বাড়ছে রাষ্ট্রের ঋণের বোঝা

বাড়ছে রাষ্ট্রের ঋণের বোঝা

এম এম মুসা
বাংলাদেশের ঋণের বোঝা বাড়ছেই। দেশী ও বিদেশী উৎস থেকে বেশি পরিমাণে ঋণ নেওয়ায় পুরো দেশেরই ঋণগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। ঋণ গ্রহণের এ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে অচিরেই ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা হারিয়ে ঋণদায়গ্রস্ত রাষ্ট্রে পরিণত হবে বাংলাদেশ বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এবং বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা নিয়ে যৌথভাবে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ ঝুঁকির কথা বলা হয়েছে। প্রতিবছরই বাজেটের ঘাটতি অর্থায়নে বিভিন্ন রাষ্ট্র ও দেশী-বিদেশী সংস্থার ওপর সরকারের নির্ভরশীলতা বাড়ছে, বাড়ছে সুদ পরিশোধে ব্যয়। বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩৯ শতাংশ ঋণের অর্থ। চলতি অর্থবছরে বাজেট ঘাটতির পরিমাণ ৩৯ হাজার ৩২৩ কোটি টাকা, যা গত অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয়কৃত অর্থের চেয়ে ১০ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা বেশি।

স্বাধীনতা-পরবর্তী অর্থবছরগুলোতে দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অনুন্নয়ন কর্মকান্ড পুরোপুরি বৈদেশিক ঋণনির্ভর হয়ে পড়ে। বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের ৩০ শতাংশই বৈদেশিক ঋণের অর্থ। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০০৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের পুঞ্জীভূত বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ৮৮০ কোটি ডলার। টাকার অঙ্কে যার পরিমাণ দুই লাখ ৬৭ হাজার ৭২০ কোটি। ২০০১-০২ সালে রাষ্ট্রের মোট বৈদেশিক ঋণ ছিল এক হাজার ৬২৭ কোটি ডলার। আট বছরের ব্যবধানে দেশের বৈদেশিক দেনার পরিমাণ দ্বিগুণ হয়েছে।

সরকার বলছে, বর্তমানে দেশের জনগণের মাথাপিছু জাতীয় আয় বেড়ে ৭০০ ডলার হয়েছে। অন্যদিকে এ সময়ে মাথাপিছু বৈদেশিক দেনার পরিমাণও বেড়েছে। বর্তমানে মাথাপিছু বৈদেশিক দেনান পরিমাণ ২৬৬ ডলার বা ১৮ হাজার ৩২৫ টাকা। এই অর্থ বাদ দিলে মাথাপিছু আয় দাঁড়ায় মাত্র ৪৩৪ ডলার। সরকার বৈদেশিক ঋণের অর্থ হিসাব না করেই বলছে, দেশের মাথাপিছু আয় বেড়েছে। আসলে তা হয়নি, ঋণের অর্থ বৃদ্ধি পাওয়ায় মাথাপিছু আয় বেড়েছে। এটা কখনোই প্রকৃত মাথাপিছু জাতীয় আয় প্রকাশ করে না।
গতানুগতিক ধারা অব্যাহত রেখে চলতি অর্থবছরেও বৈদেশিক ঋণনির্ভর বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। চলতি বাজেটে বৈদেশিক ঋণপ্রাপ্তি ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৯৬৮ কোটি টাকা, যা গত বছরের তুলনায় দুই হাজার ৭৫৩ কোটি টাকা বেশি।

প্রতিবছরই প্রাক্কলিত পরিমাণের চেয়ে বেশি ঋণ নেওয়া হয়ে থাকে। গত অর্থবছরে প্রস্তাবিত বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ১৩ হাজার ২১৫ কোটি টাকা। অর্থবছর শেষে বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ১৪ হাজার ৪৯২ কোটি টাকা, যা প্রস্তাবিত বাজেটের চেয়ে এক হাজার ২৭৭ কোটি টাকা বেশি। এ অর্থবছরেও এর ব্যত্যয় ঘটবে না বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

বৈদেশিক দেনা শোধ করতে না পেরে নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করে আইসল্যান্ড। ২০০৮ সালে আইসল্যান্ডের মোট বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯৫ হাজার ৫৩০ কোটি মার্কিন ডলার, যা ছিল ওই দেশটির সব ব্যাংকে রক্ষিত মোট সম্পদের ৮০ শতাংশেরও বেশি। আর এ কারণে দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করে। বৈদেশিক দেনার দায়ে গ্রিসের অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে। দেউলিয়া ঘোষণা না করলেও বৈদেশিক ঋণের কারণে নাইজেরিয়া, তানজানিয়া, জিম্বাবুয়েসহ আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার বহু দেশ করুণ এক পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে। প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ থাকার পরেও বৈদেশিক ঋণের কারণে এসব দেশের অর্থনীতি এখন মুখ থুবড়ে পড়ছে। তানজানিয়ার অর্থনীতি এখন পুরোটাই বৈদেশিক সাহায্যনির্ভর। বিদেশী ঋণ না পেলে তাদের পক্ষে উন্নয়ন পরিকল্পনাসহ পুরো বাজেট করা সম্ভব হয় না। জিম্বাবুয়ের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ তাদের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির ৩০৯ শতাংশেরও বেশি। আর এ কারণে জিম্বাবুয়ের মুদ্রাস্ফীতি এক লাখ শতাংশের বেশি। বৈদেশিক ঋণনির্ভর নাইজেরিয়া এখন সম্পদশূন্য। বাংলাদেশের পাশের দেশ ভারতের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণও বেশি কিন্তু আয়ের উৎস বেশি থাকায় ঋণ শোধ করতে তাদের তেমন কোনো সমস্যা হচ্ছে না। অন্যদিকে বৈদেশিক ঋণের কিস্তি সঠিক সময়ে পরিশোধ করতে না পারায় জরিমানা গুনতে হচ্ছে বাংলাদেশকে।

বাংলাদেশের শুধু বৈদেশিক দেনা নয় বাড়ছে অভ্যন্তরীণ দেনার পরিমাণও। চলতি অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ ঋণ গ্রহণের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ হাজার ৬৮০ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে যার পরিমাণ ছিল ১৭ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ গত অর্থবছরের তুলনায় ছয় হাজার ৩৫৫ কোটি টাকা বেশি অভ্যন্তরীণ ঋণ নেবে সরকার। ২০০৮-০৯ অর্থবছর শেষে দেশীয় উৎস থেকে রাষ্ট্রের ঋণ গ্রহণের পরিমাণ মোট জিডিপির ১৭ দশমিক ৭২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ২০০১-০২ অর্থবছরে যার হার ছিল ১৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ। গত অর্থবছরে ব্যাংকিং খাত থেকে কম ঋণ গ্রহণ করলেও অ-আর্থিক খাত থেকে বেশি ঋণ গ্রহণ করেছে সরকার। ২০০৯-১০ অর্থবছরের জুলাই থেকে মে পর্যন্ত অ-আর্থিক খাত থেকে মোট ১২ হাজার ৩১২ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে। গত অর্থবছর (২০০৮-০৯) এই খাত থেকে ঋণ গ্রহণ করা হয়েছিল চার হাজার ৭৩৭ কোটি টাকা। গত অর্থবছর জুলাই-মে পর্যন্ত সরকার ব্যাংকিং খাত থেকে ঋণ নিয়েছিল সাত হাজার ৪৬৩ কোটি টাকা।

বাড়ছে ঋণ, বাড়ছে সুদ। সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয়ের বাজেট প্রক্ষেপণ ঠিক থাকছে না কোনো বছরই। প্রতিবছরই বাড়ছে বাজেট ঘাটতি। আর এ ঘাটতি পূরণ করতে গিয়ে সরকার প্রতিবছরই বেশি পরিমাণে দেশীয় ও বিদেশী উৎস থেকে ঋণ নিতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে প্রতিবছর অভ্যন্তরীণ ও বিদেশী ঋণের সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে রাজস্ব খাতে সরকারের ব্যয় ও বাজেট নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরে অনুন্নয়ন ব্যয়ের সবচেয়ে বড় অংশই ব্যয় হবে সুদ পরিশোধে। চলতি অর্থবছরে সুদ পরিশোধে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ৭০৯ কোটি টাকা, যা মোট অনুন্নয়ন বাজেটের ১৫ দশমিক নয় শতাংশ। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৪৩৮ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে যা প্রস্তাব করা হয়েছিল এক হাজার ৩৩৭ কোটি ১৭ লাখ টাকা। বাকি ১৩ হাজার ২৭১ কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় হবে। প্রতি অর্থবছরে সুদ পরিশোধে অর্থ ব্যয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় অনুন্নয়ন খাতে ব্যয় বাড়ছে, কমছে উন্নয়ন খাতের ব্যয়। ২০০৭-০৮ অর্থবছরে সুদ বাবদ ব্যয় ৩৫ দশমিক দুই শতাংশ বেড়ে যায়। তারও আগে ২০০৬-০৭ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের সুদ পরিশোধ বাবদ ব্যয় সাত হাজার ৬৩৭ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হলেও সে বছর সুদ পরিশোধ বাবদ সরকারকে ব্যয় করতে হয়েছিল নয় হাজার ১৫৪ কোটি টাকা।

আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক ‘ডেবট সাসটেইনবিলিটি এনালাইসিস (ডিএসএ) ২০০৮’ বা ‘ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা বিশ্লেষণ’ নামের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের বর্তমান অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ পরিস্থিতি এবং ২০ বছরে অর্থাৎ ২০২৮ সাল পর্যন্ত নতুন ঋণ গ্রহণের সম্ভাব্যতা অনুমান করে ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা পরিমাপ করে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা উত্তরোত্তর হ্রাস পাচ্ছে।

আইএমএফের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের সক্ষমতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ঝুঁকি বেড়েছে। তবে বৈদেশিক ঋণের সঙ্গে বিপুল পরিমাণ অভ্যন্তরীণ ঋণ বিবেচনায় নিলে ঋণ পরিশোধের সক্ষমতার বিচারে বাংলাদেশ ঋণদায়গ্রস্ত দেশে পরিণত হওয়ার উঁচু ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে অর্থাৎ সঞ্চয়পত্র, বিভিন্ন ট্রেজারি বিল এবং সরাসরি ব্যাংকব্যবস্থা থেকে উচ্চসুদে ঋণ নিয়ে থাকে। এসব ঋণের সুদ পাঁচ থেকে ১২ শতাংশ পর্যন্ত। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ২০০৮ সালের জুন পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সরকারের পুঞ্জীভূত ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯৪ হাজার ৬৪১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ ৪৮ হাজার ৪৮৪ কোটি টাকা এবং ব্যাংকবহির্ভূত উৎস বা সঞ্চয়পত্র বিক্রি থেকে মোট ঋণের পরিমাণ ৪৬ হাজার ১৫৭ কোটি টাকা।

অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সরকার অভ্যন্তরীণ খাত থেকে ঋণ নিতে বাধ্য হয়। অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন উৎস থেকে উচ্চসুদে ও বেশি পরিমাণে ঋণ গ্রহণের ফলে অগ্রাধিকারভিত্তিক উন্নয়ন খাতে অর্থায়ন করতে পারছে না সরকার। এ খাতে সরকারের ঋণ প্রকৃতপক্ষে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে।

এদিকে সরকারের ঋণনির্ভরতা ও ঋণ পরিষেবার পরিমাণ অত্যধিক বেড়ে যাওয়ায় জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলসংক্রান্ত অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (এসকাপ) এক প্রতিবেদনে বলেছে, এর ফলে বাংলাদেশের অথনৈতিক নীতিনির্ধারণ মারাত্মক চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়ে গেছে। সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের প্রতি অতিমাত্রায় নির্ভরশীল হয়ে পড়ায় বাংলাদেশ আর্থিক, মুদ্রা এবং বিনিময় হারসংক্রান্ত সামষ্টিক অর্থনীতির নীতিগুলো স্বাধীনভাবে প্রণয়ন করতে পারে না। ফলে সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্যবিমোচন ও সামাজিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। প্রতিবেদনে এসকাপ হুশিয়ার করে দিয়ে বলেছে, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের ব্যর্থতার ঝুঁকি বাংলাদেশের ক্রমেই বাড়ছে। বৈদেশিক ঋণ ও সুদ পরিশোধের বাড়তি বোঝা থেকে মুক্ত হতে বাংলাদেশকে বাজেট ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পরামর্শ দিয়েছে এসকাপ।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) এক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, জ্বালানি তেল ও সার খাতে ভর্তুকির অর্থসংস্থান করতে চলতি বছর সরকারের বাজেট ঘাটতি আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। সিপিডি মনে করে, অর্থনীতিতে নানা অভিঘাতের কারণে সরকারকে হয়তো আরো দুই-তিন বছর উচ্চ বাজেট ঘাটতি রাখতে হবে। উচ্চ বাজেট ঘাটতির বর্তমান প্রবণতার রাশ টেনে ধরার পরামর্শ দিয়েছে সিপিডি। তা না হলে উচ্চ বাজেট ঘাটতি দেশের অর্থনীতিকে একটি দুষ্ট ঋণচক্রের মধ্যে ফেলে দেবে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে বাজেট ঘাটতি হ্রাস করে ঋণনির্ভরতার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে বাংলাদেশকে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। [সাপ্তাহিক বুধবার থেকে]

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: