শেয়ারবাজারে এখন প্রতিদিনই স্রোতের মতো বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়ছেঃ দৈনিক গড়ে যার পরিমাণ ৬ হাজারের মতো

এসইসি ও ডিএসইর নতুন উদ্যোগ
মুস্তাফিজুর রহমান নাহিদ
ব্যাপক হারে বিও অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের আরো বেশি সচেতনতামূলক প্রশিড়্গণ দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এসইসি এবং ডিএসই। গতকাল সোমবার দুই স্টক এক্সচেঞ্জ এবং মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত বাজার পর্যালোচনা সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্তô নেয়া হয়। সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান এসইসির মুখপাত্র আনোয়ারম্নল কবির ভঁুইয়া। তিনি বলেন, অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে বাজারে এখন নতুন বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বেশি। এদের বেশিরভাগেরই শেয়ার ব্যবসা সম্পর্কে পুরোপুরি ধারণা নেই। সেই লড়্গ্যে আমরা এখন থেকে বেশি বেশি সচেতনতা মূলক প্রশিড়্গণের ব্যবস্থা করবো। এতে করে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ব্যবসা সম্পর্কে জ্ঞান বাড়ার পাশাপাশি তারা বুঝে-শুনে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে। শেয়ারবাজারে এখন প্রতিদিনই স্রোতের মতো বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়ছে। গত এক মাসে বাজারে এসেছে ১ লাখ ৭০ হাজারের মতো বিনিয়োগকারী। দৈনিক গড়ে যার পরিমাণ ৬ হাজারের মতো। আর এ সপ্তাহের প্রথম দুই দিনে ওপেন হয়েছে ৩৬ হাজার বিও। সপ্তাহ শেষে যার গড় দাঁড়াবে ১৭ থেকে ১৮ হাজারের মতো। অনুসন্ধানে জানা যায়, এখন যারা বাজারে আসছে তাদের বেশিরভাগেরই শেয়ার ব্যবসা সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই। যে কারণে এসব বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগকৃত অর্থ যে কোনো সময় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এ কারণে এসইসি ও ডিএসই বিনিয়োগকারীদের সচেতনতামূলক প্রশিড়্গণের ব্যবস্থা করবে। অন্যদিকে এ প্রসঙ্গে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট মো· শাকিল রিজভী বলেন, বাজারের স্থিতিশীল পরিবেশ ধরে রাখার জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আর বাজারে স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় থাকার পেছনে বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা অনেক বেশি গুরম্নত্বপূর্ণ। এ লড়্গ্যে আমরা বিনিয়োগকারীদের প্রশিড়্গণকে গুরম্নত্ব দিচ্ছি। তিনি বলেন, আগে থেকেই আমরা বিনিয়োগকারীদের শেয়ার ব্যবসা সম্পর্কে প্রশিড়্গণ দিয়ে আসছি। এখন বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বেশি বেশি প্রশিড়্গণ দেয়া জরম্নরি হয়ে পড়েছে। ঢাকার বিনিয়োগকারীদের সচেতনতা মূলক প্রশিড়্গণের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলার বিনিয়োগকারীদেরও এ প্রশিড়্গণ দেয়া হবে বলে তিনি জানান। উলেস্নখ্য, বাংলাদেশের পুঁজিবাজার বিনিয়োগের প্রধান কেন্দ্রস্থল হিসেবে পরিগণিত হয়ে ওঠায় বিনিয়োগকারীদের এ অংশগ্রহণকে আরো বেশি কার্যকর ও অর্থবহ করে তোলার লক্ষ্যে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ সারা দেশে সচেতনতামূলক কর্মসূচির অংশ হিসেবে গত ১৭ জুলাই চট্টগ্রামের স্থানীয় একটি হোটেলে ‘আঞ্চলিক বিনিয়োগকারীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক এক কর্মশালার আয়োজন করে। কর্মশালায় প্রারম্্‌িভক ধারণা, পুঁজিবাজার নীতিমালা, মৌলিক বিশ্লেষণ, কারিগরি বিশেস্নষণ প্রভৃতি বিষয়ে আলোকপাত করেন ডিএসইর মনিটরিং, ইনভেস্টিগেশন ও কমপস্ন্লায়েন্স বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো· খন্দকার আসাদুলস্ন্লাহ এবং ট্রেনিং একাডেমির উপ-মহাব্যবস্থাপক সৈয়দ আল-আমিন রহমান।

২ দিনে ৩৬ হাজার বিও

শেয়ার বিজ্‌ রিপোর্ট

দেশের পুঁজিবাজারে প্রতিদিনই যোগ হচ্ছে নতুন নতুন মুখ। সারা দেশে গড়ে প্রতিদিন ১৭ থেকে ১৮ হাজার বিও অ্যাকাউন্ট খোলা হচ্ছে। গত ২ দিনে বাজারে এসেছে প্রায় ৩৬ হাজারের বেশি বিনিয়োগকারী। বিও নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) দেয়া তথ্য মতে, গতকাল পর্যন্তô মোট বিও অ্যাকাউন্ট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ লাখ ৪২ হাজার ১৮৪টিতে। এর মধ্যে পুরম্নষ অ্যাকাউন্টধারীর সংখ্যা ২২ লাখ ৩৮ হাজার ৪৭১ জন। প্রবাসী বিনিরেয়াগকারী ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৫৫ জন, নারী একাউন্টধারী ৭ লাখ ৯৫ হাজার ৭৯৫ জন এবং বিভিন্ন কোম্পানির নামে অ্যাকাউন্ট রয়েছে ৭ হাজার ৯১৯টি। মাত্র এক মাস আগেই দেশে মোট বিও অ্যাকাউন্ট সংখ্যা ছিলো ২৮ লাখ ৭৭ হাজার ৭৩টি। অর্থাৎ মাসের ব্যবধানে বিও অ্যাকাউন্ট সংখ্যা বেড়েছে ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি। গত সপ্তাহের শেষ দিন এর সংখ্যা ছিল ৩০ লাখ ৬ হাজার ৯৭৮টি। এদিকে বাজারে স্রোতের মতো বিনিয়োগকারী আসা নিয়ে বাজার সংশিস্নষ্টদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লড়্গ্য করা গেছে। অনেকে নতুন বিনিয়োগকারীদের বাজারে প্রবেশকে স্বাগত জানালেও কেউ কেউ বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের মতে, নতুন বিনিয়োগকারী বাজারে যোগ হলে বিদ্যমান শেয়ারগুলো আরো অতিমূল্যায়িত হবে। এমনিতে বাজারে শেয়ারের চাহিদা এবং জোগানের সমন্বয় নেই। এর মধ্যে শেয়ার সংখ্যা না বাড়িয়ে শুধু বিনিয়োগকারী বাড়লে তা বাজারের জন্য ড়্গতিকর হবে।

অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে দেশের শেয়ারবাজারের পরিবেশ অধিক বিনিয়োগবান্ধব হওয়ায় এখানে সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ছে। যার হাতেই সামান্য সঞ্চিত অর্থ রয়েছে তিনি পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে মরিয়া হয়ে উঠছেন। নতুন কয়েকজন বিনিয়োগকারীর সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, তারা অনেকেই ধারদেনা করে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেছেন। আর এ ধরনের বিনিয়োগকারীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। বর্তমানে একটি কোম্পানির আইপিও আবেদন জমা নেয়া হচ্ছে। অন্যদিকে বাজারে আসার জন্য তালিকায় রয়েছে দেশবন্ধু পলিমার, মবিল যমুনা, জনতা ব্যাংকসহ আরো বেশ কিছু কোম্পানি। সে কারণে বর্তমানে বিও অ্যাকাউন্ট খোলার হিড়িক পড়েছে। গতকাল সরেজমিন বিভিন্ন হাউজে গিয়ে এর সত্যতা পাওয়া গেছে। গতকাল দুপুর দেড়টায় ইবিএল ব্র্যাক ব্রোকারেজ হাউজে গিয়ে দেখা যায়, বিও খুলতে আসা লোকের ভিড়। তাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, দেশবন্ধু পলিমার কোম্পানির আইপিওতে আবেদন করার জন্য তারা তড়িঘড়ি করে অ্যাকাউন্ট খুলছেন। এদিকে কিছু কোম্পানির বিরম্নদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তারা দ্রম্নত বিও খোলার নাম করে অতিরিক্ত অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।

সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের হিসাব অনুযায়ী, দেড় বছরের ব্যবধানে বিও অ্যাকাউন্টের সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। দেড় বছর আগে যেখানে এ সংখ্যা ছিল ১২ লাখের মতো বর্তমানে তা ৩০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। কিন্তু বিও অ্যাকাউন্ট বাড়া তথা বাজার প্রসারিত হওয়ার পাশাপাশি উলেস্নখযোগ্য হারে বাড়েনি হাউজের সংখ্যা। বাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি উলেস্নখযোগ্য সংখ্যক কোম্পানি।

এদিকে সপ্তাহের প্রথম ২ দিনে ৩৬ হাজার বিও খোলা প্রসঙ্গে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট মো· শাকিল রিজভী বলেন, বিনিয়োগকারী বাড়ছে এটি বাজারের জন্য মঙ্গলজনক। বর্তমানে বাজার পরিস্থিতি ভালো বলে এখানে সবাই বিনিয়োগ করতে চাইছেন। তবে বাজারে বিনিয়োগকারী বাড়ার পাশাপাশি শেয়ার সংখ্যা বাড়ানো উচিত বলে তিনি মন্তôব্য করেন। একই প্রসঙ্গে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো· নাসির উদ্দীন চৌধুরী বলেন, বিও অ্যাকাউন্ট বাড়া মানে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া। এটি বাজারের জন্য পজিটিভ দিক। বাজারে এখন বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বিরাজ করছে বলেই এতে সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণ বাড়ছে। বাজারে বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়লে শেয়ার সংকট আরো তীব্র হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমান বাজারে শেয়ারের ডিমান্ডের সঙ্গে সাপস্নাইয়ের সমন্বয় নেই এ কথা সত্যি। এর সমন্বয় জরম্নরি। তা না হলে শেয়ার আরো অতিমূল্যায়িত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। এ ব্যপারে এসইসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বাজারে এমনিতেই অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার অতিমূল্যায়িত। তাই শেয়ার সংখ্যা না বাড়িয়ে শুধু বিনিয়োগকারী বাড়লে তা বাজারের জন্য সন্তেôাষজনক হবে না। কারণ এতে বাজারে শেয়ার কেনার প্রতিযোগিতা শুরম্ন হবে। এতে অনেকেই বিপদে পড়বেন।

রেকর্ড যেন অশনি সংকেত না হয়

শেয়ার বিজ কড়চা সম্পাদকীয় অক্টোবর ২৫, ২০১০
আমাদের পঁুজিবাজারে একের পর এক রেকর্ড হয়েই যাচ্ছে। বলতে গেলে গত কয়েক মাস যাবৎ রেকর্ড ভাঙা গড়ার খেলাটা নিয়মিতই চলছে। রেকর্ড হওয়াটা যে কোনো বিষয়ের জন্যই গৌরবের। কারণ রেকর্ড মানেই এক একটা বিষয়ের দলিল। তবে এটা বাজারের জন্য একদিকে যেমন শুভ লড়্গণ, অন্যদিকে তেমনি অশনি সংকেত। কারণ ইতিপূর্বে আমরা দেখেছি, যখনই রেকর্ড হয়েছে তারপরই বাজারে বড় ধরনের কারেকশন বা দরপতন হয়েছে।

রেকর্ড আমাদের জন্য অবশ্যই সুখকর হতো যদি এ মুহূর্তে ১০০টি কোম্পানি বাজারে আসার পাইপলাইনে থাকতো এবং তালিকাভুক্তির পথ সবার জন্য উন্মুক্ত থাকতো! আমরা বারবারই বলে আসছি এত রেকর্ড ভালো না। কারণ সব কিছুরই একটি লিমিটেশন থাকা দরকার। শেয়ারবাজারে যুক্ত হওয়া প্রায় দেড় কোটি লোক এবং বিশাল অঙ্কের তারল্য সেই সঙ্গে প্রখর শেয়ার সংকট, ডিএসই এবং সিডিবিএলের সীমিত ট্রেডিং ক্যাপাসিটি- সব কিছু মিলিয়ে এ মুহূর্তে আমাদের বাজারের ভারসাম্যের বিষয়টি নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে গুরম্নত্বের সঙ্গে গভীরভাবে পর্যালোচনা করতে হবে। এখনই এটা নিয়ে ভাববার এবং পদড়্গেপ নেয়ার উপযুক্ত সময়।

রেকর্ডটা বাজারের জন্য শুভ লড়্গণ এ অর্থে আমাদের পঁুজিবাজারের যে সম্প্রসারিত হয়েছে এতে করে এটা আর বলার অপেড়্গা রাখে না। দেশের বিশাল জনগোষ্ঠী এতে সম্পৃক্ত হয়ে একে প্রসারিত করছে। প্রতিদিনই এখানে যোগ হচ্ছে নতুন নতুন মুখ। সেইসঙ্গে বাড়ছে বাজারের তারল্য প্রবাহ। বিভিন্ন দিক থেকে আসা অর্থ বিনিয়োগ হচ্ছে পঁুজিবাজারে। এতে কেউই আর পিছিয়ে নেই। এমন কি ব্যাংকগুলোর অলস অর্থও বিনিয়োগ হচ্ছে এখানে। এ অর্থে এটা অবশ্যই শুভ লড়্গণ কিন্তু আশঙ্কার বিষয় হচ্ছে এ বিশাল তারল্য প্রবাহকে ধারণ করার কতটুকু ড়্গমতা আমাদের বাজারের আছে? বাজার প্রসারিত হচ্ছে সত্যি কিন্তু সেইসঙ্গে পালস্না দিয়ে এর গভীরতা বাড়ছে কি?

শেয়ার সংকট নিরসনের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে আমরা ইতিপূর্বে সম্পাদকীয়তে বারবার আলোচনা করেছি। তারপরও আবারো বলছি, লট প্রথা ভেঙে দিলে শেয়ার সংকট কিছুটা হলেও কাটিয়ে ওঠা সম্্‌ভব হবে। এছাড়া বাজারে নতুন কোম্পানির তালিকাভুক্তিকে কোনো শর্তের বেড়াজালে আবদ্ধ না করে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া যেতে পারে। দেশে এমনো অনেক কোম্পানি আছে যেগুলো উৎপাদনশীল এবং মুনাফায় আছে। হয়তো আরো কিছু অর্থের সংস্থান করতে পারলে এগুলোর কার্যক্রমের ব্যাপ্তি ঘটতে পারে। তারা হয়তো পঁুজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে অর্থ উত্তোলন করতে আগ্রহী। কিন্তু নিয়ন্ত্রক সংস্থার বেধে দেয়া তালিকাভুক্তির শর্ত পূরণ করতে না পারায় শেয়ারবাজারে আসতে পারছে না। তাই এসব দিক বিবেচনায় এনে এসইসি পদড়্গেপ নিলে এবং সমস্যাগুলো কেটে গেলে তখন হয়তো রেকর্ডটা নিশ্চিন্তেô সবাই উপভোগ করতে পারবে।

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

One Response to শেয়ারবাজারে এখন প্রতিদিনই স্রোতের মতো বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়ছেঃ দৈনিক গড়ে যার পরিমাণ ৬ হাজারের মতো

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: