ভাড়ায় গর্ভ -বাণিজ্য

সারোগেট-নাগমণিদের কাহিনী ভাড়ায় গর্ভ -বাণিজ্য  


‘ফিল হাল’ হিন্দি সিনেমার টাবু কিংবা খাম্মাম জেলার সারপাকা গ্রামের শাহনাজ ‘সারোগেট’ মা হয়েছেন। শাহনাজের মতো প্রচুর মহিলা বর্তমানে এই গর্ভ ভাড়া দেয়ার ব্যবসায় যুক্ত। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, স্রেফ দারিদ্র্যের কারণে ভারতে ‘ভাড়াটে মায়ের ব্যবসা ফুলে-ফেঁপে উঠছে। টাকার নেশায় ছুটছেন তারা। কাগজে বিজ্ঞাপন, ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন। এমনকি ‘সারোগেট ফাইন্ডার ডটকম’ দেখেও অনেকে যোগাযোগ করছেন এসব মহিলার সঙ্গে। এমনই একজন মহিলা হলেন নাগমণি। থাকেন হায়দরাবাদে। শুধু টাকার লোভেই এ পেশায় জড়িয়েছেন তিনি।
অন্ধ্র প্রদেশের গুন্টুরে নিঃসন্তান দম্পতিরা বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন গর্ভ-মা ভাড়া চাইছেন তারা। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বহু মহিলা এগিয়ে আসছেন এ ব্যবসায়। গর্ভ ভাড়া দেয়ার ব্যবসা এখন তরতরিয়ে বেড়ে উঠেছে উপকূলের জেলা গুন্টুরে। নিজেদের সমস্যা মেটানোর আশায় না থেকে শেষ পর্যন্ত এই ‘সারোগেট’ মায়েদের পেছনে ছুটতে হচ্ছে নিঃসন্তান দম্পতিদের।
 বিজ্ঞাপনের পাতায়, ওয়েবসাইটে এমনকি অটোরিকশার পেছনেও এ বিজ্ঞাপন জ্বলজ্বল করছে অন্ধ্রের এ প্রান্তে। সাধারণ ক্লিনিকগুলো বর্তমানে কৃত্রিম উপায়ে এভাবে গর্ভধারণ করানোর একটি লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে। নিঃসন্তান কোনো মহিলাকে সন্তান পাইয়ে দিতে নিজের গর্ভ ভাড়া দেয়ার ব্যবসা বেড়ে উঠেছে আকর্ষণীয়ভাবে। ন্যূনতম স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই দালালদের খপ্পরে পড়ে নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর একাংশ এ ব্যবসায় যুক্ত  হয়েছে।
 গরিব মহিলারা শুধু টাকার জন্যই দালালদের প্রস্তাবে রাজিও হয়ে যাচ্ছেন। গুন্টুরে এ ধরনের ক্লিনিকে ক্লিনিকে ঘুরলেই চোখে পড়বে অসংখ্য নিঃসন্তান দম্পতিদের। তারা ‘ভাড়াটে মা’য়ের সন্ধানে আসেন এ ক্লিনিকগুলোতে। এখান থেকেই মেলে খোঁজখবর। কৃত্রিম উপায়ে সন্তানের জন্ম দেয়ার প্রবণতা এখানে প্রবল। স্থানীয় এক ক্লিনিকের চিকিৎসক এসএন উমাশঙ্করের কথায়, গত বছর এ কেন্দ্রে কৃত্রিম পদ্ধতিতে মোট ১০ জন গর্ভ-মা সন্তান প্রসব করেছেন।
 তবে যারা ‘সারোগেট মাদার’ হতে চান তাদের বয়স অবশ্যই ৩০ বছরের কম হতে হবে, অন্তত এক সন্তানের মা হতে হবে, কোনো প্রকার যৌন রোগ, হেপাটাইটিস, থ্যালাসেমিয়া রোগ থেকে তাদের মুক্ত হতে হবে। উমা শঙ্কর জানালেন, মূলত বিজ্ঞাপনের মাধ্যমেই যোগাযোগ হয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে এজেন্টরাও নিয়ে আসে নিঃসন্তান দম্পতিদের।
 আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, ইচ্ছুক দম্পতিদের আত্মীয়রাই কৃত্রিম উপায়ে গর্ভধারণ করতে এগিয়ে আসেন। এমনকি এ ঘটনাও ঘটেছে যে, মেয়ে যখন সন্তানের জন্ম দিতে পারছে না; তখন তার মা নিজে নাতি-নাতনির আশায় গর্ভ-মায়ের ভূমিকা পালন করছেন।
তবে ওই চিকিৎসক বিজ্ঞাপনের যত যুক্তিই দেখান না কেন এ ব্যবসায় দালালদের ভূমিকাই সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ। ‘সারোগেট’ মায়েদের খোঁজ দেয় ওই দালালরাই। গোটা ঘটনায় হাতবদল হয় কমপক্ষে ৬-৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে ‘সারোগেট’ মা পান দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার মতো। আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা নেয় সংশ্লিষ্ট সংস্থা আর দালালের ভাগে জোটে ৫০ হাজার টাকা।
শুধু নিঃসন্তান হলেই চলবে না, সেই দম্পতি বা পরিবার আয়ের দিক থেকে উপায়হীন না হলে সেখানে ফাঁদ পাতে না দালালরা। তাদের ‘কাস্টমার’রা হলো সাধারণত উচ্চবিত্ত বা উচ্চ-মধ্যবিত্ত অংশের মানুষ। যারা বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতি অবলম্বন করেও সন্তানের জন্ম দিতে পারেননি।
যে মহিলারা গর্ভ-মায়ের পেশায় যুক্ত; তাদের কাছে ব্যবসা হলো নয় মাসের। সন্তানের জন্ম হয়ে গেলেই সে ব্যবসায় ইতি। শুরু হয় নতুন খদ্দের খোঁজার পালা। তবে বছরে এরা একবারই এ ব্যবসার সুযোগ পান, তাও শরীরের বাঁধন থাকতে থাকতে।
নয় মাসের গর্ভ যন্ত্রণা সহ্য করতে পারলেই প্রায় আড়াই লাখ টাকা আয়! এক সময়ে দেখা যায়, এই মহিলারাই কখনো কখনো দালালের কাজ করছেন। নিজে না পারলে খদ্দের হাতছাড়া হওয়ার ভয়ে হয় বোন বা কোনো আত্মীয়কে এ কাজে লাগিয়ে দেন। বছর ঘুরতে না ঘুরতে তিনিও দুই-আড়াই লাখ টাকার মালিক হয়ে যান।
গুন্টুরের জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক এম গোপী নায়েক এ কথা স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছেন যে, গর্ভ ভাড়া এখন এ জেলায় অর্থ উপার্জনের অন্যতম উপায়ে পরিণত হয়েছে। কোথাও কোথাও স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরাই দালালের কাজ করছে। তারাই টাকার লোভ দেখিয়ে গ্রামের গরিব মহিলাদের এ কাজে যুক্ত হতে প্ররোচিত করছে। যামিনী নামের এক মহিলা এ ধরনের এক ক্লিনিকেই ভর্তি। তার কথায়, ‘টাকার প্রয়োজনেই গর্ভ ভাড়া দেয়ার পেশায় আসতে বাধ্য হয়েছি। এ কাজে আমার স্বামী ও পরিবারের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।
খাম্মাম জেলার সারপাকা গ্রামেই বসবাস শাহনাজ নামের এক গৃহবধূর। স্বামী, পরিবার নিয়েই সেখানে থাকেন বছর তিরিশের ওই গৃহবধূ। দালালদের চক্করে পড়ে এক সময়ে তিনি রাজি হয়ে যান গর্ভ ভাড়া দিতে। টাকার হাতছানি তাকে টেনে এনেছে এ পেশায়। হায়দরাবাদের একটি ক্লিনিকে নিয়ে গিয়েই তার শরীরে অন্যের সন্তানের বীজ বপন করা হয়েছিল।
এটি ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসের ঘটনা। তার স্বামী শেখ শরিফের প্রাথমিক সমর্থন থাকলেও শেষ পর্যন্ত তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন। তদন্তে জানা যায়, জেলার স্বাস্থ্য দপ্তরের দুই কর্মী ও আরো ছয়জন এ দালাল চক্রের সঙ্গে যুক্ত। তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে যে সময় শরিফ থানায় অভিযোগ জানিয়েছিলেন ততদিনে গর্ভে থাকা সন্তানটির বয়স সাড়ে সাত মাস পেরিয়ে গেছে। ফলে তিনি এ নিয়ে আর বেশি দূর এগোতে পারেননি।
আবার উল্টো ঘটনাও আছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনেকে স্বেচ্ছায় গর্ভ ভাড়া দিচ্ছেন। গরিবি এক্ষেত্রে কারণ নয়। বরং টাকার নেশায় ছুটছেন তারা।
ভদ্রাচলম থেকে পাহাড়ি এলাকা বুরগামে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওখানে ১২ জন মহিলা রয়েছেন; যারা গর্ভ ভাড়ার ব্যবসায় যুক্ত। এ সংখ্যা পাওয়া গেছে সরকারি পরিসংখ্যান থেকে।
 বেসরকারি হিসেবে এ সংখ্যা আরো বেশি। নায়েক বলেছেন, জেলার সব কটি ক্লিনিকের কাছে লিখিতভাবে জানতে চাওয়া হয়েছে যে, তারা গর্ভ ভাড়ার মতো ব্যবসায় জড়িত কি না, সেখানে কোনো এজেন্ট রয়েছে কি না, প্রতিমাসে এ ধরনের কয়টি ঘটনা ক্লিনিকে নথিভুক্ত হচ্ছে ইত্যাদি। এছাড়াও গত তিন বছরে সামগ্রিক রিপোর্ট তাদের কাছে চাওয়া হয়েছে।

http://vimeo.com/7681575

Protecting the Rights of Surrogate Mothers in India

By NILANJANA S. ROY

NEW DELHI — The plot of the Marathi-language film “Mala Aai Vhhaychy” (“I Want to Be a Mother”) asks a deceptively simple question: Does Yashoda, a woman turning to surrogate motherhood as an escape from poverty, have any claim on the child she is under contract to bear for Mary, an American fertility tourist? In the melodramatic world of Indian cinema, the answer is a heartwarming yes. In real life, it may not be that easy to script a happy ending.

Since 2002, when commercial surrogacy was legalized in India, the surrogacy industry has boomed, becoming a key part of the country’s lucrative medical tourism market. The cost of surrogacy for prospective parents is about $14,000 in India, compared with an estimated $70,000 in the United States. A 2008 study valued the assisted reproductive industry in India at $450 million a year.

Across India, fertility clinics attempt to replicate the success of Akanksha and other clinics in the small town of Anand in the western state of Gujarat, which was the country’s first surrogacy hub. But the boom masks growing concerns about the rights of the women, many of them from poor homes and sometimes illiterate, who choose to become surrogate mothers.

Up to now, India’s laws have not addressed directly the complexities of surrogacy, though an assisted reproductive technology bill is before Parliament and expected to be ratified by early next year. But a team of researchers from Sama, a nongovernmental women’s health organization, has raised concerns about the bill in a recent paper. “The many ethical issues that are emerging out of unrestrained spread of the technologies remain,” the researchers write.

The legislation attempts to regulate the clinics and doctors engaged in reproductive technologies and their relationship with prospective surrogate mothers.

While Sama welcomes this attempt to govern the industry, it fears the legislation favors the rights of the commissioning couple over those of the surrogate mother. The bill makes it clear that women engaged in commercial surrogacy will have no rights over the child they have contracted to bear. The proposed law does not spell out what a surrogate mother would be paid in the case of a miscarriage or other complications during pregnancy.

Its provisions would stipulate that only women between the ages of 21 and 35 can be surrogates. It sets the maximum number of times a woman can contract her womb for surrogacy at five live births, in contrast to three in an earlier draft. But Sama notes that it does not address the number of assisted reproductive cycles a woman can experience, an important issue for the women’s health.

When the first clinics opened their doors in Gujarat, Akanksha’s founder, Dr. Nayna H. Patel, said in a much-repeated quote that surrogacy was a win-win situation for all. Many Indian doctors agree, arguing that it is in the interest of clinics to take good care of the women involved in commercial surrogacy.

“Most clinics provide protection to the woman in many ways, looking after her health, nutrition, daily needs, and some will even offer to take care of her family,” Dr. Ruma Satwik, associate consultant at Sir Ganga Ram Hospital in Delhi, said in an interview.

But currently, the responsibility for taking care of the women is left to individual doctors and clinics.

“We have all kinds of legal documents to protect the commissioning couple,” Dr. Satwik said. “The surrogate mother stands to lose in the absence of concrete laws to protect her, and the provisions of the ART Bill are probably not enough.”

In 2008, Dr. Sadhna Arya, a gynecologist in Jaipur, was part of the team of doctors involved in the complex case of a baby who was born to an Indian surrogate mother after the contracting couple, from Japan, decided to divorce. At the time, Dr. Arya spoke out against the way in which surrogate mothers were treated in India: “You have treated the surrogate mother like an object, used her as a factory.”

Today, Dr. Arya says bluntly, “Surrogate mothers are from poor backgrounds and are hardly aware of their rights. The ART law is trying to find a balance between the legal and the unethical, but unethical practices still remain.”

The U.S. journalist Scott Carney investigated surrogacy clinics in Anand for his book, “The Red Market,” on the hidden trade in human bodies and body parts.

“Before India, only the American upper classes could afford a surrogate,” he wrote. “Now it’s almost within reach of the middle class. While surrogacy has always raised ethical questions, the increasing scale of the industry makes the issue far more urgent. With hundreds of new clinics poised to open, the economics of surrogate pregnancy are moving faster than our understanding of its implications.”

Manju, 29, a domestic helper in Delhi who asked that her full name not be used, said she had thought about surrogacy ever since her sister-in-law gave birth to a surrogate baby two years ago.

“She went off to Gujarat, and the family kept it very quiet,” said Manju, alluding to the stigma that sometimes attaches to surrogate mothers in India. “But she made a lot of cash, much more than my income for a year.”

A month ago, Manju was approached by the representative of an unlicensed surrogacy clinic in the northern state of Haryana looking for surrogate mothers. She said she might take them up on their offer.

“It’s good money,” she said. “Risks? What risks? Any fool can have a baby, it takes a smart woman to get paid for it.”

Aamir Khan, Kiran Rao welcome baby boy

05 December 2011: New Delhi: Bollywood couple Aamir Khan and Kiran Rao have been blessed with a son, who was born through IVF to a surrogate mother. Their son was born on December 1 at a private clinic in Mumbai.

The couple confirmed the news, “It gives us the greatest joy to share with you the good news of the birth of our baby boy. This baby is especially dear to us because he was born to us after a long wait and some difficulty.

“Due to medical complications, we were advised to have a baby through IVF – surrogacy, and we feel very grateful to the Almighty that all has gone well,” the couple said.

‘Mr Perfectionist’ Aamir has a son Junaid and a daughter Ira from his first wife Reena Dutta. Aamir ended his 15-year-old marriage to Reena in 2002.

During the filming of Ashutosh Gowariker’s “Lagaan”, Aamir met assistant director Kiran. They got married in 2005. In 2009, Kiran got pregnant, but she had a miscarriage.

Rent-A-Womb, a Thriving Business

Courtesy: CNS

Mumbai : ‘Surrogate Babies, not Commodities: Says the Supreme Court’, ‘Twins of German Couple Land in No Man’s Land’, and ‘Rent-a-womb Takes Wing in the City’ are a few of the stories that have recently appeared in the Indian press. They all refer to the same issue, namely how foreign couples are flocking to India for in-vitro fertilisation and womb rental. In turn, this is raising many questions among doctors, government officials and legal experts about the nationality of surrogate children in an area where there are no rules.

Recently, the case of two surrogate twins of a German couple born in Anand two years ago to a Gujarati woman landed in the Supreme Court. The parents applied for a passport, but neither the Indian authorities, nor the German Consulate could issue any papers under existing rules.

A Berlin court could be the final arbiter and decide whether they can be brought to Germany for paternity test and adoption. The lawyer for the German couple, L. Nageshwar Rao, pleaded before the Supreme Court that the biological father, Jan Balaz, was ready to agree to any undertaking in order to bring his children home. India’s highest tribunal has expressed concern about the twin’s welfare and vowed not to let them become a commodity or “stateless” citizens.

The surrogate twins of the German couple have virtually become “stateless citizens” with India refusing them citizenship and Germany not ready to recognise surrogacy as a means of parenthood. Evidently, the legal system and morality is far behind the scientific world.

“Statelessness cannot be clamped upon the children. There must be some mechanism by which they get citizenship of some country. Children should be allowed to leave the country after an assurance of their citizenship has been given” the Supreme Court bench said.

One year ago, similar problems crop up for a child of a Japanese couple born by an Indian surrogate mother. During the pregnancy, the Japanese couple divorced and none of the parents came to claim the new born. Only the grandmother came and had to stay in India months and months before getting some documents to allow her to take away the child.

However, surrogacy is a flourishing business in India. One centre started in July 2008 in Mumbai has already done 12 surrogacies, has enrolled 382 intended parents and has a database of 135 surrogates.

“I work as a domestic servant, said one of the surrogate mothers; I am a widow with three children. I need money for their education and future. If by carrying a baby, I get Rs 2 lakh (US$4,500); what’s the harm? I need to buy a house of my own.” The surrogate mother will be provided with a place to stay in during the nine month that she carries the baby, furnished and with electricity. She will get a full time maid servant, a mobile phone to keep in touch with her doctor and a tiffin service not only for her but her family members too.

For the intended parents, the centre provides for hotel accommodations, lawyer, cab service, mobile phone, on-line legal drafts, test and scan reports of the surrogate, assistance with ante-natal care, birth certificate with their name as parents, visa and passport assistance.

In vitro fertilisation occurs when the eggs form a woman and the sperm of a man are taken and infused together. An embryo thus formed, is planted in the uterus of a surrogate mother. Complete clinical and medical care is given to the surrogate during the time of the pregnancy. Most intended parents provide for the complete well being of the surrogate mother so that their baby has no problems.

Now competition has started. A German company is making a mega-entry into the country’s nascent test-tube-baby industry. Its incentive is a free second cycle if the first one fails.

There is a huge scope in India since 15% of Indians suffer from infertility. The German company is Morpheus ART from Hannover. They entered in a 51:49 partnership with a Mittal-led group of Indian partners.

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: