছাত্র, এ বিশ্ববিদ্যালয় ও তার ভালোবাসার এ দেশটির সেবা করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

রিজেন্ট রিস নিজেও একজন ইহুদি। সাদিয়ার বিরুদ্ধে ইহুদি গ্র`পগুলোর অভিযোগের জবাবে তিনি আরো বলেন, নির্বাচক কমিটি সাদিয়াকে ছাত্র রিজেন্ট নির্বাচিত করত না যদি তারা তাকে সেমিটিক বিরোধী ভাবত।

কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামী রিলেশনসের মুখপাত্র ইবরাহিম হুপার বলেন, সাদিয়ার রাজনীতির সাথে যারা একমত নয় সেই বিরোধীরা অন্যায়ভাবে তাকে জনসেবার কাজে অংশগ্রহণ থেকে বাইরে রাখতে চেয়েছিল।

তিনি বলেন, কোন আমেরিকান মুসলিম যখন প্রতিষ্ঠা লাভ করে বা করতে যায়, আমাদের সমাজের `ইসলামফোবিয়া`গ্রস্ত ক্ষুদ্র অংশটি তার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লাগে এবং তাকে কোণঠাসা ও তার ভোটাধিকার হরণ করতে চায়।

ভোটের পর তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে ফুলছাপ দেয়া হেজাব পরা আনন্দোজ্জ্বল সাদিয়া বলেন, আমি সৌভাগ্যবান। এ পদটি লাভ করতে পেরে আমি খুবই উচ্ছ্বসিত।

উত্তম কুমারের ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী ২৪ জুলাই


আজ বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা উত্তম কুমারের ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৮০ সালের এই দিনে সবাইকে কাঁদিয়ে পরপারে পাড়ি জমান এই মহানায়ক। নিজের অভিনয়, মেধা ও যোগ্যতাবলে জীবদ্দশায় উত্তম কুমার নিজেকে অন্যরকম এক উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। তার অভিনীত ছবির বেশির ভাগই ছিল দর্শকনন্দিত। বিশেষ করে তার ও সুচিত্রা সেনের জুটি আজও স্মরণীয় হয়ে আছে দর্শক হৃদয়ে।

বাংলা চলচ্চিত্রের অনেক দিন পার হয়ে গেলেও এ জুটির জনপ্রিয়তাকে এতটুকু স্পর্শ করতে পারেনি অন্য কোন জুটি। ১৯২৭ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর বৃটিশ ভারতের কলকাতার আহরিটোলা নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন উত্তম কুমার। সে সময় তার নাম রাখা হয়েছিল অরুণ কুমার চ্যাটার্জি। পরবর্তীতে চলচ্চিত্রে পা রেখে বনে যান উত্তম কুমার।

নীতিন বোস পরিচালিত ‘দৃষ্টিদান’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় এ কালজয়ী অভিনেতার। এ ছবির মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় আসেন তিনি, যার ফলে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। এরপর একাধিক ছবিতে অভিনয় করে প্রশংসিত হন তিনি। পরবর্তীতে ‘অগ্নিপরীক্ষা’ ছবিতে সুচিত্রা সেনের সঙ্গে জুটি গড়ে অভিনয় শুরু করেন উত্তম কুমার। ছবিটি ছিল নন্দিত ও ব্যবসা সফল। ১৯৫৪ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত এ জুটি ৩০টি ছবিতে কাজ করেন।

এ ছবিগুলোর বেশির ভাগই ছিল ব্যবসা সফল। সুচিত্রা সেন ছাড়াও সেই সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুপ্রিয়া চৌধুরী, সাবিত্রী চ্যাটার্জি, মাধবী মুখার্জি, শর্মিলী ঠাকুর, অঞ্জনা ভৌমিক, অপর্ণা সেন ও সুমিত্রা মুখার্জির সঙ্গে জুটি বেঁধেও ব্যাপক সফলতা পান উত্তম। বাংলা ছবিতে যখন সর্বোচ্চ তারকা খ্যাতিতে অবস্থান করছিলেন উত্তম কুমার তখন তার ডাক আসে হিন্দি চলচ্চিত্র থেকেও। তার অভিনীত হিন্দি ছবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ছোটি সি মূলকাত, অমানুষ, আনন্দ আশ্রম, দরিয়া প্রভৃতি।

এদিকে নিজের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে বাংলা-হিন্দি মিলিয়ে প্রায় ২০৯টি ছবিতে অভিনয় করেছেন উত্তম কুমার। এর মধ্যে বেশির ভাগই ছিল দর্শকনন্দিত ও ব্যবসা সফল। তার উল্লেখযোগ্য বাংলা ছবির মধ্যে রয়েছে সাড়ে চুয়াত্তর, দৃষ্টিদান, সাগরিকা, শিল্পী, হারানো সুর, ইন্দ্রানী, সবার উপরে, খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন, মায়ামৃগ, থানা থেকে আসছি, কুহক, এন্থনি ফিরেঙ্গি, অপরিচিতা, নায়ক, চিড়িয়াখানা, ধনি মেয়ে, জীবন-মৃত্যু প্রভৃতি। এসব ছবির মাধ্যমে নিজেকে বাংলা চলচ্চিত্রের অপ্রতিদ্বন্দ্বী নায়ক হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেন উত্তম কুমার। যার ফলে ভক্ত-দর্শক তাকে মহানায়ক উপাধিতে ভূষিত করেন। অসাধারণ অভিনয়ের জন্য একাধিকবার সেরা নায়ক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

এছাড়াও পেয়েছেন দেশ বিদেশের অনেক পুরস্কার ও সম্মাননা। অভিনয় ছাড়াও পরবর্তীতে প্রযোজক, পরিচালক, সংগীত পরিচালক ও গায়ক হিসেবেও কাজ করেছেন উত্তম কুমার। ব্যক্তিগত জীবনে গৌরী চ্যাটার্জিকে বিয়ে করেছিলেন উত্তম কুমার। গৌতম চ্যাটার্জি নামে তার এক ছেলে রয়েছে। ১৯৮০ সালের ২৪শে জুলাই মাত্র ৫৩ বছর বয়সে পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চলে যান মহানায়ক উত্তম কুমার। মৃত্যুর এতো বছর পার হয়ে গেলেও বাংলা চলচ্চিত্রে উত্তম কুমারের জনপ্রিয়তার কাছাকাছিও এখন পর্যন্ত কেউ যেতে পারেনি।

মহানায়ক সম্মান প্রত্যাখ্যান তিন অভিনেতার
কলকাতা প্রতিনিধি: মহানায়ক উত্তম কুমারের মৃত্যুদিনে আজ পশ্চিমবঙ্গ সরকার মহানায়কের নামে পুরস্কার দিচ্ছে। তিনটি বিভাগে এ পুরস্কার দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে আজীবন সম্মাননা, মহানায়ক সম্মান ও চলচ্চিত্র পুরস্কার। এসব পুরস্কারের সঙ্গে স্মারক ও আর্থিক মূল্যও দেয়া হচ্ছে। বিশেষ সম্মানও দেয়া হচ্ছে এবার।

এই সম্মান এবার পাবেন প্রবীণ অভিনেতা চিন্ময় রায় ও পার্থ মুখোপাধ্যায়। তবে পুরস্কারের তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন বাম ঘনিষ্ঠ এবং সরকারের সমালোচক অভিনেতা ও শিল্পীরা। বাদ পড়েছেন সব্যসাচী চক্রবর্ত্রী ও কৌশিক সেনের মতো অভিনেতারা। তবে ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়, ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায় ও পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে জানা গেছে। এই তিনজনই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন। রাজ্য সরকারের দেয়া বঙ্গবিভূষণ পুরস্কারও প্রত্যাখ্যান করেছিলেন দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়।

তিনি এ পুরস্কারকে বোগাস বলে আখ্যায়িত করেছিলেন। মহানায়কের মৃত্যু দিনে গোটা টলিউডকে একমঞ্চে শামিল করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আর তাই পুরস্কারও দেয়া হচ্ছে অসংখ্য অভিনেতা ও শিল্পীকে। এমনকি এ বছর প্রযোজক সংস্থাকেও পুরস্কৃত করা হবে। এবারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে অরোরা ফিল্ম, শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মস, নিউ থিয়েটার্স ও আর পি বনশন এন্ড কোংকে। সারা জীবনের স্বীকৃতি দেয়া হবে মাধবী মুখোপাধ্যায়, সন্ধ্যা রায়, দীপঙ্কর দে, রঞ্জিৎ মল্লিক ও পরিচালক গৌতম ঘোষকে। মহানায়ক পুরস্কার পাচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, তাপস পাল প্রমুখ। আর চলচ্চিত্র পুরস্কার পাবেন দেব, জিৎ, কোয়েল, শ্রাবন্তী, শুভশ্রী, রাইমা, স্বস্তিকা থেকে পরম, শ্বস্তত, মমতাশঙ্কর, রচনাসহ প্রায় সবাই।

তথ্য আছে, আ.লীগ আবার আসবে: জয়


তথ্য আছে, আ.লীগ আবার আসবে: জয়.

আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়ের ব্যাপারে ‘আত্মবিশ্বাসী’ প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়।

মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে যুবলীগ আয়োজিত ইফতার পূর্ব আলোচনা সভায় তিনি বলেন, “আমার কাছে তথ্য আছে আওয়ামী লীগ আগামীবার আবার ক্ষমতায় আসবে। বিএনপির মিথ্যা প্রচার মোকাবেলা করতেই হবে।”

আগামী ছয় মাস তরুণ ভোটারদের কাছে বিএনপি-জামায়াতের দুঃশাসন, দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরারও আহ্বান জানান জয়।

গত ১৬ জুলাই স্ত্রী ক্রিস্টিন ওভারমায়ার ও মেয়ে সোফিকে নিয়ে সজীব ওয়াজেদ দেশে আসেন। দেশের ফেরার পর সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির দেয়া ইফতার আয়োজনে অংশ নেন।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবে দাবি করে তিনি বলেন, “বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দেশ পেছন দিকে হাঁটবে। বাংলার মানুষ কখনোই বিএনপি-জামায়াতের সেসব দিনের কথা ভুলবে না।

২১ অগাস্টে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার কথা উল্লেখ করে জয় বলেন, “একুশে আগস্টের কথা আমরা ভুলিনি। আমার মা কে লক্ষ্য করে বোমা হামলা করা হয়েছিল। আওয়ামী লীগের ২৩ জন নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল, আহত হয়েছিলেন ৪০০ জন। আর এই হামলার মূল পরিকল্পনা করা হয়েছিল হাওয়া ভবনে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে নিজে আমার মাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিলেন।”

“আমার মা সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে গেলেও আইভী রহমান বাঁচতে পারেননি। তিনি আমাকে নিজের সন্তানের মতোই স্নেহ করতেন। আমরা কিছুই ভুলিনি, ভুলব না। ২১ শে আগস্টের হত্যাকাণ্ডের বিচার হবেই।”

বিএনপি-জামায়াত জোটের সঙ্গে বর্তমান সরকারের আমলের তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, “কোথায় সরকার ব্যর্থ হয়েছে? বিগত বিএনপির সাথে বর্তমান সরকারের তুলনা করে দেখুন। টিআইবি এতো অভিযোগ করে কিন্তু বিএনপির সময়ে টিআইবির জরিপে দুর্নীতিতে শীর্ষে ছিল বাংলাদেশ, এখন বাংলাদেশের অবস্থা ৪০ এর উপরে।”

বর্তমান সরকারের আমলে ব্যবসায়ীদের চাঁদা দিতে হয় না দাবি করে জয় বলেন, “হলমার্ক-ডেসটিনি নিয়ে এত কথা হয়, কিন্তু হাওয়া ভবনের কথা কি জাতি ভুলে গেছে? খাম্বার কথা ভুলে গেছে? বিএনপি সরকার ৫ বছর শুধু খাম্বা কিনেছে, বিদ্যুৎ দিতে পারেনি। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণেও বিএনপি-জামায়াত সরকার ছিল সম্পূর্ণ ব্যর্থ।”

দেড় কোটি মানুষ গত সাড়ে ৪ বছরে দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মীজানুর রহমান, যুবলীগ নেতা হারুনুর রশীদ, ফজলুল হক প্রমুখ।