বিশ্ববাজারে টানা ৩ মাস স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী

স্বর্ণের বাজার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার আশা ডয়চে ব্যাংকের

 ফেব্রুয়ারি মার্চ ও এপ্রিলে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। ২০০১ সালের পর টানা তিন মাস স্বর্ণের বাজার নিম্নমুখী। তবে স্বর্ণের বাজার আবারও ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার আশা করছে জার্মানভিত্তিক ডয়চে ব্যাংক। ব্যাংকটির পণ্যবাজারবিষয়ক সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। খবর কমোডিটি অনলাইনের। ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে স্বর্ণের দাম রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে আউন্সপ্রতি ১ হাজার ৯২০ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়। তবে এখন তা কমে ১ হাজার ৬৫০ মার্কিন ডলারের কাছাকাছি লেনদেন হচ্ছে। ভবিষ্যতে স্বর্ণের দাম নিয়ে অনেক বিশেষজ্ঞ ও ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংগুলোর ভিন্ন মত রয়েছে। অনেকের ধারণা ধীরগতিতে আরও কমবে। আবার অনেক বিশেষজ্ঞই স্বর্ণের দাম অচিরেই বাড়তে পারে বলে আশাবাদী। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিমার্চ ও এপ্রিলে স্বর্ণের দাম কমেছে। তবে ডয়চে ব্যাংকের সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে দ্বিতীয় প্রান্তিকে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ১ হাজার ৬০০ ডলার হলেও তৃতীয় প্রান্তিকে তা ১ হাজার ৮০০ ডলারে পৌঁছতে পারে। চতুর্থ প্রান্তিকে এ দাম রেকর্ড পরিমাণ ২ হাজার ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো স্বর্ণের মজুদ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়ায় তা বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে জার্মানির এ ব্যাংকটি মনে করে। কেন্দ্রীয়ব্যাংকগুলো এখন বৈদেশিক রিজার্ভের জন্য স্বর্ণের ওপর আরও বেশি আস্থা রাখছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে তারা আরও বেশি স্বর্ণ মজুদ করছে। স্বল্পমেয়াদে বাজার চাপের মুখে থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে তা ইতিবাচক হবে বলে ডয়চে ব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ইউরোপ ও অ্যামেরিকায় ব্যাংকটির কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বিস্তৃত। এ ছাড়া তারা উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোতেও কার্যক্রম সম্প্রসারণ করছে।

বিশ্ববাজারে টানা ৩ মাস স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী

স্বর্ণে বিনিয়োগকারীদের জন্য চলতি বছর তেমন ভালো যাচ্ছে না। ফেব্রুয়ারি, মার্চ ও এপ্রিলে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। ২০০১ সালের পর প্রথমবারের মতো এর দাম টানা ৩ মাস নিম্নমুখী হয়েছে। খবর কমোডিটি অনলাইনের।
ভবিষ্যতে স্বর্ণের দাম নিয়ে বিশেষজ্ঞ ও ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকগুলোর ভিন্ন মত রয়েছে। অনেকের ধারণা, স্বর্ণের দাম ধীর গতিতে আরও কমবে। আবার অনেক বিশেষজ্ঞই স্বর্ণের দাম অচিরেই বাড়তে পারে বলে আশাবাদী। বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো স্বর্ণের মজুদ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়ায় তা বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে তারা মনে করেন।
২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে স্বর্ণের দাম রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে আউন্সপ্রতি ১ হাজার ৯২০ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়। তবে পরবর্তীতে তা কমে ১ হাজার ৬৫০ মার্কিন ডলারের কাছাকাছি নেমে যায়। ‘আনকন্ট্রোলড রিস্ক’এর লেখক মার্ক উইলিয়াম অক্টোবরে ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক কলামে বলেন, স্বর্ণের দাম ১৯৮০ সালের শেষ দিকে শেষবারের মতো ৬০ শতাংশ কমে গিয়েছিল। পরবর্তী ২০ বছরে স্বর্ণের দামে ঊর্ধ্বগতি ধারা বজায় ছিল। ২০১১ সালে আবারও স্বর্ণের দাম কমতে শুরু করে। এক বছরেরও কম সময়ের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম ৭০০ মার্কিন ডলার কমেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে প্রতি আউন্স স্বর্ণ ১ হাজার ৬৫০ ডলারের কাছাকাছি লেনদেন হচ্ছে। মার্কের পূর্বাভাস সঠিক হলে তা আরও কমবে। ২০১২ সালের প্রথম ৪ মাসে স্বর্ণের বৃহত্তম ভোক্তা দেশ ভারত স্বল্প পরিমাণে স্বর্ণ আমদানি করে, যা বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। স্বর্ণ আমদানির ওপর দেশটির সরকার শুল্ক বৃদ্ধি করায় জুয়েলারি দোকানে টানা ২০ দিনের বেশি ধর্মঘট অব্যাহত রাখা হয়। পরে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হলেও দেশটিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে স্বর্ণের আমদানি বাড়েনি।

স্বর্ণের দাম কমল
০৬-০৪-২০১২: আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় দেশের বাজারেও দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
ঘোষণা অনুযায়ী, বিভিন্ন ধরনের স্বর্ণের দাম এখন ভরিপ্রতি দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত কমেছে। আজ শুক্রবার থেকে স্বর্ণের এই নতুন দর কার্যকর হবে। জুয়েলার্স সমিতি গতকাল বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এর আগে সর্বশেষ গত ২৯ মার্চ দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল।
বাজুস ঘোষিত নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এক হাজার ৫১৬ টাকা কমে হয়েছে ৫৭ হাজার ৪৪৫ টাকা। ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এক হাজার ৪৫৮ টাকা কমে হয়েছে ৫৪ হাজার ৮৭৯ টাকা। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এক হাজার ২৮৩ টাকা কমে ৪৭ হাজার পাঁচ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম এক হাজার ৪০০ টাকা কমে ৩৫ হাজার ৬৯১ টাকা হয়েছে।
পাশাপাশি ২১ ক্যারেট (ক্যাডমিয়াম) রুপার দাম ভরিপ্রতি ৫৮ টাকা কমে হয়েছে এক হাজার ৫১৬ টাকা।
একুশ নিউজ মিডিয়া এখন ফেস বুক এ Video News: www.EkushTube.com Visit us on FaceBook

Update: May 09,2012

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল আউন্সে ৪২ ডলার

 এক দিনের ব্যবধানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমেছে ৪২ ডলার। গতকাল বুধবার প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম নেমে আসে ১ হাজার ৫৮৭ ডলারে। ৮ মে প্রতি আউন্স স্বর্ণের সর্বশেষ বিক্রয় মূল্য ছিল ১ হাজার ৬২৯ ডলার। বিশ্ববাজারে দাম কমলে দেশেও তা পুনর্নির্ধারণ করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি।

এর আগে গত ৬ এপ্রিল সর্বশেষ দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দেড় হাজার টাকা কমানো হয়। ২২ (ক্যাডমিয়াম) ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ৫৭ হাজার ৪২৫ টাকায়।
জানা যায়, গত প্রায় মাসখানেক ধরেই বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী। বিশ্ববাজারে গতকাল প্রতি আউন্স (২ দশমিক ৬৬ ভরি) স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৫৮৭ ডলারে। বিশ্লেষকরা বলছেন, মূলত মার্কিন অর্থনীতি চাঙ্গা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ডলারের মূল্যমান বাড়ায় স্বর্ণের বাজারে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। তা ছাড়া এরই মধ্যে রাশিয়াসহ কয়েকটি দেশ স্বর্ণের মজুদ কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। এসব কারণেই স্বর্ণের দাম কমতে শুরু করেছে।
জুয়েলার্স সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম শাহীন বলেন, বিশ্ববাজার পরিস্থিতির সঙ্গে সঙ্গে সব সময়ই দেশের বাজারে মূল্য সমন্বয় করা হয়। বৈঠকের মাধ্যমে দাম সমন্বয় করা হবে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আজ মূল্য সমন্বয় করা হতে পারে বলে জানান তিনি।
দেশে বর্তমানে প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট স্বর্ণ ৫৪ হাজার ৮৬০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪৬ হাজার ৯৯০ টাকা এবং সনাতনী স্বর্ণ ৩৫ হাজার ৬৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫১৬ টাকায়।

Cheap International Calls


Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: