আমাদের অঙ্গীকার হচ্ছে মার্কিন জনগণের কথা শোনা: পরাজয়ের জন্য আমিই দায়ী :ওবামা ; হাশেম ক্লার্ককে বাংলাদেশের অভিনন্দন

পরাজয়ের জন্য আমিই দায়ী :ওবামা

বারাক ওবামা

বারাক ওবামা


সমকাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্রেটিক পার্টির পরাজয়ের জন্য নিজেকেই দায়ী করেছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তিনি বলেন, ‘অর্থনৈতিক খাতে তেমন অগ্রগতি না ঘটায় ভোটাররা হতাশ হয়ে পড়েছেন। তাই তারা ডেমোক্র্যাটদের প্রত্যাখ্যান করেছেন। আর এজন্য আমিই দায়ী।’ বুধবার হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। খবর এএফপি, বিবিসি অনলাইনের। মধ্যবর্তী নির্বাচনে নিজের দলের ভরাডুবির পর হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সামনে মলিন মুখে হাজির হন বারাক ওবামা। মাত্র দুই বছর আগে রিপাবলিকান প্রার্থী জন ম্যাককেইনকে ধরাশায়ী করে ক্ষমতায় যান ওবামা। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই জনপ্রিয়তায় ধস নামায় বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি তিনি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এক পর্যায়ে বলেন, আমি খুব খারাপ বোধ করছি। একই সঙ্গে স্বীকার করলেন দলের এ অবস্থার জন্য নিজের দায়িত্বের কথা। তবে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে তার সরকার কোনো উন্নতি ঘটাতে পারেনি এমন অভিযোগ মেনে নিতে নারাজ তিনি। তিনি বলেন, অর্থনীতি মন্দা অবস্থা থেকে একটা স্থিতিশীল পর্যায়ে এসেছে। বেকারত্বের হার অনেকটা কমে এসেছে। তবে জনগণ এখনও অর্থনৈতিক অগ্রগতির সুফল পুরোপুরি পাচ্ছে না। অন্যদিকে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর উচ্ছ্বসিত রিপাবলিকানরা ওবামার পরিকল্পনার বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলার কথা বলছেন। মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের পরবর্তী স্পিকার রিপাবলিকান জন বোয়েনার বলেন, এটা খুব স্পষ্ট, মার্কিন জনগণ আরও ছোট, কম ব্যয়ের এবং বেশি জবাবদিহিমূলক সরকার চায়। তিনি বলেন, আমাদের অঙ্গীকার হচ্ছে মার্কিন জনগণের কথা শোনা। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ নির্বাচনের ফল জলবায়ু পরিবর্তন রোধ এবং নিরস্ত্রীকরণে গৃহীত পরিকল্পনাসহ পররাষ্ট্র ও অভ্যন্তরীণ নীতিনির্ধারণে বারাক ওবামার অবস্থানকে বেশ জটিল পরীক্ষার মধ্যে ফেলবে।
মধ্যবর্তী নির্বাচনে তরুণ ভোটারের সংখ্যা কমেছে বলে জানিয়েছে একটি গবেষণা সংস্থা। তারা বলছে, ২০০৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের তুলনায় এবারের নির্বাচনে তরুণদের ভোট পড়েছে প্রায় ১০ লাখ কম। সেন্টার ফর ইনফরমেশন অ্যান্ড রিসার্চ অন সিভিক লার্নিং অ্যান্ড এনগেজমেন্টের হিসাবে, মঙ্গলবার ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী তরুণদের প্রতি পাঁচজনের একজন ভোট দিয়েছে। এ বয়সের প্রায় ৯০ লাখ ভোটার ভোট দিয়েছে। অথচ ২০০৬ সালের নির্বাচনে ভোট দিয়েছিল প্রায় এক কোটি তরুণ।
৪৩৫ আসনের প্রতিনিধি পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ২১৮ আসন। রিপাবলিকানরা পেয়েছে ২৩৯টি। ওবামার ডেমোক্র্যাট পার্টি পায় ১৮৬টি আসন। বাকি ১০টির ফল জানা যায়নি। তবে সিনেটে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে পেরেছে। ১০০ আসনের মধ্যে তাদের আসন এখন ৫২টি। রিপাবলিকানরা পেয়েছে ৪৭টি। একটি আসনের ফল চূড়ান্ত হয়নি।

হাশেম ক্লার্ককে বাংলাদেশের অভিনন্দন

কূটনৈতিক প্রতিবেদক জানান, নির্বাচনে মিশিগান অঙ্গরাজ্য থেকে (মিশিগান কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট-১৩) বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হেনসেন হাশেম ক্লার্ক প্রতিনিধি পরিষদে নির্বাচিত হওয়ায় তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের।
বাংলাদেশ সরকার ও যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিদের পক্ষ থেকে অভিনন্দনবার্তায় রাষ্ট্রদূত বলেন, হেনসেন হাশেম ক্লার্কের বিজয় তার প্রতি সাধারণ জনগণের গভীর আস্থার বহিঃপ্রকাশ। আগামী দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নীতি ও কর্মসূচি প্রণয়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রদূত।

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s