কে এই রাষ্ট্রদূত মাজিদা রফিকুন্নেসা?

কে এই রাষ্ট্রদূত মাজিদা রফিকুন্নেসা?

জব্বার হোসেন:
ফিলিপাইনে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মাজিদা রফিকুন্নেসার কেলেঙ্কারি এখন বাংলাদেশে মুখরোচক গল্পের জ
š§ দিচ্ছে। আপন স্বামী, বোন ও কন্যাকে চাকরি দিয়েছেন মিশনে গড়ে প্রায় বাংলাদেশি টাকায় ৫০,০০০ টাকা স্কেলে। কন্যা নওমী মান্নানের চাকরির ফাইলে লিখেছেন; নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ার এক বছরের মধ্যে কোনোভাবেই চাকরি ছেড়ে যেতে পারবেন না।
নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, দূতাবাসের অলিখিত টেলিফোন অপারেটর তার স্বামী ড. আবদুল মান্নান মিয়া। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অবসরপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তা এখন দুঃসহ জীবন যাপন করছেন বলে জানা যায়। তার আপন ছোট বোন মাকসুদা শফিউনেসা দীর্ঘদিন ধরে বড় বোনের সঙ্গেই থাকছেন। এই প্রথমবার দূতাবাসের লোভনীয় চাকরিতে যোগ দিলেন। নওমী মান্নান মাত্র এ লেভেল শেষ করলেও পড়াশোনার ইতি টানতে মাধ্য হয়েছেন।
রাষ্ট্রদূত মাজিদা নানা রকম অর্থনৈতিক কেলেঙ্কারিতেও জড়িয়ে পড়েছেন। অতিরিক্ত ভিসা ফি আদায় এখন দূতাবাসের নিয়মিত ঘটনা। জাতীয় দিবস, জাতীয় শোক দিবস এখন আর উদ্যাপিত হয় না। এ বাবদ ছাড়কৃত সকল অর্থই তার পকেটে যায়, অথচ নিজেকে শেখ রেহানার সহপাঠী পরিচয় দিতে ভোলেন না।

(শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে হেয় করতেই তিনি লেখালেখি করে থাকেন বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। খালাতো-চাচাতো ভাইকে একসঙ্গে ‘খাচাতো’ বলার পক্ষে তিনি। তার দুই ননদের বিয়ে হয়েছে একই পরিবারে। তাদের সন্তানদের কটাক্ষ করে তিনি ‘খাচাতো ভাই’ বলে থাকেন। নিজের স্বামীর পরকীয়া বা অনৈতিক সম্পর্ক নিয়েও তিনি কবিতা লিখেছেন)

জানা গেছে, এর আগে মালয়েশিয়া ও তুরস্কে থাকাকালেও তিনি দুর্নীতিতে জড়িয়েছিলেন। ডিসিপি (ডেপুটি চিফ অব প্রটোকল) থাকাকালে তার একটি কনটেইনার কেলেঙ্কারির আজও সন্তোষজনক নিষ্পত্তি হয়নি। ওপর মহলকে ম্যানেজ করে তিনি নিজের পক্ষে রায় আদায় করে নিয়েছিলেন বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়।
তিনি মাঝে মাঝে লেখালেখি করেন। বেশ কটি নিুশ্রেণীর চটি বই লিখেছেন তিনি। শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে হেয় করতেই তিনি লেখালেখি করে থাকেন বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। খালাতো-চাচাতো ভাইকে একসঙ্গে ‘খাচাতো’ বলার পক্ষে তিনি।
তার দুই ননদের বিয়ে হয়েছে একই পরিবারে। তাদের সন্তানদের কটাক্ষ করে তিনি ‘খাচাতো ভাই’ বলে থাকেন। নিজের স্বামীর পরকীয়া বা অনৈতিক সম্পর্ক নিয়েও তিনি কবিতা লিখেছেন।
বেশ কিছুদিন ধরে জাতীয় দৈনিক ও সাপ্তাহিকগুলো তার কেলেঙ্কারি নিয়ে মুখর হলেও এখন পর্যন্ত মাজিদা রফিকুন্নেসার বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত কমিটি গঠিত না হওয়ায় তিনি আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছেন বলে জানা গেছে।

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: