পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির পরিচালকরা কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন : ১৬ মাসে উদ্যোক্তাদের ৭ হাজার কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি

শেয়ার বিক্রি নিয়ে ধূম্রজাল

আমিরুল ইসলাম নয়ন
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির পরিচালকরা কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। বাজারের ধারাবাহিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় পরিচালকদের এত বেশি শেয়ার বিক্রি করার প্রকৃত কারণ নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে এবি ব্যাংক, বেক্সিমকো টেক্সটাইল, সিটি ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, সামিট পাওয়ার, লংকাবাংলা, আইডিএলসি, বিএসআরএম স্টিল, বেক্সিমকো ফার্মা, বেক্সিমকো লিমিটেডের পরিচালকরা উলেস্নখযোগ্য পরিমাণে শেয়ার বিক্রি করে পুঁজিবাজার থেকে হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন। শেয়ার সংকটের পাশাপাশি শেয়ারের অভিহিত মূল্যের পরিবর্তন, রাইট শেয়ার, প্রেফারেন্স শেয়ার, উৎপাদন বৃদ্ধির গুজব, ব্যবসায়ের ধরন পরিবর্তন ছাড়াও নানা ধরনের কারসাজির কারণে শেয়ারের দর অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় শেয়ারের অভিহিত মূল্যের ১০ গুণ থেকে শুরম্ন করে ৫০ গুণ পর্যন্তô বৃদ্ধি পাওয়ায় কোম্পানির উদ্যোক্তারা তাদের হাতে থাকা শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন। এর মধ্যে বেশ কিছু বিদেশি উদ্যোক্তাও শেয়ারের অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধিতে হাতে থাকা শেয়ার বিক্রি করে চলে গেছেন। এ তালিকায় লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, ফু-ওয়াং ফুডস ও ফু-ওয়াং সিরামিক অন্যতম।

বাজার বিশেস্নষণে দেখা যায়, ২০০৯ সালের মে মাস থেকে শুরম্ন করে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্তô ব্যাংক খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর পরিচালকরা সবচেয়ে বেশি শেয়ার বিক্রি করেছেন। এর পর পরই রয়েছে ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, টেক্সটাইল, প্রকৌশল, জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতের কোম্পানি। তবে বেক্সিমকো গ্রম্নপের বিভিন্ন কোম্পানির পরিচালক ১ হাজার ৬৫০ কোটি টাকার বেশি শেয়ার বিক্রি করেছেন। গত ১৬ মাসে টেক্সটাইল খাতের বিভিন্ন কোম্পানির পরিচালকরা ১ হাজার কোটি টাকার বেশি শেয়ার বিক্রি করেছেন। আর এ সময়ে ব্যাংকের পরিচালকরা ২ হাজার কোটি টাকারও বেশি শেয়ার বিক্রি করেছেন। আর্থিক খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিচালকরা প্রায় হাজার কোটি টাকার, প্রকৌশল খাতের ৮০০ কোটি টাকার, জ্বালানি ও খাদ্য খাতের বিভিন্ন কোম্পানির পরিচালকরা বিক্রি করেছেন ৪৫০ কোটি টাকার শেয়ার আর রসায়ন ও আইটি খাতের পরিচালকরাও বিক্রি করেছেন তাদের হাতে থাকা শেয়ার।

পুঁজিবাজারে হঠাৎ করেই অধিক সংখ্যক বিনিয়োগকারীর উপস্থিতি এবং শেয়ারের প্রচ- সঙ্কটের কারণে অস্বাভাবিকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তালিকাভুক্ত শেয়ারের দর
অর্থনৈতিক রিপোর্টার, যুগান্তর ॥ পুঁজিবাজারে হঠাৎ করেই অধিক সংখ্যক বিনিয়োগকারীর উপস্থিতি এবং শেয়ারের প্রচ- সঙ্কটের কারণে অস্বাভাবিকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তালিকাভুক্ত শেয়ারের দর। আর শেয়ারের দরবৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির পরিচালকরা তাঁদের হাতে থাকা শেয়ার বিক্রি করে দিচ্ছেন। গত ১৬ মাসেই বিভিন্ন কোম্পানির পরিচালকরা বিক্রি করেছেন প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকার শেয়ার। এরমধ্যে এবি ব্যাংক, বেঙ্মিকো টেক্সটাইল, সিটি ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, সামিট পাওয়ার, লংকা-বাংলা, আইডিএলসি, বিএসআরএম স্টিল, বেঙ্মিকো ফার্মা, বেঙ্মিকো লিমিটেডের পরিচালকরা উলেস্নখযোগ্য পরিমাণ শেয়ার বিক্রি করেছেন। তবে গত দু’বছর এসব প্রতিষ্ঠান বোনাস ও রাইট শেয়ার প্রদানের কারণেই উদ্যোক্তাদের শেয়ার বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে বলে জানা গেছে।
পরিচালক ও উদ্যোক্তাদের শেয়ার বিক্রির প্রবণতায় উদ্বেগ প্রকাশ করে গত ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সিএসই সভাপতি ফখর উদ্দীন আলী আহমেদ বলেন, বাজারে শেয়ারের দর অতি মূল্যায়িত হয়ে পড়ায় অনেক ৰেত্রে উদ্যোক্তারা ঘোষণা দিয়ে তাদের শেয়ার বিক্রি করছেন। একটি কোম্পানির উদ্যোক্তা ও পরিচালকরা যখন ঘোষণা দিয়ে শেয়ার বিক্রি করে দেন, তখন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা কেন সেই শেয়ার কিনবেন?
ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, বিনিয়োগকারীদের মনে রাখতে হবে, বেশি দরে শেয়ার কিনে ৰতিগ্রসত্ম হলে কেউ তার দায় নেবে না। এ কারণে প্রত্যেকেরই সতর্কতার সঙ্গে শেয়ার লেনদেন করা উচিত।
পুঁজিবাজার বিশেস্নষণে দেখা যায়, ২০০৯ সালের মে মাস থেকে শুরম্ন করে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যনত্ম তালিকাভুক্ত বিভিন্ন খাতের মধ্যে সবচেয়ে বেশি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে ব্যাংক খাতের কোম্পানিগুলোর উদ্যোক্তারা। এর পরপরই রয়েছে ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, টেঙ্টাইল, প্রকৌশল, জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতের কোম্পানিগুলো। এরমধ্যে বেঙ্মিকো গ্রম্নপের কোম্পানিগুলোর পরিচালক ও উদ্যোক্তারা ১৬৫০ কোটিরও বেশি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন।
হিসাব করে দেখা গেছে, গত ১৬ মাসে টেঙ্টাইল খাতের বিভিন্ন কোম্পানির পরিচালকরা ১ হাজার কোটি টাকার বেশি শেয়ার বিক্রি করেছেন। ২০০৯ সালের মে মাসে আলহাজ টেঙ্টাইলের পরিচালকদের শেয়ার সংখ্যা ছিল ৯৯.১৬ শতাংশ। কিন্তু ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এ সংখ্যা ২৭.৪১ শতাংশে নেমে এসেছে। এক বছরে এ কোম্পানির শেয়ারের গড় মূল্য হচ্ছে ৮৯.৬ টাকা। এ হিসাবে পরিচালকরা প্রায় (৭১.৭৫ শতাংশ শেয়ার) ৪৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। একই সময়ে বেঙ্মিকো টেঙ্টাইলের পরিচালকদের শেয়ার ৩৯.৪৭ শতাংশ থেকে বর্তমানে ২০.১৫ শতাংশে নেমে এসেছে। অর্থাৎ ১৯.৩২ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছেন। গত এক বছরে গড় মূল্য ৮৩ হলে প্রায় ৭৪৯ কোটি ৫২ লাখ টাকার শেয়ার পরিচালরা বিক্রি করেছেন। মেট্রো স্পিনিংয়ের পরিচালকরা ১১ শতাংশ শেয়ার প্রায় ৩৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন। একইভাবে ম্যাকসন্স স্পিনিংয়ের পরিচালকরা ৩৭.৭৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ১৭২ কোটি ৮১ লাখ টাকা তুলে নিয়েছেন। ২০০৯ সালের মে মাস থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যনত্ম মাত্র ১৬ মাসে বিভিন্ন ব্যাংকের পরিচালকরা ২০০০ কোটি টাকারও বেশি শেয়ার বিক্রি করেছেন। বাজার বিশেস্নষণে দেখা গেছে, ২০০৯ সালের মে মাসে এবি ব্যাংকের পরিচালকদের শেয়ার ছিল ৫০ শতাংশ, কিন্তু চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে পরিচালকদের শেয়ার ১৩.৯৭ শতাংশে নেমে এসেছে। এ সময়ের মধ্যে শেয়ারের গড় মূল্য হিসেবে এ প্রতিষ্ঠানের পরিচালকরা ৩৬.০৩ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছেন প্রায় ১২০৩ কোটি টাকায়। একই সময়ে সিটি ব্যাংকের পরিচালকদের হাতে ২৯.১৬ থেকে বর্তমানে ১২.৫০ শতাংশে নেমে আসায় পরিচালকদের শেয়ার বিক্রির পরিমাণ হচ্ছে প্রায় ২৪৯ কোটি টাকা। এছাড়া আইএফআইসি ব্যাংকের পরিচালকদের শেয়ার ৪ শতাংশ কমে বর্তমানে ৮.৬২ শতাংশে নেমে এসেছে। এ সময়ের মধ্যে এই ব্যাংকের শেয়ারের গড় মূল্য ১০৪১ টাকা হলে পরিচালকরা ৯০ কোটি টাকারও বেশি শেয়ার বিক্রি করেছেন। সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ৩৯.৫৬ থেকে বর্তমানে ২৮.১৯ শতাংশে নেমে আসায় পরিচালকরা প্রায় ১৩০ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছে। একই সময়ে ব্যাংক এশিয়ার পরিচালকরা তাঁদের হাতে থাকা ৫১.৮৮ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছেন। পরিচালকদের অংশের প্রায় অর্ধেক শেয়ার (২৬.৭৮ শতাংশ) প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা কিনে নিয়েছেন। অবশিষ্ট শেয়ারের বাজার দর হচ্ছে ৩৬৮ কোটি টাকা। উত্তরা ব্যাংকের ৯৫.৭৭শতাংশ শেয়ার রয়েছে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের হাতে। এছাড়া ইউসিবিএল, এনসিসি, ডাচ-বাংলাসহ কয়েকটি ব্যাকের পরিচালকরা তাদের হাতে থাকা শেয়ার একই সময়ের মধ্যে বিক্রি করছেন, যার মূল্য শত কোটি টাকারও বেশি। আর্থিক খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পরিচালকরা প্রায় হাজার কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। এর মধ্যে আইডিএলসির পরিচালকদের হাতে ২০০৯ সালের মে মাসে ৪৭.৩৫ শতাংশ থাকলেও বর্তমানে রয়েছে ৩৬.০১ শতাংশ। এ সময়ের মধ্যে এ কোম্পানির শেয়ারের গড় মূল্য ৩৪৯৮ টাকা হিসেবে পরিচালকরা শেয়ার বিক্রি করেছেন ২৩৮ কোটি টাকার। একই সময়ের ব্যবধানে ফার্স্ট লিজ ইন্টারন্যাশনালের পরিচালকদের শেয়ার ৩৫.৫৫ থেকে ১৮.১৬ শতাংশে নেমে এসেছে। শেয়ারের গড় মূল্য ১২০২ টাকা হলে এ ব্যাংকের পরিচালকরা মোট ৮৭ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। প্রিমিয়ার লিজিং এ্যান্ড ফাইন্যান্সের পরিচালকরা ১২ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছেন অনত্মত ৩২ কোটি টাকায়। ইসলামিক ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের পরিচালকরা ১৬.০৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির মাধমে প্রায় ৪৫ কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন। অপরদিকে একই সময়ের মধ্যে লঙ্কা-বাংলা ফাইন্যান্সের উদ্যোক্তাদের শেয়ার ৭০.৯১ থেকে ৫৮.৮৫ শতাংশে নেমে এসেছে। ১২.০৬ শতাংশ শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকরা পুঁজিবাজার থেকে প্রায় ২৪১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা তুলে নিয়েছেন। একইভাবে আইপিডিসির পরিচালকরা ২৬.৪২ শতাংশ শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে অনত্মত ১৩০ কোটি টাকা, ইউনিয়ন ক্যাপিটালের উদ্যোক্তা শেয়ার ৬৯ থেকে ৬৩ শতাংশে নেমে আসায় এর পরিচালকরা ৫০ কোটি টাকা, বাংলাদেশ ফাইন্যান্স এ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (বিডি ফাইন্যান্স) উদ্যোক্তাদের শেয়ার ৭৬.৯২ থেকে ৬৮.৫৬ শতাংশে নেমে আসায় এর পরিচালকরা ৪৪ কোটি টাকা, আইএলএফএসএল ১০ শতাংশ শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে পরিচালকরা ৮১ কোটি টাকা পুঁজিবাজার থেকে তুলে নিয়েছেন।
অপরদিকে প্রকৌশল খাতের কয়েকটি কোম্পানির পরিচালকরা বিক্রি করেছেন ৮০০ কোটি টাকারও বেশি শেয়ার। এরমধ্যে বিএসআরএম স্টিলস্ লিমিটেডের পরিচালকদের শেয়ার? ৮৬.২১ থেকে বর্তমানে ৬৫.৫২ শতাংশে নেমে আসায় এর পরিচালকরা শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ৫৪৭ কোটি টাকা পুঁজিবাজার থেকে উঠিয়ে নিয়েছেন। একই সময়ে বাংলাদেশ থাই এলুমিনিয়ামের পরিচালকদের শেয়ার ৫৩.৬১ শতাংশ থেকে বর্তমানে ৩৯.৯১ শতাংশে নেমে আসায় এর পরিচালকরা ৫৪ কোটি টাকা পুঁজিবাজার থেকে শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে তুলে নিয়েছেন। এছাড়া গোল্ডেনসন কোম্পানির পরিচালকরা ৩৪.৭৮ শতাংশ শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে ১৯৮ কোটি টাকা, ন্যাশনাল পলিমারের পরিচালকরা ১১.৩১ শতাংশ শেয়ার ১০ কোটি টাকায় বিক্রি করেছেন।
এছাড়া একই সময়ে জ্বালানি ও খাদ্যখাতের বিভিন্ন কোম্পানির পরিচালকরা বিক্রি করেছেন ৪৫০ কোটি টাকার শেয়ার। এরমধ্যে জ্বালানি খাতের সামিট পাওয়ারের উদ্যোক্তা শেয়ার ৫৮.৬ শতাংশ থেকে বর্তমানে ৪৯ শতাংশে নেমে আসায় এর পরিচালকরা পুঁজিবাজার থেকে ৪০৮ কোটি টাকা তুলেছেন। একই সময়ের মধ্যে খাদ্য ও অনুষঙ্গিক খাতের বিচ হ্যাচারির পরিচালকরা ১৭.০৫ শতাংশ শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে প্রায় ৩০ কোটি টাকা এবং ফাইন ফুডসের পরিচালকদের শেয়ার ৪৪.২৪ থেকে ৩২.২০ শতাংশে নেমে আসায় ৮ কোটি টাকা বাজার থেকে নিয়েছেন।
২০০৯ সালের মে মাসে বেঙ্মিকো ফার্মার পরিচালকদের শেয়ার ২০.৬৩ শতাংশ থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ১০.৯১ শতাংশে নেমে এসেছে। এ সময়ে এ কোম্পানির প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশী বিনিয়োগকারীরাও তাঁদের হাতে থাকা ৯.৫৮ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করেছেন। শেয়ারের গড় মূল্য অনুযায়ী শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে এ কোম্পানির পরিচালক, প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশী বিনিয়োগকারীরা প্রায় ৬৮৩ কোটি টাকা বাজার থেকে তুলে নিয়েছেন। একই সময়ে বেঙ্মিকো সিনথেটিকের পরিচালকরা ৬.৩২ শতাংশ শেয়ার প্রায় ২০ কোটি টাকায় বিক্রি করেছেন। ২০০৯ সালের মে মাসে ইনফর্মেশন সার্ভিস নেটওয়ার্কের পরিচালকদের শেয়ার ৩১.৩১ থেকে ২১.৩৯ শতাংশে নেমে আসায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা, বিডিকম অনলাইনের পরিচালকদের ২৩.৩৮ থেকে ১৩.৭৬ শতাংশে নেমে আসায় ৮ কোটি টাকা, ইনটেক অনলাইনের ১২.২৮ থেকে ৩.৭৯ শতাংশে নেমে আসায় ৬ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে এসব কোম্পানির পরিচালকরা। এছাড়া একই সময়ের মধ্যে শেয়ারের দরবৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে পুঁজিবাজারের অন্যান্য খাতের কয়েকটি কোম্পানির পরিচালকরা তাদের হাতে থাকা শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে অনত্মত ৬০০ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে। এরমধ্যে বীমা খাতের পিপলস ইন্সু্যরেন্সের পরিচালকরা ১০২ কোটি টাকা, কর্ণফুলী ইন্সু্যরেন্স ৪০ কোটি টাকা, প্রাইম ইন্সু্যরেন্স সাড়ে ৮ কোটি টাকা, ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সু্যরেন্স ৮৪ কোটি টাকা এবং মেঘনা লাইফ ইন্সু্যরেন্সের পরিচালকরা ১০৫ কোটি টাকা তুলে নিয়েছেন। একই সময়ের মধ্যে বিবিধ খাতের বেঙ্মিকো লিমিটেডের পরিচালকদের শেয়ার ২৪.৮৮ থেকে ২১.২৬ শতাংশে নেমে এসেছে। শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে বেঙ্মিকো লিমিটেডের পরিচালকরা বাজার থেকে প্রায় ২১১ কোটি টাকা তুলেছেন। এছাড়া ফু-ওয়াং সিরামিকসের পরিচালকরা শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে ৪৫ কোটি টাকা বাজার থেকে নিয়ে গেছে।

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: