সংসদীয় গণতন্ত্র কার্যকর করার বিষয়ে যারা চিন্তাভাবনা করেন তারা এ বিষয়টি ভবিষ্যতে দৃষ্টিতে নেবেন:জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটির ভূমিকা

জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটির ভূমিকা

সংসদ ভবন

সংসদ ভবন

গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় প্রতিনিধিত্বশীল পরিষদগুলোর কর্মকাণ্ডে একটি প্রয়োজনীয় বা গুরুত্বপূর্ণ উদ্‌ভাবন হচ্ছে কমিটি ব্যবস্থা। আধুনিক আইন পরিষদগুলোর কার্যক্রমের ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটায় কমিটি ব্যবস্থার মাধ্যমে আইন প্রণয়ন এবং সরকারের কর্মকাণ্ডের পর্যালোচনা সর্বত্রই লক্ষ্য করা যায়। সংসদে উপস্থাপিত বিল ও অন্যান্য বিষয়ের ওপর পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষণ করা, সংসদের সময় বাঁচানো ও জনপ্রতিনিধিদের দক্ষতার পূর্ণাঙ্গ ব্যবহারের লক্ষ্যে সংসদ সদস্যরা বিভিন্ন কমিটি ও সাব-কমিটিতে বিভক্ত হয়ে সংসদ কর্তৃক প্রদত্ত নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করেন। কমিটিগুলো সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে অনুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করে সুপারিশসহ সংসদে উপস্থাপন করেন। সংসদ কর্তৃক প্রেরিত বিল, অর্থ ব্যবস্থাপনা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের কার্যাবলী পর্যালোচনা করার মাধ্যমে সংসদীয় গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় আইনসভার আওতায় কমিটি ব্যবস্থা বিশেষ গুরুত্ব অর্জন করেছে। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ২৪৮ বিধিতে উল্লেখ আছে- ‘প্রত্যেকটি স্থায়ী কমিটি মাসে অন্ততপক্ষে একটি বৈঠকে মিলিত হবে এবং স্থায়ী কমিটির কাজ হবে সংসদ কর্তৃক ওই কমিটিতে প্রেরিত যে কোন বিল বা বিষয় পরীক্ষা করা, ওই কমিটির আওতাধীন মন্ত্রণালয়ের কার্যাবলী পর্যালোচনা করা।’ কার্যপ্রণালীবিধি অনুযায়ী অধিকাংশ সংসদীয় কমিটি সংসদে গৃহীত প্রস্তাব দ্বারা এবং অল্প কয়েকটি কমিটি স্পিকারের মনোনয়নে গঠিত হয়।

সংসদীয় কমিটি গঠন, ক্ষমতা ও দায়িত্ব কিংবা কমিটি সংক্রান্ত বিষয়ে অনুসরণীয় পদ্ধতি সংবিধান, কার্যপ্রণালীবিধি, সংসদীয় রীতি-রেওয়াজ ও স্পিকারের রুলিং দ্বারা নির্ধারিত হয়। সংসদীয় কমিটির মতো সংসদীয় সাব-কমিটিও বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। মূল কমিটি প্রয়োজন মনে করলে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য সাব-কমিটি গঠন করতে পারে। সাধারণত গুরুত্বপূর্ণ কোন সমস্যা সমাধানের জন্য সংসদীয় কমিটির সদস্যদের সময় সাশ্রয়ে সুনির্দিষ্ট প্রতিবেদনের জন্য সাব-কমিটি গঠন করা হয়। সাধারণত মূল কমিটির সদস্যরাই সাব-কমিটির সদস্য হয়ে থাকেন। অর্থাৎ মূল কমিটির কয়েকজন সদস্য নিয়েই সাব-কমিটি গঠিত হয়। যেহেতু সাব-কমিটি বিশেষ কোন বিষয় বা সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করে থাকে, তাই তাদের পক্ষে স্বল্প সময়ে সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজে বের করা সহজ হয়। সাব-কমিটির সদস্যরা প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও আলোচনা করে সমস্যার সমাধান সূত্র খঁুজে বের করতে পারেন।

সমস্যা সমাধানে কমিটিঃ দেশের যে কোন সমস্যা সমাধানে সংসদীয় কমিটিগুলোর ব্যাপক ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটি স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নিতে পারে। যেহেতু সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে বিভিন্ন দলের সংসদ সদস্য রয়েছেন সেজন্য এসব কমিটির সিদ্ধান্ত নিয়ে বিরোধী দলগুলোর ভিন্নমতের অবকাশ কম থাকে। আবার বিরোধী দলগুলো তাদের দলীয় সংসদ সদস্যের মাধ্যমে দলীয় মতামতও তুলে ধরতে পারে। সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে যেহেতু সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীও একজন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকেন সেহেতু সংসদীয় কমিটির সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নে কোন বাধা থাকে না। জাতীয় সংসদে সংসদ সদস্যরা যতটা সম্্‌ভব একমত হয়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। সংসদীয় কমিটিতে সদস্যদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখলে যে কোন জটিল সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে পারেন। সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর্যাপ্ত সুযোগ রয়েছে। কোন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন বা সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা একত্রে বসে আলোচনা করে সমাধানের পথ খঁুজতে পারেন। কমিটির সদস্যরা প্রয়োজন মনে করলে বিষয়টি জাতীয় সংসদেও উপস্থাপন করতে পারেন। কোন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের বিষয়টিও আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যায়। পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ জানিয়ে তাদের আন্তরিক সহযোগিতা নেয়া যেতে পারে। সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নির্বাহী বিভাগের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করা যায় কমিটিতে।
কমিটি গঠনঃ প্রথম জাতীয় সংসদে মাত্র ১১টি সংসদীয় কমিটি গঠিত হয়। দ্বিতীয় জাতীয় সংসদে ১১টি সংসদীয় ও ৩৭টি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটি গঠিত হয়। তৃতীয় জাতীয় সংসদে ৪টি সংসদীয় কমিটি ও ২টি বাছাই কমিটি গঠিত হয়। চতুর্থ জাতীয় সংসদে ১১টি সংসদীয়, ৩৫টি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত, ২টি বাছাই কমিটি ও ৫টি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়। ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে মাত্র ৩টি সংসদীয় কমিটি গঠিত হয়। সপ্তম জাতীয় সংসদে ১১টি সংসদীয় কমিটি, ৩৩টি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত, ১টি বাছাই কমিটি ও ১টি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়। অষ্টম জাতীয় সংসদে ১১টি সংসদীয় কমিটি ও ৩৯টি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটি গঠিত হয় (তবে পরে কমিয়ে ৩৭টি গঠন করা হয়)। নবম জাতীয় সংসদে ১১টি সংসদীয়, ৩৭টি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত, ২টি বিশেষ কমিটি গঠিত হয়।

কমিটি রিপোর্ট উপস্থাপনঃ প্রথম, তৃতীয় ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে কোন কমিটি রিপোর্ট উপস্থাপিত হয়নি। দ্বিতীয় জাতীয় সংসদে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির ১টি এবং সংসদীয় কমিটির ২টি রিপোর্ট উপস্থাপিত হয়। চতুর্থ জাতীয় সংসদে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির ৩টি, সংসদীয় কমিটির ৮টি ও বিশেষ কমিটির ৩টি রিপোর্ট উপস্থাপিত হয়। পঞ্চম জাতীয় সংসদে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির ১৩টি এবং সংসদীয় কমিটির ১৮টি রিপোর্ট উপস্থাপিত হয়। সপ্তম জাতীয় সংসদে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির ১৩টি এবং সংসদীয় কমিটির ১৬টি রিপোর্ট উপস্থাপিত হয়। অষ্টম জাতীয় সংসদে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির ৩৪টি এবং সংসদীয় কমিটির ১৩টি রিপোর্ট উপস্থাপিত হয়।

কমিটি বৈঠকঃ ৫ম জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলো মোট ১৪৬৫টি বৈঠকে বসে ২২৩৭টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং ৪১টি রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপন করে। ৭ম জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলো মোট ১২৭৪টি বৈঠকে বসে ৩৯৪০টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং ২৯টি রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপন করে। ৮ম জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটিগুলো মোট ১২৪২টি বৈঠকে বসে ৬৭৩৪টি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং ৪৮টি রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপন করে। নবম জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হয় ২৫ জানুয়ারি ২০০৯ সাল থেকে। ওই জানুয়ারি মাসে মাত্র দুটি কমিটির বৈঠক বসে। এরপর ফেব্রুয়ারি ২০০৯ থেকে সেপ্টেম্বর ২০১০ পর্যন্ত ১ বছর ৮ মাসে জাতীয় সংসদের ১১টি সংসদীয় এবং ৩৭টি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত মূল কমিটি ৭২২টি এবং মূল কমিটি কর্তৃক সেপ্টেম্বর ২০০৯ পর্যন্ত গঠিত ৯৫টি সাব-কমিটি ২৭২টি বৈঠকে মিলিত হয়। মোট ৯৯৪টি বৈঠকে মিলিত হয় অর্থাৎ গড়ে প্রতি মাসে ১টি করে বৈঠকে মিলিত হয়। কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী প্রতিটি কমিটি মাসে একটি করে বৈঠক করবে। গড় হিসেবে সেটা হচ্ছে তবে বিশেষ অধিকার সম্পর্কিত, কার্যপ্রণালীবিধি সম্পর্কিত ও পিটিশন কমিটির কোন বৈঠক হয়নি। তাছাড়া সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে গত ২০ মাসে ১০টি করে বৈঠক হয়েছে। সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ৮৩টি বৈঠক হয়েছে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে। এর মধ্যে মূল কমিটির বৈঠক হয়েছে ৩৭টি এবং মূল কমিটি কর্তৃক গঠিত ৪টি সাব-কমিটির বৈঠক হয়েছে ৪৬টি। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সাব-কমিটিসহ বৈঠক হয় ৩৯টি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সাব-কমিটিসহ বৈঠক হয় ৩৬টি। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সাব-কমিটিসহ বৈঠক হয় ৩৪টি। সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির সাব-কমিটিসহ বৈঠক হয় ৩৩টি। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সাব-কমিটিসহ বৈঠক হয় ৩২টি। অর্থ, স্বরাষ্ট্র ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সাব-কমিটিসহ বৈঠক হয় ৩১টি করে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সাব-কমিটিসহ বৈঠক হয় ২৮টি। ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সাব-কমিটিসহ বৈঠক হয় ২৭টি। তথ্য, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন এবং বিদুøৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সাব-কমিটিসহ বৈঠক হয় ২৫টি করে।

নবম জাতীয় সংসদঃ নবম জাতীয় সংসদে গত ১ বছর ৮ মাসে মোট ২১টি কমিটি রিপোর্ট উপস্থাপিত হয়। তন্মধ্যে সংসদীয় কমিটির ৫টি, মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির ১৪টি এবং বিশেষ কমিটির ২টি রিপোর্ট উপস্থাপিত হয়। তবে বিগত সংসদগুলোতে অধিকাংশ রিপোর্ট সংসদের মেয়াদের শেষের দিকে সংসদে উপস্থাপিত হতে দেখা যায়। বিশেষভাবে উল্লেখ করা যায় অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গত ২০ মাসে ৩টি রিপোর্ট এবং সরকারি হিসাব কমিটি ২টি রিপোর্ট উপস্থাপন করে। আরও উল্লেখ করা যায়, সপ্তম জাতীয় সংসদে যেখানে ১ বছর ১০ মাস ২৮ দিন এবং অষ্টম জাতীয় সংসদে যেখানে ১ বছর ৯ মাস ১৭ দিন পরে সংসদের স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয় সেখানে নবম জাতীয় সংসদে প্রথম অধিবেশনে ওই সময়ের মধ্যে ৯৯৪টি কমিটি বৈঠক করেছে। এটা নিঃসন্দেহে একটি সাফল্য গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে।

সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নঃ কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি নির্ভর করে সংসদীয় কমিটির তাগিদ, নির্বাহী বিভাগের আন্তরিকতা ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার ওপর। কমিটি ইচ্ছা করলে আগের ৫/১০ বৈঠকের সিদ্ধান্তের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবকে জানানোর আহ্বান করতে পারেন। তাছাড়া জাতীয় সংসদের কমিটিগুলোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হার প্রতিবেশী দেশ ভারতসহ অন্যান্য দেশের তুলনায় কম। এর পেছনে কারণ হিসেবে মনে হয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য কার্যপ্রণালীবিধি সংশোধন করা প্রয়োজন। ভারতে কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে সময়সীমা বেঁধে দেয়া আছে ৬ মাস, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে ৩ মাস, ব্রিটেনে ২ মাস, কানাডাতে ৪ মাস। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালীবিধিতে কমিটি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। আশা করা যায় সংসদীয় গণতন্ত্র কার্যকর করার বিষয়ে যারা চিন্তাভাবনা করেন তারা এ বিষয়টি ভবিষ্যতে দৃষ্টিতে নেবেন- এটাই সবার প্রত্যাশা।
যুগান্তর রিপোর্ট

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s