They are the unconquerable army of beggars — seeking alms all day and night, living in Dhaka


Rich pickings for beggars in Dhaka
By Mizan Rahman/Dhaka

Beggars in Dhaka city

With Eid-al Fitr knocking at the door, it is hard not to stumble into them at every nook and corner of the Bangladesh capital.
They are the unconquerable army of beggars — seeking alms all day and night, living in Dhaka.   

While there are long queues of eager shoppers, beggars are going through a purple patch during Ramadan.  It is not only the regular beggars who are  having the time of their lives, but also about 100,000 more “seasonal beggars” who have migrated to the capital from different parts of Bangladesh to reap whatever profits from the ancient “business.”
And, indeed, they all are making a quick buck!
“For the past couple of days, I have earned about 300-500 taka ($4-$7) every day. Last Friday, I got about 800 taka ($10)”, said Monu, a beggar with a crippled leg, in front of the Eidgah mosque at Dhanmondi.
He said he has been begging for the past 14 years.
“I used to work as a porter at the Tongi rail station. But after I lost my leg in an accident, I beg in the vicinity of Monesswar Rai road in Jhigatola. But, during Ramadan, I roam around from mosque to mosque, especially during the prayer time as it is the ideal time to earn some money,” he added.
Dhaka’s mosques have become favourite haunts for most beggars. Amzad Mia, another beggar, in front of the post office mosque of Jhigatola, said  securing a place in front of mosques is not an easy task. “You have to grease the palm of our ‘sardar’ (headman) for that,” he added.
“We share a percentage of our alms with the ‘sardar’. Otherwise we wouldn’t get a place in front of the mosque during the prayer time,” Amzad said, without revealing the identity of the ‘sardar’.
This correspondent, however, found this ‘sardar’ with the name of  Suruj Ali. “New beggars don’t know the rules around here, they irritate people. I just try to teach them some manners,” he said nonchalantly.
“Especially, during Ramadan, a large number of people try to create problems in front of mosques. We try to maintain discipline, while giving priority to local beggars,” he added.
Rozi, a woman with a child suffering from severe malnutrition, is one of those people the ‘sardar’ was talking about. It seems that she is not doing well amid other beggars.
“I will go back to my village after Eid. As my husband has abandoned me, I am left with no choice but to beg,” she said
As the fiesta of Eid shopping has reached its prime, market places and shopping malls are filled with customers.
Beggars have found a perfect location in front of such market places. Salman Shah, an eight-year-old boy, was found holding a bundle of notes in front of New Market.
“I came with my mother and sister from Tongi. They are doing their rounds at different places. We will meet at night,” he said.
Nur Islam, a one-legged beggar with a long beard, has become a familiar face at the High Court mazar. He is the leader of the local beggar’s association and has been in the “trade” for the past 25 years.
“We have over 500 beggars under this association, 75 of them are physically disabled,” he said.
He told this correspondent that more than 100,000 beggars come to Dhaka from villages during Ramadan. Half of them, he claimed, are brought by “fraud groups” on contract.
“The crippled are in great demand for these fraudsters as they can draw instant sympathy.  Beggars are also trained by the group to commit organised crimes,” he added.
Islam’s claim perhaps explains why more than 1,200 of 1,980 seats of the five beggars’ rehabilitation centres of the capital remain vacant during Ramadan.
“Masudur Rahman, Assistant Deputy Commissioner of Dhaka Metropolitan Police (DMP), said: “We are keeping an eye on beggars to prevent them from becoming engaged in criminal activities. But we don’t have any plan to evict them as yet.”

‘ফেসবুকের বাইরে মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন সব উত্তেজনাকর প্রবণতার বিষয় মাথায় রেখে নতুন কোম্পানি শুরু করার এটাই সঠিক সময়।


র্যান্ডি জুকারবার্গ

লেখক: প্রাঞ্জল সেলিম  |  শুক্র, ২৬ অগাষ্ট-এ ২০১১, ১১ ভাদ্র ১৪১৮

সামাজিক যোগাযোগের সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় ওয়েব ফেসবুকের বিপনন বিভাগের পরিচালক ও প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গের বোন রান্ডি জুকারবার্গ পদত্যাগ করেছেস। টানা ৬ বছর এই পদে চাকরি করার পর তিনি তার পদ থেকে পদত্যাগ করলেন। তিনি চান এমন একটি ওয়েব মাধ্যম, যা কিনা ফেসবুকের চেয়ে বেশি ‘সামাজিক’ হবে। পদত্যাগের সময় তিনি বলেছেন ‘ফেসবুকের বাইরে মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন সব এক্সাইটিং ভাবনার বিষয় মাথায় রেখে নতুন কোম্পানি শুরু করার সময় এখন। সেই চিন্তা করেই এগিয়ে চলছেন মার্ক জুকারবার্গের বড় বোন র্যাান্ডি জুকারবার্গ। তাকে নিয়ে লিখেছেন প্রাঞ্জল সেলিম

বিশ্বের সবচেয়ে কমবয়সী বিলিয়নিয়ার, যিনি বিশ্বের কোটি কোটি মানুষকে এক সুতোয় গেঁথেছেন। ১৯৮৪ সালের ১৪ মে নিউ ইয়র্কের হোয়াইট প্লেইনস গ্রামে জন্ম মার্কের। বাবা এডওয়ার্ড দন্ত চিকিত্সক। মা কারেন একজন মনোরোগ চিকিত্সক। মার্ক ছাড়াও এডওয়ার্ড-কারেন দম্পতির ঘরে আছে তিন মেয়ে রান্ডি, ডোনা ও এরিলি। ছেলেমেয়েদের লালন-পালন করেছেন গাঁয়ে, নিউইয়র্কের ডোবস ফেরিতে। শৈশব থেকেই মার্ক পড়াশোনা ও কাজকর্মে ছিলেন চৌকস। কৈশোরেই ইংরেজির পাশাপাশি ফরাসি, হিব্রু, লাতিন ও প্রাচীন গ্রিক ভাষায় কথা বলা ও লেখা শিখে যান মার্ক। কম্পিউটারের প্রতি ঝোঁক দেখে ছেলেকে নিজেই প্রোগ্রামিং শেখানো শুরু করেন এডওয়ার্ড। সে ১৯৯০ সালের কথা। মার্ক তখন ছয় বছরের শিশু। তখনই তাকে আটারি বেসিক প্রোগ্রামিংয়ের ওপর পড়ানো শুরু করেন এডওয়ার্ড। পরে একজন গৃহশিক্ষক (সফটওয়্যার নির্মাতা) রেখে দেন। ডেভিড নিউম্যান নামের ওই শিক্ষক জুকারবার্গকে ‘বিস্ময় বালক’ স্বীকার করতে দ্বিধা করেননি। যোগাযোগের কম্পিউটার প্রোগ্রাম এবং ভিডিও গেম নিয়ে আগ্রহ ছিল জুকারবার্গের। বাবার রোগী দেখার চেম্বার আর বাড়ির গুটিকতক কম্পিউটারের জন্য একটি প্রোগ্রাম বানান জুকারবার্গ। নাম দেন ‘জাকনেট’। এর সাহায্যে ব্যবহারকারীরা সহজেই একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারতেন। মাধ্যমিকে পড়ার সময় ‘সিনাপস মিডিয়া প্লেয়ার’ নামের একটি মিউজিক প্লেয়ার বানান খুদে এই প্রতিভা। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী বা শ্রোতার রুচি সম্পর্কে ধারণা নেওয়া যেত। মাইক্রোসফট ও এওল সফটওয়্যারটি কেনার আগ্রহ দেখায়। মার্ককে চাকরিরও প্রস্তাব দেয়। কিন্তু মার্ক সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং সফটওয়্যারটি আরও উন্নত করতে স্কুল পর্যন্ত ছেড়ে দেন। পরে পড়াশোনা করতে চলে যান হার্ভার্ডে। হার্ভার্ডে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও মনোবিজ্ঞানের ওপর পড়াশোনা শুরু করেন জুকারবার্গ। দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় সহায়ক ‘কোর্সম্যাচ’ নামের একটি সফটওয়্যার তৈরি করেন। কলেজের সুদর্শন তরুণ-তরুণী বাছাই করতে অল্পদিনের মাথায় ‘ফেসম্যাশ’ নামের আরেকটি সফটওয়্যার বানান মার্ক। ছবি দেখে আবেদনময় তরুণ-তরুণী বাছাইয়ের হিড়িক পড়ে যায় গোটা কলেজে। এতে কলেজের ওয়েব সার্ভারে বাড়তি চাপ পড়ে। কর্তৃপক্ষ সাইটটি বন্ধ করে দেয়। শিক্ষার্থীরা দাবি তুললেন, ওই রকম একটি ওয়েবসাইট তাদের চাই। যেখানে শিক্ষার্থীদের নাম, ঠিকানা, ছবি ও তাদের সঙ্গে যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য থাকবে। এ কথা শুনে মার্ক প্রতিজ্ঞা করেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ করে না দিলে তিনি নিজে শিক্ষার্থীদের জন্য এমন একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন। সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে গিয়েই জুকারবার্গের হাতে জন্ম নেয় পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বৃহত্তম সামাজিক যোগাযোগের সাইটটি। ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হার্ভার্ডের ডরমিটরিতে ফেসবুকের উদ্বোধন করেন জুকারবার্গ। এই প্রকল্পে তার সাথে যুক্ত হন তার বড় বোন র্যান্ডি জুকারবার্গ। ফেসবুককে আরও প্রমোট করার জন্য ছিল তাদের এই উদ্যোগ। তবে সম্প্রতি একটি খবরে জানা গেছে, অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই মাধ্যম ফেসবুকের বিপণন পরিচালক ও এর প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গের বোন র্যান্ডি জুকারবার্গ পদত্যাগ করেছেন। এককভাবে ফেসবুকের মতো বা এর চেয়ে উন্নত একটি মাধ্যম চালু করার উদ্দেশে র্যান্ডি পদত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। র্যান্ডি ফেসবুকে টানা ৬ বছর চাকরি করার পর প্রতিষ্ঠানটি থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। তার পরিকল্পনা সামাজিক যোগাযোগের এমন একটি মাধ্যম তৈরি করা যা ফেসবুকের চেয়ে বেশি ‘সামাজিক’ হবে। পদত্যাগ পত্রে ফেসবুকে নিজের অর্জন সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণসহ র্যান্ডি লিখেছেন, ‘ফেসবুকের বাইরে মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন সব উত্তেজনাকর প্রবণতার বিষয় মাথায় রেখে নতুন কোম্পানি শুরু করার এটাই সঠিক সময়।’ তার নতুন কোম্পানির নাম আরটুজেড মিডিয়া হতে পারে। একটি সূত্রে জানা যাচ্ছে, ফেসবুক থেকে তিন মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি নেয়ার পরই র্যান্ডি তার ক্যারিয়ার নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করেন। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ র্যান্ডির পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তার নতুন কোম্পানি শুরু করার বিষয়টিও তারা নিশ্চিত করেছে। তবে এ ব্যাপারে র্যান্ডির ভাই মার্ক জুকারবার্গ কোনো মন্তব্য করেননি। রান্ডি বলেন, ‘ইন্টারনেটে সার্ফিং এবং বিভিন্ন বিষয় পোস্ট করার সময় নিজের আসল নাম ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা থাকলে ব্যবহারকারীরা আরও অনেক ভালো ব্যবহার করতেন।’ ইন্টারনেটে উত্ত্যক্ত করার বিষয়ে একটি গোল টেবিল বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন। বেনামে ইন্টারনেট ব্যবহার বন্ধ করলে অনলাইনে বিরক্ত ও হয়রানি করার প্রবণতা অনেকাংশে কমে যাবে বলে মত দেন তিনি। এর অবসান হওয়া উচিত বলে মনে করেন রান্ডি। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি মানুষ যখন আসল নাম ব্যবহার করে তখন সে ভালো ব্যবহার করে। কিন্তু বেনামে বা নকল নামে কোনো মাধ্যমে সে নিজেকে যেকোনো কিছু করার ক্ষেত্রে অনেক নিরাপদ মনে করে।’ অবশ্য র্যান্ডির আগে গুগলের সাবেক প্রধান নির্বাহী এরিক স্মিথ এমন মন্তব্য করেন। সম্প্রতি ব্যক্তিগত গোপনীয়তার নিশ্চয়তা দিতে এবং অন্যের দ্বারা ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় ফেসবুক ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়েছে। http://new.ittefaq.com.bd/news/view/38262/2011-08-26/36

Visit us on FaceBook

একুশ নিউজ মিডিয়া এখন ফেস বুক এ Video News: www.EkushTube.com

দেশের বাজারে গত দুই সপ্তাহে স্বর্ণের দাম বাড়ল চার দফা। আর গত ছয় মাসে বাড়ল ১৪ বার


আজ থেকে স্বর্ণের ভরি সাড়ে ৬৩ হাজার টাকা
মহিউদ্দিন নিলয়

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরেক দফা বাড়ল। গত ১৯ আগস্ট ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম প্রতি ভরিতে ১ হাজার ২০০ টাকা বাড়ানো হলেও আজ বাড়ছে ২ হাজার ৫০৭ টাকা। মজুরি ও ভ্যাট যোগ হয়ে আজ থেকে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে সাড়ে ৬৩ হাজার টাকা।
দেশের ইতিহাসে একের পর এক রেকর্ড ছাড়িয়ে যাচ্ছে স্বর্ণের দাম। এনিয়ে দেশের বাজারে গত দুই সপ্তাহে স্বর্ণের দাম বাড়ল চার দফা। আর গত ছয় মাসে বাড়ল ১৪ বার।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জুয়েলার্স সমিতির শীর্ষ এক নেতা জানান, আজ থেকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ৫৭ হাজার ৭৯৫ টাকা। সমিতির মূল্য অনুযায়ী এর আগের দাম ছিল ৫৫ হাজার ২৮৮ টাকা। ভরিতে বেড়েছে ২ হাজার ৫০৭ টাকা।
একাধিক জুয়েলারি শোরুমে কথা বলে জানা গেছে, এর সঙ্গে মজুরি হিসেবে প্রতি গ্রাম ২৫০ টাকা করে ভরিতে খরচ পড়বে ২ হাজার ৯১৫ টাকা। এর সঙ্গে যোগ হবে ভ্যাট। গতকালও পুরনো হিসেবে ১ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট নেয়া হয়েছে। কিন্তু সরকার ঘোষিত নতুন আইন অনুযায়ী ৪ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট আজ থেকেই চালু করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন জুয়েলার্স সমিতির ওই শীর্ষ নেতা। এ হিসাবে আজ থেকে প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ৬৩ হাজার ৪১০ টাকায়।
সমিতির ওই নেতা জানান, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ৫৫ হাজার ২২৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪৮ হাজার ৪৬৩ টাকা ও সনাতনি স্বর্ণ ৩৬ হাজার ৭৪১ টাকায় বিক্রি হবে। ২২ ক্যারেটে ২ হাজার ৫০৭ টাকা বাড়লেও ২১ ক্যারেটে ২ হাজার ৩৯৫ টাকা ও ১৮ ক্যারেটে ১ হাজার ৯২৪ টাকা বাড়ছে।
গতকাল শনিবার আমিন জুয়েলার্সের বসুন্ধরা শোরুমে জানতে চাওয়া হলে বিক্রেতা শাহাদাত বণিক বার্তাকে জানান, ভরিতে আড়াই হাজার টাকার মতো বাড়বে বলে শুনেছি। এখনো মূল্য তালিকা পাইনি। গতকালও তাদের শোরুমে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হয়েছে ৫৫ হাজার ৩০০ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫২ হাজার ৮০০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪০ হাজার ৫৩৯ টাকা ও সনাতনি স্বর্ণ ৩৫ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
এদিকে গতকালও বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স (২.৬৬ ভরি) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮৫০ থেকে ১ হাজার ৮৬০ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করেছে। এটি ১ হাজার ৯০০ ডলার পেরুলেই আবারও দাম বাড়ানো হবে দেশের বাজারে।
বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতেই দাম বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে জুয়েলার্স সমিতির ওই নেতা বলেন, দাম কার্যকর করার আগে আমরা ঘোষণা দিতে চাইছি না।
বিশ্ববাজারের হংকং, দুবাই, নিউইয়র্ক, লন্ডন, জুরিখ সর্বত্র প্রায় একই রকম দাম থাকলেও দেশে দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে দুবাইয়ের মূল্যকে হিসাব করা হয় বলে জানায় জুয়েলার্স সমিতি।
এদিকে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আগামীতে আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, আগামী বছর পর্যন্ত দাম বাড়ার এ ধারা অব্যাহত থাকবে।
আর স্থানীয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্ববাজারে দাম বাড়তে থাকলে স্থানীয় বাজারেও দাম বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে।
নিউমার্কেটের যমুনা জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী দীপক সাহা গতকাল বলেন, এখন তো ঘন ঘন দাম বাড়ানো হচ্ছে। এ দাম যে কোথায় গিয়ে ঠেকবে তা বলতে পারছি না। এক দিন আগে দাম বাড়ানো হয়েছে এখন আবার আরও বেশি বাড়ানোর কথা শুনছি। দাম বৃদ্ধির কোনো তালিকা তাদের হাতে পৌঁছেনি।

Visit us on FaceBook

একুশ নিউজ মিডিয়া এখন ফেস বুক এ Video News: www.EkushTube.com

উচ্চ হারে কমিশন আদায়: প্রবাসীদের আয়ের একটা বড় অংশ বেরিয়ে যাচ্ছে। ডলারের দাম স্বাভাবিক হয়ে আসছে


ডলারের দাম স্বাভাবিক হয়ে আসছে
সাকিব তনু

টাকার বিপরীতে ডলারের দাম স্বাভাবিক হয়ে আসছে। দেশের মুদ্রাবাজারে ডলারের দামের যে ঊর্ধ্বগতি শুরু হয়েছিল, তা অনেকটাই থেমে গেছে। বাণিজ্য ঘাটতিও অনেকটা কমে এসেছে। রেমিট্যান্স প্রবাহ ভালো হওয়ায় মুদ্রাবাজারে ডলারের দাম স্থিতিশীল হয়ে আসছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বণিক বার্তাকে বলেন, বাজারে এখন ডলারের চাহিদা কমে এসেছে। আমদানি অনেক কমেছে। এ ছাড়া এলসিও কম খোলা হচ্ছে। প্রবাসীরাও ভালো পরিমাণে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন। তাই চাপ না থাকার কারণে ডলারের দাম স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। ঈদের পর বোঝা যাবে প্রকৃত অবস্থা। তবে বর্তমানে নতুন করে কোনো বিনিয়োগ না থাকার কারণেও ডলারের দাম স্বাভাবিক হয়ে এসেছে বলে মনে করেন তিনি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য মতে, ২০০৯-১০ অর্থবছরের ৩০ জুলাই ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার ছিল ৬৯ টাকা ৬ পয়সা। আর ২০১০-১১ অর্থবছরের একই দিন ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ৬৯ টাকা ৪২ পয়সা। চলতি (২০১১-১২) অর্থবছরে ৩০ জুলাই প্রতি ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার বেড়ে দাঁড়ায় ৭৪ টাকা ৭৫ পয়সা। গত ১৮ আগস্ট বিনিময় হার ছিল ৭৪ টাকা ৭০ পয়সা।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শুধু এ বছর জানুয়ারি থেকে জুনেই ডলারের দাম বেড়েছিল ৩ টাকা শূন্য ৪ পয়সা। এ বছরের ৩ জানুয়ারি ১ ডলারের বিপরীতে টাকার দাম ছিল ৭১ টাকা ১৫ পয়সা। ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৭১ টাকা ৩০ পয়সা। মার্চে বেড়ে দাঁড়ায় ৭২ টাকা ৭৭ পয়সা। এপ্রিলে ছিল ৭২ টাকা ৯৫ পয়সা। মে মাসে ছিল ৭৩ টাকা ৪৯ পয়সা। জুনে বেড়ে দাঁড়ায় ৭৪ টাকা ১৯ পয়সা। জুলাইয়ে তা হয় ৭৪ টাকা ৭৫ পয়সা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য মতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ২৩ কোটি ৩৯ লাখ ৫২ হাজার ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ২৮ দশমিক ৭০ শতাংশ বেশি। এদিকে জুনে আমদানি করা হয়েছে ২৯ কোটি ১০ লাখ ৪০ হাজার ডলারের পণ্য। আগের অর্থবছরে একই সময়ের তুলনায় যা ৩২ দশমিক ২৮ শতাংশ বেশি। এ বছরের জুনে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের (রেমিট্যান্স) পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ১০৩ কোটি ৮৯ লাখ ডলার। মে মাসে যা ছিল ৯৯ কোটি ৮৪ লাখ ডলার। আর ১ থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছে ৪৫ কোটি ৯৪ লাখ ডলার।
বিশ্ববাজারে ডলারের দাম যখন কমতির দিকে, তখন বাংলাদেশে ছিল উঠতির দিকে। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদেরও এ কারণে বৈদেশিক পণ্যের মূল্য পরিশোধে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হয়। ফলে বেড়ে যায় পণ্যমূল্য। সে সময় বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছিল, বাণিজ্য ঘাটতির কারণেই ডলারের দাম বেড়ে যাচ্ছে। বর্তমানে আমদানি-রফতানিতে ভারসাম্য আসায় তা ডলারের দামে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

উচ্চ হারে কমিশন নিচ্ছে রেমিট্যান্স প্রেরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো
সুমন আফসার

রেমিট্যান্স পাঠানোর মাধ্যম হিসেবে কাজ করা বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানই উচ্চ হারে কমিশন আদায় করছে বলে জানা গেছে। এতে প্রবাসীদের আয়ের একটা বড় অংশ বেরিয়ে যাচ্ছে। কানাডাভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান অ্যাসোসিয়েশন অব কমিউনিটি অর্গানাইজেশন ফর রিফর্ম নাউ (এসিওআরএন) পরিচালিত এক গবেষণা থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
কানাডার টরন্টোতে কাজ করছেন বাংলাদেশী মোহাম্মদ রাসেল। বাংলাদেশে তার ছয় স্কুলগামী ভাইবোনসহ আরও দুই আত্মীয়ের জন্য নিয়মিত টাকা পাঠাতে হয়। তিন মাস অন্তর তিনি একবার টাকা পাঠান। তার আবাসস্থলের পাশে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের শাখা থেকে এ টাকা পাঠান তিনি। প্রতিবার ১০০ মার্কিন ডলার (প্রায় ৭ হাজার ৪০০ টাকা) করে পাঠান রাসেল। এর জন্য প্রতিবারই ১১ ডলার (৮১৪ টাকা) করে কমিশন দিতে হয় ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নকে। আর সেলফোনের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে চাইলে আরও ৬ টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করতে হবে তার।
ওয়্যারহাউসে কাজ করা ৩২ বছর বয়সী মোহাম্মদ রাসেল বলেন, রেমিট্যান্স প্রেরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর আদায় করা কমিশনের হার অনেক বেশি। এটি কমিয়ে আনা হলে প্রবাসীদের জন্য ভালো হতো। তাদের বেশকিছু অর্থ সাশ্রয় হতো।
এসিওআরএন কানাডা সম্প্রতি একটি প্রচারাভিযান শুরু করেছে, যেখানে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের আদায় কমিশনের ব্যাপারে প্রচারণা চালাচ্ছে তারা। এ ক্ষেত্রে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নকে বেছে নেয়ার উদ্দেশ্য হলো, রেমিট্যান্স প্রেরণকারী এ প্রতিষ্ঠানটির বিশ্বব্যাপী নেটওয়ার্ক রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি এ ক্ষেত্রে প্রায় ১৭ শতাংশ বাজার দখলে রেখেছে।
এসিওআরএনর প্রেসিডেন্ট কেই বিশ্বনাথ বলেন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য যে অর্থ আদায় করছে, তা অনেকের কাছে বেশি বলে জানা গেছে। প্রতিষ্ঠানটি ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের কাছে কমিশনের হার ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার আবেদন করেছে।
বিশ্বনাথ বলেন, বিশ্বব্যাংকের উপদেশের আলোকে এ হার নির্ধারণের জন্য বলছে এসিওআরএন। বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর ৩২ হাজার কোটি ডলারের অর্থ প্রবাহের কারণে বিশ্বব্যাংক এ নির্দেশনা দিয়েছে। প্রায় ২১ কোটি ৫০ লাখ প্রবাসী উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এ অর্থ পাঠান। জানা গেছে, এর মধ্যে শুধু কানাডা থেকে অর্থ প্রবাহের পরিমাণ ৭৫০ কোটি ডলার।
ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন ছাড়াও দেশে রেমিট্যান্স প্রেরণে আরও কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এগুলোর মধ্যে মানিগ্রাম, এক্সপ্রেস মানি উল্লেখযোগ্য।
এসিওআরএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অঞ্চল ও সেবা ভেদে মানিগ্রামের মাধ্যমে প্রতি ১০০ ডলার পাঠাতে গড়ে ৩ দশমিক ৭০ থেকে ১৩ দশমিক ২৬ ডলার ব্যয় হয়। এইচএসবিসির মাধ্যমে সমপরিমাণ অর্থ পাঠাতে ব্যয় হয় ৪০ দশমিক ১৮ থেকে ৫০ দশমিক ৮৪ ডলার। আর ১০০ ডলার পাঠাতে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন কমিশন নিচ্ছে ১৩ দশমিক ৪৭ থেকে ২১ দশমিক ৭ ডলার।
বিশ্বনাথ জানান, কমিশন আদায়ের ক্ষেত্রে কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানগুলো আরও কিছু অদৃশ্য খাতে অর্থ আদায় করছে তাদের গ্রাহকের কাছ থেকে। গ্রাহকের অজান্তে আদায় করা হচ্ছে এ অর্থ। কোনো বিকল্প না থাকায় প্রবাসীরা বাধ্য হয়ে উচ্চ হারে কমিশন দিচ্ছেন।
বিশ্বব্যাপী ৪ লাখ ৭০ হাজার এজেন্টের মাধ্যমে সেবা দিচ্ছে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন। প্রতিষ্ঠানটির দাবি অনুযায়ী, গত ১০ বছরে রেমিট্যান্স প্রেরণে কমিশনের হার অনেকটাই কমে এসেছে। তাদের মতে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি, পরিচালনাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও নতুন পণ্যের কারণে কমিশনের হার কমেছে।
ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের এক মুখপাত্র জানান, ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের সেবার ওপর গ্রাহকের আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। দ্রুত, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য অর্থ স্থানান্তরের জন্য ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন যে পরিচিতি লাভ করেছে, তা গ্রাহকের কারণেই। গ্রাহকের কাছে কমিশন প্রদানের বিষয়টি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের সেবার মানও তাদের কাছে সমান গুরুত্ব বলে জানান তিনি।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অর্থ পাঠানোর স্থান অনুযায়ী কমিশনের হার নির্ধারিত হয়। বিশ্বব্যাপী রেমিট্যান্স সেবার ক্ষেত্রে তাদের প্রশাসনিক ব্যয় মূল অর্থের প্রায় ৫ থেকে ৬ শতাংশ।
http://bonikbarta.com/2011-08-21/news/details/4374.html

একুশ নিউজ মিডিয়া এখন ফেস বুক এ

একুশ নিউজ মিডিয়া এখন ফেস বুক এ Video News: www.EkushTube.com Visit us on FaceBook

প্রবাসীরাও ভালো পরিমাণে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন…


ডলারের দাম স্বাভাবিক হয়ে আসছে
সাকিব তনু

টাকার বিপরীতে ডলারের দাম স্বাভাবিক হয়ে আসছে। দেশের মুদ্রাবাজারে ডলারের দামের যে ঊর্ধ্বগতি শুরু হয়েছিল, তা অনেকটাই থেমে গেছে। বাণিজ্য ঘাটতিও অনেকটা কমে এসেছে। রেমিট্যান্স প্রবাহ ভালো হওয়ায় মুদ্রাবাজারে ডলারের দাম স্থিতিশীল হয়ে আসছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বণিক বার্তাকে বলেন, বাজারে এখন ডলারের চাহিদা কমে এসেছে। আমদানি অনেক কমেছে। এ ছাড়া এলসিও কম খোলা হচ্ছে। প্রবাসীরাও ভালো পরিমাণে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন। তাই চাপ না থাকার কারণে ডলারের দাম স্বাভাবিক হয়ে এসেছে। ঈদের পর বোঝা যাবে প্রকৃত অবস্থা। তবে বর্তমানে নতুন করে কোনো বিনিয়োগ না থাকার কারণেও ডলারের দাম স্বাভাবিক হয়ে এসেছে বলে মনে করেন তিনি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য মতে, ২০০৯-১০ অর্থবছরের ৩০ জুলাই ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার ছিল ৬৯ টাকা ৬ পয়সা। আর ২০১০-১১ অর্থবছরের একই দিন ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার দাঁড়িয়েছে ৬৯ টাকা ৪২ পয়সা। চলতি (২০১১-১২) অর্থবছরে ৩০ জুলাই প্রতি ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার বেড়ে দাঁড়ায় ৭৪ টাকা ৭৫ পয়সা। গত ১৮ আগস্ট বিনিময় হার ছিল ৭৪ টাকা ৭০ পয়সা।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, শুধু এ বছর জানুয়ারি থেকে জুনেই ডলারের দাম বেড়েছিল ৩ টাকা শূন্য ৪ পয়সা। এ বছরের ৩ জানুয়ারি ১ ডলারের বিপরীতে টাকার দাম ছিল ৭১ টাকা ১৫ পয়সা। ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৭১ টাকা ৩০ পয়সা। মার্চে বেড়ে দাঁড়ায় ৭২ টাকা ৭৭ পয়সা। এপ্রিলে ছিল ৭২ টাকা ৯৫ পয়সা। মে মাসে ছিল ৭৩ টাকা ৪৯ পয়সা। জুনে বেড়ে দাঁড়ায় ৭৪ টাকা ১৯ পয়সা। জুলাইয়ে তা হয় ৭৪ টাকা ৭৫ পয়সা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য মতে, চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ২৩ কোটি ৩৯ লাখ ৫২ হাজার ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যা ২৮ দশমিক ৭০ শতাংশ বেশি। এদিকে জুনে আমদানি করা হয়েছে ২৯ কোটি ১০ লাখ ৪০ হাজার ডলারের পণ্য। আগের অর্থবছরে একই সময়ের তুলনায় যা ৩২ দশমিক ২৮ শতাংশ বেশি। এ বছরের জুনে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থের (রেমিট্যান্স) পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ১০৩ কোটি ৮৯ লাখ ডলার। মে মাসে যা ছিল ৯৯ কোটি ৮৪ লাখ ডলার। আর ১ থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছে ৪৫ কোটি ৯৪ লাখ ডলার।
বিশ্ববাজারে ডলারের দাম যখন কমতির দিকে, তখন বাংলাদেশে ছিল উঠতির দিকে। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদেরও এ কারণে বৈদেশিক পণ্যের মূল্য পরিশোধে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হয়। ফলে বেড়ে যায় পণ্যমূল্য। সে সময় বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছিল, বাণিজ্য ঘাটতির কারণেই ডলারের দাম বেড়ে যাচ্ছে। বর্তমানে আমদানি-রফতানিতে ভারসাম্য আসায় তা ডলারের দামে প্রভাব ফেলেছে বলে মনে করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে ভঙ্গুরাবস্থা বিরাজ করছে।


ভয়াবহ মন্দার দিকে যাচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতি

যুক্তরাষ্ট্রের দোদুল্যমান অর্থনীতি নিয়ে উদ্বেগ ও ইউরো অঞ্চলের ঋণসংকট বিশ্ববাজারকে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলে দিয়েছে। ১৭ আগস্ট প্রকাশিত মরগান স্ট্যানলির প্রতিবেদন ভিন্ন কিছু বলেনি। খবর ইকোনমিক টাইমসের।
মরগান স্ট্যানলির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি বড় হতাশাজনক। সংকট বিষয়ে ইউরোপের সাড়া যথেষ্ট নয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঋণসীমা বাড়ানো নিয়ে ঘটনাগুলো আর্থিক বাজারের ওপর ফেলেছে ঋণাত্মক প্রভাব। এর ফলে ভোক্তাদের আত্মবিশ্বাস কমে গেছে আর ব্যবসাও হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত। চলতি বছরের প্রথমার্ধে যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপি বার্ষিক গড় হারে বেড়েছে ১ শতাংশেরও কম, যা প্রমাণ করে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে ভঙ্গুরাবস্থা বিরাজ করছে।
অপরদিকে ইউরোপের পূর্ববর্তী হার বৃদ্ধি, ঋণসংকট ও আর্থিক নীতিমালা কঠোর করা প্রবৃদ্ধিকে ক্ষতির মুখে ফেলবে। ইউরো অঞ্চলের জিডিপি এ বছরের শেষ ও ২০১২ সালের শুরুর দিকে অপরিবর্তিত থাকবে। এরূপ উন্নয়নের কারণে মরগান স্ট্যানলি চলতি বছরের জন্য বিশ্বব্যাপী প্রবৃদ্ধি অনুমান ৪ দশমিক ২ শতাংশ থেকে ৩ দশমিক ৯ শতাংশে কমিয়ে এনেছে। ২০১২ সালের জন্য প্রবৃদ্ধি অনুমান কমানো হয়েছে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ৩ দশমিক ৮ শতাংশ পর্যন্ত। এ প্রতিবেদনে বিভিন্ন অঞ্চল সম্পর্কে মরগান স্ট্যানলির দৃষ্টিভঙ্গি বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
উপার্জন ও ব্যয়ের ধীরগতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবৃদ্ধি আকাঙ্ক্ষার অবনমন ঘটানো হয়েছে। বিনিয়োগ ও নিয়োগ বিষয়ে ব্যবসায়ের আগ্রহ নিয়ে উদ্বেগও অন্যতম কারণ।
ইউরো অঞ্চলের জিডিপি প্রবৃদ্ধিবিষয়ক অনুমান এ বছর ও আগামী বছরের জন্য শতাংশের পুরোটাই কমানো হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোয় জাতীয় চাহিদার কমতির ভিত্তিতে এমনটি করা হয়েছে। এতে ইউরো অঞ্চলের পুরোটাই প্রভাবিত হবে, ম্যানুফ্যাকচারিং নির্দেশকগুলোর ধীরগতির ফলে বিশ্বব্যাপী ব্যবসার গতি ধীর হয়ে যাবে, ন্যায্য হারে অর্থায়নে প্রবেশাধিকার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো জটিলতার মুখোমুখি হবে, অর্থায়নবিষয়ক ব্যয়ের সম্ভাব্যতার সৃষ্টি হবে, যা বিনিয়োগ প্রকল্পগুলোকে প্রভাবিত করতে পারে।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের প্রবৃদ্ধি দুর্বল হলেও ইতিবাচক। অতিরিক্ত ধারণক্ষমতার অভাব ও বিশ্বব্যাপী স্ফীতির ফলে ২০১২ সাল ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের জন্য আরেকটি অস্বস্তিদায়ক বছর হবে।
দুর্বল বিশ্ব অর্থনীতি, ভূমিকম্প পরবর্তী পুনর্নির্মাণ কার্যক্রমে বিলম্ব, মধ্যবর্তী থেকে দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যুত্ চাহিদা ও সরবরাহে কঠোর শর্তের কারণে মরগান স্ট্যানলি জাপানের অর্থনৈতিক সম্ভাবনাবিষয়ক অনুমান কমিয়েছে। আর্থিক সম্পদগুলো ও করবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ এবং মূল্যস্ফীতিকরণ এ ক্ষেত্রে প্রধান ঝুঁকি।
অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কে বলা হয়েছে, দেশটিতে খনিবহির্ভূত খাতগুলোয় দুর্বলতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। মুদ্রা ও আর্থিক নীতি এবং বাড়ির দাম কমে যাওয়ার ফলে সম্পদের ওপর প্রতিকূল প্রভাব এর কারণ। ভোক্তা মনোভাব কয়েক মাস ধরে ব্যাপকভাবে কমেছে, যা বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধির আশঙ্কা বাড়াবে।
জাপান বাদে এশিয়ার অন্য দেশগুলোয় জিডিপি প্রবৃদ্ধি অনুমান ২০১১ সালে ৭ দশমিক থেকে ৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ২০১২ সালের জন্য ৭ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ দশমিক ৩ শতাংশে আনা হয়েছে। উন্নত বিশ্বে প্রবৃদ্ধির ধীরগতির প্রভাব পড়েছে এ অঞ্চলেও।
প্রতিবেদন অনুযায়ী কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান ও থাইল্যান্ডের মতো দেশগুলো তুলনামূলকভাবে চীন, ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার অর্থনীতির চেয়ে তাদের প্রবৃদ্ধি সম্পর্কিত দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।

[বণিক বার্তা ডেস্ক]

আরও ৩টি ব্যাংক বন্ধ হলো যুক্তরাষ্ট্রে

যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রক সংস্থা গত শুক্রবার আরও তিনটি ব্যাংক বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে দেশটিতে বন্ধ ব্যাংকের সংখ্যা এখন ৬৮। বন্ধ হয়ে যাওয়া ব্যাংকগুলোর মধ্যে আছে— ফ্লোরিডার পাম বিচের লাইডিয়ান প্রাইভেট ব্যাংক, জর্জিয়ার স্টেটসবরোর ফার্স্ট সাউদার্ন ন্যাশনাল ব্যাংক এবং ইলিয়নিসের ফার্স্ট চয়েস ব্যাংক। খবর রয়টার্সের।

তবে দ্য ফেডারেল ডিপোজিট ইন্স্যুরেন্স করপোরেশন (এফডিআইসি) আশা করছে গত বছরের ১৫৭টি ব্যাংক বন্ধের তুলনায় এ বছরের শেষের দিকে আরও কম ব্যাংক বন্ধ হবে। ২০০৯ সালে ১৪০টি ব্যাংক বন্ধ করা হয়েছিল। এদিকে চলতি বছর বেশিরভাগ ছোট ব্যাংক বন্ধ হওয়ার মধ্যে পড়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই বিদ্যমান অর্থমন্দার শিকার।
এফডিআইসি গত শুক্রবার বলেছে ফ্লোরিডার পাম বিচের লাইডিয়ান প্রাইভেট ব্যাংক বন্ধ হয়ে গেছে। তারা আরও বলেছে, ব্যাংকটির পাঁচটি শাখা আগামী সোমবার সাবাডেল ইউনাইটেড ব্যাংকের অধীনে নতুন করে চালু করা হবে। প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত লাইডিয়ান ব্যাংকের মোট সম্পদ ছিল ১৭০ কোটি ডলার এবং মোট জমার পরিমাণ ছিল ১২৪ কোটি ডলার। এফডিআইসি বলেছে, গত শুক্রবার জর্জিয়ার স্টেটসবরোর ফার্স্ট সাউদার্ন ন্যাশনাল ব্যাংক বন্ধ করা হয়েছে। শনিবার ব্যাংকটির দক্ষিণের হেরিটেজ ব্যাংকের শাখা হিসেবে আবার চালু হওয়ার কথা। ২০১১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ফার্স্ট সাউদার্ন ন্যাশনাল ব্যাংকের মোট সম্পদ ছিল ১৬ কোটি ৪৬ লাখ ডলার এবং মোট জমা ছিল ১৫ কোটি ৯৭ লাখ ডলার। ইলিয়নিসের ফার্স্ট চয়েস ব্যাংক অব জেনেভা গত শুক্রবার বন্ধ করা হয়েছে এবং ব্যাংকটির একমাত্র শাখা শনিবার ইনল্যান্ড ব্যাংক অ্যান্ড ট্রাস্টের একটি অংশ হিসেবে পুনরায় চালু করা হবে। এফডিআইসি জানিয়েছে ২০১১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ফার্স্ট চয়েস ব্যাংক অব জেনেভার মোট সম্পদ ছিল ১৪ কোটি ১০ লাখ ডলার এবং মোট জমা ছিল ১৩ কোটি ৭২ লাখ ডলার।

অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতির দায় স্বীকার করে নিলেন ওবামা
বণিক বার্তা ডেস্ক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অনেক নাগরিকই দেশটির প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার অর্থনৈতিক কার্যপ্রণালিতে সন্তুষ্ট নন। আর ওবামাও এর দায়দায়িত্ব স্বীকার করে নিয়েছেন। খবর ইকোনমিক টাইমসের।
গ্যালপ জরিপে দেখা যায়, ওবামার অর্থনীতি নিয়ে কার্যক্রমের ফলে তার জনপ্রিয়তা ২৬ শতাংশ কমে গেছে। দ্বিতীয় অর্থমন্দার ঝুঁকি এবং বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারে দরপতনের বিষয়টিও ওবামার ২০১২ সালের নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
গত সপ্তাহে সিবিএস নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে ওবামা বলেন, আমাদের দেশে বেকারত্বের হার এখনো অনেক বেশি। এমনকি অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির গতিও যথেষ্ট নয়। কিন্তু তার পরেও বলব, আমরা আসলে সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছি। যদি এই সিদ্ধান্তগুলো না নেয়া হতো তাহলে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হতো। তবে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না হলে এটি সন্তুষ্টির কোনো বিষয় নয়। আমি চাই আর একটি বছর আমাকে মূল্যায়ন করা হোক।
ওবামা দ্বিতীয় অর্থমন্দার আশঙ্কা দূর করে দিয়ে এই সাক্ষাত্কারে ইউরোপের ঋণসমস্যা, জাপানের সুনামি এবং আরবের সমস্যাগুলোই অর্থনৈতিক গতিকে বাধাগ্রস্ত করেছে বলে দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি না যে, আমাদের সামনে আরেকটি অর্থমন্দা আসছে। তবে আমরা সত্যিকারভাবেই বেকারত্বের সমস্যায় আছি। এ জন্য আমাদের অনেক বেশি কাজ করতে হবে।
এ সময় ওবামা কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনায় বাধা দেয়ার জন্য রিপাবলিকানদের দোষারোপ করেন। তিনি জাতীয় চাহিদা পূরণ করার জন্য তার রাজনৈতিক দলের অর্জনের বিষয়েও আলোচনা করেন।
এদিকে সম্প্রতি ম্যাসাচুয়েটসে মার্থা ভেনইয়ার্ডে অবকাশ যাপনকালে ওবামা কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাজেট ঘাটতি পরিকল্পনা করার অঙ্গীকার করেন। তিনি প্রত্যাশা করছেন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা কর মওকুফ আইনের সম্প্রসারণ করবে, যার মাধ্যমে অনেক কর্মক্ষেত্র তৈরি হবে এবং আফগানিস্তান ও ইরাক থেকে যুদ্ধফেরত সৈন্যদেরদেরও এখানে সুযোগ করে দিতে সাহায্য করবে।
ওবামার দীর্ঘ দিনের সহকারী ডেভিড এক্সলর্ড সিএনএনকে বলেন, আমি মনে করি কেউ কেউ ওয়াশিংটনকে নিয়ে খেলার চেষ্টা করছে। এই একটি বিষয়ই স্বচ্ছ রাজনীতির অনেক কার্যক্রম থেকে দূরে রেখেছে। এ কারণেই আমরা পেশাজীবী আমেরিকানদের কর মওকুফ সম্প্রসারণের মতো বিষয়ে একমত হতে পারছি না।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের আরেকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের উপদেষ্টা কার্ল রভ ওবামার অর্থনৈতিক পদক্ষেপের সমালোচনা করেন। ওবামা কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে অঙ্গীকার রক্ষা করবেন না উল্লেখ করে তিনি বলেন, তার পরিকল্পনা সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হবে। সম্ভবত আমরা সপ্তম অথবা অষ্টম বা নবমবারের মতো প্রেসিডেন্টের এই পরিকল্পনার কথা শুনলাম। প্রতিটি সময়েই তিনি এই বিষয়টি নিয়ে শুধু সময় অপচয় করেছেন। ফলে এটি আরও ব্যয়বহুল, আরও ঘাটতিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ এখন বিরক্ত হয়ে গেছে।
তার এই মতের পরিপ্রেক্ষিতে ওবামার আরেকজন সাবেক সহকারী বিল বার্টন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা প্রশাসনের এমন কারও পরামর্শ শুনতে চায় না, যারা নিজেরাই ব্যাপক ঘাটতির মধ্যে ছিল। এমনকি তারা আমাদের একটি যুদ্ধের মধ্যে রেখেছিল এবং নিউইয়র্কের শেয়ারবাজারকে জুয়ার আসরে পরিণত করেছিল, যা কখনোই আমরা করিনি।

Visit us on FaceBook

একুশ নিউজ মিডিয়া এখন ফেস বুক এ Video News: www.EkushTube.com

মন্দার হাওয়া জোরে বইছে বাংলাদেশ কি প্রস্তুত!


অর্থনীতি
মন্দার হাওয়া জোরে বইছে বাংলাদেশ কি প্রস্তুত!

লেখক: অর্কপ্রভ দেব । বিশ্ব অর্থনীতি থেকে অলক্ষ্মীর ভর যাচ্ছেই না। ২০০৭ সালের শেষের দিকে সন্তর্পণে এর আগমন ঘটেছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলো দাঁতে দাঁত চেপে তা গোপন রেখেছিল প্রায় এক বছর। ২০০৮ সালের আগস্টে পশ্চিমা বিশ্বের নামী-দামী কয়েকটি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া ঘোষণা করে। এ সব ঘটনা মিডিয়ায় প্রকাশিত হওয়ার পর পর অনেক আর্থিক সংস্থা এ মিছিলে যোগ দেয়। এর মধ্য দিয়ে বিশ্ববাসী উন্নত দেশগুলোর মন্দা সম্পর্কে জানতে পারে। মন্দা রোগটা কলেরার মতো আমেরিকা, ইউরোপ ও এশিয়ার বড় বড় অর্থনীতিগুলোতে বিস্তৃত হয়। কোরামিন ইনজেকশনের মতো প্রণোদনা প্যাকেজ দিয়ে অর্থনীতিগুলোকে কৃত্রিমভাবে বাঁচিয়ে রাখা হয়। এভাবে রোগী কত দিন বাঁচে! সামপ্রতিক বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে এ প্রশ্নই জাগে।যুক্তরাষ্ট্র তার ব্যাপক বাজেট ঘাটতি মোকাবেলা করতে গিয়ে অতিরিক্ত ঋণ গ্রহণ করে। সরকার গত জুলাইয়ে সর্বোচ্চ ঋণ-সীমায় পৌঁছে যায়। ঋণ-সীমা না বাড়ালে সরকারি ব্যয় বন্ধ হয়ে যাবে। এমনি পরিস্থিতিতে অনেক নাটকীয়তার জন্ম দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিবিদরা। শেষ পর্যন্ত শর্ত সাপেক্ষে ঋণ-সীমা বাড়ানো হয়েছে। ব্যয় হ্রাসেরও সুনির্দিষ্ট কার্যক্রম গৃহীত হয়েছে। এসব নিয়ে নতুন আইন হয়েছে। এ জন্য ওবামা প্রশাসনকে অনেক কাঠ-খর পোড়াতে হয়েছে। একে তো কংগ্রেসে বিরোধী রিপাবলিকান দল সংখ্যাগরিষ্ঠ। তার ওপর তিন বছর ধরে মন্দা কমছে না। বরং যতো সময় যাচ্ছে ততো জেঁকে বসছে। এ জন্য প্রেসিডেন্ট ওবামা সরকারের অর্থনৈতিক নীতির প্রতি তাঁর নিজ দলের অনেক কংগ্রেস সদস্যই ত্যক্ত-বিরক্ত। তাদের অনেকেই এবার রিপাবলিকানদের সাথে যোগ দিয়েছে। ঋণের পরিমাণ বাড়ানোর পরিবর্তে ব্যয় হ্রাস করার রিপাবলিকানদের প্রস্তাবে তারাও সমর্থন যোগিয়েছে। শেষ পর্যন্ত একটা মধ্যস্থতা হয়েছে ঠিকই। বিশ্লেষকদের মতে, এতে ওবামা সরকারের নৈতিক পরাজয় হয়েছে। জনমত জরিপেও ওবামার জনপ্রিয়তা সাত পয়েন্ট কমে ৪২ শতাংশে পৌঁছেছে। যদিও গত জুলাই মাসে বেকারত্বের হার কিছুটা কমে ৯.১ শতাংশে পৌঁছেছে। গত দুই বছর যুক্তরাষ্ট্রে গড় বেকারত্বের হার ছিল ৯.৭ শতাংশ।এদিকে বিশ্বখ্যাত ঋণ গ্রহণ ও পরিশোধ বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড এন্ড পুওর (এসএন্ডপি) যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেডিট রেটিং বা ঋণ-মান ‘এএএ’ থেকে ‘এএ+’ স্তরে নামিয়ে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেডিট রেটিং এর ৭০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম এক ধাপ নামিয়ে দেয়া হলো। যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে বিশ্বস্ততায় এই প্রথম চিড় ধরলো। এতে দেশটি নতুন করে ইমেজ সংকটে পড়েছে। বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারাচ্ছে। বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে। এখানেই শেষ নয়। এসএন্ডপি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার স্থিতিশীলতা ও কার্যকারিতা কমে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে তাদের রেটিং আরেক ধাপ নামানো হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছে এসএন্ডপি। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা ট্রেজারী বন্ডের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলতে পারে। রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ডলারের অবস্থানও প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে।যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ-মান কমে যাওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতে টালমাটাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। চীন, জাপান, ভারত, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়াসহ এশিয়ার দেশগুলোর আর্থিক খাতে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। গত সপ্তাহে এশিয়ার প্রধান প্রধান শেয়ারবাজারে বড় দরপতন হয়েছে। দরপতন হয়েছে ইউরোপেও। লন্ডনের শেয়ারবাজারে ২৭ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় দরপতন হয়েছে। বিশ্ব ইকুইটি ৮.৫ শতাংশ কমেছে। ট্রেজারি বন্ড কেনার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বড় বিনিয়োগকারী বা ঋণদাতা হচ্ছে চীন। তারা যুক্তরাষ্ট্রকে প্রায় এক লক্ষ কোটি ডলার ধার দিয়েছে। ডলার যদি ইমেজ সংকটে পড়ে, চীনসহ ফেডারেল বন্ড ক্রয়কারী অনেক দেশই লোকসানের কবলে পড়বে। জাপান হলো যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম ঋণদানকারী দেশ। বন্ড বিনিয়োগে ঝুঁকি বাড়ায় জাপানের ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতি আরো চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। মার্কেটওয়াচ ম্যাগাজিন বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে তিন দিক থেকে খড়গ নেমে এসেছে। অর্থনীতি পরিচালনায় প্রেসিডেন্ট ওবামা সরকারের দুর্বলতা, দীর্ঘস্থায়ী মন্দা এবং ক্রেডিট রেটিং কমে যাওয়ায় কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে দুর্বল করে তুলছে। নিউইয়র্কের ‘ডাউ জোনস’ শেয়ারের মূল্যসূচক ২০০৭ এর অক্টোবরে ১৪ হাজারের উপরে উঠেছিল। মন্দার কারণে তা ২০০৯ এর মার্চে সাড়ে ছয় হাজারে নেমে এসেছিল। গত দুই বছরে সূচক বেড়ে বেড়ে সাড়ে বার হাজারের ঘরে পৌঁছেছিল। গত সপ্তাহে তা ১০৮০০ তে নেমে এসেছিল। ১০ দিনে সূচক ১০ শতাংশ কমেছে। তবে ফেডারেল রিজার্ভ ঘোষণা দিয়েছে যে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তারা নিম্ন সুদ হার বজায় রাখবে। গত মঙ্গলবারের এ ঘোষণার পর থেকে বিশ্বের পুঁজি বাজারগুলোতে আবার চাঙ্গা ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশ্লেষকরা একে সাময়িক হিসেবে দেখছেন। তারা এটিকে ২০০৭-৮ সময়ের সাথে তুলনা করছেন। তাদের যুক্তি, যুক্তরাষ্ট্রসহ বড় বড় অর্থনীতিগুলো ‘ডবল ডিপ’ মন্দার দ্বারপ্রান্তে। প্রথম মন্দা না কাটতেই দ্বিতীয় মন্দা দেখা দেয়ার অনেক উপকরণ এখন বর্তমান। তাই শেয়ারবাজারসহ আর্থিক খাতের ঘুরে দাঁড়ানোর প্রচেষ্টা খুব একটা সফল হবে না। বিশ্ব অর্থনীতির এক-চতুর্থাংশের নিয়ন্ত্রক যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির এ দুরবস্থার ঋণাত্মক প্রভাব কম-বেশি প্রতিটি দেশের ওপরই পড়ছে। ইউরোপের অবস্থা আরো শোচনীয়। ২০০৮ সালে মন্দা প্রকাশ পাওয়ার পর থেকে ইউরোপের অনেক দেশই ঋণ পরিশোধ করতে পারছে না। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক হাজার হাজার কোটি ডলার ঋণ দিয়েও গ্রীস, আয়ারল্যান্ড, পর্তুগাল, ইতালী ও স্পেনের অর্থনীতি সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছে না। ঋণ সংকট থেকে বের হতে পারছে না। এদেরকে টানতে গিয়ে জার্মানী, ফ্রান্সসহ ইউরোভুক্ত সবল অর্থনীতিগুলোও বেকায়দায় পড়ছে। বিশেষজ্ঞরা এ জন্য চীন, জাপান, জার্মানী, রাশিয়া প্রভৃতি দেশের মাত্রাতিরিক্ত সঞ্চয় এবং যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেনসহ ইউরোজোনের বিভিন্ন দেশের অতিরিক্ত ঋণের মধ্যে অসম অবস্থাকেই দায়ী করছেন।কারণ যা-ই হোক, এটি এখন স্পষ্ট যে, বিশ্ব অর্থনীতি এখন অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বিশ্ব মন্দা শুরু হওয়ার পর ২০০৮ সালে বিশ্বব্যাপী পণ্যের দাম বাড়ে। এক পর্যায়ে মূল্যস্ফীতি ২৭ শতাংশে পৌঁছে যায়। এটি আরো প্রকট আকার ধারণ করে যখন অনেক দেশে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি ৪০ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। বিশ্বে খাদ্য উত্পাদন কমে যাওয়া এবং জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণ হওয়াই এর প্রধান কারণ ছিল। ২০০৯ সালের শেষের দিকে মন্দা পরিস্থিতি প্রশমিত হতে থাকে। একই সাথে জ্বালানি তেলের দাম এবং মূল্যস্ফীতি কমতে থাকে। এক সময় তা সহনশীল পর্যায়ে চলে আসে। ২০১০ সালের জুলাই থেকে বাহ্যিক কোনো কারণ ছাড়াই আবার মূল্যস্ফীতি ঘটতে থাকে। আগের মতোই খাদ্যপণ্যের মূূল্যস্ফীতিই বেশি। মূল্যস্ফীতি ঠেকাতে অনেক দেশ কঠোর মুদ্রানীতি প্রয়োগ করেছে। আমদানিকে নিরুত্সাহিত করেছে। রিজার্ভ মুদ্রার বিপরীতে দেশীয় মুদ্রার তেজিভাব বজায় রেখেছে। সুদের হার বাড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো প্রচেষ্টাই কোনো দেশে সফল হয়নি। চীন কিছুটা সফল হয়েছিল। কিন্তু তারা তা বেশি দিন ধরে রাখতে পারেনি। গত জুলাই মাসে চীনে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬.৫ শতাংশ। ৩৭ মাসের মধ্যে এটা সর্বোচ্চ। খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি আরো বেশি। জুলাই ২০১০ এর তুলনায় গত জুলাইয়ে ১৪.৮ শতাংশ মূল্যস্ফীতি হয়েছে। নিম্নআয়ভোগী মানুষগুলোর দুশ্চিন্তা ঘনীভূত হচ্ছে। ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিলসহ জনবহুল দেশগুলোতে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ। পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে গিয়ে সরকারগুলো হিমশিম খাচ্ছে। এদিকে পশ্চিমা বিশ্বে দীর্ঘদিন ধরে মন্দা পরিস্থিতি বিরাজ করায় বিশ্ব বাজার চাহিদা কমে গেছে। বিনিয়োগ ও উত্পাদনও কমে গেছে। বিশ্ব অর্থনীতির গতি মন্থর হচ্ছে। রফতানি আয়-নির্ভর অর্থনীতিগুলোর জন্য এ আরেক দুশ্চিন্তার বিষয়। এ ক্ষেত্রে চীনের চ্যালেঞ্জই সবচেয়ে কঠিন। কারণ, চীনের অর্থনীতি বহুলাংশে রফতানি-নির্ভর। ভারতের অবস্থাও প্রায় কাছাকাছি। দেশ দু’টি গত এক দশক ধরে যে উচ্চ প্রবৃদ্ধি হার অর্জন করে যাচ্ছে এর মূলে আছে রফতানিতে ব্যাপক প্রবৃদ্ধি। বিশ্ব চাহিদা কমে গেলে রফতানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা সম্ভব হবে না। তখন দেশগুলোতে মূল্যস্ফীতি আরো প্রকট হবে।বাংলাদেশের অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি উন্নত বা দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতিগুলোর মতো নয়। তাই অর্থনীতির চ্যালেঞ্জগুলোও ভিন্ন। বাংলাদেশের অর্থনীতির একটা বড় অংশ জুড়ে আছে পণ্য ও জনশক্তি রফতানি। বিশ্ব বাজারে চাহিদা কমে গেলেও বাংলাদেশের রফতানি কমার সম্ভাবনা এখনো তেমন নেই। কারণ, বাংলাদেশের রফতানি মূলতঃ বেসিক তৈরিপোশাক নির্ভর। চাহিদা কমে গেলেও মৌলিক পোশাকগুলো ভোক্তারা কিনবেই। হ্যাঁ, প্রবৃদ্ধি গত বছরের মতো হবে না। গত বছর প্রায় ৪১ শতাংশ রফতানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই মাসে রফতানিতে প্রায় ২৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বিশ্ব মন্দা অব্যাহত থাকলে প্রবৃদ্ধির এ হার কিছুটা কমবে। একই সাথে বিশ্ব বিনিয়োগ কমে গেলে শ্রমিকের চাহিদাও কমবে। মন্দা চলে গেলে চাহিদা ও বিনিয়োগ আবার বাড়বে। তখন বাংলাদেশের রফতানি প্রবৃদ্ধি বাড়বে। কিন্তু মন্দা কবে কাটবে কেউ তা জানে না। বাংলাদেশের আমদানি ব্যয়ের একটা বড় অংশ চলে যায় রফতানি পণ্যের কাঁচামাল আমদানিতে। আমদানি মূল্য বেড়ে যাওয়ায় রিজার্ভের ওপর হাত পড়েছে। মন্দা ও অন্যান্য কারণে বৈদেশিক সাহায্য ও ঋণ কমে গেছে। মন্দা শেষে বাজার স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত মুদ্রাবাজারকে স্থিতিশীল রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।বাংলাদেশ ব্যাংক সমপ্রতি রক্ষণশীল মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে। এ নীতির কার্যকারিতা নিয়ে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে মতভেদ আছে। টাকার মান অব্যাহতভাবে কমছে। এর ফলে আমদানি পণ্যের দাম আরো বাড়ছে। তবে এ মুহূর্তে মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্ববাজারে সব পণ্যের দামই বাড়ছে। বাংলাদেশেও বাড়ছে। নিম্নআয়ের দেশ হিসেবে এখানে সমস্যা একটু বেশি। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ গরীব ও নিম্নআয়ভোগী। জনগণের আয়-রোজগার বাড়ছে এটা ঠিক। ২০০৯-১০ দুই বছরে মাথাপিছু আয় ৬৬০ ডলার থেকে ৮১৮ ডলারে উন্নীত হয়েছে। তাই বলে পণ্যের মূল্যের মতো প্রতিদিন বাড়ছে না। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই তারা হিসাব মিলাতে পারছে না। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সামপ্রতিক জরিপ থেকে দেখা যায়, আয়সীমার সর্বনিম্ন ৫ শতাংশ পরিবার জাতীয় আয়ের মাত্র ০.৭৮ শতাংশ পায়। অপরদিকে আয়সীমার সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পরিবারের কাছে জাতীয় আয়ের ২৪.৬১ শতাংশ যায়। এতে বোঝা যায়, দেশের বড় অংশটাই নিম্নআয়ভোগী। তাদের জন্য কর্মসংস্থান যেমন প্রয়োজন তেমনি প্রয়োজন স্থিতিশীল বাজার। বিশ্ব প্রেক্ষাপটে যা সরকারের জন্য একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার একটি টাস্কফোর্স গঠন করতে যাচ্ছে। টাস্কফোর্স মূল্যস্ফীতি, ঋণ পরিশোধ স্থিতি ও বৈদেশিক সরাসরি বিনিয়োগ এ তিনটি প্রধান চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকারকে পরামর্শ দেবে। সরকারের প্রচেষ্টা সফল হোক এটাই সবার প্রত্যাশা। আমদানিকারক, ব্যবসায়ী, ভোক্তা সবাইকেই এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ভূমিকা রাখতে হবে।

Link: http://www.bangladeshnews24.com/ittefaq/newspaper/2011/08/13/news0133.php

Visit us on FaceBook

একুশ নিউজ মিডিয়া এখন ফেস বুক এ Video News: www.EkushTube.com

%d bloggers like this: