কলিম শরাফীর জীবনের প্রতিটি স্তর শিল্পিত ছোঁয়ায় বোনা : এক নজরে কলিম শরাফী

এক নিখাদ শিল্পীজীবন

সোহেল অটল

কলিম শরাফী

কলিম শরাফী

কলিম শরাফীর জীবনের প্রতিটি স্তর শিল্পিত ছোঁয়ায় বোনা। জন্ম, বেড়ে ওঠা, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড­ কোনোটাই সেই ছোঁয়ার বাইরে নয়। তার মৃতুø যেন এক মহাকালের অবসান। মহাকালের এই কিংবদন্তির জীবনের গল্প সম্পর্কে নতুন প্রজন্মের জানাশোনা একটু কমই। সেই গল্প নিয়েই এবং কলিম শরাফীর আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে আনন্দলোকের এই বিশেষ আয়োজন। সাজিয়েছেন সোহেল অটল

——————————————————————————————————————————

কলিম শরাফীর জন্ম হয়েছিল রক্ষণশীল এক মুসলিম পরিবারে। তা সত্ত্বেও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সব সময় নিয়োজিত রেখেছেন। ১৯৪৪ সালে তিনি ইন্ডিয়ান পিপলস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশনে (আইপিটিএ) যোগ দিয়ে কলকাতার হাজারা পার্কে হাজার হাজার দর্শকশ্রোতার উপস্থিতিতে সর্বপ্রথম গণসঙ্গীত পরিবেশন করেন। এরপর ১৯৪৬ সালে বিখ্যাত গ্রামোফোন কোম্পানি এইচএমভি থেকে বের হয় কলিম শরাফীর প্রথম গণসঙ্গীতের রেকর্ড। প্রায় সাথে সাথেই নিয়মিত শিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন কলকাতা বেতারে। এরপর শুভ গুহঠাকুরতার রবীন্দ্রসঙ্গীত শেখানোর প্রতিষ্ঠান ‘দক্ষিণী’তে নিয়মিত রবীন্দ্রসঙ্গীত চর্চা শুরু করেন। এক সময় কলিম শরাফী দক্ষিণীতে যোগ দিয়েছিলেন শিক্ষক হিসেবে। দক্ষিণীতে তিনি সঙ্গীতগুরু দেবব্রত বিশ্বাস, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও সুচিত্রা মিত্রের সাহচর্য পেয়েছিলেন। ১৯৪৮ সালে নীতিগত বিরোধের কারণে মহর্ষি মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, শম্ভু মিত্র, তৃপ্তি মিত্র, অশোক মজুমদার, মোহাম্মদ ইসরাইল, কলিম শরাফী প্রমুখ আইপিটিএ থেকে বেরিয়ে এসে গঠন করেন নাট্য সংস্থা ‘বহুরূপী’।
১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর কলকাতায় আবার শুরু হয় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। এ সময় কর্মহীন হয়ে পড়েন কলিম শরাফী। এর ভেতরেই ১৯৪৯ সালে তিনি কামেলা খাতুনকে বিয়ে করেন। ১৯৫০ সালে স্ত্রী কামেলা খাতুন ও একমাত্র শিশুকন্যাকে নিয়ে চলে আসেন ঢাকায়। ঢাকায় এসেই ক্যাজুয়াল আর্টিস্ট হিসেবে যোগ দেন রেডিওতে। ১৯৫১ সালে ঢাকা ছেড়ে চলে যান চট্টগ্রামে। গড়ে তোলেন ‘প্রান্তিক’ নামে একটি সংগঠন।
১৯৫৬ সালে শেরেবাংলার মন্ত্রিসভাকে বরখাস্ত করে সেকশন নাইনটি টু জারি করার ফলে কলিম শরাফীকে আত্মগোপন করতে হয়। সে বছরের শেষ দিকে তিনি আবার ঢাকায় ফিরে আসেন। ঢাকায় ‘হ-য-ব-র-ল’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। এ সংগঠনের ব্যানারেই মঞ্চস্থ করেন তাসের দেশ নাটকটি। সে সময় কলিম শরাফীর সহযোগী ছিলেন ড. আনিসুর রহমান ও ড. রফিকুল ইসলাম।
রবীন্দ্রসঙ্গীত ছিল তার প্রাণের খোরাক। চলচ্চিত্রেও রবীন্দ্রসঙ্গীতকে ব্যবহার করেছেন তিনি। ১৯৫৭ সালে চলচ্চিত্রে প্রথমবারের মতো কলিম শরাফী রবীন্দ্রসঙ্গীত গান আকাশ আর মাটি চলচ্চিত্রে। এরপর ১৯৫৮ সালে কলিম শরাফীর গান রেডিওতে সম্প্রচার নিষিদ্ধ করা হয়। স্বাধীনতা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল ছিল।
গানের বাইরে চলচ্চিত্র প্রযোজক হিসেবে নিজেকে আত্মপ্রকাশ করেন ১৯৬০ সালে সোনার কাজল-এর মাধ্যমে। সেখানে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছিলেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান। এ সময় কলিম শরাফীর সঙ্গীত পরিচালনায় নির্মিত প্রামাণ্য চিত্র ভেনিস আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করে। তারপর সূর্যস্নান ছবিতে ‘পথে পথে দিলাম ছড়াইয়া রে’ গানটি গেয়ে তিনি শ্রোতামহলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। এ ছাড়া কবিয়াল রমেশ শীলের জীবন নিয়ে একটি তথ্যচিত্রও নির্মাণ করেন কলিম শরাফী।
কলিম শরাফীর সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ছিল বহুমুখী। এক কথায় সেগুলোর প্রকাশ সম্ভব নয়। ১৯৬৯ সালে সত্যেন সেনের সাথে তিনি উদীচীর কর্মকাণ্ডে যোগ দেন এবং ১৯৭৭ থেকে প্রায় অনেক বছর সভাপতি ও সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৯ সালে গঠিত হয় ‘জাহিদুর রহিম স্মৃতি পরিষদ’। কলিম শরাফী এই উদ্যোগের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক। পরে এই ‘জাহিদুর রহিম স্মৃতি পরিষদ’ই ‘জাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মিলন পরিষদ’-এ পরিণত হয়।
কলিম শরাফী ১৯৮৩ সালের এপ্রিলে ‘সঙ্গীত ভবন’ নামে একটি সঙ্গীত বিদ্যালয় গড়ে তোলেন। প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই শিল্পী কলিম শরাফী এ প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেছেন।
কলিম শরাফী একাধিক চলচ্চিত্রে কণ্ঠদান করেছেন। ‘স্মৃতি অমৃত’ তার প্রকাশিত গ্রন্থ। তার গানের পনেরটি ক্যাসেট ও তিনটি সিডি ক্যাসেট প্রকাশিত হয়েছে। তিনি শিল্পকলা একাডেমী কাউন্সিল ও শিশু একাডেমী কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশ বেতার-টিভি শিল্পী সংস্থা, বাংলাদেশ রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা ও নাগরিক নাট্য অঙ্গনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। সুদীর্ঘ সাংস্কৃতিক জীবনে কলিম শরাফীর মাত্র পাঁচটি অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। এগুলোর নাম হলো­ এই কথাটি মনে রেখো, আমি যখন তার দুয়ারে, কলিম শরাফীর যত গান, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান এবং জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্রের কথা ও সুরে নবজীবনের গান।
কলিম শরাফীর রাজনৈতিক জীবনও ছিল সঙ্ঘাতময়। তিনি যখন দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তখন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু কলকাতায় অবস্থিত ‘হলওয়েল মনুমেন্ট’ অপসারণের আন্দোলন শুরু করেন। কিশোর কলিম শরাফী সে আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় স্কুলের এক মিছিলের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের হাতে তিনি নির্যাতিত হন। এরপর ১৯৪২ সালে তিনি ম্যাট্রিক পাস করেন। পরীক্ষার পরই তিনি গান্ধীর ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনে যুক্ত হন। ১৯৪২ সালে ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের সময় নিজ এলাকায় এক সভায় সভাপতিত্ব করার কয়েক দিন পর ডিফেন্স অব ইন্ডিয়া অ্যাক্টের আওতায় তাকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়। কারাগারেই আন্দোলনকর্মী বিভিন্ন শিল্পীর সাথে পরিচয় হয় তার। মুক্তি পাওয়ার পর তিনি বীরভূম জেলা ছাত্র ফেডারেশনের সেক্রেটারির দায়িত্ব নেন। ‘পঞ্চাশের মন্বন্তর’ হিসেবে পরিচিত পাওয়া দুর্ভিক্ষের সময় লঙ্গরখানায় কাজ করার সময় তিনি কমিউনিস্ট নেতা কমরেড মুজাফফর আহমেদের সংস্পর্শে আসেন, যোগ দেন কমিউনিস্ট পার্টিতে। পঞ্চাশের মন্বন্তরে কলিম শরাফী দল বেঁধে গান গেয়ে গেয়ে পীড়িত মানুষজনের জন্য অর্থ সাহায্য সংগ্রহ করেছেন। সাথে সাথে তিনি লঙ্গরখানায় খাদ্য বিতরণে আত্মনিয়োগ করেছিলেন। এরপর ১৯৪৫ সালে শরাফী ভর্তি হন হেতমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজে। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে কৃষ্ণনাথ কলেজ ছেড়ে ভর্তি হন ক্যাম্পবেল মেডিক্যাল স্কুলে। এখানেও পড়াশোনা চালাতে পারেননি। মূলত অর্থনৈতিক কারণেই পড়াশোনার পাঠ চুকিয়ে ফেলতে হয়। শেষ চেষ্টা হিসেবে ১৯৪৬ সালে সিটি কলেজে বাণিজ্য বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৪৬ সালেই শুরু হয় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। এ সময় তিনি ইন্ডিয়ান পিপলস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশনের হয়ে ‘বর্ডার গার্ড’-এর দায়িত্বও পালন করেন। ১৯৪৮ সালে তিনি আবারো গ্রেফতার হন। ৯০-এর দশকে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের শিল্পী-সংস্কৃতিকর্মীদের সংগঠিত করার কাজ করেন তিনি।
সঙ্গীত শিল্পে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ কলিম শরাফী ‘একুশে পদক’ (১৯৮৫), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৯৯), ‘নাসিরউদ্দিন স্বর্ণপদক’ (১৯৮৮), ‘বেগম জেবুন্নেছা ও কাজী মাহবুব উল্লাহ স্বর্ণপদক’ (১৯৮৭), সত্যজিত রায় পুরস্কার (১৯৯৫) এবং শিক্ষা ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র হতে ‘কৃতি বাঙ্গালী সম্মাননা পদক’ (১৯৮৮)-এ ভূষিত হন। বাংলা একাডেমী ফেলোশিপ, রবীন্দ্র সুবর্ণ জয়ন্তী পাটনা, কলিকাতার শিল্প মেলার বঙ্গ সংস্কৃতি, বুলবুল ললিত কলা একাডেমি, সিকোয়েন্স অ্যাওয়ার্ড অব অনার, রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী অ্যাওয়ার্ড, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় গুণীজন সংবর্ধনা, পশ্চিমবঙ্গের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১২৫তম জন্মবার্ষিকী, ডি-৮ আর্ট অ্যান্ড কালচার ফেস্টিভাল, পাকিস্তান ইত্যাদি অনুষ্ঠানে সম্মানিত হন। সর্বশেষ তিনি বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত ‘রবীন্দ্র পুরস্কার­২০১০’ এ ভূষিত হন।

এক নজরে কলিম শরাফী

কলিম শরাফী জন্মেছিলেন ১৯২৪ সালের ৮ মে। তার বাবার নাম সামি আহমেদ শরাফী এবং মা আলিয়া বেগম। জন্মেছিলেন ভারতের পশ্চিম বঙ্গের বীরভূম জেলার শিউড়ী মহকুমার খয়রাদিহি গ্রামে। মাত্র চার বছর বয়সে মাকে হারান তিনি। কলিম শরাফীর পুরো নাম মাখদুমজাদা শাহ সৈয়দ কলিম আহমেদ শরাফী।
তার পড়াশোনার হাতেখড়ি হয় আরবি ওস্তাদজি আর বাংলা পণ্ডিত মশাইয়ের হাতে। এরপর ১৯২৯ সালে তিনি পাঠশালায় ভর্তি হয়ে শিক্ষাজীবন শুরু করেন। তাঁতিপাঙা প্রাইমারি স্কুলে তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করে চলে আসেন কলকাতায় বাবা সামি আহমেদ শরাফীর কাছে। সেখানে ১৯৩৫ সালে ভর্তি হন মাদ্রাসা-ই-আলিয়াতে। অ্যাংলো পার্শিয়ান বিভাগে চতুর্থ শ্রেণীতে ভর্তি হন। সে সময় পরবর্তীকালে খ্যাতিমান সাংবাদিক শহীদ শহীদুল্লাহ কায়সার তার সহপাঠী ছিলেন।
কলিম শরাফী কলকাতার বিখ্যাত সঙ্গীত বিদ্যালয় দক্ষিণী থেকে ১৯৪৬ থেকে ১৯৫০ পর্যন্ত সঙ্গীত শিক্ষা লাভ করেন। এরপর সেখানে শিক্ষকতা শেষে ১৯৫০ সালে ঢাকায় বসবাস শুরু করেন। তিনি ১৯৬৪-৬৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান টেলিভিশনে প্রোগ্রাম ডাইরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর তিনি ১৯৬৯-৭২ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান গ্রামোফোন কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক ও জেনারেল ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ১৯৭৪-৭৬ সালে তিনি বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের চিফ ইনফরমেশন অফিসার ও জেনারেল ম্যানেজার পদে দায়িত্ব পালন করেন।
এর বাইরে কলিম শরাফীর রাজনৈতিক জীবন ছিল অত্যন্ত দৃঢ়তাপূর্ণ এক সৈনিকের মতো। দশম শ্রেণীতে পড়াকালে সুভাষ চন্দ্র বসুর ‘হলওয়ে মনুমেন্ট’ অপসারণ আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। তারপর গান্ধীর ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনসহ তৎকালীন সময়ে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নানা অন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত হয়েছিলেন। এর জন্য তিনি একাধিকবার কারাবরণও করেন।
১৯৪৯ সালে তিনি কামেলা খাতুনকে বিয়ে করেন। কামেলা খাতুনের সাথে ১৯৫৭ সালে তার বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। ১৯৬৩ সালে দ্বিতীয়বারের মতো পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন কলিম শরাফী। দ্বিতীয় স্ত্রী অধ্যাপিকা নওশাবা খাতুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যাপনা করতেন। স্ত্রী নওশাবাকে নিয়ে শুরু হয় তার নতুন সংসার যাত্রা।
শেষ জীবনে কলিম শরাফী বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। চলাফেরা এবং কথাবার্তায় নিয়ন্ত্রণ আনতে বাধ্য হন। গত ২ নভেম্বর দুপুরে নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই মহান শিল্পী।

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s