বাংলা ভাষায় প্রতিনিয়ত ঢুকছে বিদেশি শব্দ

বাংলা ভাষায় নতুন আড়াই হাজার বিদেশি শব্দ

রফিকুল বাসার
#
  প্রয়োজন ছাড়াই ঢোকানো হয়েছে অনেক বিদেশি শব্দ
#
  বাদ পড়ছে প্রচলিত অনেক যুত্সই বাংলা শব্দ
#
  পরিভাষা যথার্থভাবে প্রণয়নের পক্ষে বিশেষজ্ঞরা

বাংলা ভাষায় প্রতিনিয়ত ঢুকছে বিদেশি শব্দ। এর ফলে অনেক প্রচলিত শব্দ বাদ যাচ্ছে দৈনন্দিন ব্যবহারের তালিকা থেকে। মানুষের মুখে মুখে যেমন উচ্চারিত হচ্ছে বিদেশি শব্দ, তেমনি সরকারিভাবেও প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে অনেক বিদেশি শব্দ আত্তীকরণ করা হয়েছে। গত ১৮ বছরে বাংলায় সরকারিভাবে দুই হাজার ৫০০ নতুন শব্দ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যার সবকটিই বিদেশি। মান বা প্রমিত বাংলার বাইরে অঞ্চলভেদে বৃহত্ জনগোষ্ঠীর নিত্যব্যবহৃত আঞ্চলিক ভাষা বা উপভাষা থেকে একটি শব্দও নতুন সেই তালিকায় স্থান পায়নি।

ভাষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপ্রয়োজনীয় শব্দ আত্তীকরণ না করা ভালো। বিদেশি শব্দকে গ্রহণ করতে হবে; কিন্তু দেখতে হবে সেই শব্দটি আমাদের জন্য কতটা জরুরি।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বাংলা ভাষা বাস্তবায়ন কোষ (বাবাকো) প্রশাসনিক পরিভাষা তৈরি করে। ১৮ বছর পর বাবাকো নতুন করে প্রশাসনিক পরিভাষা প্রকাশ করেছে গত বছরের অক্টোবরে। এর আগে ১৯৯৪ সালে প্রশাসনিক পরিভাষা প্রকাশ করেছিল তারা। নতুন পরিভাষা কোষটির প্রকাশনা বিষয়ক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘অনেক নতুন শব্দ নতুন কলেবরে প্রশাসনিক পরিভাষায় অন্তর্ভুক্তির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়ায় প্রায় ২৫০০ নতুন শব্দ অন্তর্ভুক্ত করে বাংলা ভাষা বাস্তবায়ন কোষ প্রশাসনিক পরিভাষা পরিবর্ধিত ও পরিমার্জিত সংস্করণ প্রকাশ করেছে।’

পরিভাষা কেমন হওয়া উচিত জানতে চাইলে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আনিসুজ্জামান ইত্তেফাককে বলেন, ভাষাকে সমৃদ্ধ করতে পরিভাষা প্রয়োজন আছে। তবে তা করতে হবে যথেষ্ট বিচার- বিবেচনা করে। যত্নের সাথে এটা করা উচিত। ভাষাকে চলমান করতে, ভাষার গতি ঠিক রাখতে পরিভাষা যথার্থভাবে প্রণয়ন করতে হবে। যেনতেন করে পরিভাষা করলে ভাষায় তার খারাপ প্রভাব পড়বে।

বাবাকো’র নতুন প্রশাসনিক পরিভাষা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, যেসব বিদেশি শব্দ পরিভাষায় আনা হয়েছে, সেসবের অনেকগুলোরই বিকল্প হিসেবে যথেষ্ট যুত্সই বাংলা শব্দ রয়েছে। সেগুলো বহুল প্রচলিতও বটে। শুধু অভিধানে নয়, মানুষের মুখে মুখেও সেসব শব্দ চালু আছে। তবু সেসব শব্দ বাদ দিয়ে সরাসরি ইংরেজি শব্দটিকে বাংলায় স্থান দেয়া হয়েছে। যেমন, ‘স্টক এক্সচেঞ্জ’ শব্দটিকে বাংলায় আনা হয়েছে। এর বিকল্প হিসেবে রাখা হয়েছে ‘শেয়ার বাজার’ শব্দটি। বাংলা আর ইংরেজি মিশিয়ে এটি করা হয়েছে। কিন্তু বহুল প্রচলিত ‘পুঁজি বাজার’ শব্দটিকে রাখা হয়নি পরিভাষায়। এমন আরো অনেক ইংরেজি শব্দ হুবহু বাংলা হিসেবে অনুবাদ করা হয়েছে। যেমন—মেডিকেল অফিসার, পাসওয়ার্ড, সিকিউরিটি, সিভিল সার্ভিস ইত্যাদি। কিন্তু এসবের প্রত্যেকটির প্রচলিত বাংলা শব্দ রয়েছে। যেমন—মেডিকেল অফিসার> চিকিত্সা কর্মকর্তা, পাসওয়ার্ড>গোপন নম্বর, সিকিউরিটি>নিরাপত্তা, সিভিল সার্ভিস>জনপ্রশাসন ইত্যাদি।

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী পরিভাষা নিয়ে বলেন, ‘আমাদের চেষ্টা করা উচিত পরিভাষা তৈরি করা। বিজ্ঞান বিষয়ক যদি কিছু হয়, তবে তা আলাদা কথা। বিজ্ঞানের অনেক শব্দ আছে যার হয়তো প্রায়োগিক ও যুত্সই বাংলা করা সম্ভব নয়। সেটা আমরা সরাসরি নিতে পারি। কিন্তু যে শব্দগুলো তৈরি করা সম্ভব তা সরাসরি না নিয়ে তৈরি করা উচিত। আর এটিই ঠিক পথ। আঞ্চলিক শব্দ থেকেও মূল ধারায় শব্দ আনা যেতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘প্রচলিত শব্দ থাকলে সেটিই প্রথম নেয়া উচিত। প্রচলিত শব্দ কোনভাবেই বাদ দেয়া ঠিক নয়। আর প্রশাসনিক পরিভাষা অবশ্যই ভালোভাবে করা উচিত। কারণ এখান থেকেই মানুষ প্রথম এবং বেশি শেখে।’

নতুন কলেবরে বের করা পরিভাষায় কিছু কিছু ক্ষেত্রে ইংরেজি ও বাংলা দুইটি শব্দই পাশাপশি রাখা হয়েছে। ব্যবহারকারী তার ইচ্ছেমতো যেকোনটিই ব্যবহার করতে পারবে। যেমন ‘একটিং প্রেসিডেন্ট’-এর দুইটি বাংলা করা হয়েছে। ‘অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট’ ও ‘অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি’। এ ধরনের আরো শব্দ রাখা হয়েছে। যেমন—মর্গ/শবাগার, বাসা/কোয়ার্টার, প্রতিবেদক/রিপোর্টার, সিদ্ধান্ত/রুলিং, সাইরেন/সংকেত বাঁশি, স্টক/মজুদ, এক্স-রে রিপোর্ট/রঞ্জন রশ্মি প্রতিবেদন, উড়োজাহাজ/বিমান, ব্যাংক জামানত/ ব্যাংক গ্যারান্টি, অঙ্গন/ ক্যাম্পাস, ক্যাপশন/ পরিচয়জ্ঞাপক বিবরণ, সার্টিফিকেট/ সনদ, ডেসপাচ/প্রেরণ করা, ডাউনপেমেন্ট/ক্রয়মূল্যের প্রাথমিক পরিশোধযোগ্য অংশ, এন্ট্রি ফি/প্রবেশ মূল্য, ইরেজার/মুছিয়া ফেলা, নিশ্চিহ্ন করা, দ্রুত টেলিগ্রাম/তারবার্তা, প্রধান কার্যালয়/প্রধান অফিস, হাইজ্যাক/ছিনতাই, হট লাইন/সরাসরি লাইন, হাইব্রিড/সংকর, জেলখানা/কারাগার, এজমালি/যৌথ ভূসম্পত্তি/জয়েন্ট ইস্টেট, জার্নাল/পত্রিকা ইত্যাদি। কিছু ইংরেজি-বাংলা মিলিয়ে শব্দ করা হয়েছে। যেমন—ব্যাংকের পাসবই, বাণিজ্যিক এজেন্ট, কাউন্টার বিলি, তলবী ড্রাফট, জরুরী ওয়ার্ড ইত্যাদি।

যেসব বিদেশি শব্দ প্রশাসনিক পরিভাষায় সরাসরি ঢুকিয়ে বাংলায় আত্তীকরণ করা হয়েছে সেগুলো হলো এডহক, অ্যাডমিরাল এজেন্সি, ব্যাংক ড্রাফট, ব্যাংক নোট ব্যানার, বার কাউন্সিল, ব্যারিস্টার, ব্যাটেলিয়ান, ব্যাটারি, ব্যাটারি চার্জ, বিল, ব্রীফকেস, ব্রডব্যান্ড, বাজেট, ক্যাডেট, ক্যাডার, ক্যাডার সার্ভিস, ক্যাম্প, ক্যাপ্টেন, কপি, ক্যাশবই, সিনিয়র ক্যাম্প রেজিষ্টার, ক্যাসেট, চার্টার অ্যাকাউন্টান্ট, চেক/ব্যাংক চেক, সিভিল, সিভিল সার্ভিস, সিভিল সার্ভিস অ্যাক্ট, ক্লিনিক, কোচিং সেন্টার, কমিশন এজেন্ট, কমনওয়েল্থ, কম্পাউন্ডার, কম্পিউটার, কনফারেন্স, কনস্টেবল, কনসাল, কনসাল অফিস, কন্টেইনার সার্ভিস, কর্পোরেশন, কালভার্ট, ডিজিটাল, ডিপ্লোমা, ডিভিশন বেঞ্চ, ই-মেইল, এস্টাব্লিসমেন্ট, ম্যানুয়াল, ইস্টেট, এক্সচেঞ্জ ফি, ফেলোসিপ ফাউন্ডেশন, গ্যালারি, গ্যারেজ, ব্রড গেজ, মিটার গেজ, গেজেট, গেজেটেড অফিসার, গার্ল গাইড, গ্রেড, গার্ড ফাইল, হার্ডডিস্ক ইনবক্স, ইনস্টিটিউট, ইন্টারনেট, কিটবক্স, লেবেল, ল্যাপটপ লে-অফ, লে-আউট, লেভেল ক্রসিং, লাইসেন্স, লাইফ ভেস্টা, লাইন, লক আউট, মেসার্স, মেইলবক্স, মেইন ট্রেন, ম্যানহোল, মাস্টার রোল, মিটার, মিল, মিস্ড কল, মিশন, মিকচার, মোবাইল ফোন, মডেম, মানিঅর্ডার, মনিটর, মনোগ্রাম, মাদারবোর্ড, মাউস, নোটারী পাবলিক, নোট শীট, নোটিশ, অফিসিয়েলিং আউটবক্স, ওভারড্রাফট, প্যাকেট, প্যানেল, পার্শেল, পাসওয়ার্ড, পে-অর্ডার, পে-রোল, পে-স্লিপ, পারমিট, পেট্রোল, ফোন, ফটো, ফটোপ্রিন্ট, ফটোকপি, পিকেটিং প্লাকার্ড, প্লাস্ট, প্লাটফর্ম, প্লাটুন, পোর্টফোলিও, পোস্টাল অর্ডার পাওয়ার অব এটর্নি, প্রেসক্লিপিং, প্রেসকাটিং, প্রাইজবন্ড, প্রমিসরি নোট, প্রটোকল, রাডার, লটারী, রেস পুলিশ, র্যালি, রেকর্ড, রেফারী, রিমান্ড, রোটারী ক্লাব, রয়্যালটি, রবার স্ট্যাম্প, রানওয়ে, সেলুন, স্কেল, স্কল, সার্চ লাইট, সীট-বেল্ট, সেক্টর, সিনেট, সেপটিক ট্যাংক সার্ভিস, সার্ভিস চার্জ, সেটেলমেন্ট, শেয়ার সার্টিফিকেট, শেয়ার হোল্ডার, শুটিং, শর্ট সার্কিট, শো-রুম সাটস ট্রেন, স্লিপ প্যাড, স্লোগান, স্লুইস গেইট, সলিসিটর, স্পীড বোট, স্পাইরাল বাইন্ডিং, স্পন্সর, স্টেডিয়াম, স্ট্যাম্প, স্টেশন, স্ট্রং-রুম, সাব-পোস্ট অফিস, সাব-এজেন্সি, সিম্পোজিয়াম, সিন্ডিকেট, সিনথেটিক, ট্যাগ, ট্যানারি, টেলিগ্রাম মনিঅর্ডার, টেলিফোন, টেলিপ্রিন্টার, টেলেক্স, টেরেস্ট্রিয়াল, টেস্ট, টেস্ট রিলিফ, টাইমস্কেল, টিস্যু পেপার, টয়েলেট, ট্রেড-ইউনিয়ন. ট্রফি ট্রান্সফর্মার, ট্রলার, ট্রেজারি বিল, ট্রাইব্যুনাল, ট্রাংক কল, ট্রাস্ট, টাইফয়েড, ইউনিয়ন, ইউনিট, ভল্ট, ভাইস চেয়ারম্যান, ভিটামিন, ভোল্ট, ভাউচার, ওয়েবসাইট ইত্যাদি।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ইকবাল মাহমুদ বইটির ভূমিকায় বলেছেন, ‘পরিভাষা কমিটি প্রতিটি শব্দের বুত্পত্তি, মূল অর্থ, ব্যবহূত অর্থ ইত্যাদি খুঁটিনাটি বিচারপূর্বক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।’

মানুষের মুখে মুখে নতুন শব্দ
গত দুই বা তিন দশকে অনেক ইংরেজি শব্দ বাংলাভাষী মানুষের মুখে মুখে মিশেছে, যার প্রতিটির প্রচলিত বাংলা রয়েছে। যেমন—প্রফেসর (অধ্যাপক), হাই (সালাম/আদাব/নমস্কার), সরি (দুঃখিত), মর্নিং ওয়াক (সকালের ব্যায়াম বা হাঁটা), দাঁত ব্রাশ (দাঁত মাজা), বাথরুম (গোসলখানা), টয়লেট (পায়খানা), লাঞ্চ (দুপুরের খাবার), ডিনার (রাতের খাবার), কিচেন (রান্নাঘর), ড্রইং রুম (বৈঠক ঘর), বেডরুম (শোবার ঘর), ডাইনিং রুম (খাবার ঘর), টিচার (শিক্ষক), ক্লাস লেকচার (শ্রেণী বক্তৃতা), হোম ওয়ার্ক (বাড়ির কাজ), ক্লাশ ওয়ার্ক (শ্রেণীর কাজ), ক্লাশ রুম (শ্রেণী কক্ষ), ড্যাডি (বাবা), মাম (মা), আঙ্কেল (চাচা, মামা, খালু, ফুফু), আন্টি (চাচি, খালা, মামি, ফুফু), ফ্রেন্ড (বন্ধু), গেস্ট (অতিথি, মেহমান), ওকে (ঠিক আছে), থ্যাঙ্কস (ধন্যবাদ), প্লিজ (দয়া করে), ওয়েলকাম (স্বাগতম), প্রিন্ট মিডিয়া (সংবাদপত্র) ইত্যাদি।

কিছু বিকৃত শব্দ

হালে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা মৌখিকভাবে যে ভাষা ব্যবহার করছে তা না আঞ্চলিক, না প্রমিত। শুদ্ধ-অশুদ্ধের মিশেলে সে এক অন্য ভাষা। যেমন—প্রমিত বাংলায় ‘এসেছ’, শিক্ষার্থীরা বলছে ‘আসছ’। এভাবে ‘করেছিস’-কে ‘করছিস’, ‘তাহলে’-কে ‘তাইলে’, ‘পাঁচটা’-কে ‘পাসটা’, ‘খরচ’-কে ‘খরছ’, ‘ধরে’-কে ‘ধইরা’, ‘কেন’-কে ‘ক্যা/ক্যান/কিয়াল্লাই’, ‘কাকে’-কে ‘কারে’, ‘কোথায়’-কে ‘কই’, ‘ওটা’-কে ‘ওইটা’, ‘ওগুলো’-কে ‘ওইগুলা’ বলছে শিক্ষার্থীরা।

তরুণ প্রজন্ম বিকৃত করে শব্দ উচ্চারণ করছে বেশি। শুধু আধুনিকতার দোহাই দিয়ে তারা এটা করছে। এতে গণমাধ্যমের প্রভাব বেশি। টেলিভিশনের বিজ্ঞাপন, নাটক ও চলচ্চিত্রে বিশেষ করে বিকৃত ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে। বিজ্ঞাপনের কথা যেমন—’খাইলেই দিশ খোশ’, ‘এক্সট্রা খাতির’, ‘আবার জিগায়’ ইত্যাদি এখন তরুণ-তরুণীদের মুখে মুখে। কিছু নাটকের নাম এবং সংলাপে দেখা যাচ্ছে বিদেশি শব্দের ছড়াছড়ি। যেমন—ফার্স্ট ডেট, হাইজফুল, ছাইয়্যা ছাইয়্যা, লাভ ডট কম, সিটি বাস ইত্যাদি। নাটকের সংলাপে বলা হচ্ছে, মাইরের মধ্যে ভাইটামিন আছে, ফাইস্যা গেছি মাইনকার চিপায়, ফিল্মি কথা বাদ দাও, এক্সটা খাতির নাই, ফিল্মি ডায়ালগ মারতাছ।

বেসরকারি রেডিওগুলো চূড়ান্ত পর্যায়ে বিকৃত বাক্য ও শব্দ ব্যবহার করে। কথাবন্ধু (রেডিও জকি) নামে একটি চরিত্র তৈরি হয়েছে, যারা এই বিকৃতি করছে। এদের বাংলা উচ্চারণ ইংরেজির মতো। উদাহরণ—’হ্যালো…ও…ও…ফ্রেন্ডস, কেমন আছ তোমরা? হোপ দিস উইকে তোমরা ম্যানি ম্যানি ফান করেছ, উইথ লটস অফ মিউজিক। অ্যনিওয়ে, এখন তোমাদের সাথে আছি কুল ফ্রেন্ড জারা অ্যান্ড আছে জোশ সব মিউজিক ট্রাক অ্যান্ড লটস আড্ডা, সো ফ্রেন্ডস ঝটপট জয়েন করে ফেলো আমাদের আড্ডায় এন্ড ফেবারিট গান শুনতে মোবাইলের ম্যাসেজ অপশনে গিয়ে লিখো….।’ অন্য এক ‘কথাবন্ধু’ বলছে, ‘ডিয়ার ফ্রেন্ডস এখন প্লে করছি ২১শে ফেব্রুয়ারির স্পেশাল ট্রাক—আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি… তো শুনতে থাকো আর এনজয় করো অ্যান্ড অফ কোর্স একুশের চেতনাকে উদ্দীপ্ত করো।’

অবজ্ঞা ও বিরক্তি প্রকাশে তরুণ-তরুণীরা নতুন নতুন শব্দযুগল ব্যবহার করছে। যেমন—মাঞ্জা মারা, হুদাই প্যাচাল, তেলবাজ, চালবাজ, পল্টিবাজ, কুফালাগা, গুষ্ঠি কিলাই, তারছিড়া, বেইল নাই, মাইনকাচিপা, আরে মামু, প্যাচগি মারে, সুইসাইড খামু, আল্টামডান, কইছে তরে, যাইগা বাদ দে, কঠিন চেহারা, ঠ্যাক দিছে ইত্যাদি।

Source: http://banglabarta.dk/details.php?cid=1&id=2864

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: