Have To Cut Back Red Meat Consumption? এল গোশতের দিন

এল গোশতের দিন

দৈনিক কালের কণ্ঠ / ডাক্তার আছেন : ৩০/১০/২০১১

গরুর গোশত খুব উঁচুমানের আমিষ এবং এতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের অ্যামাইনো এসিড থাকে। অল্প বয়সে গরুর গোশত খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং উপকারী। তবে অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো না। তাই পরিমিত খাওয়া ভালো এবং অবশ্যই উত্তমরূপে রান্না করে বিশেষকরে বয়স্ক ও যাদের নানা রকম স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে তারা একটু হিসাব করে খেলে উৎসবের আনন্দ মাটি হবে না।

* গোশত সঠিকভাবে রান্না করুন। প্রয়োজনে আগে কিছুক্ষণ সেদ্ধ করে এর চর্বি ছাড়িয়ে নিন যদি ফ্যাট এড়াতে চান। গোশত টুকরো করে কাটার সময়ও বাড়তি চর্বি ছাড়িয়ে নিতে পারেন।

* গোশতের বিভিন্ন আইটেমের পাশাপাশি খাবারের সঙ্গে সালাদের আইটেম রাখুন। সালাদ হজমে সাহায্য করবে, সেই সঙ্গে অতিরিক্ত গোশত খাওয়া এড়াতে পারবেন সালাদ খেয়ে।

* খাওয়ার পর টক দই খান। এটা হজমে সাহায্য করবে।

* খাবার খাওয়ার পরপরই পানি পান করবেন না। কারণ এতে গোশত ও ফ্যাট পরিপাক করার অ্যানজাইম যেমনথপেপসিন, ট্রিপসিন, লাইপেজ ইত্যাদি পাতলা বা উরষঁঃব হয়ে যায়। ফলে হজম ভালো হয় না। যাঁরা কম খেতে চান, তাঁরা খাবারের আধঘণ্টা আগে এক-দেড় গ্লাস পানি খান। এতে পেট ভরা ভরা লাগবে। ফলে কম খেতে পারবেন।

* যাঁরা মোটা কিন্তু হার্ট বা কিডনির কোনোরূপ সমস্যায় ভুগছেন না, তাঁরা অন্য সময় ডায়েটিং করলেও ঈদে গোশতের আইটেমগুলো খেতে পারেন। তবে দাওয়াত খাওয়ার আগে ওরলিস্ট্যাট (ঙৎষরংঃধঃ)-জাতীয় ওষুধ খান, এতে চর্বির খাদ্যের চর্বি শরীরে সঞ্চিত হবে না। ফলে মলের সঙ্গে কিছুটা চর্বি যেতে পারে, তবে এতে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই এবং এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই। খাবারের সঙ্গে সালাদ খান।

* ঈদের রাতে দাওয়াত থাকলে ভারী খাবার খাওয়ার পর অন্তত দু-তিন ঘণ্টা পর ঘুমাতে যাবেন। কখনোই ভরা পেটে ঘুমিয়ে পড়বেন না।

* শিক কাবাব বা পোড়ানো গোশত না খাওয়াই ভালো। কারণ সিদ্ধ না করা হলে গোশতের জীবাণু অনেক সময় রয়েই যায়।

* গোশত ভালো করে চিবিয়ে খাবেন। গোগ্রাসে খাওয়া উচিত নয়।

এ ছাড়া বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন তাঁরা নিচের পরামর্শগুলো মেনে চলুন

দাঁতের সমস্যা থাকলে

যাঁদের দাঁতের সমস্যা রয়েছে অথবা দাঁতে ফাঁক রয়েছে, তাঁরা গোশত খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন। দাঁতের ফাঁকে আটকানো গোশত থেকে মুখে দুর্গন্ধ, মাড়ির ইনফেকশন বা মাড়ি ফোলা, দাঁত ব্যথা ইত্যাদি হতে পারে। তাই দাঁতের কোনো সমস্যা থাকলে ঈদের আগেই ডেন্টিস্টের শরণাপন্ন হোন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিন।

* ডেন্টাল ফ্লস কিনে রাখুন এবং গোশত খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ করে ফেলুন ও ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করুন।

* যাঁদের দাঁতে ক্যাপ লাগানো আছে, তাঁরা গোশতের হাড় খাওয়ার সময় সতর্ক থাকুন।

পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা থাকলে

কোরবানির ঈদে গোশত খাওয়ার হিড়িকে সাধারণত সবজি, শাক, ডাল ইত্যাদি খাওয়া হয় না বললেই চলে। এ কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য, এমনকি পায়ুপথে ব্যথা বা রক্তপাত পর্যন্ত হতে পারে। তাই কোরবানির ঈদে গোশত খাওয়ার পাশাপাশি পেঁপে, গাজর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি সবজির একটি আইটেম রাখুন। দিনে খাওয়ার ফাঁকে ফাঁকে পানি ও ফলের রস খান।

* যাঁদের আগে থেকেই অ্যানাল ফিশার বা পাইলসের সমস্যা রয়েছে, তাঁরা গোশত খাবেন পরিমিত। সঙ্গে সকাল ও রাতে ইসবগুলের ভুসি এবং তরল খাবার খান।

* যাঁদের পেপটিক আলসারের সমস্যা রয়েছে, তাঁরা চর্বিযুক্ত বা অতিরিক্ত ঝাল দিয়ে রান্না করা খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে দুবেলা অ্যান্টি-আলসারেন্ট কোনো ওষুধ, যেমনথরেনিটিডিন, প্যান্টোপ্রাজল, ইসমিপ্রাজল ইত্যাদির যেকোনো একটি খেয়ে নিন।

গরুর গোশতে অ্যালার্জি থাকলে

অনেকের গরুর গোশতে অ্যালার্জি থাকে এবং খেলে গা চুলকায়, লাল লাল ছোপ হয় এবং ফুলে যায়। তাঁরা ভাবেন, কোরবানির পশুর গোশত খেলে বুঝি এমন হবে না। এটা ঠিক নয়। যাঁদের অ্যালার্জি আছে তাঁরা ঈদের গোশত খেলেও একই ধরনের অ্যালার্জিক রি-অ্যাকশন হবে। তাই কোরবানির সময় অ্যান্টি-হিস্টামিনজাতীয় ওষুধ দুবেলা করে তিন থেকে পাঁচ দিন সেবন করুন। সে ক্ষেত্রে গরুর গোশত খেতে পারবেন। প্রথমে দু-এক টুকরো খান। কোনো সমস্যা না হলে ঈদের সময়টায় গোশত খাওয়া চালিয়ে যেতে পারেন। তবে অবশ্যই ওষুধ খেতে ভুলবেন না। এর পরও কোনো সমস্যা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

উচ্চ রক্তচাপ থাকলে

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য যাঁরা ওষুধ খান, তাঁরা অনেকেই মনে করেন, কোরবানির সময় গরুর বা খাসির গোশত খেলেই প্রেশার বেড়ে যাবে। এ ধারণা আদৌ ঠিক নয়। তবে কখনোই অতিরিক্ত খাওয়া চলবে না এবং চর্বি এড়িয়ে চলতে হবে।

* ঈদের ব্যস্ততার মাঝে কিন্তু ওষুধ খেতে ভুলবেন না।

* যাঁদের দীর্ঘমেয়াদি অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপের কারণে কিডনি সমস্যা আছে, তাঁরা গোশত খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

ডায়াবেটিস থাকলে

ডায়াবেটিক রোগীরা পরিমিত খান। যদি কোনো বেলায় খাওয়া বেশি হয়ে যায় কিংবা আত্মীয়স্বজনের বাসায় দাওয়াত থাকে, তাহলে ওষুধের ডোজ কিছুটা এবং ইনসুলিন দুই ইউনিট বাড়িয়ে নিন। তবে ঈদের আগেই এ ব্যাপারে আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন।

* গোশতের সঙ্গে পোলাও-বিরিয়ানি কম খান, ভাত খাওয়ার চেষ্টা করুন।

* গরুর গোশত খেতে পারবেন। তবে চর্বি বেশি থাকে বিধায় খাসির গোশত এবং মগজ বাদ দিন।

* যাঁদের দীর্ঘমেয়াদি অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ ব্লাড সুগারের জন্য ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি হয়েছে, তাঁরা গোশত খাবেন না।

* ঈদের ব্যস্ততার মধ্যে ডায়াবেটিসের ওষুধ খেতে কিংবা ইনসুলিন নিতে ভুলবেন না।

হার্টের সমস্যা থাকলে

যাঁরা হার্টের সমস্যাজনিত কারণে বুকের ব্যথায় ভুগছেন কিংবা আগে যাঁদের মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন (হার্ট অ্যাটাক) হয়েছে, তাঁরা ঈদে খাওয়াদাওয়ার ব্যাপারে সচেতন থাকবেন।

* খাসির গোশত, চর্বিযুক্ত খাবার একেবারেই খাবেন না।

* গরুর গোশত (চর্বি ছাড়া) খেতে পারবেন, তবে অতিরিক্ত পরিমাণে নয়।

* যাঁদের হার্টের ধমনিতে stent বসানো হয়েছে,

তাঁরা কোরবানির গোশত একেবারেই খাবেন না, তা নয়। ভাত দিয়ে গোশতের তরকারি খান।

অনেকে ভাবেন, হার্টের অপারেশন হলে মসলাছাড়া গোশত খেতে হবে; তা কিন্তু নয়। মুখরোচক করেই খান, কিন্তু অল্প খান। ঝোলটা যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন।

* যাঁদের অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস বা ধমনিতে চর্বি জমার প্রবণতা আছে এবং আগে স্ট্রোক হয়েছে, তাঁদের কোরবানির গোশত, মগজ, বিরিয়ানি, পোলাও, পায়েস, সেমাই ইত্যাদি পরিহার করাই ভালো।

কিডনির সমস্যা থাকলে

যাঁদের কিডনি সমস্যা আছে, তাঁদের প্রোটিন খাওয়া নিয়ন্ত্রিত থাকে। তাঁরা গোশত না খেলেই ভালো হয়, খেলেও দিনে দুই টুকরো বা ত্রিশ গ্রামের বেশি নয়।

* যাঁদের ক্রনিক কিডনি ডিজিজের জন্য ডায়ালাইসিস করান, তাঁরা প্রোটিন খেতে পারবেন এবং তাঁদের ক্ষেত্রে গরুর গোশত খাওয়ার ব্যাপারে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই।

* যাঁরা কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করিয়েছেন এবং সফল হয়েছেন, তাঁরা কোরবানির গোশত খেতে পারবেন।

প্রেগন্যান্সি বা গর্ভাবস্থায়

অনেকে ভাবেন, গর্ভাবস্থায় গরুর গোশত খাওয়া যায় না। এটা ঠিক নয়। গরুর গোশত গর্ভাবস্থায় নারীদের প্রোটিনের চাহিদা মেটায়। তবে এ সময় মহিলাদের কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকে, যা গোশত বেশি খাওয়ার পর আরো বেড়ে যেতে পারে। তাই ঈদের দিন সকালে এবং আগের দিন রাতে ইসবগুলের ভুসির শরবত খান।

কোরবানির ঈদ এবং ঈদের গোশত খাওয়া সব বয়সী মানুষের জন্য আনন্দের ব্যাপার। সেই আনন্দ সবাই উপভোগ করতে পারবেন, যদি স্বাস্থ্যসম্মত করে রান্না করে পরিমাণমতো খান।

Why We Have To Cut Back Red Meat Consumption?
রেড মীট

Many studies have founds that eating too much red meat can increase the risk of many chronic health conditions. But since red meat is also have some important nutrients that your body needs such as protein, vitamin B12 and D, calcium, iron, and zinc, you must create a balanced eating plan so your body still gets sufficient amount of these nutrients.

Some product that can replace your red meat consumption are soy products, legumes, low-fat dairy, dark green and leafy vegetables, nuts, and whole grains. Poultry and fish also have leaner protein that provide many of the same nutrients found in red meat.

And reason why you have to limiting your red meat intake is because they can cause several serious diseases such as:
1. Arthritis
Study founds that men and women who ate the greatest amount of read meat, meat products, and total protein had a higher rates of inflammatory polyarthritis compared with people who ate the least amount.

2. Diabetes
If you have diabetes type 2 or at high risk you must dieting by limiting red meat and other source of saturated fats and eat more fruit, vegetables, and fiber and also exercising regularly. Because study founds that the risk is reduce by 50% by doing the above.

3. Cancer
High intake of red meat and processed meat increases the risk of colorectal cancer. High-heat cooking methods such as grilling, broiling, or pan frying trigger the formation of carcinogenic compounds in red meat. To prevent this you can marinate the meat for one hour before cooking, steaming or poaching meat, or turning the meat frequently while cooking over medium heat.

Visit us on FaceBook

একুশ নিউজ মিডিয়া এখন ফেস বুক এ

Video News: www.EkushTube.com

Change your Life: ASea – Advancing Life
Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: