প্রতি বর্গ কিলোমিটারে, ঢাকা শহরে বসবাস করেন ৪৫,০০০ লোক,ঢাকার জানজট সমস্যার মূল কারণ এখানেই। একটি আদর্শ শহরে, সহজে যান চলাচলের জন্য অন্তত ৩০ শতাংশ রোড স্পেস থাকা দরকার। এর বিপরিতে, ঢাকা শহরে রোড স্পেস আছে মাত্র ৭.৫ শতাংশ।

সিওই প্রথা ও ঢাকার জানজট সমস্যা
ড. আবু এন. এম. ওয়াহিদ

দু’ হাজার আট সালে সপ্তাহ খানেকের জন্য ঢাকা গিয়েছিলাম ন’ বছর পর। উঠেছিলাম মোহাম্মদপুরে আমার শ্বশুর বাড়ী। সময় কম ছিল বলে, সেবার ঢাকায় ঘোরাঘুরি করার সুযোগ হয় নি একেবারেই। বনানীর সাউথইস্ট এবং নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটিতে আমার দু’ টো সেমিনার ছিল। যাতায়াতের সুবিধার জন্য ফেলেছিলাম একদিনে। ওই দিন সেমিনার শেষ করে বারিধারা গিয়েছিলাম আমার এক মামীকে দেখতে। তারপর ফিরে আসছিলাম আমার শালীর বাসায় ধানমন্ডিতে। মাগরিবের ঠিক পরে রওয়ানা দিয়ে, বারিধারা থেকে ধানমন্ডি আসতে আমার সময় লেগেছিল পাক্কা পৌণে দু’ ঘন্টা। গাড়ীতে না চড়ে, হেঁটে আসলে হয়ত এরকম সময়ই লাগত। ঢাকার জানজট সমস্যা আজকাল আর কারো অজানা নয়। আত্মীয় স্বজন, বন্ধু বান্ধব যাঁরাই দেশ থেকে আসেন, সবার একই কথা – ঢাকার জানজট অসহ্য, অসহনীয়। এভাবে কোনো ক্রমেই একটি নগর জীবন চলতে পারে না।

এই জানজট সমস্যার কারণ বোঝা খুব একটা কঠিন কিছু নয়। সীমিত আয়তনের ঢাকা শহরে লোকসংখ্যা বেড়েছে, মানুষের আয় বেড়েছে, বিভিন্ন ধরনের যান বাহনের পরিমান বেড়েছে; সেই তুলনায় রাস্তা বেড়েছে খুবই কম। এ ছাড়া, রাস্তায় খানা খন্দক ও মেরামতির কাজ চলে শীত গ্রীষ্ম বার মাস। যত্র তত্র পড়ে থাকে নানা জাতের নির্মাণ সামগ্রী। তার ওপর, যেখানে সেখানে পার্কিং, ফুটপাত এবং রাস্তার ওপর ভিক্ষাবৃত্তি ও দোকানদারী তো আছেই।

সমাধানের কথা ভাবার আগে, সমস্যার গভীরতাটা একটু তলিয়ে দেখা দরকার। ইন্টারনেট সূত্র অনুযায়ী, সাভার, টঙ্গী, এবং নারায়নগঞ্জ বাদে, সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভূক্ত মূল ঢাকা শহরে বসবাস করে কম করে হলেও ৭০ লক্ষ লোক। তার ওপর, রুজি রুটির সন্ধানে ছিন্নমূল মানুষ গ্রাম থেকে অনবরত এসে জড় হচ্ছে স্বপ্ন নগরী ঢাকায়। এভাবে মূল ঢাকার জনসংখ্যা প্রতি বছর ৪.৫ শতাংশ হারে বাড়ছে। কোনো কোনো পরিসংখ্যান মতে এটা ৭ শতাংশ। ঢাকার সমপরিমান লোক থাকে পৃথিবীর আরো অনেক শহরে। আমি তথ্য উপাত্ত যোগাড় করেছি ৮টির। ওই শহরগুলোর লোকসংখ্যা মোটামুটি ঢাকার মত হলেও, জনসংখ্যার ঘনত্বে আছে বিস্তর ফারাক।

কঙ্গোর কিনশাসার লোকসংখ্যা ৭৮ লক্ষ এবং জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে মাত্র ৭৮৭। পেরুর লিমা – লোকসংখ্যা ৭৬ লক্ষ, ঘনত্ব – ২,৮৪৮। ভিয়েতনামের হো চি মিন সিটি – লোকসংখ্যা ৭১ লক্ষ, ঘনত্ব – ৩,৪০১। কলোম্বিয়ার বগোটা – লোকসংখ্যা ৭০ লক্ষ, ঘনত্ব – ৪,৪৭৮। মেট্রোপলিটান লন্ডন নগরী – লোকসংখ্যা ৭৫ লক্ষ, ঘনত্ব – ৪,৮৬৩। হংকং – লোকসংখ্যা ৭০ লক্ষ, ঘনত্ব – ৬,৪১৮। নাইজেরিয়ার ল্যাগোস – লোকসংখ্যা ৭৯ লক্ষ, ঘনত্ব – ৭,৪০০। পাঠকরা এখন অনুমান করুন, ঢাকার ৭০ লক্ষ লোক কী পরিমান আয়তনের মধ্যে থাকেন। অর্থাৎ মূল ঢাকা শহরে জনসংখ্যার ঘনত্ব কত? জবাব শুনলে আমার মতই অবাক হবেন ! প্রতি বর্গ কিলোমিটারে, ঢাকা শহরে বসবাস করেন ৪৫,০০০ লোক। জনসংখ্যার দিক থেকে কম বেশী সমান হলেও, আলোচ্য অন্যান্য শহরের তুলনায় ঢাকার আয়তন অনেক অনেক কম। আর ঢাকার জানজট সমস্যার মূল কারণ এখানেই।

একটি আধুনিক শহরে, স্বাচ্ছন্দ এবং সহজভাবে যান বাহন চলাচলের জন্য কী পরিমান রাস্তা অর্থাৎ রোড স্পেস দরকার, তার একটা আন্দাজ পাওয়া যায় সাম্প্রতিক ভ্যান্কুভারের উদাহরণ থেকে। ইদানিং ক্যানাডার বৃটিশ কলাম্বিয়া প্রভিন্সের বাণিজ্যিক নগরী ভ্যান্কুভার একটি ভীষণ উচ্চাভিলাসী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। তারা ২০২০ সালের মধ্যে, ভ্যান্কুভারকে পৃথিবীর সবচেয়ে পরিবেশ বান্ধব এবং সবুজতম নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চায়। এই উপলক্ষ্যে ভ্যান্কুভারের নগর পরিকল্পনাবিদরা অনেকগুলো লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। তার মধ্যে যেটি আমাদের এই আলোচনার জন্য প্রাসঙ্গিক, তা হল, ভ্যান্কুভার ২০২০ সালের মধ্যে যে করেই হোক, রিক্লেম করে, যান বাহন চলাচল উপযোগী রাস্তার জন্য শহরের আয়তনের ৩০ শতাংশ জমি বের করে নিয়ে আসতে চায়। তার মানে, একটি আদর্শ শহরে, সহজে যান চলাচলের জন্য অন্তত ৩০ শতাংশ রোড স্পেস থাকা দরকার। এর বিপরিতে, ঢাকা শহরে রোড স্পেস আছে মাত্র ৭.৫ শতাংশ। এখানে বলে রাখা দরকার, ভ্যান্কুভারের লোকসংখ্যা ৬০ লক্ষ এবং জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কিলোমিটারে মাত্র ১৩,২৮০। আদর্শ নগর হিসেবে ভ্যান্কুভারের সাথে তুলনা করলে, এক দিকে ঢাকায় জনসংখ্যার ঘনত্ব সাড়ে ৩ গুণ বেশি, এবং অন্য দিকে রোড স্পেস চার ভাগের এক ভাগ। সেই তুলনায়, ২০২০ সালে ভ্যান্কুভারে যা হবে, ঢাকায় যানজট এখনই হওয়ার কথা তার চেয়ে বার গুণ বেশি, কিন্তু প্রকৃত অবস্থা তার চেয়েও করুণ।

কারণ ঢাকায় যান বাহনের জন্য আরো অনেক ধরনের অতিরিক্ত নেতিবাচক উপসর্গ রয়েছে যা ভ্যান্কুভারে নেই এবং অদূর ভবিষ্যতে হওয়ারও সম্ভাবনা নেই। উদাহরণ স্বরূপ উল্লেখ করা যেতে পারে, বহুমাত্রিক যান বাহনের আধিক্য (এক হিসেব অনুযায়ী ৪ লক্ষ, অন্য হিসেবে ৫ লক্ষ ৮০ হাজার রিক্সা, ঠেলা গাড়ী, গরু গাড়ী, সিএনজি, বাইক, মোটর সাইকেল, গরু ছাগল, পথচারীদের যত্র তত্র রাস্তা পারাপার ইত্যাদি)। এছাড়া, ঢাকার জানজট, দূর্ঘটনা, এবং বায়ু দুষণের জন্য নিম্নলিখিত তথ্যগুলোও জানা দরকার। ২০১০ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকায় রেজিস্টার্ড মোটর যানের সংখ্যা ৫ লক্ষাধিক। গড়ে প্রতিদিন ১৮৮টি অতিরিক্ত মোটর যান বিআরটিএ’র লাইসেন্স নিয়ে ঢাকার রাস্তায় নামছে। ৫০ শতাংশ মোটর যানের ফিটনেস সার্টিফিকেট নেই। ৬১ শতাংশ ড্রাইভার রোড টেস্ট না দিয়েই বিআরটিএ’র লাইসেন্স নিচ্ছেন। ইন্টারনেট সূত্র অনুযায়ী, সর্বমোট ৫ লক্ষাধিক মোটর যানের মধ্যে, ঢাকায় প্রাইভেট কার আছে ২ লক্ষ ১০ হাজার। তারা মাত্র ৮.৭৩ শতাংশ যাত্রী বহন করে কিন্তু রোড স্পেস জুড়ে রাখে ৩৪.৪১ শতাংশ। কথা সাহিত্যক আনিসুল হক ডেইলি স্টারের বরাত দিয়ে ২৫ জানুয়ারি প্রথম আলোয় লিখেছেন, প্রাইভেট কার মাত্র ১০ শতাংশ যাত্রী বহন করতে ৭০ শতাংশ রোড স্পেস দখল করে রাখছে। আমার মতে, ডেইলি স্টারের পরিসংখ্যান বেশি বিশ্বাসযোগ্য। সঠিক পরিসংখ্যান যাই হোক, ঢাকা শহরের যানজটের জন্য প্রাইভেট কারগুলো যে সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক ভূমিকা রাখছে, এত কোনো সন্ধেহ নেই। তাই সমস্যা সমাধানের জন্য, রাস্তা থেকে হয় প্রাইভেট কার কমাতে হবে, নয় তো রোড স্পেস বাড়াতে হবে, অথবা এক সাথে দু’ টোই করতে হবে।

রোড স্পেস বাড়াতে হলে, হয় নতুন জমি অধিগ্রহন করে বর্তমান রাস্তা চওড়া করতে হবে, অথবা নতুন রাস্তা বানাতে হবে যেটা কিছুটা হয়েছিল প্রেসিডেন্ট এরশাদের আমলে। এখন সেটা আর সম্ভব নয়, কারণ ঢাকায় অব্যবহৃত রিক্লেমেবল জমি নেই বললেই চলে। তাছাড়া নতুন রাস্তা বানাতে গেলে মামলা মোকদ্দমার দীর্ঘসূত্রিতা ও জটিলতা তো থাকবেই। রোড স্পেস বাড়ানোর আরেকটা পথ আছে। তৈরি করতে হবে, অন্তত প্রধান প্রধান রাস্তার ওপর দিয়ে মাইলের পর মাইল সমান্তরাল উড়াল পথ। তার জন্য দরকার হাজার হাজার কোটি টাকা এবং অন্তত মধ্য মেয়াদী পরিকল্পনা। এটাও সমস্যার কোনো দীর্ঘ মেয়াদি সমাধান দেবে না। চোখের সামনেই ব্যাংককের উদাহরণ আছে। বেশ কয়েক বছর আগে, ব্যাংকক অনেকটা এভাবেই তারা যানজটের একটা সুরাহা করেছিল। কিন্তু এখন আবার যেই সেই। ঢাকায় এখন যা করা হচ্ছে, তা হল, এখানে সেখানে একটা দু’টো কানেক্টিং ফ্লাইওভার কিংবা বাইপাস লিঙ্ক রোড। এতে করে, ব্যাংককের মত সাময়িক সমাধানও সম্ভব নয়।

তাহলে একমাত্র সম্ভাব্য বিকল্প থাকে ঢাকার রাস্তা থেকে প্রাইভেট কার কমানো। আর এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অনুসরণ করা যেতে পারে সিঙ্গাপুরের উদাহরণ। সিঙ্গাপুরে প্রতিটি প্রাইভেট কার কেনার সময়, গাড়ীর মালিককে কিনতে হয় একটি করে সিওই (সার্টিফিকেট অফ এন্টাইটেলমেন্ট)। বর্তমানে ১,৬০০ সিসি কিংবা তার চেয়ে ছোট ইঞ্জিন সাইজের গাড়ীর সিওইর দাম সিঙ্গাপুর ডলারে ৩৪,০০১ (বাংলাদেশী টাকায় ১৯ লক্ষ ৪ হাজার) এবং ১,৬০১ সিসি কিংবা তার চেয়ে বড় ইঞ্জিন সাইজের গাড়ীর সিওইর দাম সিঙ্গাপুর ডলারে ৪৫,৫০১ (বাংলাদেশী টাকায় ২৫ লক্ষ ৪৮ হাজার)। একটি সিওইর মেয়াদ কার্যকর থাকে ১০ বছর। এর আগে গাড়ী স্ক্র্যাপ করে দিলে, আনুপাতিক হারে সিওইর টাকা মালিকরা ফেরৎ পান। সিওইর মাধ্যমে সিঙ্গাপুর সরকার তার নাগরিকদের প্রাইভেট কার কিনতে দারুনভাবে নিরুৎসাহিত করছে। যার ফলে সিঙ্গাপুরের অধিকাংশ লোক প্রাইভেট কার না কিনে, পাবলিক ট্রানস্পোর্ট ব্যবহার করে থাকে।

একইভাবে, ঢাকায় যদি প্রতিটি ছোট গাড়ীর মালিককে গাড়ী কেনার সময় নগদ ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে এবং বড় গাড়ীর মালিককে ২৫ লক্ষ টাকা দিয়ে একটা করে সিওই কিনতে হয়, তাহলে পাঠকরা অনুমান করুন অবস্থাটা কী দাঁড়াবে! আমার ব্যক্তিগত ধারণা, ঢাকায় প্রাইভেট কারের সংখ্যা রাতারাতি এক তৃতীয়াংশে নেমে আসবে। জানজট সহজেই সহনীয় পর্যায়ে চলে আসবে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, যে সব মধ্যবিত্ত বা উচ্চমধ্যবিত্ত পরিবার সিওই কিনতে পারবেন না, তারা কীভাবে ঢাকা শহরে চলাফেরা করবেন ? সিওই প্রথা চালুর ফলে, যদি প্রাইভেট কারের সংখ্যা এক তৃতীয়াংশ অর্থাৎ ৭০ হাজারে নেমে আসে, তাতেই, কেবল মাত্র সিওই বাবত সরকারের রাজস্ব আয় হবে সাড়ে ১৫ হাজার কোটি টাকা। এই বিশাল অঙ্কের টাকা দিয়ে সরকার ব্যাপকভাবে নগরীর রাস্তার সংস্কার ও মেরামত করতে পারে। এর পর, বিআরটিসি’র মাধ্যমে পর্যাপ্ত পরিমান বড় বড় দুতলা বাস আমদানী করে ঢাকার রাস্তায় ছেড়ে দিলে, আমার বিশ্বাস নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসতে পারে। এখানেই শেষ নয়। সিওই রাজস্ব থেকে বিআরটিসি উল্লেখযোগ্য পরিমান ভর্তুকী দিয়ে, বাস ভাড়া একেবারে ন্যুনতম পর্যায়ে রাখতে পারে। সিওই প্রথা, নগরের যাতায়াত ব্যবস্থার সাথে সাথে পরিবেশের ওপরও রাখতে পারে উল্লেখযোগ্য ইতিবাচক প্রভাব। ঢাকার রাস্তায় কম সংখ্যক প্রাইভেট কার চলাচলের ফলে, ধুঁয়ো, ধূলো, ও হর্ণের আওয়াজের যন্ত্রণা কমবে। শহরের পানি, বাতাস, ও পরিবেশ সুস্থ হয়ে উঠবে।

লেখকঃ অধ্যাপক – টেনেসী স্টেইট, ইউনিভার্সিটি; এডিটর – জার্নাল অফ ডেভোলাপিং এরিয়াজ
awahid@tnstate.edu

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

One Response to প্রতি বর্গ কিলোমিটারে, ঢাকা শহরে বসবাস করেন ৪৫,০০০ লোক,ঢাকার জানজট সমস্যার মূল কারণ এখানেই। একটি আদর্শ শহরে, সহজে যান চলাচলের জন্য অন্তত ৩০ শতাংশ রোড স্পেস থাকা দরকার। এর বিপরিতে, ঢাকা শহরে রোড স্পেস আছে মাত্র ৭.৫ শতাংশ।

  1. পড়ে ভালো লাগলো…তথ্যসমৃদ্ধ লেখা।ধন্যবাদ।
    ঢাকার লোকসংখ্যা কি ৭০ লক্ষ ?মনে হয়ত ১ কোটি+…সরকার সবসময় কম দেখায়।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: