কর্মী নিয়োগে আইনের তোয়াক্কা করছে না হাউজগুলো – অনুপ সর্বজ্ঞ

কর্মী নিয়োগে আইনের তোয়াক্কা করছে না হাউজগুলো
-অনুপ সর্বজ্ঞ
কর্মী নিয়োগে আইনকানুনের তোয়াক্কা করছে না সিকিউরিটিজ হাউজ কর্তৃপড়্গ-  এমন অভিযোগ বাজার সংশিস্নষ্টদের।
জানা গেছে, পঁুজিবাজারের প্রতিটি সিকিউরিটিজ হাউজই রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মস (আরজেএসসি) থেকে নিবন্ধিত। নিয়ম অনুযায়ী এদের প্রতিটিই ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের আওতাভুক্ত। কোম্পানি আইন অনুযায়ী নিয়োগের পূর্বে গণমাধ্যমে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার বিধান রয়েছে। তবে অধিকাংশ হাউজ কর্তৃপড়্গ কোম্পানি আইনের এ বিধান উপেড়্গা করে আত্মীয়স্বজনকে লাভজনক পদগুলোতে নিয়োগ দেয়।
অবশ্য কিছু কিছু হাউজে নিয়োগের পূর্বে দেয়ালে পোস্টার লাগানো হয় যাতে লেখা থাকে ওমুক হাউজের জন্য একজন অথরাইজড প্রয়োজন। নিচে দেয়া থাকে যোগাযোগের ঠিকানা বা ফোন নম্বর। এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরজেএসসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, এটা কোনো নিয়ম হতে পারে না। সিকিউরিটিজ হাউজগুলো কোম্পানি আইনের আওতায় থাকলে কি হবে। তারা আইনের তোয়াক্কা করে না। পঁুজিবাজারের সদস্য অধিকাংশ সিকিউরিটিজ হাউজ কর্তৃপড়্গ কর্মী নিয়োগের ড়্গেত্রে যোগ্যতার চেয়ে আত্মীয়তাকে প্রাধান্য দেয় বেশি। এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারী বলেন, আসলে হাউজগুলোতে কাজ পাওয়ার ড়্গেত্রে শিড়্গাগত যোগ্যতা বা দড়্গতা কোনো ভূমিকা রাখে না। এ ড়্গেত্রে আত্মীয়তাকে প্রধান যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জিয়াউল হক নামে এক বিনিয়োগকারী বলেন, আসলে সিকিউরিটিজ হাউজগুলোতে কখন কর্মী নিয়োগ করা হয় জানা যায় না। একটি সিকিউরিটিজ হাউজের গুরম্নত্বপূর্ণ পদ হচ্ছে অথরাইজড রিপ্রেজেন্টেটিভ। কিন্তু অধিকাংশ হাউজের অথরাইজডরা ডিএসইর ওয়েবসাইটে যে নিউজগুলো আসে তা বাংলা করে বলতে পারে না। যদিও এটা তাদের দায়িত্ব না তবে কখনো কখনো বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে এতটুকু তো করতে হবে। কারণ প্রতিনিয়ত নতুন বিনিয়োগকারীর আগমন ঘটছে। যারা শেয়ারবাজারের কিংবা এ সংক্রান্তô টেকনিক্যাল ভাষাগুলো জানেন না। জানা যায়, আইন অনুযায়ী একজন অথরাইজডকে অবশ্যই গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। তবে অধিকাংশ সিকিউরিটিজ হাউজের অথরাইজডরা মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পাস। হাউজ কর্তৃপড়্গের এমন দুর্নীতি পরায়ণ প্রবণতায় সিকিউটিজ আইনের রড়্গক এসইসি এবং কোম্পানি আইনের রড়্গক জয়েস্ট স্টক কেন নির্বিকার এমন প্রশ্ন বাজার সংশিস্নষ্টদের। এ ব্যাপারে এসইসিতে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, পুঁজিবাজারের সব অনিয়ম রোধে আমরা আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছি। অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরজেএসসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, কোম্পানি আইন রড়্গা করা আমাদের দায়িত্ব। তবে লোকবলের অভাবে এবং অনেকটা আইনি দুর্বলতার কারণে অনিয়ম করে পার পেয়ে যাচ্ছে অনেক কোম্পাানি। সচেতন মহলের মতে, লোকবলের অভাব, আইনি দুর্বলতা বা অন্য কোনো কারণ দেখিয়ে কর্তৃপড়্গ কখনোই নিজেদের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারে না।

Advertisements

তথ্য কণিকা Jahan Hassan জাহান হাসান
Ekush, Publisher/Editor/ Hollywood media hyphenate/ একুশ নিউজ মিডিয়া, লিটল বাংলাদেশ, লস এঞ্জেলেস / 1 818 266 7539 / FB: JahanHassan

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: