মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের প্রতিবেদন : বাংলাদেশে সব ধর্ম প্রচারের অবাধ সুযোগ রয়েছে

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের প্রতিবেদন :
বাংলাদেশে সব ধর্ম প্রচারের অবাধ সুযোগ রয়েছে

নিউজ ওয়ার্ল্ড নিউইয়র্ক

Religious Freedom

Religious Freedom

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর বলেছে, বাংলাদেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম হলেও সব ধর্ম প্রচারের অবাধ অনুমোদন রয়েছে। যদি না সেটা আইনশৃঙ্খলা এবং জনজীবনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টিকারী কিছু হয়। যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মতে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ পঞ্চম সংশোধনী বাতিল ও ধর্ম নিরপেক্ষতায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশনা দিলেও ধর্মভিত্তিক রাজনীতি বন্ধে এই আইনের প্রয়োগ কঠিন করা হবে না।

গত ১৭ নভেম্বর মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের আন্তর্জাতিক ধর্মীয়-স্বাধীনতা প্রতিবেদন ২০১০ বিষয়ক প্রতিবেদনে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে ওই মতামত ব্যক্ত করা হয়।

রিপোর্টে বলা হয়, সরকার প্রকাশ্যে ধর্মীয় স্বাধীনতা স্বীকৃতি দিলেও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে বৈষম্য ও আক্রমন অব্যাহত রয়েছে। যদিও সাধারণভাবে ধর্মীয় স্বাধীনতাকে সুরক্ষা করে থাকে কোর্ট ও সরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
রিপোর্টে বলা হয়, ইসলাম ধর্মে ৪ বিবাহ স্বীকৃত হলেও এজন্য প্রথম স্ত্রীর লিখিত অনুমোদন প্রয়োজন। এছাড়া বাংলাদেশী সমাজে বহুবিবাহকে অনেকেই নিন্দনীয় মনে করে। এক্ষেত্রে হিন্দু ধর্মে অসংখ্য স্ত্রী রাখার বিধান রয়েছে। যেখানে বিবাহ বিচ্ছেদ ও তালাকের সুযোগ নেই।

একটি গবেষনা প্রতিষ্ঠানের বরাত দিয়ে বাংলাদেশে প্রায় ৩৩ হাজার মাদ্রাসা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। তবে বিশ্বব্যাংক গবেষনা মতে বাংলাদেশের মাত্র ২% শিক্ষার্থী এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যায়।
রিপোর্টে বলা হয়, শত্রু সম্পত্তি আইনের কারণে অনেক হিন্দু এখনও তাদের হারানো সম্পত্তি ফিরে পায়নি। আওয়ামী লীগ ২০০১ সালে এই আইন বাতিলের পক্ষে অবস্থান নিলেও বর্তমান সরকার এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

রিপোর্টে বর্তমান সরকারের কতিপয় উল্লেখযোগ্য অর্জনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধর্ম অনুসরণ ও প্রচারে সার্বজনীন সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, ধর্মীয় সংখ্যালঘু প্রতিনিধিদের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক গুরত্বপূর্ণ পদে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় নিয়োগদান,ইমামদের জন্য প্রশিক্ষন কেন্দ্র স্থাপন, ধর্মীয় শিক্ষার পাঠ্যসূচী আধুনিকায়ন ও মূলধারার সাথে সমন্বয়করণ. বিভিন্ন ধর্মানুসারীদের মধ্যে পারসপরিক সহমর্মিতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখা, বিভিন্ন ধর্মীয় উত্সব শান্তিপূর্ণভাবে পালনের পরিবেশ সৃষ্টি, ধর্মীয় কারণে কাউকে বন্দী না করা ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর সহিংসতা হ্রাসে ভূমিকা রাখা।

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের আন্তর্জাতিক স্বাধীনতা আইন (আই,আর,এফ,এ) এর ১০২ এর (বি) ধারা অনুযায়ী মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর মার্কিন কংগ্রেসে এ বার্ষিক প্রতিবেদন প্রদান করে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারী ক্লিনটন গত ১৭ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছেন।

Muslims in USA

Muslims in USA


“The contributions of Muslims to the United States are too long to catalog because Muslims are so interwoven into the fabric of our communities and our country,” Obama said. “American Muslims are successful in business and entertainment; in the arts and athletics; in science and in medicine. Above all, they are successful parents, good neighbors, and active citizens.”

jahan hassan ekush tube bangla desh জাহান হাসান, লস এঞ্জেলেস. বাংলাদেশ. বাংলা, আমাদের সময়, আলোচনা, ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ, জনকন্ঠ, ডেসটিনি, দিগন্ত, দিনের শেষে, নয়া দিগন্ত, প্রথম আলো, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ভোরের কাগজ, মানবজমিন, মুক্তমঞ্চ, যায় যায় দিন, যায়যায়দিন, যুগান্তর, সংগ্রাম, সংবাদ, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামাত, রাজাকার, আল বদর, একুশ, প্রবাস, প্রবাসী, ঠিকানা

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s