খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় সরকারের শীর্ষ মহল উদ্বিগ্ন : ঋণখেলাপি দুই হাজার, ব্যাংকের পাওনা ১৫ হাজার কোটি টাকা

খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় সরকারের শীর্ষ মহল উদ্বিগ্ন

গোলাম মওলাঃ
ঋণ খেলাপিদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সরকারের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করছেন, খেলাপি ঋণের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সংকট তৈরি হবে। এ মুহূর্তেই খেলাপি ঋণের হ্রাস টেনে না ধরলে সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ভেঙে পড়তে পারে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের সভায় খেলাপি ঋণের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। ইএনবি।

সভায় জানানো হয়, ঋণ খেলাপিরা মাত্র ১০% ডাউন পেমেন্ট দিয়ে পুনরায় সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে আর্থিক সুবিধা পেয়ে যায়। এতে করে সরকারের তারল্য সংকটসহ দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারের পরিপ্রেক্ষিতে যে সংকট সৃষ্টি হচ্ছে তা আরো ঘনীভূত হবে। দেশে খেলাপি ঋণ বেড়ে গেলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পগুলো ক্ষতিগ্রস্তô হবে বেশি।

এদিকে গতকাল অনুষ্ঠিত পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সংক্রান্তô সংসদীয় কমিটির বৈঠকে ঋণ খেলাপির ওপর আলোচনা হয়। উলেস্নখ্য, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত খেলাপি ঋণের ব্যাপারে বরাবরই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে আসছিলেন। এ ব্যাপারে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড· এমএম আকাশ বলেছেন, দেশে দুটি শ্রেণী সৃষ্টি হচ্ছে। একটি ধনীকশ্রেণী আরেকটি হতদরিদ্র। মুষ্টিমেয় সুবিধাভোগী লোক রাষ্ট্রীয় অর্থ আইন-কানুনের ফাঁক-ফোঁকরে কুক্ষিগত করে দেশে সামাজিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পথ তৈরি করছে।

ঋণখেলাপি দুই হাজার, ব্যাংকের পাওনা ১৫ হাজার কোটি টাকা

সংসদে তালিকা: শীর্ষ ১০ খেলাপি
১. বেক্সিমকো টেক্সটাইলস লি. ২. পদ্মা টেক্সটাইল মিলস লি. ৩. বিজেএমসি ৪. বিটিএমসি ৫. এসডিএস ইন্টারন্যাশনাল লি. ৬. শাইনপুকুর হোল্ডিংস লি. ৭. মাগুরা পেপার মিলস লি. ৮. আদমজী জুট মিলস লি. ৯. ফেয়ার এক্সপো ওয়েভিং মিলস ১০. বেক্সিমকো নিটিং লি.

বিশেষ প্রতিনিধি, প্রথম আলোঃ
দেশে এক কোটি বা এর চেয়ে বেশি অঙ্কের ঋণখেলাপি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দুই হাজার ১৯৬। এই খেলাপি-দের কাছে ব্যাংকগুলোর মোট পাওনা ১৫ হাজার ৪৫১ কোটি দুই লাখ টাকা।
তালিকার শীর্ষে বেক্সিমকো টেক্স-টাইলস। শীর্ষ দশের মধ্যে বেক্সিমকো গ্রুপের আরও তিনটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আরও আছে সরকারি দুটি করপোরেশন এবং বন্ধ আদমজী পাটকল।
জাতীয় সংসদে গতকাল রোববার এই তালিকা উপস্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। সংরক্ষিত আসনের নারী সাংসদ নূর আফরোজ আলীর প্রশ্নের জবাবে লিখিত আকারে এ উত্তর দেওয়া হয়। তবে সময়ের অভাবে প্রশ্নটি নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরোর (সিআইবি) গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত করা তালিকা জাতীয় সংসদে দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০০৯ সালের মার্চ শেষে দেশে ব্যাংক খাতের মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ২৩ হাজার ৫৮৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা; যা সেই সময় পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা দুই লাখ ১২ হাজার ৪৪ কোটি টাকার ১১ দশমিক ১২ শতাংশ।
তবে এই হিসাবের বাইরে প্রায় ১৮ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণ অবলোপন (রাইট অফ) করা হয়েছে। এর বিপরীতে ১০০ ভাগ নিরাপত্তা সঞ্চিতি (প্রভিশন) ব্যাংক সংরক্ষণ করে বলে মোট খেলাপি ঋণের হিসাবে তা যোগ করা হয় না। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরোতে (সিআইবি) ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে খেলাপি ঋণ যুক্ত থাকার কথা। খেলাপির সংজ্ঞা অনুসারে, কোনো ঋণ পরিশোধের মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে ছয় মাস অতিক্রান্ত হলে সেই ঋণটি খেলাপিতে পরিণত হয়।
জাতীয় সংসদে দেওয়া তালিকায় সবচেয়ে বেশি রয়েছে পোশাক ও বস্ত্র খাতের নানা ধরনের প্রতিষ্ঠান। বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানই বছরের পর বছর ধরে খেলাপি হয়ে রয়েছে। তালিকায় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের প্রতিষ্ঠান যেমন রয়েছে, তেমনি অখ্যাত ব্যক্তিদের প্রতিষ্ঠানও রয়েছে। এমনকি এই তালিকায় খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নামও রয়েছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় ২১৬তম খেলাপি। মোট খেলাপির পরিমাণ ১৫ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।
বেক্সিমকো গ্রুপ ছাড়াও তালিকায় আবুল খায়ের লিটু, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ আলী, বিতর্কিত ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের একাধিক প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে।
তালিকার শীর্ষ খেলাপি বেক্সিমকো টেক্সটাইলসের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৩৫৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা বেক্সিমকো গ্রুপের আরেকটি প্রতিষ্ঠান পদ্মা টেক্সটাইলের খেলাপি ঋণ ২৯২ কোটি ৯১ লাখ টাকা। ষষ্ঠ স্থানেও আছে বেক্সিমকো গ্রুপের শাইনপুকুর হোল্ডিংস। শাইনপুকুরের কাছে ব্যাংকের পাওনা ১৩৪ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। শীর্ষ দশের সর্বশেষ কোম্পানি বেক্সিমকো নিটিংয়ের মোট খেলাপি ঋণ ৮১ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এর বাইরে ২১তম স্থানে রয়েছে বেক্সিমকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ইঞ্জিনিয়ারিং। তাদের খেলাপি ঋণ ৫৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা। ৫৫তম খেলাপি বেক্সিমকো ডেনিমস। খেলাপির পরিমাণ ৩৮ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। তালিকায় ৩২৯ নম্বরে থাকা বেক্সিমকো কম্পিউটার্সের মোট খেলাপি ঋণ ১১ কোটি দুই লাখ টাকা এবং ৩৬৮তম খেলাপি বেক্সিমকো ফ্যাশনস লিমিটেডের খেলাপি ঋণ নয় কোটি ৭৬ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে বেক্সিমকো গ্রুপের আট প্রতিষ্ঠানের মোট খেলাপি ঋণ ৯৮১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। বেক্সিমকো গ্রুপের অন্যতম মালিক সালমান এফ রহমান। তিনি আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি খাত উন্নয়নবিষয়ক উপদেষ্টা।
তালিকার তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত দুটি করপোরেশন। এর মধ্যে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) খেলাপি ঋণ ২৬৭ কোটি ৪৪ লাখ টাকা এবং বাংলাদেশ বস্ত্রকল করপোরেশনের (বিটিএমসি) খেলাপি ঋণ ১৭৬ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। বন্ধ হয়ে গেলেও ঋণখেলাপির তালিকায় এখনো রয়েছে আদমজী পাটকল। ব্যাংকের পাওনা ১২৪ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
পঞ্চম শীর্ষ ঋণখেলাপি বেসরকারি খাতের এসডিএস ইন্টারন্যাশনালের মোট খেলাপি ঋণ ১৩৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। মাগুরা পেপার মিলস দেশের সপ্তম শীর্ষ ঋণখেলাপি, ব্যাংকের পাওনা ১২৬ কোটি পাঁচ লাখ টাকা। নবম স্থানে থাকা ফেয়ার এক্সপো উইভিং মিলসের খেলাপি ঋণ ৯৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা।
তালিকায় একাদশ স্থানে রয়েছে প্রয়াত মাওলানা এম এ মান্নানের রিভার সাইড লেদার ও ফুটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রি। খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৭৮ কোটি ছয় লাখ টাকা। দ্বাদশ স্থানের আর্চ লিমিটেডের খেলাপি ঋণ ৭৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা। এর পরই আছে বাংলাদেশ অটোরিকশা চালক সমবায় ফেডারেশন। ১৯৯৬ সালে রাজনৈতিক বিবেচনায় এই সমিতি গঠন করে ঋণ দেওয়া হয়েছিল। বিতরণ করা ঋণের মধ্যে খেলাপি হয়ে আছে ৭৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। বস্ত্র খাতের প্রতিষ্ঠান শামসুল আল আমিন কটন মিলসের কাছে পাওনা ৭৪ কোটি ৪২ লাখ টাকা। এই গ্রুপের আরেকটি প্রতিষ্ঠান জাহানারা আল আমিন স্পিনিং মিল ৮০তম শীর্ষ খেলাপি। এর কাছে পাওনা ৩৪ কোটি ২৩ লাখ টাকা। বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান খুলনা নিউজপ্রিন্টের খেলাপি ঋণ ৭১ কোটি ১১ লাখ টাকা। সরকারি আরেক প্রতিষ্ঠান কওমী পাটকলের খেলাপি ঋণ ৬৫ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। ১৭তম খেলাপি আবুল খায়ের লিটুর দেশ বেভারেজ কোম্পানি। প্রতিষ্ঠানটির মোট খেলাপি ঋণ ৬১ কোটি ১৭ লাখ। এর পরের তিনটি প্রতিষ্ঠান হলো যথাক্রমে সামিনা ট্যানারি (৬০ কোটি ৯৮ লাখ), স্টার সিমেন্ট (৬০ কোটি ৮৯ লাখ) এবং বিক্রমপুর পটেটো ফ্লেকস (৬০ কোটি ১৮ লাখ টাকা)।
মোহাম্মদ আলীর দেশমা সুজ (৫৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকা) ২২তম শীর্ষ খেলাপি। একই ব্যক্তির এবি ভেজিটেবল অয়েলের অবস্থান ৪৫তম, খেলাপির পরিমাণ ৪৩ কোটি ২০ লাখ টাকা। আবার দেশ বেভারেজ ছাড়াও আবুল খায়ের লিটুর আরেক প্রতিষ্ঠান ন্যাশনওয়াইড কমিউনিকেশন তালিকায় ১০৭তম স্থানে রয়েছে। খেলাপির পরিমাণ ২৭ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।
বিতর্কিত ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের ওয়ান স্পিনিং মিল ২৪তম খেলাপি, পাওনা ঋণের পরিমাণ ৫৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। ৭৫তম খেলাপি ওয়ান এন্টারটেইনমেন্টের কাছে ব্যাংকের পাওনা ৩৫ কোটি ২২ লাখ টাকা, আবার ১৫৭তম স্থানে থাকা ওয়ান ডেনিমের খেলাপি ঋণ ২০ কোটি ১৫ লাখ টাকা। বহুল আলোচিত বিদ্যুতের খঁুটি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান খাম্বা লিমিটেডের মোট খেলাপি ঋণ ১৯ কোটি ৬১ লাখ টাকা।
খালেদা জিয়ার ভাই সাইদ এস্কান্দার ও ছেলে তারেক রহমানের প্রতিষ্ঠান ড্যান্ডি ডাইং ৫৪তম খেলাপি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংকের পাওনা ৪০ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। রেকর্ড পরিমাণ কম সময়ের মধ্যে সুদ মওকুফ করার পরও ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়ে গেছে এই প্রতিষ্ঠানটি।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা করা আরেক ব্যবসায়ী তাজুল ইসলাম ফারুকের ওয়েস্টমন্ট পাওয়ার ৯৬তম খেলাপি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির কাছে পাওনা ৩০ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।

গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানও খেলাপির তালিকায়: বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানও খেলাপির তালিকায় রয়েছে। যেমন, ৫৯তম অবস্থানে থাকা আমার দেশ পাবলিকেশন্সের মোট খেলাপি ঋণ ৩৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা। গত বিএনপি সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টা মাহমুদুর রহমান এ প্রতিষ্ঠানের বর্তমান চেয়ারম্যান। ডায়লগ পাবলিকেশন্স ৬৮তম খেলাপি, মোট খেলাপি ঋণ ৩৬ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। বৈশাখী মিডিয়া ৯১তম খেলাপি, ব্যাংকের পাওনা ৩১ কোটি ২১ লাখ টাকা। বন্ধ সিএসবি বা বিএনপির নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফোকাস মাল্টিমিডিয়া লিমিটেডের অবস্থান ১৬১তম, খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১৯ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। ১৮৯তম খেলাপি জনকণ্ঠ-এর কাছে ব্যাংকের পাওনা ১৭ কোটি ১২ লাখ টাকা। ২৯২তম খেলাপি একুশে টেলিভিশনের মোট খেলাপি ঋণ ১২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।
বিএনপির সাবেক সাংসদ মেজর (অব.) আখতারুজ্বামানের গচিহাটা একুয়াকালচার ফার্মস ১৯৩তম খেলাপি এবং মোট পাওনা ১৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। সোহাগপুর টেক্সটাইল ১১৯তম খেলাপি এবং ঋণের পরিমাণ ২৫ কোটি পাঁচ লাখ টাকা। এর স্বত্বাধিকারী বিটিএমএর সভাপতি আবদুল হাই সরকার। ২৩৮তম খেলাপি এয়ার পারাবাতের খেলাপি ঋণ ১৪ কোটি ১৮ লাখ টাকা। হায়দারুজ্বামানের বেস্ট এভিয়েশনের খেলাপি ঋণ ছয় কোটি ৯৬ লাখ টাকা। কে জেড ইসলামের নির্মাণ ইন্টারন্যাশনাল ২৯তম খেলাপি, ব্যাংকের পাওনা ৫১ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। তবে এ ক্ষেত্রে আদালতের নিষেধাজ্ঞা আছে বলে তালিকায় উল্লেখ রয়েছে। বিএনপির সাবেক সাংসদ জি এম সিরাজের ক্যাব এক্সপ্রেস ৪০৪তম খেলাপি, ঋণের পরিমাণ আট কোটি ৭৮ লাখ টাকা। জাহাজ তৈরির কোম্পানি আনন্দ শিপইয়ার্ড ১১৮তম ঋণখেলাপি, পাওনার পরিমাণ ২৫ কোটি ২৩ লাখ টাকা।
তালিকার শেষ দিকে রয়েছে বসুন্ধরা, ফায়নাজ অ্যাপার্টমেন্ট (পঞ্চম তলা), ৩৭/১ পুরানা পল্টনের নাম। ১৫২৫ নম্বরে থাকা এই হিসাবের বিপরীতে ব্যাংকের পাওনা এক কোটি ৭০ লাখ টাকা।

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

One Response to খেলাপি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় সরকারের শীর্ষ মহল উদ্বিগ্ন : ঋণখেলাপি দুই হাজার, ব্যাংকের পাওনা ১৫ হাজার কোটি টাকা

  1. Korban Ali says:

    ‘রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙ্গালের ধন চুরি!’

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: