দায়িত্ব অধিকার নয়, আমানত। আজ সর্বত্র জনগণের আমানত নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চলছে। ক্ষমতাকে লাভক্ষতির বাণিজ্য মনে করা হচ্ছে। তবে দায়িত্ব পালন করার সক্ষমতা ও যোগ্যতা না থাকলে দায়িত্ব এড়ানো উচিত। নয়তো সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা করা প্রয়োজন।

ক্ষমতা ও নাম ফুটানোর গল্প

মাসুদ মজুমদার

রাজনীতি

রাজনীতি

 রাজা-বাদশাহদের ইতিহাস বড় বিচিত্র। লোককথা, রূপকথা এবং বচন-প্রবচন মিলিয়ে রাজরাজড়াদের নানা কাহিনী ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছে। সমৃদ্ধ করেছে মানুষের জ্ঞানের ভাণ্ডারকেও। খেয়ালি রাজারা অনেক অভ্যাস লালন করতেন। এর কিছু বদ অভ্যাসও। রাজা-বাদশাহরা সাধারণত মোসাহেব পুষতেন। তারা রাজাকে সঙ্গ দিতেন। নির্দোষ রম্যকথা, গল্প ও চটুল বিষয়-আশয় পরিবেশন করে রাজাকে খোশমেজাজে রাখতেন। ইতিহাসে এমন অনেক মোসাহেব স্খায়ী আসন করে নিয়েছেন। গোলাম হোসেন, বীরবল, মোল্লা দোপেয়াজা, গোপাল ভাঁড়, নাসির উদ্দীন হোজ্জা ইতিহাসের কিছু স্বনামখ্যাত চরিত্র। তারা বুদ্ধির বলে রাজা-বাদশাহদের হাসাতেন, মাতাতেন। আবার জটিল বিষয়ের সহজ সমাধান দিতে সাহায্যও করতেন। দক্ষতা, যোগ্যতা, জ্ঞান-বিচক্ষণতা, বুদ্ধিদীপ্তির প্রখরতায় এ চরিত্রগুলো অম্লান হয়ে আছে। ইতিহাস এ চরিত্রগুলো তুলে ধরেছে শিক্ষার জন্য। সবক নেয়ার জন্য। ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় রাজা যায় রাজা আসে। ক্ষমতাবান সৃষ্টি হয়। আবার তাদের পতনও হয়। উথান, বিকাশ ও পতনের শিক্ষাই আমাদের কাছে বড় হয়ে আসা উচিত। এ কারণেই ইতিহাসচর্চার প্রয়োজনীয় দিকটি কখনো উপেক্ষিত নয়।

অনেক ক্ষেত্রে রাজা-বাদশাহর প্রভাব কমেছে। অনেক রাজা নিয়মতান্ত্রিকতার খোলস পরেছেন। তারপরও প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়নি বলেই এখনো রাজা-বাদশাহর সন্ধান মেলে। তবে আজকাল আর রাজা-বাদশাহরা মোসাহেব পোষেন না। রাজনীতির আকাঙ্ক্ষিত অনুকূল পরিবেশে শাসকদের চারপাশে চাটার দল ও মোসাহেব গজায়। অনেক ভাঁড় সৃষ্টি হয়। একসময় মন্ত্রী বা মন্ত্রক ছিল রাজা-বাদশাহদের করুণার উমেদার ও আজ্ঞাবহ। উপদেষ্টারা হতেন তার চেয়েও বাড়া। এখন সরকার কাঠামোর মধ্যে উপদেষ্টা রাখার নিয়ম খুব একটা প্রচলন নেই। তার পরও বিশেষ যোগ্যতার, বিশেষ অভিজ্ঞতার মেধা, বুদ্ধি ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর গরজে সরকারপ্রধানরা উপদেষ্টা লালন-পালন করেন। যদিও মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার পদ্ধতিতে উপদেষ্টার পদটিকে উটকো ও বড্ড বেমানান মনে হয়। এখন মন্ত্রীদের থাকে রাজনৈতিক চরিত্র, কারো কারো শক্ত মেরুদণ্ডও। তারা বেশি মোসাহেব হতে চান না। অবশ্য কম যোগ্যতার ও অল্প অভিজ্ঞতার মন্ত্রীদের মোসাহেবি না করে উপায়ও থাকে না। তাই খাজনার চেয়ে তারা বাজনা বাজান বেশি। আনুগত্য প্রকাশের প্রতিযোগিতায় তারা আগ বাড়িয়ে চলেন। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি করিৎকর্মা ভাব দেখান। কথার খই ফুটান। কথায় আছে, যারা বেশি কথা বলে তারা হয় মিথ্যা বলে, না হয় বাড়িয়ে বলে। আমাদের মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে জনাকয়েক যে চৌকস মানুষ আছেন তা তো মানতেই হবে। তবে অনেককে মনে হয় সারিন্দাবাজ। নাম ফুটানোর ধান্ধায় ব্যস্ত থাকেন। গলা উঁচিয়ে কথা বলেন কিন্তু সরকারের ইমেজ ফুটো করে দেন। আগের দিনের রাজা-বাদশাহদের মোসাহেবদের বেশ বুদ্ধিদীপ্ত হতে হতো। তাদের উপস্খিত বুদ্ধি ছিল অতুলনীয়। আজকাল তাও লাগে না। তারা রাজা-বাদশাহদের এমন বুদ্ধি দিতেন যাতে তারা প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে ঘায়েল করতে পারতেন। সাপ মরত, লাঠি ভাঙত না। এখন লাঠি ভাঙে, সাপ মরে না। তারা রাজনৈতিক পরিবেশকে দূষিত করে তোলেন। রাজনীতির মাঠে অসহিষ্ণুতা তারাই জন্ম দেন। আজকের সাংঘর্ষিক অবস্খা তারই ফসল। মাঝেমধ্যে মনে হয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসাকে উসকে দেয়াই যেন আজকের দিনের মোসাহেবদের আসল কাজ। তাদের কাছে রাজনৈতিকভাবে কাবু করে দেয়ার কিংবা হারিয়ে দেয়ার কৌশল নেই বললেই চলে। এখন ক্ষমতার দাপট দেখানো হয় যুক্তি নয়, শক্তির জোরে। জবরদস্তি করে গণতন্ত্র চর্চার উপমাও বেড়েছে। পুলিশের সাথে মাঠে নেমে পড়ে দলীয় ক্যাডার। সাথে যোগ দেয় সুবিধাবাদী পেশাদার সন্ত্রাসী। ছিনতাইকারী, চোর-বাটপারও রাজনৈতিক পরিস্খিতির আড়ালে ফায়দা তুলতে সুযোগ হাতছাড়া করে না। এখন হরতাল ঠেকাতে হাজার হাজার গ্রেফতার করতে হয়। লাখে লাখে পুলিশ নামাতে হয়। অবশ্য রাজা-বাদশাহর যুগে হরতাল নামের কিছু ছিলও না। এখন এক দিকে বলা হয় এটি গণতান্ত্রিক অধিকার। অন্য দিকে হরতাল ঠেকাতে চলে দমনপীড়ন।

৩০ নভেম্বরের হরতালকেও এ বক্তব্যের পক্ষে দলিল হিসেবে উপস্খাপন করা হলে সরকারকে লাজবাব হয়ে যাওয়া ছাড়া কোনো পথ নেই। ভিডিও ফুটেজ ও সংবাদ চিত্র প্রমাণ করেছে সরকার এতটাই আক্রমণ ভাগে খেলেছে যে, গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের আওতায় ভিন্ন মত, মৌলিক অধিকার, মত প্রকাশের স্বাধীনতা পালিয়ে বেঁচেছে।

এখন রাজনীতিবিদরা নাম ফাটানোর জন্য উদ্ভট সব কাণ্ডকীর্তির আশ্রয় নেন। আগে জনসেবার মাধ্যমে মানুষের মন জয় করা হতো। বদান্যতা ও দানের মাধ্যমে খ্যাতি এসে ধরা দিতো। ন্যায়বিচার করে কিংবদন্তি হয়ে যেতেন অনেক রাজা-বাদশাহ। ইনসাফের নজির সৃষ্টি করে খ্যাতি কুড়াতেন কেউ কেউ। মহৎ কোনো কর্ম সম্পাদন করে নজিরবিহীন হয়ে উঠতেন অনেকেই। এখন ওসব দিকে যান না। বাংলাদেশের খুলনা অঞ্চলে নাম জাহির বা ফুটানোর একটা কাহিনী চালু আছে। এক টাউট নানা অপকর্ম করেও তার নাম ব্যাপকভাবে পরিচিত করাতে পারছিল না। তারপর সিদ্ধান্ত নিল এমন আকামই করবে যাতে তার নাম সবার মুখে মুখে উঠে আসে। কী করবে, কী করবে ভাবতে ভাবতে সিদ্ধান্ত নিল মামীশাশুড়িকে নিকা করবে। যেই না নিকা করল, নাম তো তার কারো অজানা থাকল না। সে ঠাটবাট দেখিয়ে বলল কত আকাম-কুকামই তো করলাম নাম তো ‘চেতে’ না। যেই না মামীশাশুড়িকে নিকা করলাম নাম তো আর ঠেকে থাকে না। আমাদের বর্তমান সরকারের কোনো কোনো কাজে কোনো কোনো মুখপাত্রও আকামের নজির সৃষ্টি করে বেনজির বা নজিরবিহীন হওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন। কোনো কোনোন্ধুপ্রেমী সেজে বসেন। মুক্তিযোদ্ধার চেয়েও বড় মুক্তিযোদ্ধা সেজে যান অনেক অমুক্তিযোদ্ধা, এমনকি মুক্তিযুদ্ধে বিতর্কিত ভূমিকার লোকও। এসব যেন পোপের চেয়েও বড় খ্রিষ্টান হওয়ার মহড়া। পেশাদার চাটুকার সেজে বসা।

helping-world

helping-world

ক্ষমতা দেখানোর ব্যাপারটা এখন এতটা উৎকটভাবে দেখা যাচ্ছে যে যেখানে পারছে ক্ষমতা দেখাচ্ছে, দাপট দেখাচ্ছে। রাষ্ট্রযন্ত্র যেন ক্ষমতা ও দাপট দেখানোর বিশেষ যন্ত্র। আর পুলিশ, দলীয় ক্যাডার, দলবাজ, টেন্ডারবাজসহ সব বাজিকর ক্ষমতা দেখানোর প্রতিযোগিতায় নেমে পড়েছে। ক্ষমতা দেখানোর এ দাপুটে যুগে একটা পুরনো গল্প মনে পড়ল। রেলক্রসিংয়ের লাইনম্যান বউকে বলেছে, তার ‘খেমতা’ অনেক। হাত তুলে পতাকা নাড়লেই ট্রেন থেমে যায়। বউ ক্ষমতাধর স্বামীর ‘খেমতা’ দেখার বায়না ধরল। একদিন বউকে নিয়ে গেল কর্মস্খলে। আন্ত:নগর ট্রেন ছুটে আসছে। রাস্তায় কোনো সমস্যা নেই। তার পরও হাতের লাল পতাকা নেড়ে দিলো। ট্রেন থেমে গেল। গার্ড নেমে এসে ক্রসিংয়ের লাইনম্যানের কাছে লাল পতাকা তোলার কারণ জানতে চাইল। সব ঠিকঠাক আছে। কোনো সমস্যা নেই। তার পরও লাল পতাকা নেড়ে গাড়ি থামানোর কোনো কারণ ব্যাখ্যা করতে পারল না। গার্ড রাগতস্বরে বকা দিয়ে লাইনম্যানের গালে কষে একটা থাপ্পড় বসিয়ে দিলো। বউয়ের সামনে থাপ্পড় খেয়ে সেটা হজম করা সহজ ছিল না। বউ জিজ্ঞাসা করল কী গো মিন্সে… , এই তোমার ‘খেমতা’। লাইনম্যান বউকে গালি দিয়ে বলল, আরে বুজিস না, যার যার ‘খেমতা’ সে তো প্রয়োগ করবেই। আমার খেমতা আমি দেখিয়েছি। গার্ড দেখিয়েছে তারটা।

জানি না ক্ষমতা প্রদর্শন ও শক্তি দেখানোর এ প্রতিযোগিতায় আজকের জনগণ অদূর ভবিষ্যতে কী আচরণ প্রদর্শন করবে। খবর বেরিয়েছে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ডিজিও ক্ষমতা দেখানোর সুযোগ পেয়ে প্রশিক্ষণরত ইমামদের বিদেশী নৃত্য দেখিয়েছেন। এটা মামীশাশুড়িকে নিকা না লাইনম্যানের বউকে ‘খেমতা’ প্রদর্শন বুঝলাম না। জানি না ডিজি সাহেব কোন খোদার বন্দেগি করেন। কোন দেশে কাদের সামনে ক্ষমতা দেখানোর সুযোগ নিলেন। কোনো কোনো রাজনৈতিক চরিত্রের ব্যবসায়ী নেতাও আজকাল এ পথে হাঁটছেন। স্ববিরোধী অবস্খান নিয়ে কথা বলছেন। দ্রব্যমূল্য ও ব্যবসায়পাতি নিয়ে বিব্রত সরকারকে সাহায্য না করে ‘রাজনীতি খেলছেন’।

কাউন্ট লিও তলস্তয় বলেছিলেন, স্বল্প আয়ুর মানুষ ক্ষমতা দেখাবে কেন। সে তো সব কাজের মধ্য দিয়ে তার নিশ্চিত মৃত্যুর পাথেয় সঞ্চয় করতে ব্যস্ত থাকবে। মৃত্যু নিশ্চিত। ক্ষমতা স্বল্পমেয়াদি। তার পরও এত দুর্বিনীত আচরণ প্রদর্শন কেন, কেনই বা ক্ষমতার এত দাপট দেখানোর তোড়জোড়। নাম ফুটানোর এত আয়োজন। সিঁড়ি দিয়ে নামতেও মানুষ হোঁচট খেয়ে পঙ্গু হয়। নাকে-কানে মশা ঢুকেও মানুষ মরে। মৃত্যুর কাছে মানুষ কত না অসহায়। একজন আলেম প্রায়ই ওয়াজ করতেন, দু’বার পাতলা পায়খানা ও একবার বমি হলে যে মানুষের ঠিকানা হয় বিছানা তার এত অহঙ্কার কিংবা ক্ষমতা দেখানোর ছলচাতুরি মানায় না।

দায়িত্ব এত বড় আমানত যে মানুষকে তার জন্য প্রস্তুতি নিতে হয়। নিজের যোগ্যতা ও সামর্থ্য নিজেকেই মেপে দেখতে হয়। নাসির উদ্দিন হোজ্জার মতো মানুষও ইমামতি ও খুতবা দেয়ার ভয়ে পালিয়ে বেড়াতেন। ভাবতেন এত বড় দায়িত্ব নেয়া তার সাজে না। তাহলে গল্পটা বলেই ফেলি। একবার নাসির উদ্দিন হোজ্জা ঘুরতে ঘুরতে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো এক শহরে পৌঁছে গেলেন। মাথায় পাগড়ি, গায়ে বড় জোব্বা দেখে শহরের লোক তাকে ইমামতি ও খুতবা দেয়ার দায়িত্ব দিতে চাইল। হোজ্জা দায়িত্ব নেবেন না। বিনয়ও দেখাবেন। আবার বুদ্ধি বলে এড়িয়েও যাবেন। লোকজনের চাপে তিনি দাঁড়িয়ে বললেন, আপনারা জানেন আমি কী বলব! উপস্খিত জনতা জবাব দিলো, জানি। হোজ্জা বললেন আপনারা তো জানেনই। তাহলে আবার আমার সময় নষ্ট করার কী আছে, এই বলে সরে দাঁড়ালেন। পরের শুক্রবারও জনগণ তাকে ধরে বসল। এবারো সে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞাসা করল, আমি কী বলব আপনারা জানেন? জনতা এবার বুদ্ধি খরচ করে জবাব দিলো, ‘না’। হোজ্জা বলল, তাহলে আমি আর কী বলব, আপনারা তো জানবেনই না। এই বলে দ্বিতীয়বারও সরে দাঁড়ালেন। পরের শুক্রবারও জনগণ তাকে অনুরোধ করল। জনগণ এবার ভাগ হয়ে অর্ধেক মানুষ ‘হ্যাঁ’ অবশিষ্টরা ‘না’ বলার কথা ভাবল। হোজ্জা জিজ্ঞাসা করলেন, ভাইয়েরা, আমি কী বলব আপনারা জানেন? অর্ধেক মানুষ ‘হ্যাঁ’ অবশিষ্টরা ‘না’ বলল। হোজ্জা বললেন, আপনারা যারা বলেছেন হ্যাঁ তারা যারা না বলেছেন তাদের আমার কথাটা জানিয়ে দিন। এই বলে হোজ্জা শহর ছাড়লেন।

আমরা দায়িত্ব এড়ানোর কথা বলছি না। তবে দায়িত্ব পালন করার সক্ষমতা ও যোগ্যতা না থাকলে দায়িত্ব এড়ানো উচিত। নয়তো সক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা করা প্রয়োজন। দায়িত্ব অধিকার নয়, আমানত। আজ সর্বত্র জনগণের আমানত নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চলছে। ক্ষমতাকে লাভক্ষতির বাণিজ্য মনে করা হচ্ছে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরাও ব্যবহৃত হচ্ছেন সেই রাজনৈতিক বাণিজ্যকে সংরক্ষণের জন্য। এর ফলাফল ভালো হওয়ার কথা নয়। একসময় জনগণ বেঁকে বসবে। সুযোগমতো ভোটের মাধ্যমে অথবা না বলার প্রথম সুযোগে কষে প্রতীকী কোনো থাপ্পড় বসিয়ে দিতে বাধ্য হবে। চরম প্রতিশোধ নেয়ার মতো আচরণও করে বসতে পারে।

এখন ক্ষমতার দাপট, অহমিকা, ভিন্ন মত সহ্যের অসহ্য ভাবনাকে রাষ্ট্রশক্তি দিয়ে মোকাবেলা করা হচ্ছে জনগণ একসময় প্রতিক্রিয়া দেখাতে বাধ্য হবে সেটা হরতাল-ধর্মঘটের চেয়েও বড় আজাব হয়ে নেমে এলে কোনোভাবেই ঠেকানো সম্ভব হয়তো হবে না। তখন পরিস্খিতি ও ভাগ্যকে দায়ী করেও লাভ হয় না।
[সূত্রঃ নয়া দিগন্ত, ০২/‌১২/১০]

আমাদের সময়, আলোচনা, ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ, জনকন্ঠ, ডেসটিনি, দিগন্ত, দিনের শেষে, নয়া দিগন্ত, প্রথম আলো, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ভোরের কাগজ, মানবজমিন, মুক্তমঞ্চ, যায় যায় দিন, যায়যায়দিন, যুগান্তর, সংগ্রাম, সংবাদ,চ্যানেল আই, বাঙ্গালী, বাংলা ভিশন, এনটিভি,এটিএন বাংলা, আরটিভি, দেশ টিভি, বৈশাখী টিভি, একুশে টিভি, প্রবাস, প্রবাসী, ঠিকানা, জাহান হাসান, বাংলা, বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস, লিটল বাংলাদেশ, ইউএসএ, আমেরিকা, অর্থনীতি, প্রেসিডেন্ট ওবামা,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,অর্থ, বাণিজ্য, শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামাত, রাজাকার, আল বদর, সুখ, টেলিভিশন, বসন্ত উৎসব, Jahan, Hassan, jahanhassan, Ekush, bangla, desh, Share, Market, nrb, non resident, los angeles, new york, ekush tube, ekush.info,

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: