মানুষ সহজে ভুলে যেতে পারে না তার শিকড়। নিজেকে সে শক্ত এক বাঁধনে বেঁধে রাখতে চায় বিচ্ছিন্ন সেই সত্তার সঙ্গে। তার ভয় হয়, এই বিশ্বাস হারিয়ে গেলে সে হয়ে পড়বে অবলম্বনহীন। -লিও টলস্টয়

লিও টলস্টয় মৃত্যুশতবর্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি
‘জীবন কী’ বলছেন টলস্টয়

Count Lev Nikolayevich Tolstoy

Count Lev Nikolayevich Tolstoy

“Boredom: the desire for desires.” Count Leo Lev Nikolayevich Tolstoy
Leo Tolstoy
Count Lev Nikolayevich Tolstoy, commonly referred to in English as Leo Tolstoy (September 9, 1828 – November 20, 1910) was a Russian novelist, writer, essayist, philosopher, Christian anarchist, pacifist, educational reformer, vegetarian, moral thinker and an influential member of the Tolstoy family.
Read Letter to a Hindu, which spurred a friendship between Tolstoy and Gandhi, one of 20 of his works available in several languages, including Tagalog, free from Project Gutenberg.

লিও টলস্টয় : জন্ম : ৯ সেপ্টেম্বর, ১৮২৮; মৃত্যু : ২০ নভেম্বর ১৯১০

আমার জীবনটা আসলে কী? পরিণত বয়সে পেঁৗছে বিশ্বখ্যাত লেখক লিও টলস্টয় নিজেই নিজেকে এমন এক কঠিন প্রশ্ন করে বসলেন। হেতু? কারণ, ততদিনে তার মনে হয়েছে, এ হলো এমন এক প্রশ্ন যার সদুত্তর না মেলা পর্যন্ত লেখালেখি দূরে থাক, জীবনটাই হয়ে পড়ে অর্থহীন।

পৃথিবীতে প্রতিটি মানুষ যার হাত ধরে বেঁচে থাকছে এবং তার তাবৎ শক্তি ও সামর্থ্য যার পেছনে বিনিয়োগ করছে তার নাম জীবন। এ জীবনকে তারা যেভাবে উপলব্ধি করছে তার ভিত্তিতেই নির্ধারিত হচ্ছে তাদের সব কর্তব্য ও করণীয়। এ বোধ থেকে তারা স্থির করে, কোন বিষয়গুলো না হলেও ভালোই দিন চলে যাবে তার, আবার কোন বিষয়গুলো না হলে আক্ষরিক অর্থেই অচল হয়ে যাবে তার জীবন। শুধু কি তাই, পরবর্তী প্রজন্মের হাতে তুলে দিয়ে যাবে বর্তমান জীবনের কোনো কোনো ঐশ্বর্য, সেগুলোও ঠিকঠাক করে দেয় জীবন সম্পর্কে তার এ অভিজ্ঞান।

জীবন সম্পর্কিত মহাগুরুত্বপূর্ণ এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজার শুরুতেই টলস্টয় তার ‘জীবন সম্বন্ধে’ গ্রন্থে জানিয়ে দেন, প্রতিটি মানুষ বেঁচে থাকে শুধু ভালোভাবে বেঁচে থাকার জন্য, একান্ত তার নিজের ভালোর জন্য। একজন মানুষের কাছে বেঁচে থাকার অর্থ প্রতিমুহূর্তে সর্বোচ্চ ভালো থাকার কামনা লালন করে চলা এবং পর্যায়ক্রমে সেই লক্ষ্যকে ছুঁয়ে দেওয়া। কিন্তু বাস্তবতার নিরিখে আমার প্রশ্ন করতে পারি, কিসে একজন মানুষের উত্তম নিহিত? সে কি জানে না তার সব আনন্দই ক্ষণস্থায়ী এবং তার নিজের কাছে সবচেয়ে যা গুরুত্বপূর্ণ_ সেই ব্যক্তিত্বেরই অবধারিত পরিণতি হচ্ছে দুর্ভোগ এবং মৃত্যু! অথচ প্রকৃত সত্য হচ্ছে এ ব্যক্তিত্বের বাইরে অস্তিমান যে জীবন, একমাত্র তা-ই স্থায়ী। যদিও অধিকাংশ মানুষের কাছে তার ব্যক্তিগত চাওয়ার সাপেক্ষে এ ‘বহিঃস্থ জীবন’ স্রেফ অর্থহীন এক উচ্চারণ, যা আদৌ তার কাছে কোনো আবেদন বহন করে না।

অতএব একজন মানুষ যে জীবনকে তার একমাত্র জীবন বিবেচনা করে এবং স্থির বিশ্বাসে তাকে যাপন করে চলে, প্রকৃত অর্থে তা অলীক এবং অসম্ভব। বরং তার ‘বিখ্যাত’ ব্যক্তিত্বের বাইরে অস্তিমান জীবন_ যাকে সে জানে না, অনুভব করে না এবং ভালোবাসে না_ সেটাই তার প্রকৃত জীবন।’

টলস্টয় গভীরভাবে লক্ষ্য করেছেন, প্রাতিষ্ঠানিক ধর্মীয় গুরুগণ বিরতিহীনভাবে মানুষকে বলে বেড়ান পার্থিব জীবনের ক্ষণস্থায়িত্ব আর এর বিপরীতে ধর্মীয় আচারাদি পালনসাপেক্ষে মৃত্যু পরবর্তী উন্নত জীবনের প্রতিশ্রুতির কথা, অথচ অধিকাংশ মানুষ কদ্যপি তাদের বিশ্বাস করে না। তাদের এ অবিশ্বাসের অন্যতম কারণ, খোদ ধর্মগুরু কিংবা পেশাজীবী ধর্মাত্মারা পার্থিব আনন্দ বর্জনের পরিবর্তে বরং আরও বেশি করে তা অর্জনের লক্ষ্যেই অধিক সচেষ্ট থাকেন। তারা ডুবে থাকেন আরও বেশি ক্ষমতা, আরও বেশি বিনোদনের লক্ষ্যে অবিরাম এক খেয়োখেয়ির মধ্যে। পাশাপাশি আরেকটি প্রশ্ন উত্থাপন করা যেতে পারে এখানে, ইহলোকে একজন মানুষের যাপিত জীবন যদি অর্থহীনই হয়, সেক্ষেত্রে কোন যুক্তিতে অর্থপূর্ণ হতে পারে পরকালে তার যাপিতব্য জীবন?
প্রচলিত বিজ্ঞান আমাদের শেখায় দেহকোষের কার্যকলাপের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কিত থাকে মানবজীবন। বিজ্ঞান এসব কোষের কার্যকলাপের ব্যাখ্যা সন্ধান করে। অথচ এটাই সত্য, ভালোর লক্ষ্যে নিবেদিত মানুষের বাস্তব জীবনের রহস্য উদ্ঘাটনে সে পুরোপুরি অক্ষম।

‘এবং আমাদের বেঁচে থাকতেই হবে। যাপন করে যেতে হবে এ জীবন। কিন্তু কী সেই জীবন? প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠা এবং ঘুমুতে যাওয়ার মধ্যবর্তী সময়ে কৃত অজস্র কার্যকলাপের সমষ্টিই জীবন। প্রতি মুহূর্তে আমাকে যেতে হচ্ছে এক ধরনের বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে। সম্ভাব্য আরও এক শো কাজের মধ্য থেকে বেছে নিতে হচ্ছে আমার কাজটি। কিন্তু আমার পক্ষে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া কীভাবে সম্ভব যখন আমি নিজেই জানি না কোনটি আমার জন্য ভালো আর কোনটি খারাপ।’

Divine and Human stands apart as both a landmark in literary history and a master-piece of spiritual and ethical reflection. Suppressed in turn by the tsarist and Soviet regimes, the tales contained in this book have, for the most part, never been published in English until now. Emerging at last, they offer western readers fresh glimpses of novelist and philosopher Leo Tolstoy.

Divine and Human stands apart as both a landmark in literary history and a master-piece of spiritual and ethical reflection. Suppressed in turn by the tsarist and Soviet regimes, the tales contained in this book have, for the most part, never been published in English until now. Emerging at last, they offer western readers fresh glimpses of novelist and philosopher Leo Tolstoy.

সারাজীবন আঁতিপাতি করে এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজে ফিরেছেন টলস্টয়। ধ্রুপদী দার্শনিক আর কাব্বালাদের লেখাপড়ার জন্য শিখেছেন গ্রিক এবং হিব্রু। জীবনের সংজ্ঞা জেনেছেন কনফুসিয়াস আর লাও জি, ভারতীয় বেদ, বুদ্ধের বাণী, ইহুদি ঋষি এবং যিশুখ্রিস্টের কাছ থেকে। অবশ্য সবার মাঝে খ্রিস্টের সংজ্ঞাটাই তার কাছে মনে হয়েছে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য। অন্য সমস্ত সংজ্ঞাই একাকার হয়ে যায় তার এ উপলব্ধির কাছে এসে যে, জীবন হচ্ছে ঈশ্বরপ্রেম এবং তোমার প্রতিবেশীর প্রতি প্রেম। যা কিছু ভালো তা অন্যের মাঝে বিলিয়ে দেওয়ার মধ্যেই নিহিত জীবনের প্রকৃত তাৎপর্য।

‘ঈশ্বর’ বিষয়ক ধারণায় পেঁৗছাতে গিয়ে টলস্টয় উপলব্ধি করেছেন চৈতন্যের স্বরূপ। এ উৎস চেতনাকেই তার মনে হয়েছে মানবজীবনের প্রকৃত সার। তার মনে হয়েছে মানবজীবন আর ইতর প্রাণীর জীবন এক নয়। এ শুধু জীবনের প্রকাশ, এর উপরিকাঠামো। দৈহিক জন্ম কিংবা মৃত্যুর সঙ্গে এ জীবন শেষ হয়ে যায় না। বরং জীবন হচ্ছে বিচিত্র প্রকাশের মধ্য দিয়ে চৈতন্যের এক অবিরাম প্রবাহ। প্রতি মুহূর্তে যা এক রূপ থেকে বদলে জন্ম নিচ্ছে আরেক রূপে। ‘মানুষ যতই চেষ্টা করুক কখনোই সে জানতে পারবে না কোথা থেকে তার শুরু,’ জানান টলস্টয়। এ কথার অর্থ, চৈতন্য অবস্থান করে এমন এক অবস্থানে যা সময়েরও অগম্য।

টলস্টয়ের দর্শন অনুসারে ঈশ্বরকে বুঝতে হবে সময়হীন সীমাহীন এক চৈতন্য হিসেবে। এর মধ্যেই পাওয়া যাবে জীবনের অর্থ। মানুষ যখন তার নিজের জীবনে আবিষ্কার করে এই চৈতন্য, সে তখনই উপলব্ধি করে তার নিজের ভেতরকার ঈশ্বর। এই চৈতন্য, ঈশ্বর, মূলত অখণ্ড। চেতন মানুষ কখনোই বুঝতে পারে না কোথা থেকে সে এলো। বরং সে উপলব্ধি করে বিচিত্র যত চেতনাপ্রবাহের মধ্যে মিশে থাকা তার নিজের চৈতন্য, যা তার একমাত্র জীবন।

অথচ শর্তসাপেক্ষ ছাড়া ব্যক্তিকে খণ্ডরূপে বিচার অসম্ভব। বোধগম্য, ব্যক্তিগত ভালোত্ব এক অলীক ধারণা। আমরা যদি নিজেদের ভালো প্রথমে চাই এবং তারপর অন্যের কাছ থেকে এমন ভালো আশা করি যা আমাদেরই মঙ্গল সাধন করবে_ এই চাওয়া অসম্ভব। কেননা, এ যুক্তি অনুসারে প্রতিটি মানুষ প্রথমত তার নিজের ভালোর কথাই চিন্তা করবে। এখান থেকে এ বিষয়টি অন্তত পরিষ্কার যে বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিত্ব হিসেবে, শুধু নিজের ভালো চাওয়ার মধ্য দিয়ে সামগ্রিক ভালোর উৎপাদন অসম্ভব।

এর ঠিক বিপরীত এক পরিস্থিতির জন্ম হয় যখন মানুষ এই বৃহৎ ঐক্য এবং চেতনার অবাধ প্রবাহের মধ্যে আবিষ্কার করে তার নিজের স্বরূপ। এক্ষেত্রে একজন মানুষ তার নিজের মঙ্গলকে প্রাধান্য না দিয়ে নিজেকে বিনিয়োগ করে অন্যের ভালো সাধনের নিমিত্তে। এখন, এই মানুষটি আশা করতেই পারে তার দেখাদেখি অন্য মানুষটিও একই কাজে উৎসাহিত হবে। আর এমন কিছু হলে তা হবে সামগ্রিক মানবজাতির জন্যই কল্যাণকর। অন্য কারও মঙ্গলের লক্ষ্যে নিজের চাওয়াগুলো বিসর্জন দেওয়ার অর্থই হচ্ছে আমি তার মধ্যে ঈশ্বরকে খুঁজে পেয়েছি এবং তাকেই ভালোবেসেছি। খ্রিস্টের মতে, এই প্রেম ভালোকে নিশ্চিত করে। এই প্রেমের মধ্য দিয়ে পূর্ণতা অর্জন করে মানবজীবন।

যুক্তিটি নিতান্তই সরল এবং বোধগম্য। মানবেতিহাস এমন অজস্র মানুষ পেয়েছে যারা এ উপলব্ধিকে নিয়মিত চর্চা করে গেছেন তাদের প্রাত্যহিক জীবনে। টলস্টয়ের বিশ্বাস ছিল, অধিকাংশ মানুষ শিগগিরই তাদের প্রাণীচৈতন্য থেকে জেগে উঠে এই সত্য আবিষ্কার করবে এবং হয়ে উঠবে প্রকৃত মানুষ। আর তা ঘটলে পৃথিবীর সমস্ত প্রাণ সেদিন সবেগে ধাবিত হবে এক মহাউত্তরণের লক্ষ্যে।

এসব গ্রন্থ টলস্টয় রচনা করে গেছেন আজ থেকে একশ বছর আগে। অথচ বর্তমান শতকে এসেও আমরা দেখছি অক্ষরে অক্ষরে ফলে যাচ্ছে তার অনেক ভবিষ্যদ্বাণী। টলস্টয় পরবর্তী এই গোটা সময়টা মানুষ অন্ধের মতো নিজেকে নিরত রেখেছে যুদ্ধ আর সংঘাতের মাঝে। ব্যক্তিগত চাহিদা চারিতার্থ করতে গিয়ে বাসঅযোগ্য করে তুলেছে পৃথিবীটাকে। তবু শেষ হয়নি তাদের দুর্নিবার যুদ্ধাকাঙ্ক্ষা। কেন এমন হলো? কেন তারা ব্যর্থ হলো টলস্টয়ের প্রত্যাশা পূরণে? এ সম্পর্কেও বলে গেছেন তিনি নিজেই।

একজন মানুষ কখন, জীবন কী, এ প্রশ্নের মুখোমুখি হয়? প্রাণিসত্তা থেকে যখন তার উত্তরণ ঘটে এবং সে উপনীত হয় মানবচৈতন্যের স্তরে একমাত্র তখনই তার মধ্যে জন্ম হয় এ প্রশ্নের, জীবন কী? এটি ঘটার পর আর কোনোভাবেই সে ফিরে যেতে পারে না তার পূর্ববর্তী স্তরে। নতুন এ উপলব্ধির সঙ্গে সঙ্গেই মৃত্যু ঘটে তার পূর্ববর্তী চৈতন্যের। যেমন, বীজ থেকে নতুন চারার প্রস্ফুটনের সঙ্গে সঙ্গেই শেষ হয়ে যায় বীজের সমগ্র জীবন। তার মৃত্যুর মধ্য দিয়েই বেড়ে ওঠে নতুন চারাটি।

কিন্তু তবুও মানুষ সহজে ভুলে যেতে পারে না তার শিকড়। নিজেকে সে শক্ত এক বাঁধনে বেঁধে রাখতে চায় বিচ্ছিন্ন সেই সত্তার সঙ্গে। তার ভয় হয়, এই বিশ্বাস হারিয়ে গেলে সে হয়ে পড়বে অবলম্বনহীন। নিজেকে রক্ষার প্রাণিজ প্রবৃত্তি তাকে তাড়িত করে এ কাজ করার জন্য। একমাত্র এ কারণেই সে তার পূর্বপুরুষের এসব অর্জনকে দেখে সন্দেহের চোখে। যদি তাকে উপেক্ষা করা অসম্ভব হয়ে ওঠে তার জন্য, তখন সে তাদের পাগল বলে উপহাস করে। কখনও অপরাধী বিবেচনায় তাকে নিক্ষেপ করে কঠিন শাস্তির মধ্যে।

নিষ্ঠুর এ নিয়তি এড়াতে পারেননি এমনকি টলস্টয়। যদিও তিনি ছিলেন সময়ের সর্বশ্রেষ্ঠ দার্শনিক। তার বক্তব্য শুনে রাশিয়ার অর্থোডক্স চার্চ তাকে বহিষ্কার করে। প্রবীণ বয়সে রচিত তার সবচেয়ে প্রাজ্ঞ লেখাগুলো ব্যর্থ হয় মানুষের আদর কুড়াতে। অবাক হওয়ার কিছু নেই, বহু দশক ধরে খোদ রাশিয়ায় তাকে দেখা হতো অদ্ভুত এবং অবাস্তব ধারণা লালনকারী স্ববিরোধী এক বিচিত্র চরিত্র হিসেবে।

মানুষের সঙ্গে ধর্ম, বিজ্ঞান এবং সমাজের সম্পর্ক নিয়ে নিজের মতাদর্শ উদ্ঘাটন করেছেন টলস্টয়। চৈতন্যের যে স্তরে আমাদের যাবতীয় ভোগান্তি তা থেকে উত্তরণের জন্য আমাদের দেখিয়েছেন সেই পথ যার মধ্যে নিহিত রয়েছে সর্বপ্রাণীর মঙ্গল। নিজের প্রতি সততাবশত টলস্টয় তার প্রাত্যহিক জীবনে সেই চর্চা অব্যাহত রেখেছেন যা তিনি প্রচার করেছেন অপরের উদ্দেশে_ নূ্যনতম জাগতিক চাহিদা, নিজের সেবা এবং জীবনের প্রধান যে লক্ষ্য_ সেই ভালোবাসার সেবা করে চলা। এক কথায়, ভালোবাসা বেঁচে থাকে ভবিষ্যৎ নয়, আজকের এ মুহূর্তটির মধ্যে, এক মুহূর্তের কাজের মধ্যেই তার চিরকালীন বসবাস।
অনুবাদ :মিলটন মোললা, সমকাল, কালের খেয়া ১ ডিসেম্বর ২০১০ ইস্যু
আমাদের সময়, আলোচনা, ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ, জনকন্ঠ, ডেসটিনি, দিগন্ত, দিনের শেষে, নয়া দিগন্ত, প্রথম আলো, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ভোরের কাগজ, মানবজমিন, মুক্তমঞ্চ, যায় যায় দিন, যায়যায়দিন, যুগান্তর, সংগ্রাম, সংবাদ,চ্যানেল আই, বাঙ্গালী, বাংলা ভিশন, এনটিভি, এটিএন বাংলা, আরটিভি, দেশ টিভি, বৈশাখী টিভি, একুশে টিভি, প্রবাস, প্রবাসী, ঠিকানা, জাহান হাসান, বাংলা, বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস, লিটল বাংলাদেশ, ইউএসএ, আমেরিকা, অর্থনীতি, প্রেসিডেন্ট ওবামা,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,অর্থ, বাণিজ্য, শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামাত, রাজাকার, আল বদর, সুখ, টেলিভিশন, বসন্ত উৎসব, Jahan, Hassan, jahanhassan, Ekush, bangla, desh, Share, Market, nrb, non resident bangladeshi, los angeles, new york, ekush tube, ekush.info,

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s