দেশের অর্থনীতি এখন স্খবিরতা-স্ফীতি অতিক্রম করে এক অভূত:পূর্ব রিসেশনের মুখে উপনীত হচ্ছে। দেশ যদি এই রিসেশনে পতিত হয়, অর্থনীতিবিদদের চোখে এ এক এমন ভয়ঙ্কর অর্থনৈতিক বিপর্যয়, যাতে কোনো দেশ একবার পড়লে পাঁচ-সাত বছরেও তা থেকে বের হয়ে আসা সম্ভব হয়ে উঠবে না..

দেশের অর্থনীতি কি রিসেশনের পথে?

মঈনুল আলম

 

এক বছর আগে নয়া দিগন্তে আমি যে ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছিলাম তারই কিছু লক্ষণ ফুটে উঠল ৭ ডিসেম্বর রাজধানীর মতিঝিলে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সামনে বিক্ষোভ ও ভাঙচুর করার ঘটনায়।

এ ভাঙচুর ঘটনার পাঁচ দিন পরেই ১২ ডিসেম্বর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সাধারণ সূচক ৩৮৪ পয়েন্টে নেমে যায়। এরপর গত রোববার আরেক দফা রেকর্ড অতিক্রম করে দরপতন হয়েছে; যা ডিএসই’র ইতিহাসে সূচকের এককালীন সর্বাধিক পতন, যাকে বস্তুত ধসই বলা যায়। এ ধস ডিএসই’র ৯৬-এর শেয়ার কেলেঙ্কারির ইতিহাসকেও হার মানিয়েছে বলা হচ্ছে। ১৯৯৬ সালের ৫ নভেম্বর ডিএসই’র সূচক ২৩৩ পয়েন্ট নেমে গিয়ে কেলেঙ্কারির সৃষ্টি করেছিল।

১৩ জানুয়ারি সংখ্যা (২০১০) নয়া দিগন্তে প্রকাশিত আমার ‘অর্থনৈতিক পরিস্খিতি ভয়াবহ স্খবিরতায় পৌঁছাচ্ছে’ শীর্ষক কলামে এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছিলাম : ‘…বিনিয়োগ, উৎপাদন ও কর্মসংস্খান অব্যাহতভাবে বাড়িয়ে জাতীয় অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির জোয়ার যদি সৃষ্টি করা না যায় আগামী এক/দেড়/দুই বছরে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে অভাবিত ধস নামতে পারে, যা শেয়ারহোল্ডার লাখ লাখ নিম্ন আয়ের ও মধ্যবিত্ত পরিবারকে নিদারুণভাবে আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। … মহাজোট সরকার দেশের অর্থনীতিতে এই অশনি সঙ্কেত সম্পর্কে দেশের জনগণকে কতটুকু আস্খায় নিচ্ছে এবং কী সতর্কতা অবলম্বন করছে?’

এই এক বছরে সরকার কোনো সতর্কতা অবলম্বন করেনি। তাই শেয়ারবাজারে আকস্মিকভাবে এক ঘন্টার দর পতনে যখন হাজার হাজার ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী বিক্ষোভে ফেটে পড়ে ভাঙচুর করল তখন কর্র্তপক্ষ দিশেহারা হয়ে পড়ল। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এ ঘটনার জন্য সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসসিইসি) দু’টি নির্দেশ জারিকে দায়ী করল। এসসিইসি’র প্রধান কর্ণধার ঘটনাটিকে ‘নজিরবিহীন ও দু:খজনক’ বলে অভিহিত করার অধিক আর কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

ঘটনার দুই দিন পরে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত ঘটনাটি প্রসঙ্গে ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বললেন, ব্যাঙ্কের কলমানি বাজারের টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ হচ্ছে। বিষয়টি মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরো বললেন, শেয়ারবাজারে শেয়ারগুলোর বেনিফিশিয়ারি ওনার্সের সংখ্যা এখন ৩৩ লাখ। … তাদের আরো শিক্ষিত করে তুলতে হবে।

আমার কলামে যাদের ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী বলেছি, অর্থমন্ত্রী টেকনিক্যাল ভাষায় বেনিফিশিয়ারি ওনার্স সংজ্ঞার পেছনে তাদের আড়াল করেছেন। অর্থমন্ত্রীর সাথে উপস্খিত একই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মশিউর রহমান বলেন, বাজারে যে পরিমাণ নগদ অর্থ রয়েছে, তার তুলনায় শেয়ারের সরবরাহ কম। তিনি আরো বলেন, বড় বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ থলিতে (পোর্টফোলিও) বিভিন্ন ধরনের শেয়ার থাকে। তাই শেয়ারবাজারে আকস্মিক দর পতনে তাদের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম। বেশি ঝুঁকিতে থাকেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা।

এখন অর্থমন্ত্রী ব্যাংকগুলোকে যে সমস্যা সৃষ্টির জন্য দায়ী করলেন, প্রকৃতপক্ষে গত বছর ডিসেম্বরে অর্থ মন্ত্রণালয়ই সে সমস্যার গোড়াপত্তন করেছিলেন সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর ঋণ দেয়ার সীমা এক লাফে আড়াই গুণ বাড়ানোর আকস্মিক সরকারি সিদ্ধান্ত দিয়ে। (নয়া দিগন্ত, ২৫ ডিসেম্বর, ২০০৯)।

অর্থমন্ত্রী মুহিত ও অর্থনৈতিক উপদেষ্টা যে ব্যাখ্যাগুলো দিলেন তাতে এটি পরিস্ফুট হয়ে উঠেছে, যদিও তারা তা উচ্চারণ করেননি যে দেশের অর্থনীতিতে স্পেকুলেটিভ ইকোনমি (ফটকা অর্থনীতি) অংশটি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে স্ফীত হয়ে উঠে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে বিপর্যয়ের সম্মুখীন করছে।

২০০৯-এর মাঝামাঝি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান যখন অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করলেন তখন আমি সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছিলাম যে, বাংলাদেশের অর্থনীতি স্ট্যাগফ্লেশনের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েছে কিন্তু গভর্নর সে কথাটি পুরাপুরি ‘চাপিশ’ করে গিয়েছেন। নয়া দিগন্তের ৩০ জুলাই সংখ্যায় ‘স্ট্যাগফ্লেশন মুদ্রানীতি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর’ শীর্ষক আমার কলামে সে সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছিলাম।

তার দেড় বছর পর আজ বাংলাদেশের মুদ্রার পরিমাণ ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) মধ্যে যে দারুণ অনানুপাত সৃষ্টি হয়েছে এবং একাধিক প্রতিকূল লক্ষণ দেখা যাচ্ছে তাতে অর্থনীতি স্ট্যাগফ্লেশনের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হয়েছে মর্মে দেয়া আমার তখনকার সতর্কবাণীর যৌক্তিকতাই শুধু প্রমাণিত হয়নি তার সাথে নয়া দিগন্তই সর্বপ্রথম এই সতর্কবাণী প্রকাশ করার সংবাদপত্র হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছে অবশ্যই। পাশ্চাত্য গণতন্ত্রগুলোতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর (যুক্তরাষ্ট্রে ফেডারেল রিজার্ভ, কানাডায় ব্যাংক অব কানাডা) দায়িত্ব পালনে প্রধান লক্ষ্য থাকে মুদ্রাপ্রবাহের সাথে সমন্বয় রেখে সরকারের অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডগুলোকে লাগাম দিয়ে রাখা এবং বেসামাল হতে না দেয়া। এ কারণে এসব দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের কাজ করে বিধায় তাদের প্রায়ই সরকারের সমালোচনা ও সতর্কীকরণ করতে গিয়ে সরকারের মুখোমুখি অবস্খান নিতে হয় এবং এটিকেই স্বাভাবিক বলে ধরে নেয়া হয়।

কিন্তু মহাজোট সরকারের শাসনের প্রারম্ভকালে নিয়োজিত বাংলাদেশ ব্যাংকের এই গভর্নর তার একাধিক বিবৃতি ও বক্তব্যে যেভাবে সরকারের বাজেট ও অন্যান্য কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করে যাচ্ছেন তাতে ধারণা হতে পারে, তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নররূপে আসলে সরকারের গৃহপালিত নিয়ন্ত্রকের ভূমিকাই পালন করে যাচ্ছেন।

মুদ্রানীতি ঘোষণাকালে গভর্নর বলেছিলেন, শিল্প উৎপাদনের কাঁচামাল আমদানির পরিমাণ তখনই ১৬ শতাংশ কমেছে। এ বছর শেষ হতে হতে এ হন্সাসের পরিমাণ কোথায় নেমে এসেছে তার কোনো পরিসংখ্যান সরকার থেকে এখনো প্রকাশ করা হয়নি। শিল্প খাতে উৎপাদনে প্রায় ধস নেমেছে। কৃষি খাতে উৎপাদন কমে যাওয়ার ফলে ইতোমধ্যেই দেখা দিয়েছে দেশে উৎপাদিত ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়ার ফায়দা কৃষকরা পাচ্ছেন না, পাচ্ছেন পাইকাররা। শিল্প উৎপাদন খাতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গার্মেন্ট খাত। বছরের শুরু থেকে এ খাতকে যেসব বিপর্যয় আঘাত করেছে তার ফলে অনেক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে এবং হাজার হাজার গার্মেন্ট শ্রমিক কর্মহারা হয়ে গেছেন। গার্মেন্ট শিল্প সেক্টর এখনো দারুণ বিপর্যয়কর পরিস্খিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দেশের অন্যান্য বেসরকারি শিল্প বিনিয়োগ খাতে নেমেছে স্খবিরতা। যার ফলে নতুন কর্মসৃষ্টি হচ্ছে অতি সামান্য। উৎপাদন অর্থনীতির মূল ভিত্তি যে বিনিয়োগ, কর্মসংস্খান ও উৎপাদনের অব্যাহত প্রবৃদ্ধি তা থমকে গেছে।
এসবের ফলে বাজারে মানির বিপরীতে প্রোডাক্টসের পরিমাণ কী দারুণভাবে কমেছে বা দেশে উৎপাদিত দ্রব্যসম্ভারের ক্রমহন্সাসমান মোট পরিমাণের বিপরীতে মুদ্রা সরবরাহ কী দারুণ অঙ্কে বাড়ছে তার সর্বশেষ পরিসংখ্যান সরকার এখনো প্রকাশ করেনি। কিন্তু একাধিক লক্ষণে যে ভয়াবহ পরিস্খিতির আশঙ্কা করা হচ্ছে তা হলো দেশের অর্থনীতি এখন স্ট্যাগফ্লেশন যাকে বাংলায় স্খবিরতা-স্ফীতি বলা যায় অতিক্রম করে এক অভূত:পূর্ব রিসেশনের মুখে উপনীত হচ্ছে। দেশ যদি এই রিসেশনে পতিত হয়, অর্থনীতিবিদদের চোখে এ এক এমন ভয়ঙ্কর অর্থনৈতিক বিপর্যয়, যাতে কোনো দেশ একবার পড়লে পাঁচ-সাত বছরেও তা থেকে বের হয়ে আসা সম্ভব হয়ে উঠবে না, যেমনটি হয়েছিল ১৯৩১ থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের ভয়াবহতম ডিপ্রেশনে।

এক দিকে বিনিয়োগের পথগুলো সঙ্কুচিত হতে থাকলে এবং ব্যাংক সুদের হার কমতে থাকলে এবং অপর দিকে জনগণের হাতে টাকার পরিমাণ বেড়ে গেলে, যা ঘটে : জনগণ শেয়ারবাজারের দিকে ঝুঁকে পড়ে অর্থাৎ শেয়ার/স্টক কিনতে ছোটে। বাংলাদেশে এখন এটিই ঘটছে দারুণভাবে। কয়েকটি কোম্পানি বাজারে শেয়ার ছাড়লে কোনো কোনো কোম্পানির দশ টাকা মূল্যের শেয়ার ১৬০ টাকায় বিক্রয় হওয়ার মতো অবিশ্বাস্য নজিরও দেখা গেছে! শেয়ার/স্টক, বন্ড, ডিবেঞ্চার ইত্যাদি সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় অর্থনীতির এই যে অংশ তাকে বলা হয় স্পেকুলেটিভ ইকোনমি (ফটকাভিত্তিক অর্থনীতি)। এর বিপরীতে হচ্ছে প্রডিউসেস ইকোনমি (বস্তুভিত্তিক অর্থনীতি)।

পাশ্চাত্যের অর্থনীতি বিশারদদের মতে, কোনো দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্পেকুলেটিভ ইকোনমি অংশ এবং প্রডিউসেস ইকোনমি অংশের মধ্যে একটি সুস্খ আনুপাতিকতা থাকতে হবে। স্পেকুলেটিভ ইকোনমি অংশকে একটি কাঙ্ক্ষিত ও সুস্খ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। স্পেকুলেটিভ ইকোনমি অংশ যদি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়ে প্রডিউসেস ইকোনমি অংশের ওপর প্রাধান্য বিস্তার করে, জাতীয় অর্থনীতির ওপর তা ভয়াবহ বিপর্যয় নিয়ে আসতে পারে; যেমনটি ঘটেছে গত ২০০৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে ভয়াবহতম রিসেশনে, যা থেকে যুক্তরাষ্ট্র এখনো বেরিয়ে আসতে পারেনি।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে স্পেকুলেটিভ ইকোনমি অংশ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়ে প্রডিউসেস ইকোনমি অংশের ওপর এমন ভাবে প্রাধান্য বিস্তার করছে যে, লাখ লাখ মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবার তাদের যৎসামান্য সঞ্চয় বিনিয়োগের জন্য বিকল্প কোনো লাভজনক পথ দেখতে না পেয়ে দ্রুত লাভের জন্য প্রলুব্ধ হয়ে শেয়ারবাজারে ব্যাপকভাবে শেয়ার কিনছে ফটকা বাজারের কর্মপন্থা এবং লাভ-লোকসানের ঝুঁকি সম্পর্কে তেমন কিছু না জেনে। এখন স্পেকুলেটিভ ইকোনমির জমজমাট অবস্খায় এসব কোটি কোটি শেয়ারের লভ্যাংশ তারা হয়তো আগামী বছর পাবে। কিন্তু ২০১০-১১ বছর থেকে এসব শেয়ারের আকর্ষণীয় লভ্যাংশ আসবে কোথা থেকে যদি প্রডিউসেস ইকোনমি অংশে বিনিয়োগ, উৎপাদন ও কর্মসংস্খান অব্যাহত বেড়ে জাতীয় অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির জোয়ার সৃষ্টি করতে না পারে? আর যদি তা করা না যায় আগামী দেড়-দুই বছরে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে অভাবিত ধস নামতে পারে, যা লাখ লাখ নিম্ন আয়ের ও মধ্যবিত্ত পরিবারকে দারুণভাবে আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা মশিউর রহমান বলেছেন, শেয়ারবাজারে আকস্মিক দর-পতনে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা।
এখন শেয়ারবাজারের সূচকে ২৫০-২৮০ পতন হলে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে রাস্তায় ভাঙচুর শুরু করে দিচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতিকে রিসেশনে গ্রাস করলে তার প্রতিক্রিয়ায় শেয়ারবাজারে চরম বিপর্যয়ের ধস নামলে সারা দেশে লাখ লাখ ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী কিভাবে প্রতিক্রিয়া করবে তা কল্পনা করাও কঠিন।
লেখক : প্রবীণ সাংবাদিক ও কলামিস্ট
moyeenulalam@hotmail.com
[সূত্রঃ নয়া দিগন্ত, ২২/১২/১০]

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s