বছরের পর বছর ধরে সিআইএ লাখ লাখ নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। এরা প্রধানত তৃতীয় বিশ্বের মানুষ।

সিআইএ মিথ্যাচার করে কেন

শেরউড রস ● বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি নিরীহ মানুষ হত্যার সঙ্গে সিআইএ জড়িত। সম্ভবত এ কারণেই সংস্থাটি নিজের কর্মকান্ড নিয়ে প্রতিনিয়তই মার্কিন নাগরিকদের সঙ্গে মিথ্যাচার করে থাকে। ১৯৬৮ সালের ডিসেম্বরে সিআইএ’র নিজস্ব কভার্ট অপারেশন্স স্টাডি গ্রুপ তৎকালীন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের কাছে একটি গোপন প্রতিবেদন জমা দেয়। তাতে বলা হয়, ‘‘বহু মার্কিন নাগরিকের বিশেষত বুদ্ধিজীবী মহল ও তরুণ সম্প্রদায়ের মধ্যে এখন এমন ধারণা বদ্ধমূল হয়ে গেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে একটি নোংরা খেলার মধ্যে জড়িয়ে ফেলছে। এ জাতীয় ধারণা জনগণ ও সরকারের মধ্যে একটা বিচ্ছিন্নতাবোধেরই জন্ম দিচ্ছে।’’ প্রতিবেদনটি উদ্ধৃত করে টিম ওয়েইনার তার ‘লিগেসি অব এশেজ’ গ্রন্থে বলছেন, ‘‘এই ভূমিকা স্বাভাবিকভাবেই আমাদের গ্রহণযোগ্যতা এবং কার্যকারিতা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ঠেলে দিয়েছে। এটা এখন সবাই জানে, আমরা গোপনে অন্যদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করছি।’’

সিআইএকে তার বেআইনি কর্মকান্ড (অপহরণমূলক কাজ) চালিয়ে যেতে প্রথম সবুজ সংকেত প্রদানকারী প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন সংস্থাটির ৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে (১৯৯৭) দেয়া বক্তৃতায় বলেন, ‘‘বিশেষ কারণেই সিআইএ’র বীরত্বপূর্ণ (বীরত্বপূর্ণ? ইতালির মিলান শহরের রাস্তা থেকে একজন মুসলিম মোল্লাকে পাকড়াও করে নির্যাতনের উদ্দেশ্যে বিদেশী একটি জাহাজে তুলে দিতে সিআইকে যেখানে তার ২২ জন সৈন্যকে কাজে লাগাতে হয়েছিল সেই কর্মকান্ডকে বীরত্বব্যঞ্জক বলতে হবে?) কর্মকান্ডের সবটা মার্কিন নাগরিকরা কোনদিনই জানতে পারবেন না। ১৯৪৭ সালে সিআইএ প্রতিষ্ঠিত হয়। বস্ত্তত তখন থেকে আজ পর্যন্ত সব মার্কিন প্রেসিডেন্টই সংস্থাটির অবৈধ কর্মকান্ডকে অনুমোদন দিয়েছেন। এদের কেউই কোনোদিন চাননি যে, সিআইএ’র সব কর্মকান্ড প্রকাশ পাক। কারণ তাদের ধারণা, জনগণ যখন জানতে পাবে যে, তাদের দেয়া করের অর্থে সিআইএ বিশ্বব্যাপী নোংরা খেলায় মেতে আছে, তখন তারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হবে এবং ক্ষোভে ফেটে পড়বে।

সিআইএ’র সাবেক কর্মকর্তা ফিলিপ এজি একবার মন্তব্য করেন, ‘‘সিআইএ হচ্ছে প্রেসিডেন্টের গোপন সৈন্যবাহিনী।’’ ১৯৭৫ সালের ১৬ জানুয়ারি নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকার শীর্ষ সম্পাদকের সৌজন্যে প্রেসিডেন্ট জেরাল্ড ফোর্ডের দেওয়া এক মধ্যাহ্নভোজ সভায় প্রেসিডেন্ট নিজেই সিআইএ সম্পর্কিত এই মন্তব্যটির প্রসঙ্গ উল্লেখ করেছিলেন। ওয়েইনার জানাচ্ছেন, সম্পাদকদের উদ্দেশ্যে ফোর্ড বলেছিলেন, সিআইএ’র গোপন কর্মকান্ডের সব খবরই যদি ফাঁস হয়ে যেত তবে ট্রুম্যান থেকে শুরু করে সব মার্কিন প্রেসিডেন্টের সুনামই ধ্বংস হয়ে যেত। সম্পাদকদের একজন জানতে চেয়েছিলেন, কোন ধরনের কর্মকান্ডের কথা? উত্তরে ফোর্ড বলেছিলেন, ‘‘এই যেমন হত্যাকান্ডগুলোর কথা।’’

সিআইএ যে তার অভিযানগুলোর খবর চেপে রাখতে চায় তার একটি কারণ হলো তার বিরুদ্ধে আনা প্রায় সব অভিযোগেই তাকে দোষী সাব্যস্ত হতে দেখা গেছে। উদাহরণ হিসেবে পেরুতে নিহত কয়েকজন মার্কিন মিশনারির হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার ঘটনাটি উল্লেখ করা যায়। ২০০৮ সালের ২১ নভেম্বর এই ঘটনা সম্পর্কে বার্তা সংস্থা রয়টারের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০০১ সালে পেরুতে একটি মার্কিন মিশনারি পরিবারবহনকারী বিমানকে গুলি করে ভূপাতিত করা হয়। এই ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদনটি প্রকাশে সিআইএ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। তদন্ত কাজটি পরিচালনা করেছিলেন স্বয়ং সিআইএ’রই মহাপরিদর্শক। মহাপরিদর্শকের এই প্রতিবেদনে বলা হয়, সিআইএ পরিচালিত মাদকবিরোধী অভিযানে পেরুতে সন্দেহবশত এমন অনেক বিমানকে পেরুর বিমানবাহিনী গুলি করে ভূপাতিত করেছে যেগুলো আদৌ কোনো মাদক বহন করছিল না। এর কারণ সন্দেহের লক্ষ্যবস্ত্ততে পরিণত হওয়া বিমানটির ব্যাপারে গুলি করার আগে যথাযথ পর্যবেক্ষণ কিংবা সঠিক তথ্য গ্রহণে শৈথিল্য থাকতো। ২০০১ সালের ২০ এপ্রিল পেরুতে ভেরোনিকা বাওয়ার, তার স্বামী জিম, তাদের ছেলে করি এবং শিশু কন্যা চ্যারিটিকে বহনকারী ছোট্ট একটি বিমানকে পেরুর বিমানবাহিনীর একটি জঙ্গি বিমান গুলি করে ভূপাতিত করে। ভূপাতিত করার আগে সিআইএ’র একটি টহল বিমান মাদকবহনকারী সন্দেহে বিমানটিকে ধাওয়া করছিল। বৈমানিক কেভিন ডোনাল্ডসন বুলেটবিদ্ধ বিমানটিকে আমাজান নদীতে জরুরিভাবে অবতরণ করাতে গিয়ে মারাত্মকভাবে জখম হন। আর ভেরোনিকা ও চ্যারিটি বাওয়ার ঘটনাস্থলেই নিহত হন। মহাপরিদর্শক তার প্রতিবেদনে বলেন, ঘটনাটিকে সিআইএ তার নৈমিত্তিক সফল অভিযানের মধ্যে আকস্মিক ও স্বাভাবিক একটি ত্রুটি হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আসলে তা নয়। ঘটনা হলো কোন একটি বিমানকে সন্দেহবশত গুলি করে নামানোর আগে সেটির ব্যাপারে প্রয়োজনীয় তত্ত্ব তালাশের ক্ষেত্রে বরাবরই সিআইএ’র উদাসীনতা লক্ষ্য করা গেছে। তাছাড়া সন্দেহভাজন মাদকবহনকারী বিমানটিতে থাকা মানুষের জীবন রক্ষার ব্যাপারেও গুলি করার আগে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেয়া হতো না। (যে কেউ এখন প্রশ্ন করতে পারেন, গুলি করায় আগে সিআইএ কেন বিমানটিকে স্বাভাবিকভাবে অবতরণ করিয়ে তার মধ্যে থাকা যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করার মতো স্বাভাবিক কাজটি করেনি?)

রয়টার পরিবেশিত প্রতিবেদনের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশে বলা হয়েছে, ‘‘মহাপরিদর্শক তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, সিআইএ’র নিজস্বভাবে করা অভ্যন্তরীণ তদন্তেই ধরা পড়েছে যে, সংস্থাটিতে প্রচলিত রীতিনীতি মোটেই মেনে চলা হয় না। আর মজার ব্যাপার হচ্ছে, অভ্যন্তরীণ এই তদন্ত প্রতিবেদনটি সিআইএ যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস, ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এবং জাস্টিস ডিপার্টমেন্টকে পর্যন্ত দেখাতে রাজি হয়নি।’’ এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে, সিআইএ কি তাহলে এতোটাই ক্ষমতাশালী হয়ে গেছে যে সে তার নিজস্ব বিষয়াবলী জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট এবং কংগ্রেসকেও না দেখিয়ে পারে? উত্তর হচ্ছে, পারে, পেরেছে এবং ভবিষ্যতেও পারতেই থাকবে। কারণ সে সীমাহীন ক্ষমতাধর ও প্রভাবশালী এক প্রতিষ্ঠান। তাছাড়া যাই বলি না কেন, সিআইএ’র অবৈধ কর্মকে সমর্থনদানকারী একমাত্র বিল ক্লিনটনকে বাদ দিলে বাদবাকি সব প্রেসিডেন্টই অর্থাৎ জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ, জর্জ ডব্লিউ বুশ জুনিয়র এবং বারাক ওবামা সবাই কোনো না কোনো সময়ে সিআইএ’র সরাসরি বেতনভুক্ত চাকরিজীবী ছিলেন। বুশ সিনিয়র তো ১৯৭৬-৭৭ সময়ে সংস্থাটির প্রধানই ছিলেন। বুশ জুনিয়র সিআইএ কর্মকর্তা হিসেবে আলাস্কায় নিয়োজিত ছিলেন। আর কলেজ জীবন শেষ করে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সিআইএ’র অঙ্গসংগঠন বিজনেস ইন্টারন্যাশন করপোরেশনে চাকরি করেছিলেন।

সিআইএ এতোটাই প্রভাবশালী যে, তার কোনো অপরাধমূলক কর্মকান্ড যদি সরকারের অন্য কোনো সংস্থা টের পেয়ে যায় তবে সে ওই সংস্থাটিকে এ নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য করা থেকে ধমকের সুরেই বিরত রাখতে পারে। সরকারের অন্যান্য সংস্থার কর্মকর্তাদেরও বলা আছে তারা যেন সিআইএ’র অপরাধ সংঘটন সংক্রান্ত কোনো খবরাখবর প্রচার না করে। ব্যাপারটা এমন দাঁড়িয়েছে যে, ওই সব কর্মকর্তা যেন কোনো এক মাফিয়া চক্রের নিকট সব কিছু গোপন রাখার শপথবাক্য পাঠ করে নিয়েছেন। সিআইএতে কর্মরতরাও গোপনীয়তা রক্ষার এক চুক্তি বলে সংস্থাটি সম্পর্কে কোনো কিছু লেখা থেকে বিরত থাকার ব্যাপারে ওয়াদাবদ্ধ। কিছু যদি লিখতেই হয় তবে সিআইএ’র পাবলিকেশন্স রিভিউ বোর্ডের কাছ থেকে আগাম অনুমতি নিতে হবে। ‘ইসমায়েল জোন্স’ ছদ্মনামে সিআইএ’র সাবেক এক কর্মকর্তা সিআইএ সম্পর্কে লেখালেখি করায় সিআইএ কর্তৃপক্ষ তার ওপর খড়গহস্ত হয়েছে। তার অপরাধ বছর দুই আগে লেখা একটি গ্রন্থে তিনি সিআইএ’র অভ্যন্তরে বিরাজমান গোয়েন্দা সংস্কৃতির অমানবিক দিকগুলো তুলে ধরেন। জোন্সকে উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানায়, সিআইএ কর্মকর্তারা বইটির ওপর ক্ষিপ্ত হওয়ার কারণ বইটিতে দেখানো হয়েছে সিআইএ এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখান থেকে ধনী হওয়ার সুযোগ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি গোয়েন্দাগিরির পেছনে করদাতাদের কোটি কোটি ডলার অপচয় কিংবা চুরির মাধ্যমে আত্মসাৎ করে। শেষ বিচারে জনগণের করের অর্থ ব্যয়ের ফলাফল দাঁড়ায় শূন্য।

তবে সবধরনের অভিযোগই অস্বীকার করা সিআইএ’র একটি মজ্জাগত স্বভাব। জন স্টক ওয়েল নামে সিআইএ’র এক কর্মকর্তা দীর্ঘ ১৩ বছর এঙ্গোলা এবং ভিয়েতনামে সিআইএ’র স্টেশন প্রধান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এক বক্তৃতায় তিনি জানিয়েছেন, সিআইএ’র ভেতর চলতে থাকা দুর্নীতি আর গোয়েন্দা তৎপরতা দেখে আমি বিস্মিতই হয়েছিলাম। আমাদের বলে দেয়া হয়েছিল দক্ষিণ ভিয়েতনামে নিয়োজিত সেনাবাহিনীর ভেতরকার দুর্নীতির বিষয়ে আমরা যেন কোনো রকম প্রতিবেদন তৈরি না করি। জন স্টক ওয়েল কিংবা ইসমায়েল জোন্স, যার কথাই বলি না কেন, সিআইএ’র সমালোচক হিসেবে যারা আবির্ভূত হয়েছেন তারা মূলত সিআইএ’রই সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা। সিআইএ’র অনেক অপতৎপরতাই এরা সরাসরি প্রত্যক্ষ করেছেন। আর ব্যক্তিগতভাবে এই সব মানুষের মধ্যে একটা বিবেকবোধ কাজ করছে এবং মানবাধিকারের প্রতিও তাদের শ্রদ্ধা রয়েছে।

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা স্টকওয়েল মাঠপর্যায়ে সিআইএ’র অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত ছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, বছরের পর বছর ধরে সিআইএ লাখ লাখ নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। এরা প্রধানত তৃতীয় বিশ্বের মানুষ। এই মানুষের দুর্ভাগ্য এই যে, তারা কঙ্গোর মেতুম্বা পাহাড়ী অঞ্চল, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অরণ্যাঞ্চল এবং উত্তর নিকারাগুয়ার পার্বত্যাঞ্চলগুলোতে জন্মগ্রহণ করেছিল। এই সব মানুষের অধিকাংশই বলতে পারবে না পুঁজিবাদ কী, কিংবা কমিউনিজম বলতেই বা কী বোঝায়। স্টকওয়েল জানিয়েছেন, ১৯৬১ থেকে শুরু করে ১৯৮৭ সালের মধ্যে সিআইএ অন্তত ১০ থেকে ২০ হাজার বেআইনি গোপন অভিযান পরিচালনা করেছে। তিনি বলেন, পৃথিবীর মানুষের বিরুদ্ধে ব্যাপক এবং নির্বিচারে এ জাতীয় অভিযান চালানোর জন্য আমরা দায়ী। আমরা সিআইএ নামক একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছি, গোপন পুলিশ বাহিনী গঠন করেছি। আমরা তাদের অর্থ বরাদ্দ দিয়েছি, তাদের অনুমতি দিয়েছি আমাদের নাম করে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ধরনের গোপন তৎপরতা চালানোর এবং এমন একটা ভান করছি যে, আমরা যেন এসব তৎপরতা সম্পর্কে কিছুই জানি না। ১০ থেকে ৩০ লাখ মানুষ নিহত হওয়ার জন্য আমরা দায়ী। বহু মানুষ নির্যাতিত হওয়া এবং তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠার দায়দায়িত্বও আমাদেরই। গণহত্যার জন্য জার্মান নাজিবাহিনীর গ্যাস্টাপোরা যেমন দায়ী, হত্যার জন্যে আমরাও তেমনি দায়ী। গণহত্যা গণহত্যাই। একে অন্য কিছু দিয়ে ব্যাখ্যা করার কোনো সুযোগ নেই। তাই কি? সিআইএ’র সাবেক খুনি ও নির্যাতকদের মুখোশ উন্মোচন কিংবা তাদের বিচারের আওতায় আনার কোনো পরিকল্পনা ওবামা প্রশাসনের রয়েছে বলে মনে হয় না। তাছাড়া এসব হত্যাকান্ডের বিচারে যারা বাধা সৃষ্টি করেছেন, নির্যাতন ও হত্যাকান্ডের প্রমাণাদি যারা নষ্ট করে দিয়েছেন কিংবা এসব নিয়ে কংগ্রেসের সামনে মিথ্যাচার করেছেন তাদেরও বিচারের আওতায় আনার সম্ভাবনা আরো কম। আমরাই সেই দেশ যারা এই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যের চার কিংবা পাঁচটি দেশে যুদ্ধরত রয়েছি। বিশ্বের কয়েক ডজন দেশের সরকারকে সশস্ত্র বলপ্রয়োগ ও রক্তাক্ত ঘটনার মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্যেও আমরা দায়ী। সরকার উৎখাতের এসব ঘটনায় অন্তত আড়াই লাখ সাধারণ মানুষ কারান্তরালে নিক্ষিপ্ত হয়েছে- যারা তাদের জীবনে অন্য কোনো মানুষের গায়ে হাতটি পর্যন্ত তোলেনি। আমি যদি এখন জানতে চাই, কতোগুলো অপরাধপ্রবণ উন্মাদের দ্বারা পরিচালিত হওয়া সত্ত্বেও আমার দেশটি এখনো একটি পাগলাগারদে পরিণত হয়নি কেন, তবে কি আপনারা আমাকে ক্ষমা করতে রাজি আছেন?

ইন্টারনেট থেকে [ভাষান্তর : নেয়ামুল হক সাপ্তাহিক বুধবার ]

আমাদের সময়, আলোচনা, ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ, জনকন্ঠ, ডেসটিনি, দিগন্ত, দিনের শেষে, নয়া দিগন্ত, প্রথম আলো, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ভোরের কাগজ, মানবজমিন, মুক্তমঞ্চ, যায় যায় দিন, যায়যায়দিন, যুগান্তর, সংগ্রাম, সংবাদ,চ্যানেল আই, বাঙ্গালী, বাংলা ভিশন, এনটিভি,এটিএন বাংলা, আরটিভি, দেশ টিভি, বৈশাখী টিভি, একুশে টিভি, প্রবাস, প্রবাসী, ঠিকানা, জাহান হাসান, বাংলা, বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস, লিটল বাংলাদেশ, ইউএসএ, আমেরিকা, অর্থনীতি, প্রেসিডেন্ট ওবামা,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,অর্থ, বাণিজ্য, শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামাত, রাজাকার, আল বদর, সুখ, টেলিভিশন, বসন্ত উৎসব, Jahan, Hassan, jahanhassan, Ekush, bangla, desh, Share, Market, nrb, non resident, los angeles, new york, ekush tube, ekush.info,

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

One Response to বছরের পর বছর ধরে সিআইএ লাখ লাখ নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে। এরা প্রধানত তৃতীয় বিশ্বের মানুষ।

  1. Shikha Begum বলেছেন:

    Thanks for your courageous writing about CIA’s killing and policing against other nations. We the people in the 3rd world country should unite together to stop such killings and misdeeds of CIA with our innocent people.
    Let us raise our voices, that, those who talk about human rights, they are the front-line violators of the rights of women, children and innocent men. Let all our people know about such a injustice.

    Please take an action plan with time bound actions, start asap: the actions are:
    i. Form an HR association within USA with the Govt. tax payers, to raise these issues to US Senate for a change of mind-set and lobbying with US Govt. to stop paying for CIA
    ii. Leaders of the HR Association will travel from country to country raise awareness of people and iii. Act in the international court of justice in Hague in favour of those victims of CIA,
    Shikha Begum

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: