লজ্জাবতী নেই ঢাকার শেয়ারবাজার – আনোয়ার সাদী

লজ্জাবতী নেই ঢাকার শেয়ারবাজার

আনোয়ার সাদী

শেয়ার বাজার শব্দটির সঙ্গে সব সময়ই লজ্জাবতী গাছের একটা মিল পাওয়া যেত। লজ্জাবতী গাছ যেমন স্পর্শ পেলেই গুটিয়ে নেয় নিজেকে, তেমনি শেয়ার বাজার গণমাধ্যমের একটি নেতিবাচক প্রতিবেদনে গুটিয়ে যাওয়ার প্রবণতা ছিলো। অন্তত: এরকমটা মনে করা হতো বিনিয়োগকারীদের তরফে। কেননা, বাজারের প্রতিবেদন যারা করেন, কলম ধরার সময়, তারা বিবেচনায় রাখেন, এটি তথ্য নির্ভর-বাজার, অত্যন্ত স্পর্শকাতর। বিনিয়োগকারীদের তরফেও একথা বারবার বলা হয়েছে, স্পর্শকাতর বাজারে নেতিবাচক কোন কথার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সেদিন এখন আর নেই। এখন নেতিবাচক কথা বাজারে প্রভাব ফেলে মাত্র একদিন। গত সপ্তাহের আগের সপ্তাহে  বিষয়টি প্রমাণ হলো। সে সময় দেশের দুটি স্টক এক্সচেঞ্জ, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এর দুই সভাপতি যৌথ সংবাদ সম্মেলন করে সংবাদ শিরোনাম হয়েছেন। আর তাতে বলা হয়েছে, ‘নতুন বিনিয়োগকারীদের জন্য এখন বিনিয়োগের সঠিক সময় নয়। টাকা থাকলে বিনিয়োগ করতে হবে-এমন কোন কথা নেই’। শনিবারের সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়েছে, ‘বেশ কিছুদিন ধরে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের দাম অব্যাহতভাবে বাড়ছে। যে কোম্পানির শেয়ারের দাম ৫০০ টাকা হওয়া উচিত নয়, তা এখন লেনদেন হচ্ছে তিন থেকে চার হাজার টাকায়। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দেবে’। এরচেয়ে নেতিবাচক কথা কী হতে পারে, একটি স্পর্শকাতর বাজারের জন্য! কথাগুলো বলেছেন দুটি বাজারের সভাপতিদ্বয়। বিশ্লেষকরা এসব কথা বেশ আগে থেকেই বলে আসছেন। কিন্তু তাদের কথার  চেয়ে দুই সভাপতির মুখে এমন নেতিবাচক কথা বেশী স্পর্শকাতর।  এতে বাজারে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব পড়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। এর ফলাফল হিসেবে মাত্র একদিন, সপ্তাহের শুরুর দিনে বাজার সংশোধন হয়, দরপতন ঘটে। তাও আবার ঘুরে দাঁড়ায় পরদিনই। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সাধারণ মূল্যসূচক আবারও অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যায় বুধবার (১৩ অক্টোবর)।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ বা ডিএসই’র সাধারণ মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৫০ পয়েন্ট বেড়ে এদিন, সাত হাজার ৫১৩ পয়েন্টে পৌঁছায়। এটি ডিএসইর ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্যসূচক। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ বা সিএসই’র সাধারণ মূল্যসূচক ১২১ পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ২১ হাজার ৮৫৯ পয়েন্ট। এটি সিএসই’র সর্বোচ্চ সূচক।
শুধু সূচকই বাড়েনি, মোট বাজার মূলধন তিন লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার  ছাড়িয়ে গেছে। তুলনা করলে যা মোট জিডিপি’র প্রায় ৪৭ শতাংশ হবে। জুলাই মাসের তুলনায় যা বেড়েছে ৭ শতাংশ।
এসব থেকে প্রমাণ হয়, নানা পদক্ষেপ উপেক্ষা করে, অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠছে বাজারের গতি। বাজার আর লজ্জাবতী গাছের মতো সহজেই গুটিয়ে যাওয়ার নয়। ফলে, বাজার নিয়ে যেসব বিশ্লেষকদের মনে আতঙ্ক ছিলো তা আরো বাড়লো, নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা যাদের ছিলো, তাদের ব্যর্থ আরেকটি সপ্তাহ গেলো। আর প্রশ্ন দেখা দিলো, এর শেষ কোথায়?

কেন এমন হয়?
বাজারে নগদ টাকা নিয়ে প্রচুর বিনিয়োগকারী এসেছেন। বাজার মূলধনের অংকও এই কথা প্রমাণ করে। আবার বিও একাউন্ট ২৭ লাখ ছাড়িয়ে যাওয়াও এই তথ্যকেই সমর্থন করে। এই বিনিয়োগকারীরা কোন নেতিবাচক কথায় একটু থমকে যান, কিন্তু লেনদেন বিমুখ হননা। ফলে, নেতিবাচক কথা বাজারে তেমন কোন প্রভাব এখন আর ফেলছে না। অনেকেই মনে করছেন, সঞ্চয় পত্র বিক্রি কমার সঙ্গে শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ বাড়ার সম্পর্ক নিবিড়। মধ্যবিত্তদের অনেকেই সঞ্চয়পত্র বেঁচে দিয়ে টাকা খাটিয়েছেন এই বাজারে। আবার ব্যাংকের জমানো টাকাও অনেকে নিয়ে এসেছেন। এসবের পেছনে একটাই তথ্য কাজ করেছে। আর তাহলো, শেয়ার বাজারে অল্প সময়ে মুনাফা অর্জন করা যায়। কথাটি সত্য হোক আর মিথ্যা হোক, রটেছে বেশ ভালো ভাবেই। বিশ্বাসও করেছে লোকজন। ফলে মধ্যবিত্ত বাজারমুখী হয়েছে, আর হয়েছে ব্রোকারেজ হাউসগুলোর বিকেন্দ্রীকরণ। বাজার সম্পর্কে ধারণা থাকুক আর নাই থাকুক, জেলা শহরেও অনেক মানুষ টাকা নিয়ে হাজির হয়েছেন ব্রোকারেজ হাউসে।বিকল্প বিনিয়োগে আগ্রহী না হয়ে শেয়ার নির্ভরতাই বাজারকে এতোটা চাঙ্গা করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এক্ষেত্রে শিল্প বন্ধ করে বাজারে উচ্চবিত্তের টাকা বিনিয়োগের কথাও উল্লেখ করা যায়। এছাড়া, খুবই অল্প মেয়াদে কোন কোন কোম্পানির কর্মকর্তাদের, কোম্পানির টাকা বাজারে নিয়ে আসার কথাও শোনা যায়। এমনকী কোন কোন কোম্পানি বা কারখানার কিছু কর্মকর্তা, সবার বেতন এক সপ্তাহ পিছিয়ে সে টাকা বাজারে এনে, অল্প মেয়াদে মুনাফা পকেটে পুরেছেন, এমন কথাও প্রচলিত আছে। যাহোক, জেলা পর্যায়ের বিনিয়োগকারীদের কাছে বাজার সম্পর্কে নেতিবাচক তথ্য পৌঁছায় কীনা তা নিয়েও সংশয় আছে অনেকের। ফলে, বাজার বাড়ছে তরতরিয়ে। এ পরিস্হিতিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা মীর্জা এবি আজিজুল ইসলাম মনে করেন ভিত মজবুত না থাকলে কোন না কোন সময়, বাজারে ধ্বস নামার সম্ভাবনা থেকেই যায়। আর বাজারের বর্তমান ভিত কেমন, সে সম্পর্কে দুই সভাপতির বক্তব্য আমলে নিলে, একথা বলা যায়, পরিস্হিতি আর যাই হোক, সুখের নয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসইসি কী করছে?
বাংলাদেশ ব্যাংক ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বা এসইসি আর্থিকখাতের দুটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রক সংস্হা। প্রথমটি অবশ্য ব্যাংক ও অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বেশ কিছু কোম্পানীর বেপরোয়া বিনিয়োগে লাগাম দিয়েছে। এ কাজটি তারা করছে আর্থিকখাতে শৃঙ্খলা আনতে। এটি করতে গিয়ে বিনিয়োগকারীদের নেতিবাচক কোন পরিস্হিতিতে ফেলার কোন ইচ্ছা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেই, একথা গণমাধ্যমের কল্যাণে সবাই জানে। তাদের কর্মকান্ডে একটি বিষয় পরিষ্কার, বাজার নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্দেশ্য নয়, কেবল ব্যাংক ও অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্টানকে বিপর্যয় থেকে রক্ষা করাই আপাতত তাদের কাজ। কেননা, বাজারে বড় ধরনের ধ্বস হলে, বিপর্যয় যাবে আমানতকারীদের টাকার ওপর দিয়েও। এ নিয়ে নানা কথা রয়েছে। ব্যাংক বলবে তাদের বিনিয়োগ ঝুঁকিমুক্ত। যাহোক, কর্মকান্ড থেকে  একটি বিষয় পরিষ্কার বাজারে অনাকাংঙ্খিত ধ্বস নামলেও তার প্রভাব যেন আর্থিক খাতে না পড়ে, সে বিষয়টি এখনই নিশ্চিত রাখতে চায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এবার আসা যাক এসইসির কথায়। সংস্হাটির কাজই হলো বাজার নিয়ন্ত্রন করা। এ জন্য নানা তদারকি, নানা নিয়ম প্রবর্তন, বাঁধার মুখে বাস্তবায়ন করতে গিয়ে আইনী লড়াইয়ে জড়িয়ে যাওয়া, অনেক কিছুই করছে সংস্হাটি। কিন্তু বাজার বাড়ছে মূলধনে, সূচকে এবং গড় লেনদেনে।
মার্জিন ঋণ নিয়ে এতোকিছু করলেও, তা মূলত ব্যাংক-প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ ঝুঁকি কমাবে। সেটি হয়তো মোট বিনিয়োগের শতকরা ১০ ভাগ হবে। বাকী বিনিয়োগ ঝুঁকি বিষয়ে এসইসি কার্যকর কী ব্যবস্হা নিচ্ছে, তা সভাপতিদ্বয়ের যৌথ সংবাদ সম্মেলনের পর ভাবার বিষয় হয়ে উঠেছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা মীর্জা এবি আজিজুল ইসলাম মনে করেন, নগদ টাকার প্রবাহ নিয়ন্ত্রনে এসইসির ক্ষমতা সীমিত। এক্ষেত্রে, লকইন শেয়ার ছেড়ে দেয়া একটা বিকল্প হতে পারতো, কিন্তু তা সমর্থন করেন না মির্জা আজিজুল ইসলাম। কারণ, স্পন্সর বা পরিচালকরা নিজেদের স্বার্থেই, লকইন তুলে নেওয়ার পরও, সেসব শেয়ার বাজারে ছাড়বেন না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক হয়তো ব্যাংকের আমানতের শতকরা ১০ ভাগ থেকে বিনিয়োগ সীমা পাঁচ ভাগে নামিয়ে আনতে পারে, ঋণ বিষয়ে কঠোর থেকে কঠোরতর সিদ্ধান্ত হয়তো আসতে পারে এসইসির তরফে, কিন্তু তাতে নগদ টাকার প্রবাহ, এবং এর ফলে বাজারের অস্বাভাবিক চাঙ্গা ভাব নিয়ন্ত্রণে এসইসির ক্ষমতা সীমিতই থেকে যাচ্ছে।

তা হলে সমাধান কোথায়?
যারা বাজার পরিস্হিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন তাদের কাছে এখন এটি একটি কোটি টাকা দামী প্রশ্ন। সমাধান কোথায়? যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে বাজারে প্রচুর বিনিয়োগকারী এসেছেন। ফলে বেড়েছে শেয়ারের চাহিদা। সেই অনুযায়ী বাড়েনি শেয়ারের সরবরাহ। আর চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে এই ভারসাম্যহীনতাই বাজারকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। অথচ সরকার বারবার ঘোষণা দিয়েও রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির শেয়ার ছাড়তে পারেনি। এ কারণে বাজারে কোনো বিপর্যয় দেখা দিলে তার দায়দায়িত্ব সরকারের ঘাড়েই বর্তাবে। তাই শেয়ারের সরবরাহ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করা হয় সংবাদ সম্মেলনে।
সরকারের ওপর একটা চাপ দেয়া হলো। বলা হলো,বাজারে কোন বিপর্যয় দেখা দিলে দায় দায়িত্ব সরকারের ঘাড়ে বর্তাবে। এখন, বিশ্লেষকদের অনেকেই বলতে পারেন, বিনিয়োগের মুনাফা বিনিয়োগকারীর, লোকসানের ভাগও তাকেই নিতে হবে। এসইসি বলতে পারে, সাবধান করতে অনেক পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, এমনকী লিফলেটও বিতরণ করা হয়েছে। দুই স্টক এক্সচেঞ্জতো সংবাদ সম্মেলন করে খোলামেলা অনেক কথাই বলেছে। ফলে, বিপর্যয় হলে শেষ পর্যন্ত দায় কার ঘাড়ে বর্তাবে তা ঠিক করা নিয়ে, বেশ বিতর্ক হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। তবে, বিপর্যয়ে বিনিয়োগকারীদের অনেকেই নি:স্ব হবে এ বিষয়ে কোন বিতর্ক নেই। ফলে, সেই দু:খজনক পরিস্থিতি কীভাবে এড়িয়ে যাওয়া যায় তা নিয়ে ভাবার সময় এসেছে ।
বিনিয়োগকারীদের নিরুৎসাহিত করা কোন কাজের কথা নয়। বাজার অর্থনীতির দেশে, মুনাফা যেখানে আছে, সেখানে বিনিয়োগকারীরা যাবেই। তাদের ঠেকিয়ে রাখা যাবেনা। দু’ভাবে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। এক. বিকল্প বিনিয়োগের সুযোগ তৈরী করে। দুই. বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। বাজার পরিস্হিতি স্বাভাবিক করতে নতুন শেয়ারের সরবরাহ কিছুটা হলেও কাজে আসবে বলে মনে করেন মির্জা এবি আজিজুল ইসলাম। এক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি দেয়া সরকারি কোম্পানীর  শেয়ার বাজারে ছেড়ে পরিস্হিতি কিছুটা ভালো করা যায় বলে, মনে করেন তিনি।
পিপিপি: শেয়ার বাজারে
বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানে যে সব পাওয়ার প্ল্যান্ট করা হচ্ছে, তার টাকার যোগান অনায়াসে দিতে পারে পুঁজিবাজার। আর বাজার থেকে টাকা তুলে সরকার প্ল্যান্ট বসালে তা সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব বা পিপিপি’তে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করেন সাবেক অর্থ উপদেষ্টা  মির্জা এবি আজিজুল ইসলাম। একই সঙ্গে অনেক লোকের মাঝে মুনাফা বা লাভ এই পদ্ধতিতে ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব হবে বলেও মনে করেন তিনি।
এর আগেও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের তরফে সংবাদ সম্মেলন করে সরকারকে এ ধরনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এতে সরকারের হাতে টাকা আসবে, আর বিনিয়োগকারীদের চাহিদা ও শেয়ারের সমন্বয় হবে।
তবে এখন, সাধু সাবধান
‘গুজবের ভিত্তিতে অতিমূল্যায়িত শেয়ার কিনে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার দায়দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হবে। ডিএসই-সিএসই-এসইসি বা সরকারকে দোষারোপ করে কোনো লাভ হবে না’। যৌথ সংবাদ সম্মেলনের এই কথাটি এক ধরনের দায়মুক্তি ঘোষণার মতো। একই সঙ্গে বাজারের অস্বাভাবিক পরিস্হিতির প্রমাণপত্রও বটে।
একটি শেয়ার এক বা দুই হাত বদলে অতিমূল্যায়িত হয়ে পড়ে তা বলা ঠিক হবে না। এতে অনেকেরই অংশগ্রহন থাকতে পারে। শেয়ার কেনা বেচার এই নিয়মে, মুনাফা পকেটে পুরে কেটে পড়তে পারেন অনেক পুরনো বিনিয়োগকারী। নতুন যারা বাজারে আসছেন তারা বেশী টাকায় কিনে, তারচেয়ে বেশী টাকায় বেচতে না পরলে নির্ঘাত লোকসানের মুখে পড়বেন। ফলে, নবাগতদের সতর্ক থাকার যে পরামর্শ দেন বিশ্লেষকরা, তা বেশ খোলামেলা করে দিয়েছেন দু্ই স্টক এক্সচেঞ্জ এর সভাপতি। যুক্তরাষ্ট্রে নতুন বিনিয়োগ আহ্বানের মাত্র কিছু দিন পর।
বাজারের এই পরিস্হিতিতে, নবাগতদের সব টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ না করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। আর বুঝে –ভেবে বিনিয়োগের সেই পুরনো কথা নাইবা উল্লেখ করা হলো।

লেখক : বিশেষ প্রতিনিধি, বাংলাভিশন

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: