মধ্যবিত্ত ঘরের যুবক-যুবতীরা লিভ টুগেদারে আগ্রহী হয়ে উঠছে!


ঢাকায় লিভ টুগেদার বাড়ছে। মধ্যবিত্ত ঘরের যুবক-যুবতীরা লিভ টুগেদারে আগ্রহী হয়ে উঠছে। এ কারণে বাড়ছে খুনের মতো অপরাধও। গ্রাম থেকে আসা অনেক শিক্ষার্থীও ঢাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে লিভ টুগেদার করছে অনেকে।

সমাজবিজ্ঞানীরাও স্বীকার করছেন পাশ্চাত্য দুনিয়ার ওই ধারণা অনেকটা সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়ছে ঢাকায়। এ রকম এক জুটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। একই বিভাগে, একই ক্লাসে পড়তেন। গভীর বন্ধুত্ব তখন থেকেই। দু’জনই মেধাবী। রেজাল্টও ভাল। বন্ধুটি এখন ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। বান্ধবী পিএইচডি করছেন, এখনও শেষ হয়নি। থাকছেন বনানী এলাকার একটি অভিজাত ফ্ল্যাটে। ফ্ল্যাটটিও নিজেদের। লিভ টুগেদার করছেন। নিজেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিয়ে করবেন না। দু’জনই চেষ্টা করছেন ইউরোপের একটি দেশে যেতে। বিত্তবান ঘরের সন্তান তারা।

বন্ধুটির বাড়ি ছিল ফেনীতে, বান্ধবীর ঢাকায়। শাহানা তার নতুন নাম। এ নামে কেবল জর্জই তাকে চেনে। জর্জকে ওই নামে অন্য কেউ চেনে না। এটা শাহানার দেয়া নাম। একে অপরকে দেয়া নতুন নামেই তাদের বাড়ি ভাড়া নেয়া উত্তরা এলাকায়। চাকরিজীবী দু’জনই। এক সময়ে চাকরি করতেন এই সংস্থায়। সেখান থেকে পরিচয় ঘনিষ্ঠতা। এখন তারা চাকরি করছেন পৃথক দু’টি বৈদেশিক সাহায্য সংস্থায়। উচ্চ বেতনে চাকরি। অফিসের গাড়ি। শাহানা ইংরেজি সাহিত্যে এমএ করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। জর্জ পড়াশোনা করেছেন ভারতের নৈনিতালে, বিজ্ঞান অনুষদের একটি বিষয়ে উচ্চ শিক্ষা নিয়েছেন। বছর পাঁচেক আগে ঢাকায় ফিরে চাকরি নিয়েছেন। লিভ টুগেদার করছেন। বিয়ের প্রতি আগ্রহ নেই তাদের। শাহানা ইউরোপ-আমেরিকায় পাড়ি জমাতে চান। সেখানে তার পরিবারের বেশির ভাগ লোক বসবাস করছে। শাহানার চিন্তা বিয়ে মানেই একটি সংসার, ছেলেমেয়ে, স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি। এখনই এগুলোর কথা ভাবতে গেলে তার ক্যারিয়ার হোঁচট খাবে, বিদেশে যাওয়া না-ও হতে পারে। এ কথাগুলো সে খুলে বলেছে জর্জকে। জর্জ রাজি হওয়ায় এক সঙ্গে থাকছেন তারা চার বছর ধরে। খাওয়া-দাওয়ার খরচ দু’জনে মিলে বহন করেন। সব কিছুই হয় দু’জনে শেয়ার করে। মনোমালিন্য হয় না তা নয়, হয় আবার তা মিটেও যায়। এভাবেই চলছে চার বছর ধরে।

একটি মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষে পড়াশোনা করছেন তারা। বসবাস করছেন ধানমন্ডির একটি ফ্ল্যাটে। ছেলেমেয়ে দুজনই ধনাঢ্য পরিবারের। দু’বছর ধরে লিভ টুগেদার করছেন। পড়শিরা জানে, স্বামী-স্ত্রী। অন্যদের সঙ্গে সেভাবেই নিজেদের পরিচয় দেন। যশোরের একটি গ্রাম থেকে ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে এসেছেন ওরা। পরিচয় তাদের স্কুল থেকে। ঢাকায় এসে প্রথম দু’বছর দু’জন থাকতেন আলাদা বাড়ি ভাড়া করে। এখন দু’জন মিলে থাকছেন একই বাসায়। ভাড়া দেন দু’জনে শেয়ার করে। গত এক বছর ধরে লিভ টুগেদার করছেন তারা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় লিভ টুগেদারের সংখ্যা বাড়ছে উল্লেখযোগ্য হারে। ঢাকার প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজগুলোর ছাত্র-শিক্ষক, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা এমনকি সাধারণ কর্মচারীরা পর্যন্ত লিভ টুগেদার করছে। শোবিজে লিভ টুগেদার এখন সংক্রামক ব্যাধির মতো ছড়িয়ে পড়ছে। জাতীয় ভাবে পরিচিত শোবিজের অনেক স্টার এখন লিভ টুগেদার করছেন। দেশব্যাপী পরিচিত দু’জন নৃত্যশিল্পীর লিভ টুগেদারের বিষয়টি ওপেন সিক্রেট শোবিজে। একজন পরিচিত কণ্ঠশিল্পী গত পাঁচ বছর ধরে লিভ টুগেদারের পর আপাত বিচ্ছেদ ঘটিয়ে এখন থাকছেন আলাদা। শোবিজের নাট্যাঙ্গনের চার জোড়া নতুন মুখ লিভ টুগেদার করছেন বছরখানেক ধরে। তাদের পরিচিত ও নিকটজনরা জানেন তাদের লিভ টুগেদার সম্পর্কে। নিজেদের ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে তারা কেউ আপাতত বিয়ের কথা ভাবছেন না। শোবিজে ছেলেমেয়ে উভয়ের উচ্চাসনে যাওয়ার পথে বিয়েকে একটি বড় বাধা মনে করেন তারা।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, গত দুই তিন বছরের মধ্যে ঢাকায় লিভ টুগেদারেরও অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আগে লিভ টুগেদারের বেশির ভাগ ছিল সমাজের উচ্চ স্তরের ছেলেমেয়েদের মধ্যে। এখন লিভ টুগেদারের প্রবণতা বেড়েছে মধ্যবিত্ত সমাজে। সদ্য গ্রাম থেকে এসে ঢাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া ছেলেমেয়েরা লিভ টুগেদার করছে। কেবলমাত্র পড়াশোনা শেষ করে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করেছে কিন্তু তাদের কাঙিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি এমন অনেক মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলেমেয়েরা ঢাকায় লিভ টুগেদার করছে।

ঢাকার একটি নামকরা মেডিকেল কলেজের একজন শিক্ষার্থী এই প্রতিবেদককে বলেন, তার জানা মতে তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কম করে হলেও এক শ’ জোড়া ছেলেমেয়ে লিভ টুগেদার করছে। বিষয়টি তাদের কাছে ওপেন সিক্রেট হলেও কেউ কাউকে নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করে না। ওই শিক্ষার্থী লিভ টুগেদারকে খারাপ কিছু মনে করেন না। তার ভাষায় দু’জনের মতের মিলেই তারা লিভ টুগেদার করে। এখানে অপরাধ কিছু নেই। ঢাকার ঐতিহ্যবাহী একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ ক’জন শিক্ষক-শিক্ষিকা লিভ টুগেদার করছেন। তাদের লিভ টুগেদারের কথা জানে তাদের অনেক ছাত্রও। ওই শিক্ষকদের একজন তার এক নিকটজনের কাছে বলেছেন, লিভ টুগেদারকে তিনি বরং গর্বের বিষয় মনে করেন।
ঢাকায় লিভ টুগেদার করছেন, বর্তমানে বসবাস করছেন গুলশান এলাকায়। চাকরি করেন একটি বিদেশী সাহায্য সংস্থায়। এর আগে তার কর্মস্থল ছিল পাপুয়া নিউগিনিতে। তিন বছর ধরে ঢাকায় আছেন। লিভ টুগেদার করছেন তারই এক সহকর্মী নারীর সঙ্গে। ওই ভদ্রলোক এই প্রতিবেদককে বলেন, আমরা দু’জনই বাংলাদেশী। তবে আমাদের কর্মক্ষেত্র আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশে পোস্টিং হয়। এখন বাংলাদেশে আছি, এক বছর পর অন্য কোথাও যেতে হতে পারে। সে কারণে আমরা দু’জনই ঠিক করেছি লিভ টুগেদার করতে।

তাছাড়া, লিভ টুগেদারের ধারণা খারাপ নয়, আমরা কেউ কারও বোঝা নই, আইনি বন্ধনও নেই। কারও ভাল না লাগলে তিনি এক সঙ্গে না-ও থাকতে পারেন। এতে কোন জটিলতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা নেই। ঢাকায় লিভ টুগেদার করছেন এমন কয়েকজনের সঙ্গে আলাপ করে এ প্রবণতার কিছু কারণ জানা গেছে। তাদের মতে, যে সব মেয়ে নিজেদের ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তা করে, নিজেদেরকে ইউরোপ-আমেরিকা বা দেশের অভ্যন্তরে প্রতিষ্ঠিত করতে চায় তারা এখনই বিয়ে করে ছেলেমেয়ের ভার নিতে চায় না। সংসারের ঘানি টানতে চায় না। ওই সব মেয়ে নিজেদেরকে বিবাহিত বলে পরিচয় দিলে তাদের ক্যারিয়ার গড়তে সমস্যা হতে পারে বলে মনে করে। এমন অনেক ছেলেও আছে যারা ওই সব মেয়ের মতো ধারণা পোষণ করে না তারা কেবলমাত্র জৈবিক কারণে লিভ টুগেদার করছে। অর্থবিত্তে বা চাকরিতে প্রতিষ্ঠিত এমন অনেকে লিভ টুগেদার করছে কেবলমাত্র সমাজে তার একজন সঙ্গীকে দেখানোর জন্য, নিজের একাকিত্ব ও জৈবিক তাড়নায়। অনেকে বিয়ের প্রতি প্রচণ্ড রকম অনাগ্রহ থেকেও লিভ টুগেদার করছে। ঢাকা শহরের একজন প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতির কন্যা ঢাকায় লিভ টুগেদার করছেন একজন বিদেশী নাগরিকের সঙ্গে। ওই শিল্পপতির কন্যার প্রথম বিয়ের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে সংসার জীবনের পাট চুকিয়ে এখন বিদেশী নাগরিকের সঙ্গে লিভ টুগেদার করছেন।

সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকায় ব্যাপক হারে বেড়েছে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ছেলেমেয়েদের লিভ টুগদোর। ওয়েস্টার্ন সোসাইটির প্রতি এক ধরনের অন্ধ আবেগ ও অনুকরণের পাশাপাশি জৈবিক চাহিদা মেটাতে তারা লিভ টুগেদার করছেন। আবার ঘন ঘন তাদের লিভ টুগেদারে বিচ্ছেদও ঘটছে। সহসা আলাদা হয়ে যাচ্ছে। ঘটছে খুনের মতো অপরাধ। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত এক বছরে রাজধানীতে দশটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। পুলিশি অনুসন্ধানে শেষ পর্যন্ত বেরিয়ে এসেছে ওইসব হত্যাকাণ্ডের পেছনে ছিল লিভ টুগেদারের বিড়ম্বনা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে খুনের শিকার হয়েছে মেয়েরা। দেখা গেছে, স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এরা বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছে। এক পর্যায়ে মনোমালিন্য বা মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়লে তাকে খুন করে পালিয়েছে ছেলেটি। চলতি বছর জুলাই মাসে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় খুন হয় সুরাইয়া নামের এক যুবতী। তিনি চাকরি করতেন একটি বেসরকারি সংস্থায়। তাকে খুন করে বাসায় লাশ রেখে বাইরে থেকে তালা বন্ধ করে চলে যায় যুবক সুমন রহমান। পরে জানা যায়, প্রায় বছর খানেক ধরে লিভ টুগেদার করতেন সুমন ও সুরাইয়া।

এপ্রিল মাসে এক অজ্ঞাত তরুণীর লাশ পাওয়া যায় গাজীপুরের শালবন এলাকায়। পুলিশ অনুসন্ধানে জানা যায়, উত্তরা এলাকায় একটি বাড়িতে দুই-তিন বছর ধরে এক যুবকের সঙ্গে সে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ভাড়া থাকতো। মে মাসে রাজধানীর গুলশান এলাকায় বাসার ভেতরে এক তরুণীকে খুন করে পালিয়ে যায় ঘাতক। তারাও ভাড়া থাকতো স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে। মে মাসে রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকা থেকে এক তরুণীর গলিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে জানা যায়, ঢাকার একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ওই তরুণী লিভ টুগেদার করতো তারই এক বন্ধুর সঙ্গে। মেয়েটি গর্ভবতী হয়ে পড়লে মনোমালিন্য শুরু হয় তাদের মাঝে। শেষে মেয়েটিকে খুন করে পালিয়ে যায় বন্ধুটি। গত ১লা নভেম্বর রর‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয় ম্যারেজ মিডিয়ার দুই পার্টনার। ফরিদপুর শহরের একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়ে একই শহরের আরেকটি মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে লিভ টুগেদার করছে। পারভীন নামের মেয়ে ও আরিফ নামের ছেলেটি অকপটে স্বীকার করেছে তারা লিভ টুগেদার করছে এবং এক সঙ্গে ম্যারেজ মিডিয়ার ব্যবসা করছে।

ঢাকাতে লিভ টুগেদার বেড়ে যাওয়া সম্পর্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. শাহ এহসান হাবীব বলেন, বর্তমান গ্লোবালাইজেশনের প্রভাবে নানা ধরনের মুভি সিনেমাডকুমেন্টারি আমাদের সমাজমানসে পাশ্চাত্য জীবনের নানা দিক প্রভাব ফেলছে, অনেকে সেটা গ্রহণ করছে। তার সঙ্গে আমাদের সমাজে ইন্ডিভিজ্যুয়াল বা ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের সৃষ্টি হয়েছে। মানুষের চিন্তা ব্যক্তিকেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে। সে কারণে লিভ টুগেদারের সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়াও অনেক যুবক-যুবতী এখন ফ্যামিলিকে একটা বার্ডেন মনে করে, বিয়েকে তাদের ক্যারিয়ারের অন্তরায় মনে করে। দেখা যাচ্ছে, এরা বিয়ের চেয়ে লিভ টুগেদারকে বেশি পছন্দ করছে। এতে তাদের জৈবিক চাহিদাও মিটছে আবার সামাজিক নিরাপত্তাও পাচ্ছে। তারা সুখে দুঃখে একজন আরেক জনের সঙ্গী হচ্ছে। মধ্যবিত্তদের লিভ টুগেদারে আগ্রহী হয়ে ওঠা সম্পর্কে তিনি বলেন, ঢাকা শহরে এখন বাড়ি ভাড়া একটি বড় সমস্যা। বাইরে থেকে পড়তে আসা বা চাকরি করতে আসা যুবক বা যুবতীকে বাড়ির মালিক আলাদা আলাদা বাড়ি ভাড়া দিতে চায় না। সে ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, এরা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাড়ি ভাড়া নিয়ে এক সঙ্গে থাকছেন, লিভ টুগেদার করছেন। এতে তাদের জৈবিক চাহিদাও মিটছে আবার সামাজিক নিরাপত্তাও থাকছে। আবার অনেক ছেলেমেয়ে মনে করছে লিভ টুগেদার করে কয়েক বছর কাটিয়ে দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়ে তারা আবার অবিবাহিত পরিচয়ে সমাজে ফিরে যাবে যাতে সমাজে তাদের মর্যাদা ঠিক থাকে। তিনি বলেন, তবে এতে সমস্যা হচ্ছে সমাজে এক ধরনের ক্রাইম তৈরি হচ্ছে, কোন কারণে বনিবনা না হলে খুন হয়ে যাচ্ছে মেয়ে বা ছেলেটি।
http://allsharenews.com/

US cracks down on ayurvedic, homeopathic diabetes remedies


US cracks down on ayurvedic, homeopathic diabetes remedies

Washington, July 26 (IANS) The US Food and Drug administration is cracking down on the sale of alternative remedies, including ayurvedic and homeopathic products and dietary supplements, for the treatment of diabetes.

The agency has issued letters warning 15 companies including some that procure alternative diabetes remedies from India, that the sale of their illegally marketed diabetes products violates federal law.

Foreign and domestic companies whose products claiming to mitigate, treat, cure or prevent diabetes and related complications, were sold online and in retail stores have been asked to tell FDA within 15 days how they will correct the violations.

The FDA has also advised consumers not to use these or similar products because they may contain harmful ingredients or may be otherwise unsafe, or may improperly be marketed as over-the-counter products when they should be marketed as prescription products.

Many of the illegally sold products include claims such as “prevents and treats diabetes,” and “can replace medicine in the treatment of diabetes,” FDA said.

These illegally sold products, according to FDA, include dietary supplements and ayurvedic products described as “medicine of the healing arts that originated in India” with claims to treat, cure, and/or prevent diabetes.

Medications cited in the ban order included unapproved versions of metformin and Januvia, which is procured from India and sold online in the US, and Diexi, manufactured by Amrutam LifeCare of Surat.

Amrutam was also cited for claims with regards to supplements such as Zoom (for erectile dysfunction), Arexi (for arthritis) Allexi (for allergy), Cholexi (for cholesterol control), and Obexi (for obesity).

The FDA acknowledged that it’s not aware of any reports of injury or illness associated with the illegally sold products, but said it’s taking action to protect the public health from potential harm.

“Diabetes is a serious chronic condition that should be properly managed using safe and effective FDA-approved treatments,” said FDA Commissioner Margaret A. Hamburg, in a media release.

Out of a worldwide total of 300 million diabetes patients, nearly 26 million are Americans and over 60 million Indians. Sales of diabetes medication have increased 60 per cent – from $14 billion to $22 billion – in the last four years

লস এঞ্জেলেসে ষ্টেট আওয়ামী লীগের ইফতার ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন উদযাপন


লস এঞ্জেলেসে ষ্টেট আওয়ামী লীগের ইফতার ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন উদযাপন

একুশ নিউজ মিডিয়া,লস এঞ্জেলেস, ২৭ জুলাই :
লস এঞ্জেলেসে ইফতার সন্ধ্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একমাত্র ছেলে তথ্য-প্রযুক্তিবিদ সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৪২তম শুভ জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
লস এঞ্জেলেসে সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন উদযাপন
ক্যালিফোর্ণিয়া ষ্টেট আওয়ামী লীগের উদ্যোগে গত শনিবার লস এঞ্জেলেসের অলিম্পিক পুলিশ ষ্টেশন কম্যুনিটি সেন্টারে ইফতার মাহফিলে দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন মিয়া আবদুর রব। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একমাত্র ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করা হয়। অনুষ্ঠানে দোয়ায় বঙ্গবন্ধু পরিবারের অন্যান্য সদস্যের সুস্থতা ও সাফল্য কামনা করা হয়।

ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বের দুয়ার প্রসারিত করার লক্ষ্যে আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের কোন বিকল্প নাই, আর সেই সন্ধিক্ষণে সজীব ওয়াজেদ জয়ের অগ্রযাত্রাকে সুযোগ দিতে প্রবাসীসহ দেশবাসীকে আহ্বান জানান ক্যালিফোর্ণিয়া ষ্টেট আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ডাঃ রবি আলম।

ষ্টেট আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুর রহমান আগত অতিথিদের ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, নিজেদের মাঝে দ্বিধা-দ্বন্ধ ভুলে আগামী নির্বাচনে বিপুলভাবে জয়ী হয়ে অসমাপ্ত কাজ শেষ করার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ শুরু করার আহ্বান জানান।

দলের দুঃসময়ে যারা দলকে এগিয়ে নিয়ে গেছে তাদেরকে সংগঠিত করে প্রবাসে-দেশে শক্তিশালী নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির উপর গুরুত্বারোপ করেন ক্যালিফোর্ণিয়া ষ্টেট আওয়ামী লীগের প্রাক্তন সভাপতি সোহেল রহমান বাদল।

জন্মদিন উদযাপনের সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাহাতাব আহমেদ টিপু, মিজানুর রহমান শাহীন, তোফাজ্জল কাজল, মোঃ হোসেন, শওকত চৌধুরী, মোঃ আলী, আকতার এইচ মিয়া, মোবারক হোসেন বাবলু, ফরিদ উ আহমেদ, শফিউল আলম বাবু, সৈয়দ এম হোসেন, জসীম আশ্রাফী, জিয়াউল ইসলাম, মোঃ হিলটন, তপন দেবনাথ, এম কে জামান, নাসির আহমেদ অপু, নিপা মোনালিসা, আতিক রহমান, মিঠুন চৌধুরী ও মমিনুল হক বাচ্চু প্রমুখ।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় জন্ম হয় জয়ের, বিজয়ের পর তার নাম রাখেন নানা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টা ও যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত তথ্য-প্রযুক্তিবিদ প্রধানমন্ত্রীপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিনের কেক কাটেন ক্যালিফোর্ণিয়া ষ্টেট আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুর রহমান সহ আগত অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
২০১৩ ছবি লিঙ্কঃ http://goo.gl/mL3rVs

This slideshow requires JavaScript.


২০১২ জন্মদিনের ছবি ও নিউজঃ http://goo.gl/yNP3TI

ঐতিহাসিক বদর দিবস


আজ ১৭ রমজান, পবিত্র বদর দিবস। এদিনে সংঘটিত বদর প্রান্তের যুদ্ধ ছিল ইসলামের প্রথম সিদ্ধান্তমূলক সামরিক যুদ্ধ। দ্বিতীয় হিজরীর ১৭ রমজান তারিখে বদর প্রান্তরে-এ ঐতিহাসিক যুদ্ধ সংঘটিত হয়ে মুসলমানদের বিজয় রচিত হয়েছিল। বদর যুদ্ধের মধ্য দিয়ে পবিত্র মক্কা বিজয়ের মাধ্যমে ইসলাম তথা মুসলমানদের বিজয়ের ধারা সূচিত হয়েছিল এবং পূর্ণাঙ্গ ইসলামী রাষ্ট্রক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

এ দিনেই প্রথম রোজা ফরজ হয়। ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধে আবু জেহেলের ১০০০ সুসজ্জিত বাহিনীর বিপরীতে রাসূলুল্লাহ (সা.) এর ৩১৩ জন সাহাবায়ে কেরাম সাধারণ অস্ত্র নিয়ে আল্লাহ তায়ালার গায়েবী সাহায্যে আবু জেহেলের বিশাল বাহিনীকে পর্যুদস্ত করেছিলেন অত্যন্ত কঠিনভাবে। এ যুদ্ধে মুশরিক বাহিনীর ২৪ জন সর্দারের লাশ একটি নোংরা কুয়ায় নিক্ষেপ করা হয়েছিল। এ যুদ্ধে দুই জন আনসার কিশোর সহদর হযরত মায়াজ (রা.) ও হযরত মোয়াজ (বা.) আবু জেহেলকে হত্যা করে। সাহাবী হযরত আবদুল্লাহ্ ইবনে মাসউদ (রা.) ও হযরত মোয়াজ (রা.) আবু জেহেলের মাথা কেটে রাসূল (সা.) এর নিকট হাজির করেছিলেন।

বদর যুদ্ধ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনের সুরা আনফালের ১২-১৪নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন আর স্মরণ করুন সে সময়ের কথা যখন আপনার রব ফেরেশতাদের কাছে এমর্মে প্রত্যাদেশ পাঠালেন যে নিশ্চয়ই আমি আপনাদের সংগে আছি। আপনারা পরস্পর ঈমানী মনবল ও সাহস বৃদ্ধি করুন। অচিরেই আমি কাফেরদের অন্তকরণে ভয়ভীতি সৃষ্টি করবো। আল্লাহ অন্যত্র বলেন, আমি এমন বাহিনী দিয়ে সাহায্য করছি যা তোমরা কখনও দেখনি।

ঐতিহাসিক বদর যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর ১২ জন মতান্তরে ১৪ জন শহীদ হয়েছিলেন, আর মুশরিক বাহিনীর ৭০ জন নিহত এবং ৭০ জন বন্দী হয়েছিলেন। আর এরা ছিল গোত্রসমূহের সর্দার এবং নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি।

যুদ্ধ শেষে বদর প্রান্তের নিয়ম অনুযায়ী ৩ দিন অবস্থান শেষে চতুর্থ দিনে রাসূল (সা.) মদিনার পথে যাত্রা করলেন। এসময় তাঁর সাথে ছিল বন্দী কোরায়েশগণ এবং গণীমতের মালামাল। আর এসবের তত্ত্বাবধানে ছিলেন হযরত আবদুল্লাহ ইবনে কা’ব (রা.)। রাসূল (সা.) ছাফরা প্রান্তরে কাফের বাহিনীর পতাকা বহনকারী নযর ইবনে হারেশকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন। যেসব পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ কারণে বদরযুদ্ধে সূচনা হয় তা হচ্ছে- মদীনা শরীফে সাফল্যজনকভাবে ইসলাম সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়ায় কুরাইশদের হিংসা, আবদুল্লা-বিন-ওবাইর ও ইহুদীদের ষড়যন্ত্র, সন্ধি শর্ত ভঙ্গ, কুরাইশদের যুদ্ধের হুমকি, বাণিজ্য বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা, কাফেরদের আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা, ইসলামের ক্রমবর্ধমান শক্তির ধ্বংস সাধন করা এবং নবীজি (সা.)কে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করার অশুভ আকাক্সক্ষা (নাউজুবিল্লাহ)।

প্রত্যক্ষ কারণ হচ্ছে- নাখলার ঘটনা, কাফেরদের রণপ্রস্তুতি, আবু সুফিয়ানের অপপ্রচার, যুদ্ধ প্রস্তুতির জন্য ওহী লাভ, মক্কাবাসীদের ক্ষোভ। এসব কারণে আবু জেহেলের নেতৃত্বে এক হাজার সৈন্য নিয়ে মদীনা আক্রমণ। কুরাইশদের মদীনা আক্রমণের সংবাদ শুনে তাদের গতিরোধ করার জন্য ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ মার্চ, ১৭ রমজান ৩১৩ জন মুজাহিদ (৬০ জন মুহাজির অবশিষ্টরা ছিল আনছার) নিয়ে মদীনা শরীফের দক্ষিণ-পশ্চিম কোনে ৮০ মাইল দূরে বদর নামক স্থানে যুদ্ধে উপনীত হন এবং ১৭ মার্চ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

বদর যুদ্ধের সফলতা হচ্ছে: আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি, বিশ্ব বিজয়ের সূচনা, সর্বোত্তম ইতিহাস সৃষ্টি, প্রথম সামরিক বিজয়, কুরাইশদের শক্তি খর্ব, ইসলামী রাষ্ট্রের পত্তন, নবযুগের সূচনা, চূড়ান্ত ভাগ্য নির্ধারক যুদ্ধ, রাজনৈতিক ক্ষমতায় ভিত্তি স্থাপন, জেহাদের অনুপ্রেরণা, বীরত্বের খেতাব লাভ, পার্থিব শক্তির ভিত্তি স্থাপন, ইসলাম ও মহানবী (সা.)’র প্রতিষ্ঠা, মিথ্যার ওপর সত্যের জয় এবং সত্য-মিথ্যার পার্থক্য সৃষ্টি। বদরযুদ্ধের পর মুসলমানরা রাসুল (সা.) উপর নেতৃত্বে উহুদ খন্দক বন্ধ নাজীর, বনু করাইজা বনু কায়নোকা খায়বর যুদ্ধে, তায়েফ মক্কা বিজয় হুনাইন যুদ্ধে কাফিরদের সাথে মুসলমানদের মোকাবিলা হলেও বদর যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসে যুগান্তকারী যুদ্ধ। কারণ এযুদ্ধে মুসলমানরা বিজয়ী না হলে পৃথিবী থেকে ইসলামের নিশানা বিলীন হয়ে যেত। আর এ যুদ্ধের অপর গুরুত্বপূর্ণ দিকটি হলো বদর যুদ্ধের বছরই মুসলমানদের উপর রোজা ফরজ হয়। অসম বদর যুদ্ধের মাধ্যমেই হক ও বাতিলের পার্থক্য সুনিশ্চিত হয়েছে।
সূত্রঃ ইসলামিক নিউজ

Please Donate Your Zakat to Rights and Sight for Children (RSC) to Help Underprivileged Children


Please Donate Your Zakat to Rights and Sight for Children (RSC) to Help Underprivileged ChildrenDCI Kids in MohammedPur Dhaka

Dear Friends:

Assalamu Alaikum. The precious days of Ramadan are upon us, and with them the blessings of giving Zakat and Sadaqa. We are now in the holy month of Ramadan, the month of self-sacrifice and fasting.  As you consider where to donate your Zakat and Fitra this year, we humbly ask that you consider contributing your charity to RSC Zakat Fund. Your generous donation will ensure that we can continue our important work on behalf of underprivileged and orphaned children in Bangladesh. Please see the attached Zakat Flyer for more details.

Rights and Sight for Children (RSC) is a non-profit Bangladeshi child rights organization established in 1996. RSC’s mission is to protect the rights of children, stop child labor, and help families lift themselves out of the poverty cycle through education, healthcare, family support, and income generating opportunities. To learn more about RSC, please visit www.rscbd.org.

We proudly report that with your assistance RSC has been able to help over 5,000 village children. We have also been able to provide 10,000 Dhaka City slum residents with preventive healthcare support. This is just a small sample of what we have achieved so far through the generosity and commitment of people like you. To see more achievements, please visit our website at www.rscbd.org, or visit our projects in Bangladesh to see for yourself!

Please continue your support and consider donating your Zakat to relieve suffering in the following ways:

SPONSOR A CHILD (Sun-Child Sponsorship Program): For only $15/month ($180/yr) you can sponsor a child in rural school. Keep a child in school, prevent child labor, provide health care, vision care, improve schools, create income opportunities for the child’s family and support community development.

SPONSOR AN ORPHAN
(Orphan Support Program): For only $50/month ($600/yr) you can provide housing, food, basic necessities, healthcare, vision care, education support, and skill training to Bangladeshi orphans at our Sun Child Home. Help provide the orphans with tutors, counselors, life skills training, and job training to help them transition from the orphanage to the outside world once they have reached their teens.

SPONSOR AN EYE SURGERY
: $50 can provide an eye surgery for an individual to prevent blindness.

OR:
Make a donation in any amount, for your specific interest or to our general emergency fund.
This Ramadan your Zakat can make a difference to a child, a family, or a whole community. You can also give Sadaqa for programs such as Eid Gifts for Children and Fitra.

May Allah bless you all for your contribution to this noble cause.

With kindest regards,

Salma Qadir
Chief Coordinator
Rights and Sight for Children (RSC)
Mob# 01727264688, Tel#02-9135122
E-mail: salmadcirsc@gmail.com

How to send your Zakat and donation to RSC:

RSC ZAKAT Fund
House # 167, Rd # 3, Mohammadia Housing Ltd.,
Mohammadpur, Dhaka, Bangladesh

Please send Checks or Money Orders payable to Rights & Sight for Children (RSC), Current Account No-001055919, Janata Bank Limited, Mohammadpur Corporate Branch, Mohhampur, Dhaka-1207.
Swift Code: JANBBDDHTKD

You may also donate through cash through visiting our office at House # 167, Rd # 3, Mohammadia Housing Ltd., Mohammadpur, Dhaka, Bangladesh.
Tel# 88-01727264688, 8802-9135122

Salma Qadir, B.A. (Hons),  M.A.
Coordinator, Distressed Children & Infants International (DCI)-Bangladesh
House#167, Road#3, Mohammadi Housing Ltd., Mohammadpur, Dhaka-1207, Bangladesh
Tel# 88-01727264688, 88-01552460242, 8802-9135122
Email: salmadcirsc@gmail.com, dci@distressedchildren.org, dci@cox.net

————————————————

– Jahan Hassan
Ekush News Media,
Little Bangladesh, Los Angeles, USA
( জাহান হাসান, একুশ নিউজ মিডিয়া, লস এঞ্জেলেস )
+1 818 266 7539

ভিডিও ।  Video : www.EkushTube.com
ফেস বুক । FaceBook : JahanHassan
Jahan@JahanHassan.com

সর্বকালের সেরা ভারতীয় গান: বিবিসির জরিপ


বিবিসির জরিপে সেরা
বাহারো ফুল বারসাও…

এখনো হয়তো পুরান ঢাকার কিছু সরু গলির টং দোকানে বাজে ষাট/সত্তরের দশকের ভারতীয় গানগুলো। সেই সুবাদেই অনেকের কাছে পরিচিত ১৯৬৬ সালের ‘সুরাজ’ ছবির গান ‘বাহারো ফুল বারসাও মেরা মেহবুব আয়া হ্যায়’। মোহাম্মদ রফির গাওয়া গানটি এখনো ধরে আছে এর আবেদন, যার প্রমাণ মিলল বিবিসির সাম্প্রতিক এক জরিপে। সর্বকালের সেরা ভারতীয় গানের তালিকায় গানটি দখল করল শীর্ষস্থান।

১৯৪০ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত মুক্তি পাওয়া ১০০ জনপ্রিয় গান নিয়ে এ জরিপ পরিচালনা করা হয়। বিবিসি এশিয়ান নেটওয়ার্কের শ্রোতাদের ১০০ গানের তালিকা থেকে ভোটের মাধ্যমে সেরা গানটি বাছাইয়ের সুযোগ দেয়া হয়। সে সময় সবচেয়ে বেশি ভোট আসে সুরাজ ছবির গানটির জন্য। ভারতীয় চলচ্চিত্রের ১০০ বছর উদযাপনকে ঘিরেই এ জরিপ চালায় বিবিসির এশিয়া অঞ্চলের বেতার চ্যানেলটি।

সর্বকালের সেরা গানের তালিকার দ্বিতীয় স্থানে আছে ‘আওয়ারা’ ছবির ‘আওয়ারা হু’ গানটি। আর এর পরই আছে নব্বইয়ের দশকের সবচেয়ে সফল ছবি ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’র ‘তুঝে দেখা তো ইয়ে জানা সানাম’। ‘দিল আপনা অউর প্রিত পারায়’ ছবির ‘আজিব দাস্তা হ্যায় ইয়ে’ গানটি আছে চতুর্থ স্থানে এবং পাঁচে আছে যশ চোপড়ার ক্ল্যাসিক ছবি ‘কাভি কাভি’র গান ‘কাভি কাভি মেরে দিল মে’।

বিবিসির ১০০ গানের প্রাথমিক তালিকাটি তৈরি করেছেন তিনজন। এরা হলেন— ভারতীয় হিপ-হপ গায়িকা হার্ড কর, চলচ্চিত্র সমালোচক রাজীব মসনদ ও বিবিসি এশিয়ান নেটওয়ার্কের অনুষ্ঠান সঞ্চালিকা নওরীন খান।

সেরা দশের তালিকায় থাকা শেষ পাঁচটি গান হলো ‘বীর-জারা’ ছবির ‘তেরে লিয়ে’, ‘শোলে’ ছবির ‘ইয়ে দোস্তি’, ‘মুগল-এ-আজম’র ‘যাব পেয়ার কিয়া তো ডারনা কেয়া’, ‘দিল সে’ ছবির ‘ছাইয়া ছাইয়া’ এবং ‘পাকিজা’ ছবির ‘চলতে চলতে’।




যুক্তরাজ্য প্রবাসী ১০০ প্রভাবশালী বাংলাদেশির তালিকায় যারা


যুক্তরাজ্য প্রবাসী ১০০ প্রভাবশালী বাংলাদেশির তালিকায় যারা

লন্ডন, ২৩ জানুয়ারি: যুক্তরাজ্য প্রবাসী ‘একশ প্রভাবশালী বাংলাদেশির’ দ্বিতীয় তালিকায় ৩৫ নতুন মুখের নাম উঠে এসেছে। ‘বিবিপাওয়ার ১০০’ উপদেষ্টা কমিটি মঙ্গলবার লন্ডনের ওয়েস্ট মিনিস্টারে হাউস অব কমন্সের কমনওয়েলথ কক্ষে ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার ১০০ নামের এই তালিকা প্রকাশ করে।

Lutfur Rahman is the first directly elected mayor of Tower Hamlets, in London. He was elected to the role in 2010, having previously been the leader of Tower Hamlets London Borough Council from 2008 to 2010


যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ‘সবচেয়ে প্রভাবশালী’দের এই তালিকায় টাওয়ার হ্যামলেটসের প্রথম নির্বাচিত মেয়র লুৎফুর রহমান, পার্লামেন্ট মেম্বার রুশনারা আলী ও আইরিন জুবায়দা খানের পাশাপাশি প্রতিশ্রুতিশীল এক ঝাঁক প্রবাসী তরুণও জায়গা করে নিয়েছেন।

Rushanara Ali is a British Labour Party politician and Associate Director of the Young Foundation, who has been the Member of Parliament for Bethnal Green and Bow since 2010

বিভিন্ন ক্ষেত্রে ‘বিশেষ অবদানের জন্য’ সীমার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান ইকবাল আহমেদ, মেকআপ শিল্পী রুবি মিলি, ব্যারিস্টার আজমালুল হুসেইন কিউসি, জন র‌্যাডক্লিফ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক টিপু জাহেদ আজিজ, ইউনিভার্সিটি অফ ওয়েস্ট স্কটল্যান্ডের অধ্যাপক অ্যান্ডি মিয়া, দ্য রয়েল ব্যাংক অফ স্কটল্যান্ডের করপোরেট ব্যাংকিং বিভাগের ট্রেজারার ড. মুরাদ চৌধুরী, সংবাদ উপস্থাপক নিনা হোসেন, ব্রিটিশ কিকবঙিং চ্যাম্পিয়ন রুকসানা বেগম, তরুণ উদ্যোক্তা সাবিরুল ইসলাম, মানবাধিকার সংস্থা রেস্টলেস বিংসের প্রতিষ্ঠাতা রহিমা বেগম, মোবো বিজয়ী জো রহমান ও লেখক তাহমিমা আনামও রয়েছেন।

Irene Zubaida Khan is a British Bangladeshi human rights activist who has been based in the United Kingdom. She was the seventh Secretary General of Amnesty International until her resignation on 31 December 2009.


লন্ডন অলিম্পিক ও প্যারা অলিম্পিকে অবদান রাখা বাংলাদেশিদের নামও রয়েছে এ তালিকায়।

এদের মধ্যে কোরিওগ্রাফার ও লন্ডন অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া নৃত্যশিল্পী আকরাম খান, অলিম্পিকের বোর্ড মেম্বার ড. আব্দুল বারি, অলিম্পিকের ৫ পাউন্ডের স্মারক মুদ্রার নকশাকার সাইমন মিয়া, বিড মেম্বার আয়েশা কোরেশি ও কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবীও রয়েছেন।

এছাড়া ডা. আনিসুর রহমান, ডা. তাহসেন চৌ্‌ধুরী ও রুবাইয়াৎ হক, পুলিশ কর্মকর্তা পিসি সাকিরা সুজিয়া, লন্ডন বাংলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. নবাব উদ্দীন, জো রহমান ও তরুণ উদ্যোক্তা সাবিরুল ইসলামের মতো নতুন মুখ স্থান পেয়েছে এবারের তালিকায়।

এ তালিকা প্রকাশ অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ মন্ত্রী টেরেসা মে বলেন, যুক্তরাজ্যের সামাজিক অগ্রগতি ও নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বাংলাদেশিরা অবদান রেখে চলেছেন।