অর্থনীতিতে উন্নতি করলেও রাজনীতিতে প্রতিহিংসা: Economist Magazine has published another article today.

The poisonous politics of Bangladesh

Reversion to type

Bangladesh’s economy is becoming ever healthier; its politics are heading in the opposite direction

Aug 13th 2011 | from the print edition


অর্থনীতিতে উন্নতি করলেও রাজনীতিতে প্রতিহিংসা

ইকনমিস্টে নয়া রিপোর্টবাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে ঘিরে প্রকাশিত সাম্প্রতিক প্রতিবেদন নিয়ে বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বাংলাদেশের সমকালীন রাজনীতি নিয়ে আরেকটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে লন্ডনভিত্তিক সাময়িকী দ্য ইকোনমিস্ট।

‘দ্য পয়জনাস পলিটিকস অব বাংলাদেশ : রিভারসন টু টাইপ’ শীর্ষক প্রতিবেদনটি আজ শনিবার ইকোনমিস্টের মুদ্রিত সংস্করণে প্রকাশিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতেই প্রতিবেদনটি অনলাইনে প্রকাশ করা হয়। এ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের দলীয় রাজনীতির সমালোচনা করা হলেও অর্থনীতি ভালো অবস্থানে আছে এবং ক্রমেই উন্নতি করছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।এদিকে বাংলাদেশ বিষয়ে ইকোনমিস্টে নতুন প্রতিবেদন প্রকাশ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিঃপ্রচার অনুবিভাগের মহাপরিচালক শামীম আহসান ইত্তেফাককে বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছে। তবে এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চার দশকের মধ্যে সবচেয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের মাধ্যমে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসে। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য সন্ধিক্ষণ হবে বলে ধারণা করা হয়েছিল। সবার আশা ছিল তার (শেখ হাসিনার) সরকার ক্ষমতায় এসে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালীকরণ ও জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার কাজে দলের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগাবে। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ ও তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মধ্যকার ‘উইনার টেকস অল’ (বিজয়ীরাই সব নেবে)-এমন দুষ্ট বলয় ভেঙে ফেলা হবে। তবে এ বিপুল জনসমর্থনকে তিনি দলীয় সুবিধার জন্য কাজে লাগাবেন-এমন আশঙ্কাও ছিল।প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সে আশা দ্রুতই ভেঙে গেছে আর ভীতিটাই সত্যি হয়ে বেরিয়ে এসেছে। এ সপ্তাহেই শেখ হাসিনার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এবং তার নির্বাসিত ছেলে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। যদিও ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া একটি দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সেসময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ, হত্যার ষড়যন্ত্রসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১৩টি মামলা করা হয়। বিরোধীদলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের মামলার ঘটনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্বাভাবিক ঘটনা। দুই পরিবারের মধ্যে প্রতিহিংসার বিষয়টি রাজনীতিতে ঘুরেফিরে আসছে। এটি এখন প্রায় পদ্ধতি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৭৫ সালে নিহত বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে প্রধান ভূমিকা পালনকারী শেখ মুজিবুর রহমানের মেয়ে শেখ হাসিনা। অন্যদিকে, খালেদা জিয়া ১৯৮১ সালে নিহত সাবেক এক রাষ্ট্রপতির স্ত্রী। প্রধান দুটি দল শীর্ষ নেতৃত্বের সীমাহীন পারস্পরিক বিরোধ রাজনীতির স্বাভাবিক ঘটনায় রূপ নিয়েছে। ২০০৮ সালের নির্বাচনে চরম পরাজয়ের পর বিএনপি সংসদ বর্জন করে রাজপথকে বেছে নিয়েছে। অন্যদিকে, ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের নির্লজ্জ চেষ্টা তাদের মহানুভবতার অঙ্গীকারকে ম্লান করেছে।সরকারের হীন চেষ্টার মধ্যে গত জুনে সংবিধানের সংশোধনের ঘটনা অন্যতম। গত বছর শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজপাকসেও এমনটা করেছেন। সংসদীয় গণতন্ত্রকে কাজে লাগিয়ে শেখ হাসিনাও তেমনি এর বিষয়বস্তুকে দুর্বল করেছে। সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের পর নতুন ব্যবস্থায় বিএনপি নির্বাচন করবে-এমনটা কল্পনা করা কঠিন। বলা যায়, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অবিশ্বাসের কারণেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বজায় ছিল।

ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মতো শেখ হাসিনা জনগণের মাঝে যে আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা তৈরি করছেন সে বিষয়ে খুব একটা বিতর্ক নেই। এ সপ্তাহে ইস্যু করা ব্যাংক নোটসহ তার (শেখ মুজিবুর রহমানের) ছবি এখন সর্বব্যাপী। কোনো রাজনৈতিক দলের এমন আচরণ প্রীতিকর নয়।১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রেও দলীয় আক্রোশের বিষয়টি প্রতীয়মান হচ্ছে। চলতি মাসেই আসামিপক্ষের এক ব্রিটিশ আইনজীবীকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি।১৬ কোটি জনসংখ্যার দরিদ্র দেশে রাজনীতি অযৌক্তিকভাবে ব্যক্তিগত এবং বিষাক্ত আকারে রূপ নিয়েছে। তবে এখনো সরকার জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে। পোশাক রফতানির ব্যবসা প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে অর্থনীতি ভালোই এগিয়ে চলছে। বর্তমানে চীন ও ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে। আগামী মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বাংলাদেশ সফরে যাচ্ছেন। সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ করতে এই সফরে কয়েকটি চুক্তি সই হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়, এটা ভালো হবে যদি তিনি (মনমোহন) এবং বাংলাদেশের অন্য বিদেশি বন্ধুরা একটি রাজনৈতিক দলের প্রতি নয়, বরং একটি দেশের প্রতি বন্ধুত্ব পোষণ করে।

THE election of December 2008 seemed to mark a watershed for Bangladesh. In the fairest poll in the country’s four-decade history, the Awami League, led by Sheikh Hasina (pictured), swept to power in a landslide, on a wave of national optimism. The hope was that she would use her party’s popularity to strengthen democratic institutions and pursue national reconciliation, putting an end to a vicious cycle of winner-takes-all politics between the League and its rival, the Bangladesh Nationalist Party (BNP). The fear was that she would use its huge mandate for partisan advantage.

The hope has been largely dashed, the fear almost fully borne out (see Banyan). This week yet more corruption charges were filed against Sheikh Hasina’s nemesis, the BNP’s leader, Khaleda Zia, and an arrest warrant issued for her exiled son, Tarique Rahman. As prime minister, most recently from 2001-06, Mrs Zia presided over a brutal kleptocracy. But Sheikh Hasina, too, faced 13 charges, including extortion and conspiracy to murder, from one of her previous stints in power. Ditching the cases against League leaders while proceeding with those against the Zias looks like Bangladeshi politics as usual: the family vendetta disguised as a two-party system.

Sheikh Hasina is the daughter of Sheikh Mujibur Rahman, Bangladesh’s independence hero, murdered in 1975. Mrs Zia is the widow of another former president, assassinated in 1981. The two main parties have adopted their leaders’ limitless mutual animosity. The BNP has reacted to its rout in 2008 petulantly, boycotting parliament and taking to the streets. And the League’s promise of magnanimity has been overshadowed by brazen attempts to entrench its rule.

The most scandalous is its railroading through in June of a constitutional amendment. Like Sri Lanka’s president, Mahinda Rajapaksa, did last year, Sheikh Hasina has used the forms of parliamentary democracy to undermine the substance. Among other changes, the amendment does away with the caretaker administrations that oversaw elections in the hope of ensuring a modicum of fairness. It is hard to imagine the BNP taking part in elections under the new arrangements—the lack of trust between the parties that inspired the caretaker system persists. Bizarrely, but in keeping with a growing intolerance in Bangladesh, it is seditious even to criticise the new charter.

Public debate is also constrained by the growing personality cult that Sheikh Hasina is building around Sheikh Mujib, “the greatest Bengali of the millennium”. His portrait is ubiquitous, including on new banknotes issued this week. It is not healthy when one party identifies itself so closely with the nation. In the same vein, war-crimes trials due to start shortly over some of the atrocities perpetrated during Bangladesh’s war of independence from Pakistan risk becoming seen as exercises in partisan spite. It did not help that this month a leading British defence lawyer was refused entry to Bangladesh.

Singh, when you’re winning

That politics should remain so personal and so poisonous is absurd at a time of great promise for Bangladesh, a country of 160m people, most of them poor. The government remains fairly popular. The economy is doing well, with its booming garment-export business. Bangladesh is on good terms with both China and, especially, India (though the government is touchy about this—see our Letters pages). Manmohan Singh, India’s prime minister, is due to visit early next month to sign a series of agreements formalising closer co-operation. It would be good if he and Bangladesh’s many other friends abroad could show that their friendship is with the country, not just one party, and make clear that allowing democratic freedoms to flourish is a source not of weakness, but of strength.

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: