মন্দার হাওয়া জোরে বইছে বাংলাদেশ কি প্রস্তুত!

অর্থনীতি
মন্দার হাওয়া জোরে বইছে বাংলাদেশ কি প্রস্তুত!

লেখক: অর্কপ্রভ দেব । বিশ্ব অর্থনীতি থেকে অলক্ষ্মীর ভর যাচ্ছেই না। ২০০৭ সালের শেষের দিকে সন্তর্পণে এর আগমন ঘটেছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলো দাঁতে দাঁত চেপে তা গোপন রেখেছিল প্রায় এক বছর। ২০০৮ সালের আগস্টে পশ্চিমা বিশ্বের নামী-দামী কয়েকটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া ঘোষণা করে। এ সব ঘটনা মিডিয়ায় প্রকাশিত হওয়ার পর পর অনেক আর্থিক সংস্থা এ মিছিলে যোগ দেয়। এর মধ্য দিয়ে বিশ্ববাসী উন্নত দেশগুলোর মন্দা সম্পর্কে জানতে পারে। মন্দা রোগটা কলেরার মতো আমেরিকা, ইউরোপ ও এশিয়ার বড় বড় অর্থনীতিগুলোতে বিস্তৃত হয়। কোরামিন ইনজেকশনের মতো প্রণোদনা প্যাকেজ দিয়ে অর্থনীতিগুলোকে কৃত্রিমভাবে বাঁচিয়ে রাখা হয়। এভাবে রোগী কত দিন বাঁচে! সামপ্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে এ প্রশ্নই জাগে।যুক্তরাষ্ট্র তার ব্যাপক বাজেট ঘাটতি মোকাবেলা করতে গিয়ে অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণ করে। সরকার গত জুলাইয়ে সর্বোচ্চ ঋণ-সীমায় পৌঁছে যায়। ঋণ-সীমা না বাড়ালে সরকারি ব্যয় বন্ধ হয়ে যাবে। এমনি পরিস্থিতিতে অনেক নাটকীয়তার জন্ম দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিবিদরা। শেষ পর্যন্ত শর্ত সাপেক্ষে ঋণ-সীমা বাড়ানো হয়েছে। ব্যয় হ্রাসেরও সুনির্দিষ্ট কার্যক্রম গৃহীত হয়েছে। এসব নিয়ে নতুন আইন হয়েছে। এ জন্য ওবামা প্রশাসনকে অনেক কাঠ-খর পোড়াতে হয়েছে। একে তো কংগ্রেসে বিরোধী রিপাবলিকান দল সংখ্যাগরিষ্ঠ। তার ওপর তিন বছর ধরে মন্দা কমছে না। বরং যতো সময় যাচ্ছে ততো জেঁকে বসছে। এ জন্য প্রেসিডেন্ট ওবামা সরকারের অর্থনৈতিক নীতির প্রতি তাঁর নিজ দলের অনেক কংগ্রেস সদস্যই ত্যক্ত-বিরক্ত। তাদের অনেকেই এবার রিপাবলিকানদের সাথে যোগ দিয়েছে। ঋণের পরিমাণ বাড়ানোর পরিবর্তে ব্যয় হ্রাস করার রিপাবলিকানদের প্রস্তাবে তারাও সমর্থন যোগিয়েছে। শেষ পর্যন্ত একটা মধ্যস্থতা হয়েছে ঠিকই। বিশ্লেষকদের মতে, এতে ওবামা সরকারের নৈতিক পরাজয় হয়েছে। জনমত জরিপেও ওবামার জনপ্রিয়তা সাত পয়েন্ট কমে ৪২ শতাংশে পৌঁছেছে। যদিও গত জুলাই মাসে বেকারত্বের হার কিছুটা কমে ৯.১ শতাংশে পৌঁছেছে। গত দুই বছর যুক্তরাষ্ট্রে গড় বেকারত্বের হার ছিল ৯.৭ শতাংশ।এদিকে বিশ্বখ্যাত ঋণ গ্রহণ ও পরিশোধ বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড এন্ড পুওর (এসএন্ডপি) যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেডিট রেটিং বা ঋণ-মান ‘এএএ’ থেকে ‘এএ+’ স্তরে নামিয়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেডিট রেটিং এর ৭০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম এক ধাপ নামিয়ে দেয়া হলো। যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ততায় এই প্রথম চিড় ধরলো। এতে দেশটি নতুন করে ইমেজ সংকটে পড়েছে। বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারাচ্ছে। বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে। এখানেই শেষ নয়। এসএন্ডপি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার স্থিতিশীলতা ও কার্যকারিতা কমে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে তাদের রেটিং আরেক ধাপ নামানো হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছে এসএন্ডপি। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা ট্রেজারী বন্ডের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারে। রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ডলারের অবস্থানও প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ-মান কমে যাওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতে টালমাটাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। চীন, জাপান, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়াসহ এশিয়ার দেশগুলোর আর্থিক খাতে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। গত সপ্তাহে এশিয়ার প্রধান প্রধান শেয়ারবাজারে বড় দরপতন হয়েছে। দরপতন হয়েছে ইউরোপেও। লন্ডনের শেয়ারবাজারে ২৭ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় দরপতন হয়েছে। বিশ্ব ইকুইটি ৮.৫ শতাংশ কমেছে। ট্রেজারি বন্ড কেনার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বড় বিনিয়োগকারী বা ঋণদাতা হচ্ছে চীন। তারা যুক্তরাষ্ট্রকে প্রায় এক লক্ষ কোটি ডলার ধার দিয়েছে। ডলার যদি ইমেজ সংকটে পড়ে, চীনসহ ফেডারেল বন্ড ক্রয়কারী অনেক দেশই লোকসানের কবলে পড়বে। জাপান হলো যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঋণদানকারী দেশ। বন্ড বিনিয়োগে ঝুঁকি বাড়ায় জাপানের ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতি আরো চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। মার্কেটওয়াচ ম্যাগাজিন বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে তিন দিক থেকে খড়গ নেমে এসেছে। অর্থনীতি পরিচালনায় প্রেসিডেন্ট ওবামা সরকারের দুর্বলতা, দীর্ঘস্থায়ী মন্দা এবং ক্রেডিট রেটিং কমে যাওয়ায় কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে দুর্বল করে তুলছে। নিউইয়র্কের ‘ডাউ জোনস’ শেয়ারের মূল্যসূচক ২০০৭ এর অক্টোবরে ১৪ হাজারের উপরে উঠেছিল। মন্দার কারণে তা ২০০৯ এর মার্চে সাড়ে ছয় হাজারে নেমে এসেছিল। গত দুই বছরে সূচক বেড়ে বেড়ে সাড়ে বার হাজারের ঘরে পৌঁছেছিল। গত সপ্তাহে তা ১০৮০০ তে নেমে এসেছিল। ১০ দিনে সূচক ১০ শতাংশ কমেছে। তবে ফেডারেল রিজার্ভ ঘোষণা দিয়েছে যে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তারা নিম্ন সুদ হার বজায় রাখবে। গত মঙ্গলবারের এ ঘোষণার পর থেকে বিশ্বের পুঁজি বাজারগুলোতে আবার চাঙ্গা ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশ্লেষকরা একে সাময়িক হিসেবে দেখছেন। তারা এটিকে ২০০৭-৮ সময়ের সাথে তুলনা করছেন। তাদের যুক্তি, যুক্তরাষ্ট্রসহ বড় বড় অর্থনীতিগুলো ‘ডবল ডিপ’ মন্দার দ্বারপ্রান্তে। প্রথম মন্দা না কাটতেই দ্বিতীয় মন্দা দেখা দেয়ার অনেক উপকরণ এখন বর্তমান। তাই শেয়ারবাজারসহ আর্থিক খাতের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টা খুব একটা সফল হবে না। বিশ্ব অর্থনীতির এক-চতুর্থাংশের নিয়ন্ত্রক যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির এ দুরবস্থার ঋণাত্মক প্রভাব কম-বেশি প্রতিটি দেশের ওপরই পড়ছে। ইউরোপের অবস্থা আরো শোচনীয়। ২০০৮ সালে মন্দা প্রকাশ পাওয়ার পর থেকে ইউরোপের অনেক দেশই ঋণ পরিশোধ করতে পারছে না। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক হাজার হাজার কোটি ডলার ঋণ দিয়েও গ্রীস, আয়ারল্যান্ড, পর্তুগাল, ইতালী ও স্পেনের অর্থনীতি সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না। ঋণ সংকট থেকে বের হতে পারছে না। এদেরকে টানতে গিয়ে জার্মানী, ফ্রান্সসহ ইউরোভুক্ত সবল অর্থনীতিগুলোও বেকায়দায় পড়ছে। বিশেষজ্ঞরা এ জন্য চীন, জাপান, জার্মানী, রাশিয়া প্রভৃতি দেশের মাত্রাতিরিক্ত সঞ্চয় এবং যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেনসহ ইউরোজোনের বিভিন্ন দেশের অতিরিক্ত ঋণের মধ্যে অসম অবস্থাকেই দায়ী করছেন।কারণ যা-ই হোক, এটি এখন স্পষ্ট যে, বিশ্ব অর্থনীতি এখন অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বিশ্ব মন্দা শুরু হওয়ার পর ২০০৮ সালে বিশ্বব্যাপী পণ্যের দাম বাড়ে। এক পর্যায়ে মূল্যস্ফীতি ২৭ শতাংশে পৌঁছে যায়। এটি আরো প্রকট আকার ধারণ করে যখন অনেক দেশে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ৪০ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। বিশ্বে খাদ্য উত্পাদন কমে যাওয়া এবং জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণ হওয়াই এর প্রধান কারণ ছিল। ২০০৯ সালের শেষের দিকে মন্দা পরিস্থিতি প্রশমিত হতে থাকে। একই সাথে জ্বালানি তেলের দাম এবং মূল্যস্ফীতি কমতে থাকে। এক সময় তা সহনশীল পর্যায়ে চলে আসে। ২০১০ সালের জুলাই থেকে বাহ্যিক কোনো কারণ ছাড়াই আবার মূল্যস্ফীতি ঘটতে থাকে। আগের মতোই খাদ্যপণ্যের মূূল্যস্ফীতিই বেশি। মূল্যস্ফীতি ঠেকাতে অনেক দেশ কঠোর মুদ্রানীতি প্রয়োগ করেছে। আমদানিকে নিরুত্সাহিত করেছে। রিজার্ভ মুদ্রার বিপরীতে দেশীয় মুদ্রার তেজিভাব বজায় রেখেছে। সুদের হার বাড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো প্রচেষ্টাই কোনো দেশে সফল হয়নি। চীন কিছুটা সফল হয়েছিল। কিন্তু তারা তা বেশি দিন ধরে রাখতে পারেনি। গত জুলাই মাসে চীনে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬.৫ শতাংশ। ৩৭ মাসের মধ্যে এটা সর্বোচ্চ। খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি আরো বেশি। জুলাই ২০১০ এর তুলনায় গত জুলাইয়ে ১৪.৮ শতাংশ মূল্যস্ফীতি হয়েছে। নিম্নআয়ভোগী মানুষগুলোর দুশ্চিন্তা ঘনীভূত হচ্ছে। ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিলসহ জনবহুল দেশগুলোতে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ। পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে গিয়ে সরকারগুলো হিমশিম খাচ্ছে। এদিকে পশ্চিমা বিশ্বে দীর্ঘদিন ধরে মন্দা পরিস্থিতি বিরাজ করায় বিশ্ব বাজার চাহিদা কমে গেছে। বিনিয়োগ ও উত্পাদনও কমে গেছে। বিশ্ব অর্থনীতির গতি মন্থর হচ্ছে। রফতানি আয়-নির্ভর অর্থনীতিগুলোর জন্য এ আরেক দুশ্চিন্তার বিষয়। এ ক্ষেত্রে চীনের চ্যালেঞ্জই সবচেয়ে কঠিন। কারণ, চীনের অর্থনীতি বহুলাংশে রফতানি-নির্ভর। ভারতের অবস্থাও প্রায় কাছাকাছি। দেশ দু’টি গত এক দশক ধরে যে উচ্চ প্রবৃদ্ধি হার অর্জন করে যাচ্ছে এর মূলে আছে রফতানিতে ব্যাপক প্রবৃদ্ধি। বিশ্ব চাহিদা কমে গেলে রফতানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা সম্ভব হবে না। তখন দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি আরো প্রকট হবে।বাংলাদেশের অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি উন্নত বা দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতিগুলোর মতো নয়। তাই অর্থনীতির চ্যালেঞ্জগুলোও ভিন্ন। বাংলাদেশের অর্থনীতির একটা বড় অংশ জুড়ে আছে পণ্য ও জনশক্তি রফতানি। বিশ্ব বাজারে চাহিদা কমে গেলেও বাংলাদেশের রফতানি কমার সম্ভাবনা এখনো তেমন নেই। কারণ, বাংলাদেশের রফতানি মূলতঃ বেসিক তৈরিপোশাক নির্ভর। চাহিদা কমে গেলেও মৌলিক পোশাকগুলো ভোক্তারা কিনবেই। হ্যাঁ, প্রবৃদ্ধি গত বছরের মতো হবে না। গত বছর প্রায় ৪১ শতাংশ রফতানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে রফতানিতে প্রায় ২৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বিশ্ব মন্দা অব্যাহত থাকলে প্রবৃদ্ধির এ হার কিছুটা কমবে। একই সাথে বিশ্ব বিনিয়োগ কমে গেলে শ্রমিকের চাহিদাও কমবে। মন্দা চলে গেলে চাহিদা ও বিনিয়োগ আবার বাড়বে। তখন বাংলাদেশের রফতানি প্রবৃদ্ধি বাড়বে। কিন্তু মন্দা কবে কাটবে কেউ তা জানে না। বাংলাদেশের আমদানি ব্যয়ের একটা বড় অংশ চলে যায় রফতানি পণ্যের কাঁচামাল আমদানিতে। আমদানি মূল্য বেড়ে যাওয়ায় রিজার্ভের ওপর হাত পড়েছে। মন্দা ও অন্যান্য কারণে বৈদেশিক সাহায্য ও ঋণ কমে গেছে। মন্দা শেষে বাজার স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত মুদ্রাবাজারকে স্থিতিশীল রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।বাংলাদেশ ব্যাংক সমপ্রতি রক্ষণশীল মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে। এ নীতির কার্যকারিতা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে মতভেদ আছে। টাকার মান অব্যাহতভাবে কমছে। এর ফলে আমদানি পণ্যের দাম আরো বাড়ছে। তবে এ মুহূর্তে মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্ববাজারে সব পণ্যের দামই বাড়ছে। বাংলাদেশেও বাড়ছে। নিম্নআয়ের দেশ হিসেবে এখানে সমস্যা একটু বেশি। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ গরীব ও নিম্নআয়ভোগী। জনগণের আয়-রোজগার বাড়ছে এটা ঠিক। ২০০৯-১০ দুই বছরে মাথাপিছু আয় ৬৬০ ডলার থেকে ৮১৮ ডলারে উন্নীত হয়েছে। তাই বলে পণ্যের মূল্যের মতো প্রতিদিন বাড়ছে না। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই তারা হিসাব মিলাতে পারছে না। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সামপ্রতিক জরিপ থেকে দেখা যায়, আয়সীমার সর্বনিম্ন ৫ শতাংশ পরিবার জাতীয় আয়ের মাত্র ০.৭৮ শতাংশ পায়। অপরদিকে আয়সীমার সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পরিবারের কাছে জাতীয় আয়ের ২৪.৬১ শতাংশ যায়। এতে বোঝা যায়, দেশের বড় অংশটাই নিম্নআয়ভোগী। তাদের জন্য কর্মসংস্থান যেমন প্রয়োজন তেমনি প্রয়োজন স্থিতিশীল বাজার। বিশ্ব প্রেক্ষাপটে যা সরকারের জন্য একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার একটি টাস্কফোর্স গঠন করতে যাচ্ছে। টাস্কফোর্স মূল্যস্ফীতি, ঋণ পরিশোধ স্থিতি ও বৈদেশিক সরাসরি বিনিয়োগ এ তিনটি প্রধান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারকে পরামর্শ দেবে। সরকারের প্রচেষ্টা সফল হোক এটাই সবার প্রত্যাশা। আমদানিকারক, ব্যবসায়ী, ভোক্তা সবাইকেই এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ভূমিকা রাখতে হবে।

Link: http://www.bangladeshnews24.com/ittefaq/newspaper/2011/08/13/news0133.php

Visit us on FaceBook

একুশ নিউজ মিডিয়া এখন ফেস বুক এ Video News: www.EkushTube.com

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: