সিএজি রিপোর্টের হিসাবে ভারতের লাইসেন্স মূল্যের ১০ ভাগেরও কম মূল্যে লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে।

ভারতের টেলিকম কেলেঙ্কারি ও বাংলাদেশ
মোস্তাফা ইলিয়াস ”ওরু কিলো আরিসি ওরু রুপা, ওরু  হ্যালো ৫০ পয়সা” অর্থাৎ ”এক কেজি চাল এক রুপিতে, একটা হ্যালো ৫০ পয়সায়”-এই ছিল ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের তথাকথিত দলিত নেতা আন্ডিমুথু রাজার নির্বাচনী স্লোগান। আর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষার জন্য জনগণকে কম পয়সায় কথা বলার সুযোগ করে দিতেই নাকি রাজা সাহেবকে করপোরেটদের কাছে অতিসস্তায় দুই জি লাইসেন্স ও স্পেকট্রাম বিক্রি করতে হয়েছিল! তামিলনাড়ুর ডিএমকে পার্টির এই দলিত নেতা এখন ভারতের সর্ববৃহৎ আর্থিক ও রাজনৈতিক কেলেঙ্কারির বলির পাঁঠা। তবে ভারতের কম্পোট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি) বা মহাহিসাবনিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক বিভাগের রিপোর্টে টেলিকম সেক্টরে ভারতের ইতিহাসের এই বৃহত্তম দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ার এবং ভারতের সুপ্রিম কোর্ট থেকে মনমোহন সিংয়ের দিকে আঙুল উঠানোর পর কংগ্রেস ও ইউপিএ সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য ১৪ নভেম্বর, ২০১০ রাজা সাহেবকে তার টেলিকম রাজ্য ত্যাগ করতো হলো।

মূল অভিযোগ : সিএজির রিপোর্টে টেলিকম মন্ত্রণালয় ও ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকমের (ডিওটি) বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে সেগুলো সংক্ষেপে এ রকম :

১. টেলিকম লাইসেন্স ও ফ্রিকোয়েন্সি স্পেকট্রাম বরাদ্দের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। দক্ষতা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার বদলে ‘আগে এলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। নতুন ১২২টি কোম্পানির মধ্যে ৮৫টির লাইসেন্স পাওয়ার কোনো যোগ্যতা ছিল না বলে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে তদন্ত কমিটি।

২. ২০০৮ সালের নতুন লাইসেন্স প্রদানের সময় দরপত্রের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণের বদলে লাইসেন্সের দাম ধরা হয়েছে ২০০১ সালের হারে। নতুন লাইসেন্স ছাড়াও পুরনো ১৩টি অপারেটরকে বাড়তি ফ্রিকোয়েন্সি দেওয়ার ক্ষেত্রেও ২০০১ সালের হারে ফি নেওয়া হয়েছে।

সিএজির রিপোর্ট অনুসারে ২০০১ সালের হারে লাইসেন্স বিক্রির জন্য ভারত সরকারের ক্ষতি হয়েছে এক লাখ ৭৬ হাজার কোটি রুপি আর লাভ হয়েছে রিলায়েন্স কমিউনিকেশন্স, টাটা টেলিসার্ভিসেস, শ্যাম টেলিলিঙ্ক, ইউনিনর, লুপ টেলিকম, এস-টেল, ডাটাকম (বর্তমানের ভিডিওকন), আলিয়ান্স ইনফ্রাটেক (যা পরবর্তীতে ডিবি-এটিসালাতের সঙ্গে একীভূত হয়েছে), সোয়ান টেলিকম ইত্যাদি দেশী-বিদেশী করপোরেট কোম্পানির। এই হলো রাজা সাহেব প্রতিশ্রুত ৫০ পয়সায় একটা হ্যালোর প্রকৃত মূল্য!

করপোরেট বলির পাঁঠা : এখন এসব অভিযোগে শুধু রাজাকে পদত্যাগ করানোর মধ্য দিয়েই কংগ্রেস ও মনমোহন সিং রক্ষা পেতে চাইছেন। এই দুর্নীতির অভিযোগটি কিন্তু আজকের নয়, এটি প্রথম ওঠে ২০০৮ সালে লাইসেন্স দেওয়ার পরপরই। রাজা তখন টেলিকমমন্ত্রী। এ সময় যখন ‘আগে এলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে ১২২টি কোম্পানিকে নতুন লাইসেন্স ও ৩৫টি পুরনো অপারেটর কোম্পানিকে ডুয়েল টেকনোলজি (জিএসএম ও সিডিএমএ) লাইসেন্স দেওয়া নিয়ে সমালোচনা হলো, তখন তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শুধু তাই নয়, এক বছর আগেই ভারতের ইনকামট্যাক্স বিভাগ থেকে রাজার সঙ্গে ভারতের কুখ্যাত করপোরেট লবিইস্ট নিরা রাদিয়ার এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য করপোরেট যেমন রতন টাটা, করপোরেট মিডিয়ার সাংবাদিক ভির সাংভি বা বারখা দত্তের কথোপকথনের একটি টেপ সিবিআইর কাছে জমা দেওয়া হয়েছিল। সেইসঙ্গে এই টেপের কপি মনমোহন ও সোনিয়া গান্ধীসহ আরো অনেক রথি-মহারথির কাছেও পাঠানো হয়েছিল বলে শোনা যাচ্ছে। কিন্তু তখন এসবের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। উল্টো ভারতের টেলিকম সেক্টরে বিপ্লব ঘটানোর জন্য আন্ডিমুথু রাজাকে ২০০৯ সালের নতুন মন্ত্রিসভায় আবারো টেলিকম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০০৮ সালের নভেম্বরে জনতা পার্টির চেয়ারম্যান সুব্রামনিয়াম স্বামী টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজার বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমতি চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি দেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সে অনুমতি প্রদান করেননি। এখন যখন সুপ্রিম কোর্ট এ বিষয়ে মনমোহন সিংকে কারণ দর্শাতে বলেছেন (২৩ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে নির্দোষ দাবি করে তার পক্ষ থেকে একটি এফিডেভিট দাখিল করা হয়েছে), যখন সংসদে উপস্থাপনের জন্য তৈরি কম্পোট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের (সিএজি) তদন্ত রিপোর্ট ইন্টারনেট ও মিডিয়ায় ফাঁস হয়ে গেছে এবং কথোপকথনের টেপের কপি আদালতেও জমা দেওয়া হয়েছে, তখন সবকিছু ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে কেবল টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজাকেই পদত্যাগ করানো হলো!

স্পেকট্রাম লুট, বাংলাদেশ পরিপ্রেক্ষিত : বাংলাদেশেও মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলোর কাছে বিটিআরসি কর্তৃক লাইসেন্স বিক্রির প্রক্রিয়া, লাইসেন্স ও ফ্রিকোয়েন্সি স্পেকট্রামের মূল্য, সরকারের প্রাপ্য ট্যাক্সের হার ইত্যাদি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। এসব কোম্পানিকে শুরুতে নামমাত্র মূল্যে লাইসেন্স ও ফ্রিকোয়েন্সি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। ঠিক কোন নীতিমালার ভিত্তিতে এবং কি কি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তখন কত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল সেটা কখনই জনগণের সামনে পরিষ্কার করা হয়নি। এ ছাড়া এসব নিয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো তদন্তও হয়নি। ২০১১ সালের ১১ নভেম্বর গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, রবি ও সিটিসেলের ১৫ বছর মেয়াদি লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হবে। জানা গেছে, এ চার বেসরকারি মোবাইল অপারেটরের লাইসেন্স নবায়নের বিষয়টি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনে (বিটিআরসি) প্রক্রিয়াধীন। বিটিআরসির কাজ শেষ হওয়ার পর ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় তা বিবেচনা করে দেখবে। তা ছাড়া এসব কোম্পানির কাছে সামনে তিন জি (তৃতীয় প্রজন্ম) লাইসেন্সও বিক্রির কথাবার্তা চলছে। পত্রপত্রিকা মারফত জানা গেছে, লাইসেন্স নবায়ন নীতিমালায় প্রতিবছরের জন্য লাইসেন্স নবায়ন ফি মাত্র পাঁচ কোটি টাকা রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে এবং প্রতি সাড়ে সাত বছরের জন্য ফ্রিকোয়েন্সির ফি ধরা হয়েছে ১০০ কোটি টাকা করে। (সূত্র : সমকাল ১৯ সেপ্টম্বর, ২০১০) ভারতের সাম্প্রতিক টেলিকম কেলেঙ্কারির বেলায় আমরা দেখি, ভারতকে মোট ২৩টি ইউনিফাইড সার্ভিস এরিয়ায় (ইউএসএ) ভাগ করে প্রতিটি এরিয়ার জন্য ২০০১ সালের হারে প্রতিটি লাইসেন্স (৪.৪ মেগাহার্টজ স্পেকট্রামসহ) ফি রাখা হয়েছিল ২০ বছরের জন্য এক হাজার ৬৫৮ কোটি রুপি করে। কিন্তু সিএজি রিপোর্ট এটিকে বর্তমান বাজারদর হিসেবে কয়েকগুণ অবমূল্যায়িত বলে আখ্যায়িত করে। রিপোর্টটিতে ভারতের বাজারে মোবাইল টেলিকম লাইসেন্সের বর্তমান সম্ভাব্য মূল্য হিসেবে সাত হাজার ৭৫৮ কোটি থেকে নয় হাজার ১০০ কোটি রুপি অর্থাৎ  ১২ হাজার ২৫ কোটি থেকে ১৪ হাজার ১০৫ কোটি টাকা ধরা হয়। বাংলাদেশের প্রস্তাবিত লাইসেন্স নবায়ন ও স্পেকট্রাম ফি ধরলে প্রতি ২০ বছরের জন্য লাইসেন্স নবায়ন ও ৪.৪ মেগাহার্টজ স্পেকট্রামের খরচ দাঁড়াবে (৫০ কোটি + ১১৭৩ কোটি) অর্থাৎ এক হাজার ২২৩ কোটি টাকা। অর্থাৎ সিএজি রিপোর্টের হিসাবে ভারতের লাইসেন্স মূল্যের ১০ ভাগেরও কম মূল্যে লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে।

টেলিকম সেক্টর বেসরকারিকরণ ও লুটপাট : ভারত ১৯৯৪ সালে জাতীয় টেলিযোগাযোগ নীতিমালার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে টেলিকম সেক্টর বেসরকারিকরণের সিদ্ধান্ত নেয় এবং পরে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নীতিমালার মাধ্যমে ফ্রিকোয়েন্সি স্পেকট্রাম দেশী-বিদেশী কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার কাজটি চালিয়ে যায়। বেসরকারিকরণের পর থেকে বিভিন্ন সময় রাষ্ট্র কর্তৃক দেশী-বিদেশী পুঁজিপতিদের স্বার্থে কাজ করার ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম টেলিকম সেক্টর বেসরকারিকরণ শুরু করে। ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ টেলিকম (প্রাইভেট) লিমিটেড বা বিটিএলকে লাইসেন্স দেওয়ার মাধ্যমে এ কাজটি শুরু হয়। বাংলাদেশ এরপর আরো পাঁচটি লাইসেন্স দিয়েছে মোবাইল অপারেটর কোম্পানিকে। সবার লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়া, লাইসেন্স ফি, সরকারের সঙ্গে রেভিনিউ ভাগাভাগির হার, ইত্যাদি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে মোহাম্মদ আবু ইউসুফ, কামরুল আলম এবং কেন কগহিলের ‘পলিটিক্স, একুমুলেশন অ্যান্ড মোবাইল ফোন লাইসেন্সিং-এন আনটোল্ড স্টোরি’ নামের গবেষণাপত্রে নিম্নোক্ত অস্বচ্ছ ব্যবস্থা ও দুর্নীতিগুলোর কথা উঠে এসেছে : (Politics, Accumulation and Mobile phone licensing- an untold story by Mohammad Abu Yusuf, Quamrul Alam & Coghil, http://www.buseco.monash.edu.au/mgt/research/working-papers/2010/wp3-10.pdf
[1])

এক. ১৯৮৯ সালে বিটিএলের লাইসেন্স দেওয়া হয় কোনো ধরনের নীতিমালা ও বিডিং ছাড়াই। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ যখন সেনাশাসক তখন তার সঙ্গে বিটিএলের মালিক শাজাত আলির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং ওই সময়ে তিনি লাইসেন্স পান। পরবর্তীতে Hutchison এর সঙ্গে জয়েন্ট ভেঞ্চারের মাধ্যমে এর নাম হয় এইচবিটিএল। এরশাদের পতনের পর বিএনপি সরকারের সময় ১৯৯৩ সালে এইচবিটিএলকে মোবাইল টেলিকম অপারেশনের লাইসেন্স মোরশেদ খানের প্যাসিফিক টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেডকে (পিবিটিএল) হস্তান্তর করা হয় এবং সেই সময় থেকে কোম্পানিটি সিটিসেল ব্র্যান্ড নাম নিয়ে ব্যবসা করছে।

দুই. ১৯৯৫ সালে বিডিং আহবান করে ১৯৯৬ সালের দিকে আরো তিনটি কোম্পানিকে লাইসেন্স দেওয়া হয়। এগুলো হলো টেলিকম মালয়েশিয়া বাংলাদেশ লিমিটেড (ব্র্যান্ড নাম প্রথমে একটেল, বর্তমানে রবি), সেবা টেলিকম প্রাইভেট লিমিটেড (বর্তমানের বাংলালিংক) ও গ্রামীণফোন। এই লাইসেন্সগুলো বিডিংয়ের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হলেও লাইসেন্স গাইডলাইন বা পলিসি প্রকাশ করা হয়নি, কোন কোন মানদন্ডের মাধ্যমে বিডিংয়ে কোম্পানিগুলো যোগ্য বলে বিবেচিত হলো সেটাও অস্বচ্ছ, লাইসেন্স ফি ইত্যাদি বিষয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে।

তিন. রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি টেলিটকের যাত্রার শুরুতে বাধা দেওয়া এবং পরে বিভিন্নভাবে বহুজাতিক মোবাইল কোম্পানিগুলোর স্বার্থে টেলিটককে দুর্বল রাখার অভিযোগ আছে। টেলিটকের লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০০১-০২ সালে। কিন্তু তিন-চার বছর চেষ্টার পর তৃতীয়বারের মাথায় টেলিটককে লাইসেন্স দেওয়া হয়। বর্তমানে ইচ্ছাকৃতভাবে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করতে না দেওয়া, অর্থায়ন ও যন্ত্রপাতি কেনায় বিলম্ব এবং অস্বচ্ছতার অভিযোগ আছে।

চার. সর্বশেষ ২০০৫ সালের ২০ ডিসেম্বর ষষ্ঠ মোবাইল অপারেটর ওয়ারিদকে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে পানির দরে। মাত্র পাঁচ কোটি ডলারের বিনিময়ে কোনো ধরনের বিডিং ও নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই কোম্পানিটিকে লাইসেন্স দেওয়া হয়। এই লাইসেন্সের জন্য ওয়ারিদকে খরচ করতে হয়েছিল মাত্র এক কোটি ৫০ লাখ ডলার – যা তৎকালীন ক্ষমতাসীনদের মধ্যে ভাগাভাগি হয় বলে সংবাদপত্রে খবর প্রকাশিত হয়েছে। শুধু তাই নয়, ২০১০ সালের জানুয়ারিতে সরকারকে লাইসেন্স হস্তান্তর ফি কম দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের ওয়ারিদের মূল্য মাত্র এক কোটি টাকা দেখিয়ে ভারতীয় টেলিকম জায়ান্ট ভারতী এয়ারটেল মাত্র ৭০ লাখ টাকা বা এক লাখ ডলারের বিনিময়ে ওয়ারিদ টেলিকমের ৭০ ভাগ শেয়ার কিনে নিয়েছে।

আমরা মনে করি, এ অবস্থায় ভারতের মতো বাংলাদেশেও বেসরকারি ও বিদেশী প্রতিষ্ঠানের কাছে মোবাইল টেলিকম লাইসেন্স বরাদ্দের যৌক্তিকতা, উদ্দেশ্য ও প্রক্রিয়া, দেশীয় কোম্পানি টেলিটককে দুর্বল ও অকার্যকর করে রাখা, লাইসেন্স নবায়নের প্রক্রিয়া, মূল্য নির্ধারণ, সস্তায় ফ্রিকোয়েন্সি স্পেকট্রাম বরাদ্দ এবং লুটপাট, ইত্যাদি বিষয়ে শক্তিশালী তদন্ত হওয়া দরকার। বাংলাদেশেও ভারতের মতো অস্বচ্ছ ও দুর্নীতির ঘটনাবলি ঘটেছে কি না সে বিষয় তদন্ত হওয়া জরুরি।

আমাদের সময়, আলোচনা, ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ, জনকন্ঠ, ডেসটিনি, দিগন্ত, দিনের শেষে, নয়া দিগন্ত, প্রথম আলো, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ভোরের কাগজ, মানবজমিন, মুক্তমঞ্চ, যায় যায় দিন, যায়যায়দিন, যুগান্তর, সংগ্রাম, সংবাদ,চ্যানেল আই, বাঙ্গালী, বাংলা ভিশন, এনটিভি,এটিএন বাংলা, আরটিভি, দেশ টিভি, বৈশাখী টিভি, একুশে টিভি, প্রবাস, প্রবাসী, ঠিকানা, জাহান হাসান, বাংলা, বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস, লিটল বাংলাদেশ, ইউএসএ, আমেরিকা, অর্থনীতি, প্রেসিডেন্ট ওবামা,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,অর্থ, বাণিজ্য, শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামাত, রাজাকার, আল বদর, Jahan, Hassan, Ekush, bangla, desh, Share, Market, nrb, non resident, los angeles, new york, ekush tube, ekush info,

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: