২৫ কোটি টাকার ইউনিট সংরক্ষিত থাকবে অনিবাসী বাংলাদেশিদের জন্য : বাজারে আসছে ২৫০ কোটি টাকার মিউচুয়াল ফান্ড

বাজারে আসছে ২৫০ কোটি টাকার মিউচুয়াল ফান্ড

শেয়ারবাজারে আসছে আরও তিনটি মিউচুয়াল ফান্ড। এর মধ্যে একটি মেয়াদহীন মিউচুয়াল ফান্ড বা ইউনিট ফান্ড, বাকি দুটি মেয়াদি মিউচুয়াল ফান্ড। ফান্ড তিনটির আকার ২৫০ কোটি টাকা। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিক্রি করা হবে প্রায় ১০০ কোটি টাকার ইউনিট। বর্তমানে বাজারে ২৯টি মিউচুয়াল ফান্ড তালিকাভুক্ত আছে। চারটি ফান্ড তালিকাভুক্তির অপেক্ষায় বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। নতুন ফান্ড দুটি এলে তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৩৫।

গতকাল মঙ্গলবার শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) ফান্ড তিনটি অনুমোদন করেছে। সংস্থার চেয়ারম্যান মোঃ জিয়াউল হক খোন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কমিশন বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। ফান্ডগুলো হচ্ছে_ যমুনা ব্যাংক ইউনিট ফান্ড, এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড এবং এনসিসি ব্যাংক ফার্স্ট এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড। ফান্ড তিনটির আকার আড়াইশ কোটি টাকা। তিনটি ফান্ডেরই ইউনিটের অভিহিত মূল্য হবে ১০ টাকা। মেয়াদি ফান্ড দুটির মেয়াদ হবে ১০ বছর।

এছাড়াও গতকালের বৈঠকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অভিন্ন সূচক চালুর জন্য নীতিমালা জমা দেওয়ার সময় ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বৈঠক শেষে এসইসির নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভূঁইয়া এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
যমুনা ব্যাংক ইউনিট ফান্ডের আকার ৫০ কোটি টাকা। এর উদ্যোক্তা বেসরকারি যমুনা ব্যাংক লিমিটেড। ফান্ডটিতে উদ্যোক্তার অংশ থাকবে ১০ শতাংশ বা পাঁচ কোটি টাকা। বাকি ৪৫ কোটি টাকার ইউনিট ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করা হবে। এটি স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হবে না। ফান্ডটি পরিচালনা করবে আলিফ অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি। এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের উদ্যোক্তা মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড। এর আকার ১০০ কোটি টাকা। এতে উদ্যোক্তা মার্কেন্টাইল ব্যাংক জোগান দেবে ১০ কোটি টাকা। প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়া হবে ৪০ কোটি টাকার ইউনিট। বাকি ৫০ কোটি টাকা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে। ফান্ডটির ব্যবস্থাপক এলআর গ্গ্নোবাল অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি।

এনসিসি ব্যাংক ফার্স্ট এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ডের আকার ১০০ কোটি টাকা। এতে উদ্যোক্তা এনসিসি ব্যাংকের অংশ হবে ১০ কোটি টাকা। প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বরাদ্দ দেওয়া হবে ৪০ কোটি টাকা মূল্যের ইউনিট। ২৫ কোটি টাকার ইউনিট সংরক্ষিত থাকবে অনিবাসী বাংলাদেশিদের জন্য। আইপিওর মাধ্যমে সাধারণ জনগণের কাছে বিক্রি করা হবে ২০ কোটি টাকার ইউনিট। বাকি পাঁচ কোটি টাকার ইউনিট বরাদ্দ দেওয়া হবে বিভিন্ন মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে। এ ফান্ডের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবে ভিআইপি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি।

আনেয়ারুল কবীর ভূঁইয়া বলেছেন, ডিএসই ও সিএসইতে অভিন্ন সূচক চালুর জন্য সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জগুলোর আন্তর্জাতিক ফোরাম আইয়েস্কোর নীতিমালার ভিত্তিতে একটি নীতিমালা প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ডিএসইকে। এ জন্য ডিএসইকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল; কিন্তু সংস্থাটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নীতিমালা জমা দিতে পারেনি। এ সময়সীমা ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে কমিশন। এ নীতিমালার ভিত্তিতে পরে সূচক সংশোধন করা হবে। তিনি বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাজারের প্রকৃত চিত্র প্রতিফলনের জন্য অভিন্ন সূচক খুবই দরকার। অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ে বাজার অনেক ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওঠার কারণেও সূচক সংশোধন খুব জরুরি।

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s