সৌন্দর্য ও প্রেমের সৃষ্টি নর-নারীর যৌথতায়

সৌন্দর্য ও প্রেমের সৃষ্টি নর-নারীর যৌথতায়

ফখরুল ইসলাম মাসুদ

মানুষের ভিতরের অনুভূতি শক্তি, চিন্তা করার বিশেষ ক্ষমতা সব কিছুই সৌন্দর্যের মাত্রা নির্ণায়ক! নর সচরাচর সাদা চামরাকে সৌন্দর্যের প্রতিক হিসাবে বিবেচনা করে। কোন নারীর সাদা চামরা কখনোই সৌন্দযের্র বহিঃপ্রকাশ হতে পারে না। একটা তাজা গোলাপ ঘন্টার পর ঘন্টা চোখের দেখায় বিশ্রী লাগতে পারে আবার কচুরী পানার ফুল এক পলকে মন জয় করতে পারে। যদিও কচুরী পানা নালা-নর্দমায় জন্মে তবুও সে তার সৌন্দর্য্য দিয়ে জয় করে হৃদয়।

সৌন্দর্য শব্দটি যত সুন্দর এর ভিতরে বিপত্তি ততই লক্ষণীয়। নর নারী সৌন্দর্যে উন্মুখ হয়ে জগতের মাঝে আকর্ষণীয় ভুলগুলো করে। আর সৌন্দর্য থেকেই কামের আসক্তি ঘটে! জগতে নর-নারী উভয়ে কামুক হতে পারে কিন্তু নারী অপেক্ষা নর একটু বেশীই সৌন্দর্য প্রিয়। এটা নরের জন্মগত দুর্বলতা।

শেক্সপিয়র লিখেছেন, “সৌন্দর্য কামের সঞ্চার করে। পাকা ফলে যেমন রস টুইটুম্বুর থাকে তুমিও তেমনি রসের সঞ্চার করো। শেক্সপিয়ারের কাব্য অনুযায়ী সৌন্দর্যের মাঝে রস থাকে। আর রসের মধ্যেই তৃষ্ণা মেটাবার উপকরণ থাকে। কিন্তু ফলে রস হয়ে কামনা নিবৃত্তির মহৌষধ! স্পষ্ট হয় যে, সৌন্দর্যই কি অসৌন্দর্য প্রধান কারণ? সৌন্দর্যই কি বাস্তবতার আড়ালে লুকিয়ে থাকা অদৃশ্য দৈত-দানব? না, সৌন্দর্য্য শব্দটিকে এভাবে দেখার কোন যৌক্তিকতা নাই। মানসিকতাই এখানে মূল চালিকা শক্তি। নর নারীর সৌন্দর্য্য পাগল, এতে কোন সমস্যা নাই। কিন্তু নর যখনি দেহের সৌন্দর্য্য আকৃষ্ট হয় বিপত্তি ঘটে ঠিক তখনি নর-নারী সৌন্দর্যের পূজারি থাকে না; হয়ে ওঠে ধর্ষক।

‘ … বুদ্ধি লোপ পেলে মানুষ যেমন নিজেকে চিনতে পারে না ঠিক তেমনি প্রেম না থাকলে দৈহিক সুখে প্রশান্তি আসে না; সুখকে বড় অপরিচিত মনে হয়। তাকে হাতের কাছে পেয়েও স্পর্শ করা যায় না। আর এর জন্য মানুষ প্রেম করে। …”

যে সব দেশে অধিকাংশ মানুষ অনাহারী, সেখানে মাংসল হওয়া রূপসীর লক্ষণ। এজন্যেই বাংলা ফিল্মের নায়িকাদের দেহ থেকে মাংস ও চর্বি উপচে পড়ে। ক্ষুধার্ত দর্শকেরা সিনেমা দেখে না, মাংস ও চর্বি খেয়ে ক্ষুধা নিবৃত্ত করে।

বিখ্যাত লেখিকা নির্মলা শী বলেছেন, ‘প্রেম মানেই শরীর কদাপি নয়, কিন্তু পুরুষের কাছে প্রেম মানেই শরীর। একমাত্র নারী প্রেমের মানে বোঝে। অবশ্য পুরুষ যৌনতারও মানে বোঝে না। প্রতিটি পুরুষই আসলে ধর্ষক’। সত্যি কি তাই! প্রতিটা পুরুষ আসলেই কি ধর্ষক? ধরে নিলাম বিবেক বিসর্জন দিয়ে হলেও নর ধর্ষক। কিন্তু নারী? নারী কি দুধে ধোয়া তুলসী পাতা নাকি পরিস্থিতির শিকার? এই প্রশ্নের জবাবে প্রায় সকল নারী নিজেকে শুদ্ধ প্রমাণের নিমিত্তে এক বাক্যে বলে উঠবে, আমরা পরিস্থিতির শিকার। এখানেই নারীরা এগিয়ে। নারীরা জন্মগত ভাবে নরম/ কোমল হয় তাই তাদের চোখের দু‘ফোটা জল রাজ্য জয় করার ক্ষমতা রাখে। কিন্তু পক্ষান্তরে নর বরাবর নারীর সৌন্দর্যের শিকার! যদিও এর পুরো দায়দায়িত্ব নরের কাধেই উঠে। যদি নারী কিছুটা সাবধানী হলে সৌন্দর্যের মাঝে থেকেও সৌন্দর্য উত্তাপে নরের পায়ে শৃ´খল ওঠে। আর তা উভইয়ের জন্য কল্যাণকর হয়। সৌন্দর্যানুভূতির একটি বিশেষ দিক হল বিপরীত লিঙ্গের প্রতি সৌন্দর্যানুভূতি। আর এখানেই প্রেমের জন্ম হয়, বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণের অপর নাম কাম অথবা সেক্স! কিন্তু সেক্স এবং প্রেম একই জিনিস! এও সম্ভব? এটা কখনো কি হতে পারে? অনন্যা গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ‘সেক্স আর প্রেম যদি আলাদা জিনিস হয়, ওয়াটার ও জলই বা ভিন্ন বস্তু নয় কেন? ওয়াটার ও জল এক হলে সেক্স আর প্রেম ভিন্ন হয় কোন সাহসে! এ যেন এক দেয়ালের এপিঠ ওপিঠ। তাহলে প্রশ্ন করা স্বাভাবিক, মানুষ তাহলে প্রেম করে কেন? একবারে সেক্স করলেই তো হয়; কিন্তু তা করে না কেন? বুদ্ধি লোপ পেলে মানুষ যেমন নিজেকে চিনতে পারে না ঠিক তেমনি প্রেম না থাকলে দৈহিক সুখে প্রশান্তি আসে না; সুখকে বড় অপরিচিত মনে হয়। তাকে হাতের কাছে পেয়েও স্পর্শ করা যায় না। আর এর জন্য মানুষ প্রেম করে।

‘ …We are at a crossroads. If we don’t want to cede the discourse to Regressives, Progressives of all stripes had better put forward a sexual ethic that works humanely and lovingly. Few people want sexual anarchy, especially as regards their children. We need standards that allow our sexual interactions to enhance and express the beauty and uniqueness of our souls. Such standards would not be rule-based, but relationship-based. We must look at the quality of our interactions and ask, “Does this affirm and respect the wholeness of the individuals involved? Does it increase the odds on love? Does it honor and celebrate Life Itself, in all its variety?” If so, there are qualities, which are more likely than not to be present: regard, mutuality, caring, choice, honesty, openness, and a willingness to be fully present. These qualities constitute sexual and relational integrity. They make way for authentic intimacy, and the flow of erotic love that connects us far beyond our ability to understand or control it.
We can stand for love and responsible relationship, in all its shapes and sizes, as a positive moral force, or risk losing the gains of the past half-century to fear and control. When sex loses its relationality, it becomes mere pornography. In the absence of life-affirming sexual ethics, it would be tragic and shameful to return to the destructive strictures of the past, which destroyed countless lives and cannot, by the standards of love and respect, be called moral at all. …” More: http://www.huffingtonpost.com/w-hunter-roberts/sexual-anarchy-and-other-_b_906829.html

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: