ব্রাজিলের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট

ব্রাজিলের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট

ব্রাজিলের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট হিসেবে আগামী বছরের শুরুতেই দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন মিজ দিলমার
ফ খ রু জ্জা মা ন চৌ ধু রী

Former Marxist guerrilla Dilma Rousseff to be Brazil's first female president

Former Marxist guerrilla Dilma Rousseff to be Brazil's first female president

[ ব্রাজিল : ব্রাজিল (পর্তুগিজ ভাষায়: Brasil ব্রাজ়িউ, আ-ধ্ব-ব: [bɾa’ziw]) দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের বৃহত্তম রাষ্ট্র এবং সারা বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও জনবহুল রাষ্ট্র।]
ব্রাজিলের সাধারণ নির্বাচনে ইতিহাস সৃষ্টি করে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন পেশাজীবী ব্যুরোক্রেট মিজ দিলমা ভানা রুসোফ। ২০১০ সালের অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তার দল বামপন্থি ওয়ার্কার্স পার্টি জয়ী হয়েছে বিপুল সংখ্যাধিক্যে। বিদায়ী প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভার হাত ধরে রাজনীতিতে আসা মিজ রুসোফ বেড়ে উঠেছেন তার ‘রাজনৈতিক অভিভাবক’ লুলা দা সিলভার ছায়ায়। তার দলের বাজারবান্ধব অর্থনীতি ও উদার সামাজিক কর্মসূচির কারণে ব্রাজিলের জনসাধারণ এখন সুখী, পরিতৃপ্ত।
একদা দূরবর্তী পর্তুগিজ উপনিবেশ ব্রাজিল আয়তন এবং জনসংখ্যার নিরিখে দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম ও পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ। উত্তর ও দক্ষিণ_ এ দুই আমেরিকান মহাদেশের মধ্যে ব্রাজিল একমাত্র পর্তুগিজ ভাষাভাষী দেশ। আটলান্টিক মহাসাগর দেশটির পূর্বে অবস্থিত। এই সাগর তটরেখার দৈর্ঘ্য ৪ হাজার ৬৫৫ মাইল। তটভূমির দৈর্ঘ্য দেশটির বিশালতা প্রমাণ করে।
আজকের সমৃদ্ধ দেশ ব্রাজিল এক সময় ছিল বঞ্চনা আর নানা রকম সামাজিক বৈষম্যের শিকার। পর্তুগিজ শাসক পেড্রো আল ভারেজ কাবরাল ১৫০০ সালে ব্রাজিলকে পর্তুগিজ কলোনিতে পরিণত করেন। ১৮২২ সালে ব্রাজিল পর্তুগাল থেকে স্বাধীনতা অর্জন করলেও দুঃশাসন, সামরিক শাসন দেশটিকে সমস্যা জর্জরিত করে রাখে।
বর্তমান সমৃদ্ধ ব্রাজিলের যাত্রা শুরু ১৯৭৪ সালে, যখন জেনারেল আর্নেস্টো গেইজেল ধীরে ধীরে দেশটিকে বেসামরিক শাসনাধীনে নিয়ে যান এবং ১৯৮৫ সালে দেশটিতে পুরোদমে বেসামরিক শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

ব্রাজিল

ব্রাজিল


ফেডারেল রিপাবলিক অব ব্রাজিল আজ উন্নতির এতটা শীর্ষে পেঁৗছে গেছে সাবেক কলোনির মালিক পর্তুগালের হাত ধরে থেকে। পর্তুগিজ-ভাষী বিশ্বের নেতৃত্ব এখন ব্রাজিলের। ঔপনিবেশিক শক্তি পর্তুগাল বর্তমানে ক্ষয়িষ্ণু এক শক্তি আর একদা কলোনি ব্রাজিল উন্নত বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে যে সমানতালে এগিয়ে চলেছে, এর এক মাত্র কারণ দেশটিতে ধারাবাহিক প্রজ্ঞাবান রাজনৈতিক নেতৃত্ব। ব্রাজিল শুধু ফুটবলেই পরাশক্তি নয়, উন্নত দেশের মধ্যেও উদীয়মান শক্তি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশটির অর্থনীতি সমান্তরালে চলছে। আজ ব্রাজিল শুধু খাদ্য, বনজসম্পদ, খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ দেশ নয়। উড়োজাহাজ সংযোজনের মতো অতি জটিল কাজটিও অনায়াসে করে চলেছে দেশটি। কানাডার মতো উন্নত দেশ তাদের বিমান সংযোজনের দায়িত্ব অর্পণ করে ব্রাজিলকে।
বিদায়ী প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা একজন সার্থক প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিগত আট বছর দুই মেয়াদে ব্রাজিলে শাসনকার্য পরিচালনাকালে ব্রাজিল জাতিসংঘে এবং জি-২০-এর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়েছে অত্যন্ত যোগ্যতার সঙ্গে। জাতিসংঘ এবং গ্রুপ অব টোয়েন্টি (জি-২০) নামক উন্নত বিশ দেশের গ্রুপের অন্যতম উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা দেশ ব্রাজিলের কোনো প্রেসিডেন্টই বিশ্ব নেতৃত্বে আসার উচ্চাশা দেখাননি। নিজের দেশের জন্য নিবেদিতপ্রাণ নেতৃত্ব কাজ করেছেন নীরবে লো-প্রোফাইল বজায় রেখে।
এত যে সমৃদ্ধ দেশ ব্রাজিল, এর প্রচার শুধু শোনা যায় ফুটবল বিশ্বকাপ আর অন্যান্য বিশ্বমানের ফুটবল আসরের সময়। শুধু ফুটবলের কারণেও পরিচিত হতে নাকি ব্রাজিলিয়ানদের আপত্তি নেই। তাদের বিত্ত-বৈভব নিয়ে হৈচৈ করতে অভ্যস্ত নন ব্রাজিলবাসী! ব্রাজিল এখনও নিজেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে ভাবতে অভ্যস্ত। যদিও ব্রাজিলের অর্থনীতি পৃথিবীর অষ্টম বৃহৎ অর্থনীতি এবং ক্রয়ক্ষমতার নিরিখে দেশটির বিশ্বময় অবস্থান নবম স্থানে।
বিদায়ী প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা ২০০৩ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য ‘বোলসা ফ্যামিলিয়া’ (পারিবারিক ভাতা) ও ‘ফোমেজিরো’ (শূন্য হার অনাহার) নামে জনকল্যাণমুখী যে দুটি সামাজিক কর্মসূচির সূচনা করেন, তারই ফল আজকের সমৃদ্ধ ব্রাজিল।
প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভার স্থলাভিষিক্ত হয়ে ২০১১ সালের ১ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট পদের দায়িত্বভার গ্রহণ করার আগে বর্তমান সময়টা দিলমা রুসোফ ব্যয় করছেন, যাকে বলে ‘হোমওয়ার্ক’ করে রাষ্ট্র পরিচালনার কাজে ইতিমধ্যে লুলা দা সিলভা সরকারের খনি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং চিফ অব স্টাফ হিসেবে অর্জিত অভিজ্ঞতাকে যথেষ্ট মনে করছেন না তিনি। পূর্বসূরি প্রেসিডেন্ট যেমন তাকে সহায়তা করছেন তেমনি তিনি অকুণ্ঠ সহযোগিতা-সমর্থন পাচ্ছেন তার সহকর্মীদের কাছ থেকে।
বুলগেরিয়া থেকে অভিবাসী হিসেবে গত শতকের চলি্লশ দশকে আসা স্কুল শিক্ষক পিতার কন্যা দিলমার জন্ম ব্রাজিলের বেলে হোরাইজোল্টের এক উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবারে ১৯৪৭ সালে। বাম আদর্শের প্রতি তিনি ঝুঁকে পড়েন তারুণ্যের দিনগুলোতে। ১৯৬৪ সালের সেনা অভ্যুত্থানের পর তিনি বামপন্থি গেরিলা দলে যোগ দিয়ে সেনা শাসনবিরোধী গেরিলা যুদ্ধে যোগ দেন। সরকারি বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে ১৯৭০ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত নির্মম অত্যাচার ও কারাভোগ করেন দিলমা।
বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি পোর্টো আলেগ্রিতে নতুন জীবন শুরু করেন গত ৩০ বছরের জীবনসঙ্গী কার্লোস আরাউজোর সঙ্গে। তারা দু’জনে মিলে ডেমোক্রেটিক লেবার পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০০ সালে দুত্রা মন্ত্রিসভার অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে লেবার পার্টি ছেড়ে তিনি প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভার ওয়ার্কার্স পার্টিতে যোগ দেন। এরপর আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
নতুন বছরের প্রথম দিনে মিজ দিলমা যখন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন, স্বাভাবিকভাবে তাকে বহুমুখী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। এই চ্যালেঞ্জ আসবে বামপন্থি থেকে ইভালজেলিস্ট খ্রিস্টানদের কাছ থেকেও। এই চ্যালেঞ্জ প্রাথমিকভাবে যদি তিনি সাফল্যের সঙ্গে মোকাবেলা করতে পারেন, তাহলে সামনের দিনগুলো তার জন্য মসৃণ হবে।
বিদায়ী প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভার অনুসৃত কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে তার সঙ্গে যদি পূর্বসূরির সংঘাত ঘটে, তা হলে মিজ দিলমার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ঘোলাটে হতে পারে। প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা অবশ্য ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছেন তার রাজনৈতিক উত্তরসূরির কাজে তিনি কোনো রকম হস্তক্ষেপ করবেন না। কিন্তু ইতিমধ্যে সাও পাওলোর সংবাদপত্র ফোলহা দ্য সাও পাওলোতে খবর প্রকাশিত হয়েছে, প্রেসিডেন্ট লুলা বর্তমান অর্থমন্ত্রী ও সেন্ট্রাল ব্যাংকের গভর্নরকে স্বপদে বহাল রাখতে মিজ দিলমাকে বলেছেন! পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, এটি হতে পারে আগামী দিনে তার অব্যাহত হস্তক্ষেপের সূচনা!
মিজ দিলমার সরকারি কর্মপদ্ধতি বিগত সরকারের ছায়া থেকে অতিদ্রুত বের হয়ে আসবে_ এমনটি কেউ আশা করেন না। ইতিমধ্যে এক বেতার ভাষণে এ মর্মে ভবিষ্যতের প্রেসিডেন্ট ইঙ্গিতও দিয়েছেন। তিনি তার ভাষণ শুরু করেছেন তার মহিলা পরিচয় তুলে ধরে। ‘হ্যাঁ, মহিলারা পারেন’ বলে তিনি তার ভাষণ শুরু করেন।
তিনি তার ভাষণে পুরুষ ও মহিলাদের সমানাধিকারের প্রয়োজনের কথা বলেন ব্রাসিলিয়ার হোটেলের মঞ্চ থেকে প্রদত্ত ভাষণে তিনি ধনী-দরিদ্রের মধ্যকার আর্থ-সামাজিক বৈষম্য দূর করে লাতিন আমেরিকার বৃহত্তম দেশটি থেকে দারিদ্র্য চিরতরে নির্মূল করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ‘যদি এই মৌলিক অঙ্গীকার আমরা রক্ষা না করি, তাহলে অভাবের সুগভীর গহ্বরটি আমরা অতিক্রম করতে পারব না, যা আমাদের দেশের পক্ষে উন্নত দেশের কাতারে আসার প্রধান অন্তরায়।’
তার এই নীতিনির্ধারণী ভাষণ সাধারণভাবে প্রশংসিত হয়েছে। ব্যবসায়ী সম্প্রদায় খুশি। কারণ ব্রাজিলীয় অর্থনীতির প্রধান দুর্বলতা মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য গৃহীত পদক্ষেপের রূপরেখা তিনি তার ভাষণে দিয়েছেন। ‘আমাদের অর্থনীতির পুরো দায়দায়িত্ব আমরা নিচ্ছি’ বলে তিনি লুলা দা সিলভার দ্বিতীয় মেয়াদের শেষ দু’বছর জনখাতে অত্যধিক ব্যয়ের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। বিগত বছরগুলোর বাজেটের অর্থ এই সময়ে জনখাতে কেনাকাটায় ব্যয় হয়, যা লুলা দা সিলভার শাসনকালকে কিছুটা হলেও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
তাই বলে ব্যয় সংকোচ করার সম্ভাবনাও তিনি উড়িয়ে দিয়েছেন। তেল খাতে সরকারের বিপুল ব্যয় আগের মতোই অব্যাহত থাকবে বলে তিনি বলেন। রাষ্ট্র পরিচালিত জ্বালানি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাসে সরকারি অংশীদারিত্ব কমানো হবে না। এ খাত থেকে বর্ধিত আয় সামাজিক উন্নয়ন খাতে ব্যয় করার জন্য কংগ্রেসকে অনুমোদনের জন্য চাপ দেওয়া হয়েছে। মিজ দিলমা মনে করেন, যোগ্য প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে সামাজিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নতি সাধন করা যায়।
প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর ব্রাজিলের মুদ্রানীতি সংস্কারের কাজে তিনি হাত দেবেন বলে ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, বিশ্বের বেশকিছু দেশের মূল্য অতিমূল্যায়িত। আবার কোনো দেশের অবমূল্যায়িত। ব্রাজিলের বর্তমান সমৃদ্ধ অর্থনীতিকে কেউ কেউ রফতানির জন্য হুমকি মনে করেন।
মিজ দিলমা যখন ভাষণ দিচ্ছিলেন তখন মঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে উপবিষ্ট আন্তোনিও পালোসির দিকে সবার দৃষ্টি বারবার নিবদ্ধ হচ্ছিল। ওয়ার্কার্স পার্টির কংগ্রেসম্যান এবং প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভার প্রথম মেয়াদের অর্থমন্ত্রী পালোসিকে ব্রাজিলের বাজারবান্ধব অর্থনীতির স্থপতি বলা হয়।
ব্রাজিলে কোনো ধরনের অর্থনৈতিক সংকট নেই, এমন ঘোষণা করে আন্তোনিও পালোসি কি ভবিষ্যতের সরকারের অর্থনীতির রূপরেখাই আঁকতে চেয়েছেন?
সামনের দিনগুলোতে ব্রাজিল তথা বিশ্ব তার পরিচয় পাবে।
আমাদের সময়, আলোচনা, ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ, জনকন্ঠ, ডেসটিনি, দিগন্ত, দিনের শেষে, নয়া দিগন্ত, প্রথম আলো, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ভোরের কাগজ, মানবজমিন, মুক্তমঞ্চ, যায় যায় দিন, যায়যায়দিন, যুগান্তর, সংগ্রাম, সংবাদ,চ্যানেল আই, বাঙ্গালী, বাংলা ভিশন, এনটিভি,এটিএন বাংলা, আরটিভি, দেশ টিভি, বৈশাখী টিভি, একুশে টিভি, প্রবাস, প্রবাসী, ঠিকানা, জাহান হাসান, বাংলা, বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস, লিটল বাংলাদেশ, ইউএসএ, আমেরিকা, অর্থনীতি, প্রেসিডেন্ট ওবামা,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,অর্থ, বাণিজ্য, শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামাত, রাজাকার, আল বদর, সুখ, টেলিভিশন, বসন্ত উৎসব, Jahan, Hassan, jahanhassan, Ekush, bangla, desh, Share, Market, nrb, non resident, los angeles, new york, ekush tube, ekush.info,

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: