প্রবাসীদের অব্যক্ত বেদনা

প্রবাসীদের অব্যক্ত বেদনা
লিখেছেন আবু ফয়সাল

প্রবাসীদের অব্যক্ত বেদনা

প্রবাসীদের অব্যক্ত বেদনা

প্রবাস মানে যন্ত্রনা, নয় ফুলের বিছানা। এই কথা সহযে কেউ মানতে চাহে না। (একটি গানের কিছু শব্দ বদল করে) প্রকৃত পক্ষে যারা প্রবাসী নয় তারা প্রবাসকে ফুলের বিছানাই মনে করে থাকেন। যে কারণে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বিদেশ যেতে ইচ্ছুক কোন ব্যাক্তিকে যতই নেগেটিভ ধারণা দেয়া হোক না কেন তিনি তা কোন অবস্থাতেই মেনে নেবেন না। মনে মনে বলবেন, ব্যাটা নিজে ওখানে গিয়ে মাল বানিয়েছে, অন্যরা যাতে উপরে উঠতে না পারে সেজন্য আবোল তাবোল বলছে। তাইতো আমরা দেখি বৈধ পথে ভিসা নিয়ে যাওয়া ছাড়াও বিমানের চাকায় ঝুলে, কভার্ড ভ্যানে চেপে, চোরা পথে বর্ডার পাড়ি দিয়ে, পাসপোর্টের ছবি বদল করে এবং আরো কত তাল তামাশা করে বিদেশ পাড়ি জমানোর কসরত করছে তার ইয়ত্যা নেই।

আমার জানা মতে এই উপমহাদেশের মানুষের প্রথম প্রবাস যাত্রা শুরু হয় রেঙ্গুনের উদ্দেশ্যে। বৃটিশ আমল থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমলের শেষ দিক পর্যন্ত চালু ছিল রেঙ্গুন প্রবাস। পাকিস্তান আমলের শেষের দিকে বার্মা হতে বাঙ্গালী+মুসলমান খেদাও এ তাড়াখেয়ে এমন অনেক লোক ফিরে আসে যারা নিজেদের বাড়ী ঘর পর্যন্ত চিনতে পারছিল না।বাংলা ভাষাও ভুলে গিয়েছিলেন তারা। চট্রগ্রাম অঞ্চলে এসব লোক ‘বার্মার ডামিশ’ হিসাবে পরিচিত ছিল। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বৃটিশদের নিকট হতে সদ্য স্বাধীনতা পাওয়া দুবাইতে জনশক্তি রফতানীর দুয়ার খুলে যায়। তারপর একে একে আবুধাবী, সারজাহ, রাসআল খাইমাহ, উম্মআল কুয়াইন, আজমান, ফুজাইরা, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, বাহরাইন, ইরান, ইরাক এবং ওমান সহ মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সবগুলি দেশে জনশক্তি রফতানী শুরু হয়। প্রথম দিকে অবশ্য নিজ নিজ উদ্দোগেই বিদেশ যাওয়া শুরু হয়। এক্ষেত্রে চট্রগ্রামের লোকেরা অগ্রগামী ছিলেন। পাকিস্তান আমলেও কিছু কিছু লোক নানা পন্থায় ইরান, ইরাক, সৌদিয়া এবং বাহরাইনে পাড়ি জমিয়েছিলেন। তাদের সংখ্যা কিন্তু খুব বেশি ছিল না। কালক্রমে আমেরিকা, লন্ডন সহ ইউরোপের দেশ সমুহ এবং মিসর, সুদান সহ অনেক আফ্রিকান দেশেও আমাদের দেশের লোকেরা প্রবাসী হয়ে আছেন। লন্ডনে সিলেট অঞ্চলের লোক বেশি থাকার কারন ও সঠিক ইতিহাস অবশ্য আমার নিকট জানা নেই। একসময় প্রবাসী বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী মানেই দুবাইওয়ালা বুঝানো হতো। এজন্য দুবাইওয়ালার উপর বিভিন্ন গান, নাটক ও সিনেমা তৈরী হয়েছিল প্রচুর। এখনো চট্রগ্রামের সাধারণ লোকেরা প্রবাসী বলতে ‘দুবাইওয়ালা’ই বুঝে থাকেন।

প্রবাসে যারা আছেন তাদের কিছু অংশ বেশ ভাল চাকুরী অথবা ব্যাবসা করেন তারা স্ত্রী-সন্তানাদি সাথে নিয়ে থাকেন। প্রয়োজনে মাসে দুই মাসে দেশে আসতে পারেন আথবা মন চাইলে যখন তখন ছুটে আসতে পারেন মাতৃভূমিতে। প্রবাসীদের একটি অংশ বছরে মাত্র একমাস ছুটি পেয়ে থাকেন। বেশীর ভাগ প্রবাসী ২/৩ বছরের আগে দেশে আসতে পারেন না। তাও ২/৩ মাসের জন্য।

প্রবাসী জীবনে

প্রবাসী জীবনের পথে

স্বদেশ এবং স্বজনের মায়াত্যাগ করে বিদেশ বিভূইয়ে পড়ে থাকা এসব প্রবাসীরা জানা-অজান, প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য অনেক রকমের সমস্যার মোকাবেলা করে বৈদেশীক মুদ্রা প্রেরনের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখায় অবদান রাখছেন। আমরা খুব সংক্ষেপে এসব প্রবাসীর মৌলিক সমস্যাবলীর কয়েকটি আলোচনা করছি :

১। আপনজনের সাথে শেষ দেখা না হওয়া : উপরোক্ত সকল শ্রেনীর প্রবাসীদের কমন সমস্যা হচ্ছে : মৃত্যু পথযাত্রী নিকটাত্মীয়দের সাথে শেষ দেখাটি হয়ে উঠে না প্রায়। ধরুন, একজনের মা অথবা বাবা মৃত্যু শয্যায় শায়িত। তিনি তার প্রবাসী ছেলেটিকে এক নজর দেখতে চান। টাকা এবং ছুটির সমস্যা যাদের তারাতো পারছেনই না, যাদের টাকা আছে এবং আসতেও কোন বাধা নেই তারাও দূরত্ব এবং সঠিক সময়ে বাহন না পেয়ে সময়মত পৌঁছাতে পারেন না। আর প্রবাসীরা নিজেরা লাশ হয়ে ফেরার ঘটনা তো আছেই।

২। অর্থনৈতিক সমস্যা : প্রবাসী শ্রমিকদের অনেকেই ঠিক মতো বেতন ইত্যাদি না পেয়ে মারত্মক সমস্যায় পড়ে যান। দুবাইর মত উন্নত দেশেও বেতন না পেয়ে শ্রমিকরা গণআত্ম হত্যার চেষ্টা চালানোর মত ঘটনাও ঘটেছিল।

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে প্রাবসীরা যেন ফার্মের মুরগী। ফর্মের মালিকেরা যেমন মুরগীর ডিমের দিকে চেয়ে থাকে তেমনি দেশের মানুষ, আত্মিয় স্বজন প্রত্যেকেই প্রবাসীদের টাকার দিকে চেয়ে থাকেন। দেশে গেলে প্রবাসীদেরকে গ্রামের, পাড়ার বা মহল্লার ছোট ভায়েরা দাওয়াত করে চা-মিস্টি খাইয়ে সম্মানের সাথে অনুরোধ করে, তাদের ক্লাবের একটা ষ্টীলের আলমারী অথবা একটা টেলিভিশন সেট কেনার জন্য বিশ-ত্রিশ হাজার টাকা। এমন কি রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা চাঁদাবাজদেরকে মোটর সাইকেল পর্যন্ত কিনে দিতে হয়। পাড়া মহল্লার গরীব কারো মেয়ের বিয়ের যৌতুক, কারো চিকিৎসা, অভাবে নগদ টাকা, কাপড় চোপড় দেওয়া, এসব সমাজ সেবা তারা করেই চলেছেন। অনেক সময় চাপে পড়ে সামর্থের গন্ডিও পেরুতে হয়।

গরীব আত্মীয় স্বজনদের সকল অভাব পূরণ করার ঠিকাদার যেন এই প্রবাসীরা। সেদিন এক প্রবাসী বন্ধু খুবই আক্ষেপ করে বললেন, তাঁর এক আত্মীয়ের মেয়ের বিয়েতে তিনিই সবচেয়ে বেশী সাহায্য করেছেন, তারপরও তাদেরকে সন্তুষ্ট করতে পারেননি। অথচ দেশে থেকেই কোটিপতি হয়েছেন এমন আত্মীয়রা কোন সাহয্যই করেনি।তারপরও তাদের ব্যাপারে কোন কথা নেই। ভাবখানা যেন এই, উক্ত প্রবাসী ব্যক্তি সেই আত্মীয়ের মেয়ের বিয়ের সমস্ত খরচই বহন করা উচিৎ ছিল।

এখানেই শেষ নয়, নিজ পিতা এবং ভাইদের নিকটও প্রবাসীদের অর্থ নিরাপদ নয়। প্রবাসীরা দূরে থাকার কারণে তাদের মন থাকে নরম। তারা সরল বিশ্বাসে পিতা বা ভাইদের নিকট তাদের অর্জিত সমস্ত টাকা পাঠানোর পর এক সময় দেখে, তার জন্য কিছুই অবশিষ্ট নেই। অনেক ক্ষেত্রে স্ত্রীরাও প্রবাসী স্বামীর সমস্ত সম্পদ নিয়ে কেটে পড়ে।

৩। পারিবারিক বন্ধন ও ভালবাসা : ‘চোখের আড়াল হলে মনের আড়াল হয়’ এ বাক্যটি যেন প্রবাসীদের জন্যই রচনা করা হয়েছে। পরিবারের ছোট ছেলেটি প্রবাসে যাওয়ার সময় ব্যাকুলাত এবং পরবর্তী কিছুদিন খুব যোগাযোগ এবং বিদেশে নিকটজনহীন কর্মক্লান্ত একঘেঁয়ে জীবনের খোজ খবর নিলেও পরবর্তীতে এসব জানার ফুরসত থাকে না। সময়মতো টাকা পাঠালেই হয়ে যায়। টাকাটা পাঠাতে একটু বিলম্ব হলেই চেঁচামেচি শুরু করে দেন পরিবারের সদস্যরা।

এক ব্যাক্তি প্রবাসে গিয়ে কঠোর পরিশ্রম এবং সাধনার ফলে মোটামোটি একটা অবস্থানে পৌঁছার পর পারিবারিক অনুরোধে ছোট ভাইটি, ভাইপোটি বা শ্যালকটিকে বিদেশে নিয়ে আসার পর তার সাথে শুরু হয়ে যায় পারিবারিক দন্ধ। যাদেরকে নিয়ে আসা হলো তারা জানেনা বা জানতে চায়না এই ব্যক্তি কি ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারা চায় আজকেই ওর মত গাড়ী-বাড়ী হতে হবে তাদের। তারা দেশে সংবাদ পাঠায় আমাদেরকে ভাল ভিসা দিয়ে আনেনি তাই আমরা কিছুই করতে পারছি না। অথচ যাদেরকে আনা হলো তারা যদি ভাল অবস্থানে পৌঁছে তাহলে উক্ত ব্যক্তির নামটি নেওয়া পর্যন্ত ছেড়ে দেয়, আরো বলে কি! আমরাতো আমাদের চেষ্টায় করেছি ওর কি অবদান? এমন কি তাদেরকে আনার জন্য ভিসা বাবত যে খরছ, তাও তারা দিতে চায় না। দীর্ঘ প্রবাস জীবনে এসব শালিশ বিচার অনেক করতে হয়েছে।

৪। চিন্তা ও মতের অমিল হওয়ার কারণে বিরাগ ভাজন হওয়া : প্রবাসীরা দেশে রেখে যাওয়া স্ত্রী-সন্তানাদির অভাব পূরণকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন। সাধারণ প্রবাসীরা টাকা বাঁচানোর জন্য নিজেরা ভাল খাওয়া পরা পর্যন্ত করেন না। প্রবাসে খুবই সাধারণ খাবার এবং পোশাক পরিচ্ছদ গ্রহণ করেন তারা। প্রবাসী স্বামী এবং পিতার রক্ত পানি করা টাকাগুলো পেয়ে স্ত্রী-সন্তানরা ক্রমে আয়েশি জীবন যাপনে অভ্যস্থ হয়ে পড়ে। স্ত্রী- কন্যারা নিয়মিত পার্লারে যাওয়া এবং প্রয়োজন ছাড়াও মার্কেটিং, ছেলে মেয়েরা গার্ল ফ্রেন্ড-বয় ফ্রেন্ড যোগাড় করা অথবা চরিত্রহীন বন্ধু বান্ধবদের সাথে সম্পর্ক রাখার বিষয়গুলি এক দেড় মাসের ছুটিতে আসা প্রাবাসী ব্যক্তিটি যখন টের পেয়ে যান তখন স্বাভাবিক ভাবেই এসবের বিরোধীতা তিনি করবেন। এসব বিষয় বলার কারণে এক দেড় মাসের ছুটিতে আসাও তাদের পছন্দ হয় না। তিনি যত দ্রুত আবার প্রবাসে ফিরে যান ততই যেন কল্যাণ। কুয়েত প্রবাসী আমার এক প্রতিবেশী স্ত্রী ছেলে মেয়েদের জন্য কি না করেছেন, সুন্দর বাড়ী তৈরী করে দিয়েছেন, ছেলে মেয়েদেরকে লেখা পড়া করিয়েছেন। কিন্তু দেশে ছুটিতে এসে স্ত্রী-সন্তানদের অসুন্দর কাজের প্রতিবাদ করাতে ভদ্রলোককে ওরা সহ্য করতে পারছে না। এভাবে প্রবাসীরা মায়া মমতা হতে বঞ্চিত হচ্ছেন।

৫। প্রবাসীদের সুন্দরী স্ত্রী : বলা হয়, গরীবের সুন্দরী স্ত্রী সব মানুষের ভাবী। এখন প্রবাসীর স্ত্রীরা হয় সব মানুষের ভাবী। যে ঘরের প্রবাসী ছেলেটি বিয়ে করে প্রবাসে যাত্রা করে সেই ঘরে চাচাত, মামাত, খালাত, পিসিত, এবং তালত ভাইদের আনাগোনা বেড়ে যায়। একসময় প্রবাসীর সুন্দরী বউটি নানা রকম স্ক্যান্ডেলে জড়িয়ে পড়তে বাধ্য হয়। গতবার দেশে আসার সময় আবুধাবী এয়ার পোর্টে ইমিগ্রেসনের পর প্যাসেঞ্জার লাউঞ্জে বসে পরিচয় হয় ৩০/৩৫ বছর বয়সের এক বাংলাদেশী যুবকের সাথে। তাকে খুবই বিমর্শ দেখাচ্ছিল তাই আমি নিজেই তার সাথে কথা বলে আলাপ পরিচয় করে জানার চেষ্টা করেছি তার কি সমস্যা। অনেক ইতস্ততার পর সে মুখ খুলল এবং যা বলল তা হচ্ছে- তার স্ত্রী দুইটি কন্যা সন্তান এবং সমস্ত টাকা পয়সা এবং গহনা পাতি সহ স্ত্রীর খালাত ভাইয়ের সাথে চলে গিয়েছে। ঘটনাটি শুনে তাকে শান্তনা দেয়ার ভাষা হারিয়ে ফেলেছিলাম। তারপরও সাধ্যমত চেষ্টা করেছি ওকে শান্তনা দেয়ার। ওর নাম্বার রেখেছিলাম পরে কি হলো তা জানার জন্য। পরে ফোনালাপে যা জেনেছি তা হলো- ওরা থাকত গ্রামে। স্ত্রীর এক খালাত ভাই প্রায় বাসায় আসা যাওয়া করত। কোন কাজে সাহায্য করত। এর মধেই খালাত ভাইয়ের সাথে সম্পর্ক গড়ে উঠে। এক সময় মেয়েদেরকে শহরের স্কুলে পড়াবে বলে শহরে বাসা নিয়ে থাকতে থাকে এবং সেই বাসাতেই খালাত ভাইয়ের স্ত্রী হয়ে বসবাস করছে তার স্ত্রী। সে কিছুই করতে পারেনি, নতুন ঘর বেঁধে আবার পাড়ি দিয়েছে প্রবাসে।

৬। শেষ পরিনতি : অনেক প্রবাসী জীবনের সমস্ত রোজগার স্ত্রী ছেলে মেয়েদের পিছনে খরছ করে তিনি নিঃশ্ব প্রায় হয়ে দেশে ফিরেন। শারিরীক ও অর্থিক সমস্যায় জর্জরিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করেন। নিজ সন্তানেরা এবং যাদেরকে তিনি একসময় সাহায্য সহযোগীতা করেছেন তাদের কেউই তার প্রতি যথাযত নজর দেয়া জরুরী মনে করে না। দেশের সরকারী কর্মচারীরা চাকুরী জীবনের শেষে পেনশন অথবা এককালীন একটি বড় অংকের অর্থ পেয়ে থাকেন। অথচ যে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রয়েছে তাদের জন্য কিছুই করা হয় না। প্রবাস কল্যাণ মন্ত্রনালয় নামের মন্ত্রনালয় এবং মন্ত্রী ঠিকই আছেন এবং আগামীতে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক নামের প্রতিষ্ঠানও যোগ হবে বলে শোন যাচ্ছে কিন্তু কাজের কাজ কি হবে তা বুঝতে পারছি না।

jahan hassan ekush tube bangla desh জাহান হাসান, লস এঞ্জেলেস. বাংলাদেশ. বাংলা, আমাদের সময়, আলোচনা, ইত্তেফাক, কালের কণ্ঠ, জনকন্ঠ, ডেসটিনি, দিগন্ত, দিনের শেষে, নয়া দিগন্ত, প্রথম আলো, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ভোরের কাগজ, মানবজমিন, মুক্তমঞ্চ, যায় যায় দিন, যায়যায়দিন, যুগান্তর, সংগ্রাম, সংবাদ, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামাত, রাজাকার, আল বদর, একুশ, প্রবাস, প্রবাসী, ঠিকানা

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s