বিচার বিভাগে দুর্নীতির মাত্রা ছিল সর্বাধিক। দুর্নীতির মাত্রায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাসমূহ (৭৯ দশমিক ৬ ভাগ) ও ভূমি প্রশাসন (৭১ দশমিক ২ ভাগ) খাত।

দুর্নীতির শীর্ষে বিচার বিভাগ


টিআইবির জরিপ :৭২ শতাংশ মানুষ বছরে ঘুষ দিয়েছে ৯৫৯১ কোটি টাকা

০০ ইত্তেফাক রিপোর্ট

জাতীয় খানা জরিপ ২০১০ প্রকাশ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) বলেছে, ২০০৭ সালের তুলনায় সার্বিকভাবে দেশে দুর্নীতির ব্যাপকতা বেড়েছে। দুর্নীতি ও হয়রানির শীর্ষে উঠে এসেছে বিচার বিভাগ। সারাদেশের ৬০০০ খানার উপর পরিচালিত জরিপে দেখা গেছে ১৩টি সেবাধর্মী খাতের মধ্যে বিচার বিভাগ সর্বাধিক দুর্নীতিগ্রস্ত। এর পরেই অবস্থান যথাক্রমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ও ভূমি প্রশাসনের।

জরিপে দেখা গেছে, ৮৪ দশমিক ২ ভাগ মানুষ সেবা নিতে গিয়ে কোন না কোন দুর্নীতির শিকার হয়েছে। খানাগুলোর প্রায় ৭২ শতাংশ বছরে প্রায় ৯,৫৯১ কোটি টাকা ঘুষ বা নিয়মবহিভর্ূতভাবে অর্থ প্রদানে বাধ্য হয়েছে। ২০০৭ সালের তুলনায় ২০১০ সালে বিচার বিভাগ, ভূমি প্রশাসন ও বিদু্যৎ খাতে দুর্নীতি ও হয়রানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে একই সময়ে পুলিশ, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে দুর্নীতির মাত্রা কমেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার ‘সেবা খাতে দুর্নীতি : জাতীয় খানা জরিপ ২০১০’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় জরিপের ফল উপস্থাপন করে বলা হয়, নগর বা পলস্ন্লীতে দুর্নীতির মাত্রা প্রায় একই রকম, যা সমস্যার গভীরতা ও ব্যাপকতার উদ্বেগজনক প্রতিফলন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান গোলাম রহমান। বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল এন্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিস) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন টিআইবি’র ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এম হাফিজউদ্দিন খান। দুদক চেয়ারম্যান গোলাম রহমান বলেন, ‘এ জরিপে দুর্নীতির আংশিক চিত্র উঠে এসেছে। দেশে দুর্নীতির ব্যাপকতা আরো বেশি। দুর্নীতির সার্বিক চিত্র দেখতে হলে উচ্চ পর্যায়ে যে দুর্নীতি হয় তাও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। বিচার বিভাগ সংক্রান্ত যে তথ্য উঠে এসেছে, তা এই বিভাগের সংশোধনীর জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি। দেশে আইনি প্রক্রিয়ায় যে দীর্ঘসূত্রতা রয়েছে, তাতে দশটি দুর্নীতি দমন কমিশনকে বসিয়ে দিলেও কোন কাজ হবে না।’ অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক কাজী সালেহ আহমেদ, অধ্যাপক এম কবির প্রমুখ। জরিপের ফলাফল উপস্থাপন করেন টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এবং সিনিয়র ফেলো মো: ওয়াহিদ আলম।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘এ জরিপে দুর্নীতিকে শুধুমাত্র ঘুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি। দায়িত্ব পালনে অবহেলা, স্বজনপ্রীতি, আত্মসাৎ, প্রতারণা ও বলপ্রয়োগের মাধ্যমে অর্থ বা সম্পদ দখল এবং অন্যান্য অনিয়মও দুর্নীতি হিসাবে বিবেচনা করা হয়েছে। এ জরিপ বর্তমান সরকার ও ক্ষমতাসীন জোটের দুর্নীতি বিরোধী অঙ্গীকার ও কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘দুর্নীতি প্রতিরোধে রাজনৈতিক সদিচ্ছা অপরিহার্য এবং এই সদিচ্ছার কার্যকর বাস্তবায়নই জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সহায়ক হতে পারে।’

২০১০ সালের ৯ জুন থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত দেশের ৬৪টি জেলায় ১৭টি তথ্য সংগ্রহকারী দলের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। জরিপে যে ১৩টি সেবা খাতের ওপর তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে সেগুলো হলো শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকার, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, বিচার বিভাগ, কৃষি, ভূমি প্রশাসন, বিদুু্যৎ, আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক, ব্যাংকিং, বীমা ও এনজিও।

জরিপের খাতভিত্তিক বিশেস্নষণে দেখা যায়, বিচার বিভাগে দুর্নীতির মাত্রা ছিল সর্বাধিক। দুর্নীতির মাত্রায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাসমূহ (৭৯ দশমিক ৬ ভাগ) ও ভূমি প্রশাসন (৭১ দশমিক ২ ভাগ) খাত। শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে সেবাগ্রহিতা খানার যথাক্রমে ১৫ ও ৩৩ শতাংশ দুর্নীতির বা অনিয়মের শিকার হয়।

বাংলাদেশে সেবা খাতে সংঘটিত দুর্নীতিগুলোর মধ্যে ঘুষ বা নিয়ম বহিভর্ূতভাবে অর্থ দিতে বাধ্য হওয়া অন্যতম। সেবা খাতগুলো থেকে সেবা নেয়া খানাগুলোর ৭১ দশমিক ৯ ভাগ ঘুষ বা নিয়ম বহির্ভূতভাবে অর্থ দিয়েছে। যারা আইন-শৃঙ্খলা সম্পর্কিত সেবা গ্রহণ করেছেন সেই খানাগুলো সর্বাধিক হারে (৬৮ দশমিক ১ ভাগ ) ঘুষ দিয়েছে বা দিতে বাধ্য হয়েছে।

সেবাগ্রহিতা খানাগুলোতে সেবা নিতে গিয়ে গড়ে ৪,৮৩৪ টাকা ঘুষ বা নিয়ম বহির্ভূতভাবে অর্থ দিতে হয়েছে। গড় পরিমাণ সর্বাধিক পাওয়া গেছে বিচার বিভাগের ক্ষেত্রে, যেখানে গড়ে ৭,৯১৮ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে। ভূমি প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা খাতে ঘুষ দেয়া খানাগুলো যথাক্রমে গড়ে ৬,১১৬ ও ৩,৩৫২ টাকা দিয়েছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা খাতে ঘুষ দেয়া খানাগুলো যথাক্রমে গড়ে ১৬৮ ও ৫২১ টাকা ঘুষ বা নিয়ম বহির্ভূতভাবে অর্থ দিয়েছে।

২০০৯ এর জুন থেকে ২০১০ এর মে পর্যন্ত খানাগুলো বিভিন্ন সেবা খাতে জাতীয়ভাবে যে পরিমাণ ঘুষ বা অবৈধ অর্থ দিয়েছে তার একটি প্রাক্কলন করা হয়েছে। তা থেকে দেখা যায়, জাতীয়ভাবে বাংলাদেশের খানাগুলো এই সময়ে ৯,৫৯১ কোটি টাকা বিভিন্ন সেবা খাতে ঘুষ বা অবৈধ অর্থ হিসাবে দিয়েছে। এ প্রাক্কলনের পরিমাণ সর্বাধিক পাওয়া যায় ভূমি প্রশাসনের ক্ষেত্রে, যা ৩৫১৯ কোটি টাকা। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে আছে যথাক্রমে বিচার বিভাগ (১,৬১৯ কোটি টাকা) ও বিদু্যৎ (৮১২ কোটি টাকা)।

যেসব খানার সদস্য আয়কর দিয়েছে তারা গড়ে ৭,০৯৭ টাকা কর দিলেও একই সময়ে গড়ে ৩,৪৭৭ টাকা (গড় আয়করের প্রায় ৪৯%) ঘুষ দিয়েছে। একইভাবে গড়ে ৯,১৬৬ টাকা কর দিয়েছে, কিন্তু একই সময়ে গড়ে ৪,৪৯১ টাকা (সার্বিক গড় করের প্রায় ৪৯%) বিভিন্ন ধরনের কর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ঘুষ দিয়েছে।

সার্বিকভাবে ৪৫ দশমিক ৯ ভাগ খানা বিদু্যৎ সেবা নিতে গিয়ে দুর্নীতি ও হয়রানির শিকার হয়েছে। এর মধ্যে সর্বাধিক ৫২.৬% খানা মিটার রিডিং ও বিলিং এর ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির শিকার হয়েছে এবং নতুন সংযোগ ও বৈদু্যতিক উপকরণ পরিবর্তন বা সংযোজনের ক্ষেত্রে সার্বিকভাবে প্রায় ৩০% খানা হয়রানি ও দুর্নীতির শিকার হয়েছে। বিভিন্ন সংস্থা হতে সংযোগ বা উপকরণ পরির্বতনের ক্ষেত্রে সেবাগ্রহণকারী খানাকে গড়ে ১,৬৮২ টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে।

জরিপে দেখা যায়, কৃষি খাত থেকে যারা সেবা নিয়েছেন তাদের মধ্যে ৪৫ শতাংশ খানাকে কোন না কোন ধরনের অনিয়ম, দুনর্ীতি ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। এসব খানার ৩৮ শতাংশ সংশ্লিস্নষ্ট সেবাদাতাকে ঘুষ কিংবা অতিরিক্ত অর্থ দিয়েছে। তবে জরিপে কৃষি সেবাগুলোর মধ্যে দুর্নীতি ও হয়রানির তারতম্য পরিলক্ষিত হয়। যেসব খানা সার পেতে দুর্নীতি ও অনিয়মের শিকার হয়েছে তাদের ৯৫.৪% খানাকে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ (গড়ে ৩১৪ টাকা) দিয়ে সরবরাহকারীর কাছ থেকে সার নিতে হয়েছে।

জরিপে অন্তভর্ুক্ত খানার মধ্যে ৭৯.৯% গত এক বছরে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান থেকে সেবা নিয়েছে, যার মধ্যে ৪৩.৯% খানা দুর্নীতি ও অনিয়মের শিকার হয়। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সেবা নিতে সার্বিকভাবে ঘুষ বা অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয় খানা প্রতি গড়ে ৯১৩ টাকা।

জরিপে ৯৭.১% খানা সরকারি ও বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেছে। এদের মধ্যে ২০% সরকারি এবং ৮০% বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করে। যেসব খানা সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল হতে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করেছে তাদের ৩৩.২% সেবা নিতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির শিকার হয়েছে। ১৩% সেবাগ্রহণকারী খানাকে বিভিন্ন সেবা পেতে নিয়ম বহির্ভূতভাবে গড়ে ৪৬৩ টাকা দিতে হয়। যারা বিভিন্ন ধরনের বীমা সেবা নিয়েছে, তাদের মধ্যে সার্বিকভাবে ১৯.২% খানা হয়রানি ও দুর্নীতির শিকার হয়েছে। সর্বাধিক ৩৯% খানা বিভিন্ন সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে বীমা করানো এবং প্রতিশ্রুত সেসব সুবিধা না দেয়া এবং ৩১.১% খানা বিভিন্ন অনির্ধারিত চার্জ ধার্য করার ঘটনার কথা বলেছে। যারা ব্যাংক থেকে সেবা নিয়েছে তাদের মধ্যে সার্বিকভাবে ১৭.৪% হয়রানি ও দুর্নীতির শিকার হয়েছে। দুর্নীতি ও হয়রানির শিকার হওয়া খানার মধ্যে ১৮.২% ঘুষ দিতে বাধ্য হয়েছে। যেসব খানা গত এক বছরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা সেবা নিয়েছে তাদের ১৫.৩% সেবা নিতে গিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির শিকার হয়েছে। তাছাড়া শিক্ষা সেবা নিতে গিয়ে ১৫% খানাকে নিয়ম বহিভর্ূতভাবে অর্থ দিতে হয়েছে। নিয়ম বহিভর্ূত অর্থের খানা প্রতি গড় পরিমাণ ১৬৮ টাকা। শিক্ষার্থী ভর্তি, বিনামূল্যে পাঠ্যবই প্রাপ্তি এবং উপবৃত্তি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে খানাগুলোকে উলিস্ন্লখিত অনিয়ম ও দুর্নীতির শিকার হতে হয়েছে।

এনজিও’র সাথে এর সেবাগ্রহিতাদের সার্বিক সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে দেখা যায় ১০.১% খানা এনজিও খাত হতে সেবা নিতে গিয়ে কোন না কোন ধরনের দুর্নীতির শিকার হয়েছে। ঋণ গ্রহিতাদের মধ্যে ৭.২% গড়ে ৫৪৯ টাকা ঘুষ দিয়েছে। নূ্যনতম ২০ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৮,০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়েছে তাদের। ঋণ গ্রহণকারী ২৬.৭% খানা ঋণ গ্রহণের সময় অপ্রয়োজনীয় অন্য সেবা গ্রহণে বাধ্য হয়েছে (যেমন গাছের চারাসহ নানা পণ্য নিতে বাধ্য হওয়া)। আবার ৩৬.৩% ঋণ গ্রহণের সময় ঋণের পরিমাণ থেকে কম পেয়েছেন। ঋণের নির্ধারিত উদ্দেশ্য পূরণে সাফল্য/ব্যর্থতার তথ্য দেয়া দরকার। এক্ষেত্রে সংশিস্ন্লষ্ট এনজিও বীমা, কিস্তি, সঞ্চয় ইত্যাদি নানা অজুহাতে ঋণের প্রকৃত পরিমাণ থেকে অর্থ কেটে রেখেছে।

গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে নীতি-নির্ধারণী এবং প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য ১৫ দফা সুপারিশ উত্থাপিত হয়। এগুলো হলো: দুর্নীতি প্রতিরোধে জাতীয় সংসদ ও মন্ত্রণালয়গুলোর কার্যকর পদক্ষেপ, স্বাধীন ও শক্তিশালী দুদক ব্যবস্থার প্রতিষ্ঠা, বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও দুর্নীতির বিচার নিশ্চিত করা, সরকারি খাতে সীমাবদ্ধ আয়ের ক্ষেত্রে ইতিবাচক-নেতিবাচক প্রণোদনার সুষম ভারসাম্য নিশ্চিত করা, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে কঠোর জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার পদ্ধতি শক্তিশালীকরণ এবং নীতি কাঠামো প্রতিষ্ঠা এবং সেগুলো কার্যকর করা, সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা ও সততা প্রতিষ্ঠা করা, মেধা ও কর্মদক্ষতার ওপর ভিত্তি করে সেবা খাতের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি নিশ্চিত করা, সবার জন্য নাগরিক সনদ সহজপ্রাপ্য করা, জাতিসংঘের দুর্নীতি বিরোধী কনভেনশনের বাস্তবায়ন এবং সব সরকারি খাতে ন্যায়পাল নিয়োগ।

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: