সুখ তুমি কী?


” … সুখ তুমি কী? …”

রঙ-ঢঙ ডেস্ক

হায় হায় করে কিছু হবে না; ট্যাঁকে যা আছে, তা নিয়েই সুখে থাকুন!

প্রায় ৮৫ শতাংশ মত দিয়েছেন— ‘স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল’। কেউ কেউ আবার বলেছেন (৮১ শতাংশ), একটা ভালো সম্পর্ক বা বিবাহবন্ধনও মানুষকে সুখী করে। ৭৯ শতাংশ জানিয়েছেন, ভালো কাজ করলে সহজেই সুখী হওয়া যায়।

সুখ নিয়ে আমেরিকানদের দর্শন পাল্টাচ্ছে। সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তাদের এ পরিবর্তনের কারণ বলে মানছেন কেউ কেউ। ‘দ্য লাইফ টুইস্টে’র এক গবেষণায় ধরা পড়েছে চিন্তার পরিবর্তনটি। সেখানে দেখা গেছে, অনেকে মনে করেন, সুখের সঙ্গে সম্পদ-সম্পত্তির কোনো সম্পর্ক নেই! তবে প্রতি চারজনের একজন অর্থাৎ ২৭ শতাংশ মার্কিন এখনো মনে করেন, সম্পদ বা অর্থ-বিত্ত মানুষের সফলতা নির্ধারণ করে। এ সমীক্ষায় দুই হাজার আমেরিকান অংশ নেয়।

গবেষণায় দেখা যায়, প্রায় ৮৫ শতাংশ মত দিয়েছেন— ‘স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল’। কেউ কেউ আবার বলেছেন (৮১ শতাংশ), একটা ভালো সম্পর্ক বা বিবাহবন্ধনও মানুষকে সুখী করে। ৭৯ শতাংশ জানিয়েছেন, ভালো কাজ করলে সহজেই সুখী হওয়া যায়। ৭৫ শতাংশ বলেছেন, ভালো কিংবা পছন্দের চাকরি সুখ বয়ে আনে। তবে জীবনে সফল বা সুখী হতে হলে উন্মুক্ত ও উদার মানসিকতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ— একবাক্যে প্রায় সবাই মানেন এ কথা।

এছাড়া ডজন খানেক গবেষণায় দেখা গেছে, সুখ-সফলতা নিয়ে মার্কিনদের ভেতর নতুন ধারণ তৈরি হচ্ছে। তাদের বিশ্বাস, সুখী হতে টাকা-পয়সা তেমন গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক নয়। অর্থনৈতিক মন্দা ও বেকারত্বের হার বাড়ার কারণে তাদের চিন্তাভাবনায় নতুন এ ধারণা সৃষ্টি হয়েছে। ৪৩ শতাংশ বলেছেন, তারা সবাই আর্থিক দুরবস্থার তিক্ত অভিজ্ঞতার শিকার। ফলে জীবন সম্পর্কে তাদের নতুন দর্শন তৈরি হয়েছে। ৪২ শতাংশ বলছেন, নানা সমস্যা-প্রতিবন্ধকতা তাদের চোখ খুলে দিয়েছে। টাকা-পয়সা থাকলেই সুখী হওয়া যায় না— এমন ধারণা বদলে যাওয়ার ক্ষেত্রে মাত্রাতিরিক্ত কাজের চাপও বড় ভূমিকা পালন করেছে। ১০ জনের আটজন কর্মজীবী মত দিয়েছেন, প্রচণ্ড কাজের চাপ ও তুলনামূলক কম বেতনের কারণে তাদের জীবনটা চিঁড়েচ্যাপ্টা!

হাফিংটন পোস্টের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান সম্পাদক আরিয়ানা হাফিংটন বলেছেন, টাকা ও ক্ষমতা থাকলেই সে সফল— এ ধারণা বদলে দেয়া প্রয়োজন। হাফিংটন ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ব্লগে লিখেছেন, বাকি জীবনে নতুন উদ্যমে নিজেকে ফিরে পেতে, কাজে আনন্দ পেতে নিজেদের কল্যাণ, স্বাস্থ্য ও সামর্থ্যের ওপর ভিত্তি করে সফল হওয়ার তৃতীয় কোনো পদ্ধতি বের করা প্রয়োজন। আসলে টাকা আর ভালো অবস্থান থাকলেই জীবনে সফল হওয়া যায় না।

২০০৫-এর অন্য একটি গবেষণায় দেখা যায়, সুখী মানুষ সবসময় কাজকর্মে, সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে ও সুস্বাস্থ্য অর্জনে সফলতা পায় (এবং তাদের ঘুমও ভালো হয়!)। এসব গবেষণার পরিপ্রেক্ষিতে বলতে হয়— হায় হায় করে কিছু হবে না; ট্যাঁকে যা আছে, তা নিয়েই সুখে থাকুন!

রাজধানীতে দ্রুত ট্যাক্সিক্যাব নামানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে…


৬ হাজার ৭৪০ ট্যাক্সিক্যাবের লাইসেন্স প্রদানে দরপত্র


ইসমাইল আলী
রাজধানী ও আশপাশ এলাকায় চলাচলের জন্য নতুন ৬ হাজার ৭৪০টি ট্যাক্সিক্যাবের লাইসেন্স দেবে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়। সংশোধিত ‘ট্যাক্সিক্যাব সার্ভিস গাইডলাইন-২০১০’-এর আলোকে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। আগ্রহী প্রতিষ্ঠানকে চলতি মাসের মধ্যে আবেদন করতে হবে। গাইডলাইন অনুযায়ী লাইসেন্স পাওয়া প্রতিষ্ঠানকে ন্যূনতম ২৫০টি ট্যাক্সিক্যাব আমদানি ও পরিচালনা করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বণিক বার্তাকে বলেন, রাজধানীতে বর্তমানে ট্যাক্সিক্যাব নেই বললেই চলে। যেগুলো আছে, সেগুলোর অবস্থা খুবই খারাপ। এ কারণে রাজধানীতে দ্রুত ট্যাক্সিক্যাব নামানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এজন্য ট্যাক্সিক্যাব সার্ভিস গাইডলাইন-২০১০-এর আলোকে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। নীতিমালায় কিছুটা পরিবর্তন এনে সর্বনিম্ন ২৫০টি ট্যাক্সিক্যাব আমদানির সুযোগ দেয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, লাইসেন্স পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর আমদানি করা ট্যাক্সিক্যাবের ইঞ্জিনক্ষমতা ১৫০০ বা তার বেশি সিসির হতে হবে। তবে ১ শতাংশ কম হলে তা ১৫০০ সিসি হিসেবেই বিবেচ্য হবে। তৃতীয় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে (ক্যাবএক্স) এগুলো পরিচালনা করা যাবে না। আগ্রহী প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) বরাবর আবেদন করতে হবে। অনুমোদন পাওয়ার পর জামানত বাবদ ১০ লাখ টাকার পে-অর্ডার (ফেরেযাগ্য) জমা রাখতে হবে।
পরিবেশবান্ধব হিসেবে সিএনজি বা পেট্রলচালিত ট্যাক্সিক্যাব আমদানি করতে হবে। মোটর কার, স্টেশন ওয়াগন ও মাইক্রোবাস ধরনের মোটরযান ট্যাক্সিক্যাব হিসেবে চালানোর অনুমতি দেয়া হবে। এগুলো এসি বা নন-এসি হতে পারে। লাইসেন্স পাওয়া প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ নতুন বা রিকন্ডিশনড গাড়ি ট্যাক্সিক্যাব হিসেবে আমদানি করতে পারবে। তবে তিন বছরের বেশি পুরনো গাড়ি আমদানি করা যাবে না। এক্ষেত্রে নন-এসি ট্যাক্সিক্যাব আকাশি নীল, এসি ক্যাব হলুদ ও দুই হাজার বা তদূর্ধ্ব ক্যাব সবুজ রঙ করতে হবে।
অনুমতি পাওয়ার চার মাসের মধ্যে ট্যাক্সিক্যাব পরিচালনা শুরু করতে হবে। এক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে লাইসেন্স বাতিল ও জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে। আমদানি করা ট্যাক্সিক্যাব ঢাকা মহানগরী ছাড়াও নারায়ণগঞ্জ, সাভার, টঙ্গী, মুন্সীগঞ্জ, দোহার, মাওয়া, জয়দেবপুর চৌরাস্তা হয়ে গাজীপুর ও মানিকগঞ্জের আরিচা এলাকায় ভাড়ায় চালানো যাবে। অনুমোদন পাওয়া প্রতিটি কোম্পানি ২৪ ঘণ্টা সেবা দিতে বাধ্য থাকবে। প্রতিটি ট্যাক্সিক্যাবে অবশ্যই মিটার সংযোজন ও সে অনুযায়ী ভাড়া আদায় করতে হবে।
লাইসেন্সের জন্য আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানকে অবশ্যই কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) প্রাইভেট বা পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হতে হবে। প্রতিষ্ঠানটির পরিশোধিত মূলধন থাকতে হবে ন্যূনতম আড়াই কোটি টাকা। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ট্যাক্সিক্যাব রাখার গ্যারেজ বা ডিপো ও মেরামতের ব্যবস্থা, নিজস্ব রেডিও লিংক, সেলফোন ও জিপিএস ব্যবস্থা-সংবলিত নিয়ন্ত্রণকক্ষ, ভেহিকল ট্র্যাকিং ব্যবস্থাও থাকতে হবে। কোনো ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠান ট্যাক্সিক্যাব আমদানির জন্য আবেদন করতে পারবে না।
এ প্রসেঙ্গ বিআরটিএর পরিচালক (প্রকৌশল) মো. সাইফুল হক বলেন, তিন বছর ধরে চেষ্টা করেও রাজধানীতে ট্যাক্সিক্যাব নামানো সম্ভব হয়নি। একবারে ন্যূনতম এক হাজার ট্যাক্সিক্যাব আমদানির জন্য এর আগে দুবার দরপত্র আহ্বান কর হয়। কিন্তু রাজধানীতে কোনো ক্যাবই নামানো যায়নি। এ কারণে এবার নীতিমালা আংশিক সংশোধন করে ন্যূনতম ২৫০টি ট্যাক্সিক্যাব নামানোর সুযোগ দেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের সভাপতি ও নগরবিদ সারোয়ার জাহান বলেন, একটি দেশের রাজধানীর জন্য উপযোগী ও উন্নত যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য অবশ্যই শক্তিশালী ট্যাক্সিক্যাবব্যবস্থা থাকতে হবে। এতে ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ অনেকাংশে কমে যাবে। কেউ সহজে ট্যাক্সিক্যাব সুবিধা পেলে ব্যক্তিগত গাড়ির দিকে ঝুঁকবে না। এক্ষেত্রে বিআরটিএর উদ্যোগটি অবশ্যই প্রশংসনীয়। এক হাজারের পরিবর্তে ২৫০ ট্যাক্সিক্যাব আমদানি ও পরিচালনার অনুমতি দেয়া হলে রাজধানীতে এ সার্ভিস দ্রুত চালু করা যাবে।
উল্লেখ্য, কঠিন শর্তের কারণে ২০১১ সালের অক্টোবরে অনুমতি নিয়েও ক্যাব নামাতে ব্যর্থ হয় সারিকা ট্রেডার্স ও কর্ণফুলী ওয়ার্কস লিমিটেড। পরে তাদের লাইসেন্স বাতিল করা হয়। গত বছর অক্টোবরে দরপত্রে অংশ নেয় নিটল মোটরস লিমিটেড, নোফেল মোটরস লিমিটেড ও বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্ট ভেহিকল কোম্পানি লিমিটেড। কিন্তু শর্ত পূরণ না হওয়ায় এ তিন কোম্পানি ট্যাক্সিক্যাব আমদানির লাইসেন্সই পায়নি।

সূত্রঃ http://bonikbarta.com/?view=details&pub_no=324&menu_id=11&news_id=43606&news_type_id=1

ইন্টারনেটের আওতায় দেশের মাত্র ৫% মানুষ


ইন্টারনেটের আওতায় দেশের মাত্র ৫% মানুষ

ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে ৪৬তম।
মে ১৮, ২০১৩

জেসমিন মলি :
তথ্যপ্রবাহের অবাধ ব্যবহার নিশ্চিত করতে ইন্টারনেটের বিকল্প নেই। অথচ দেশে এর বিপরীত চিত্রই দৃশ্যমান। বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী দেশের ২৭ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। কিন্তু ইন্টারনেট ওয়ার্ল্ড স্ট্যাটাসের চলতি বছরের প্রতিবেদন বলছে, ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। বাংলাদেশে ইন্টারনেট পেনিট্রেশন বা ঘনত্বের হার ৫ শতাংশ, যা এশিয়ার মোট ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সংখ্যার মাত্র দশমিক ৭ শতাংশ। আর ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৩ লাখ ৫২ হাজার।
প্রসঙ্গত, সারা বিশ্বে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর তথ্য নিয়ে তথ্যভাণ্ডার তৈরি করে ইন্টারনেট ওয়ার্ল্ড স্ট্যাটাস।
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় ইন্টারনেট ঘনত্বে সবচেয়ে বেশি ভুটানে। দেশটির মোট জনসংখ্যার ২১ শতাংশ ইন্টারনেট ব্যবহার করে আর তাদের ফেসবুক গ্রাহকের সংখ্যা ৪২ হাজার। ভারতে ইন্টারনেট ঘনত্বের হার ১১ দশমিক ৪ শতাংশ এবং ফেসবুক ব্যবহারকারী ৬২ কোটি ৭ লাখ। পাকিস্তানে ইন্টারনেট ঘনত্বের হার ১৫ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ফেসবুক গ্রাহক ৭ কোটি ৯৮ লাখ। শ্রীলংকায় ১৫ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাপ্রাপ্ত আর ফেসবুক গ্রাহক ১ কোটি ৫১ লাখ। নেপালে ৯ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে আর ফেসবুক গ্রাহক ১৯ লাখ ৪০ হাজার।
ইন্টারনেট ওয়ার্ল্ড স্ট্যাটাসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১২ সালে এশিয়ায় ৪৪ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। এ হার ইউরোপে ২১ দশমিক ৫, দক্ষিণ আমেরিকায় ১১ দশমিক ৪, লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে ১০ দশমিক ৪, আফ্রিকায় ৭, মধ্যপ্রাচ্যে ৩ দশমিক ৭ এবং ওশেনিয়ায় ১ শতাংশ। গত বছর পুরো এশিয়ায় ৪৪ দশমিক ৮ শতাংশ গ্রাহক ইন্টারনেট ব্যবহারের আওতায় ছিল, যা মোট জনসংখ্যার ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ। আর বিশ্বের বাকি অংশে ছিল ৫৫ দশমিক ২ শতাংশ, যা মোট জনসংখ্যার ৫৫ দশমিক ২ শতাংশ। এশিয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহারের ঘনত্ব উত্সাহব্যঞ্জক হলেও বাংলাদেশে এ চিত্র হতাশাজনকই।
ফেসবুক-সংশ্লিষ্ট নানা পরিসংখ্যান সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সোস্যাল বেকারস বলছে, ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে ৪৬তম।
ইন্টারনেট ওয়ার্ল্ড স্ট্যাটাসের প্রতিবেদনের তথ্য ভুল বলে দাবি করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শেফায়েত হোসেন জানান, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী ইন্টারনেট ঘনত্ব ৩ থেকে ২৭ শতাংশে পৌঁছেছে। সে হিসাবে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের চিত্র উত্সাহব্যঞ্জক। সারা দেশে অপটিক্যাল ক্যাবল ফাইবার নেটওয়ার্কের আওতায় ও টেলিটকের থ্রিজি পুরোপুরি চালু হলে এ হার আরো বাড়বে।
ঢাকা কমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এমএ হাকিম এ প্রসঙ্গে বণিক বার্তাকে জানান, কোনো দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ঘনত্ব বাড়াতে হলে সে পরিমাণ অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা থাকতে হয়। কিন্তু দেশে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে পর্যাপ্ত অবকাঠামোর সুযোগ না থাকায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বাড়ছে না। এ কারণে সরকারের নিজস্ব অবকাঠামো তৈরির ওপর জোর দিতে হবে।
দেশে ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়াতে সরকারি-বেসরকারি নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ওয়াইম্যাক্স, থ্রিজির মতো প্রযুক্তিতে প্রবেশ করেছে গ্রাহক। ইন্টারনেটে কাজের সুযোগ করে নিয়েছেন অনেক ফ্রিল্যান্সার। কিন্তু অতিরিক্ত দাম ও অপর্যাপ্ত গতির কারণে তাদের কাজ ঠিকভাবে করতে পারছেন না। সরকার কয়েক দফা ব্যান্ডউইডথের দাম কমিয়েছে। কিন্তু গ্রাহকপর্যায়ে এর সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন (আইএসপিএবি) অবশ্য বিষয়টি মানতে নারাজ। তাদের মতে, শুরুর সময় বেশি মূল্যে গ্রাহক কম গতির সংযোগ ব্যবহার করত। এখন একই মূল্যে বেশি গতির সংযোগ ব্যবহার করছে। এ কারণে এ অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন আইএসপিএবির সাবেক পরিচালক মাক্তুবুর রহমান।

- বণিক বার্তা

লস এঞ্জেলেসে সম্মিলিত একুশে উদযাপনের প্রয়াস


লস এঞ্জেলেসে সম্মিলিত একুশে উদযাপনের প্রয়াস

সম্মিলিত অমর একুশে পালনের উদ্দেশ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলুমনাই এসোসিয়েশনের উদ্যোগে “লস এঞ্জেলেস সম্মিলিত একুশে উদযাপন কমিটি” এর ব্যানারে স্থানীয় কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠনগুলি লস এঞ্জেলেসে সম্মিলিতভাবে অমর একুশে ফেব্রুয়ারী ২০১৩ উদযাপন করবে।
 লস এঞ্জেলেস সম্মিলিত একুশে উদযাপন কমিটি


লস এঞ্জেলেস সম্মিলিত একুশে উদযাপন কমিটি


এই বিষয়ে গত ১২ জানুয়ারী লস এঞ্জেলেসের আলাদীন রেষ্টুরেন্টে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলুমনাই এসোসিয়েশনের এর পক্ষে খন্দকার আলমের পরিচালনায় সভায় বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহন করেন।

সভায় অংশগ্রহণকারী সংগঠনের বাইরে অন্যান্য সংগঠনগুলিও এই উদ্যোগে সামিল হবে, এই আশাবাদ জানিয়ে আলোচনার দ্বার উন্মুক্ত রেখে সম্মিলিত প্রয়াসের এই একুশে উদযাপনের আয়োজনে অংশগ্রহনে ইচ্ছুক সংগঠনদের পারষ্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে সম্মিলিত একুশে উদযাপনের রূপরেখা প্রণয়নের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ড্যানী তৈয়ব, নজরুল ইসলাম কাঞ্চন, জাহিদ হোসেন পিন্টু, মেজর (অবঃ) এনামুল হক, মাশহুরুল হুদা, এম হোসেন বাবু, আবু হানিফা, নজরুল ইসলাম, জসিম আহমেদ আশরাফি, মারুফ হোসেন, ফ্রেন্ডস বাবু, ফেরদৌস খান, শওকত চৌধুরী, আহমেদ কবীর, মিঠুন চৌধুরী, আব্দুল খালেক, জাহান হাসান প্রমুখ।

লস এঞ্জেলেস সম্মিলিত একুশে উদযাপন কমিটির পরবর্তী সভা আগামী শুক্রবার ১৮ই জানুয়ারী সন্ধা ৬ ঘটিকা আলাদিন রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হবার কথা আছে।

http://www.facebook.com/media/set/?set=a.10151331155646897.500556.826936896&type=1&l=130b33eeb9
ভিডিওঃ

লস এঞ্জেলেসে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত


লস এঞ্জেলেসে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

লস এঞ্জেলেসঃ ১০ জানুয়ারী, ২০১৩
লস এঞ্জেলেসে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্ণিয়া, যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দ্যোগে বাংলাদেশের স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করা হয়েছে।
লস এঞ্জেলেসে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

লস এঞ্জেলেসে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত


লস এঞ্জেলেসের সান ফেরন্যান্ডো ভ্যালীতে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্ণিয়ার সভাপতি শফিকুর রহমান। বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর অবদানের কথা স্মরণ করে শফিকুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হারিয়ে বাংলাদেশ যে পিছিয়ে পড়েছে সেই শূন্যতাকে তার সুযোগ্য উত্তরসূরি শেখ হাসিনা সুদৃড়ভাবে সামনে নিয়ে যাচ্ছেন ও তার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য প্রবাসীদের এগিয়ে আসতে হবে।

আলোচনায় বক্তারা বলেন- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সৈন্যদের বিরুদ্ধে নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হলেও ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্যদিয়ে জাতি বিজয়ের পূর্ণ স্বাদ গ্রহণ করে। বক্তারা সেই মাহেন্দ্রক্ষণকে স্মরণ করে বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, এটা সমগ্র বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের সংগ্রামের নিদর্শন স্বরূপ। বঙ্গবন্ধু হত্যা সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন।

লস এঞ্জেলেসে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

লস এঞ্জেলেসে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্ণিয়ার সাধারন সম্পাদক ডাঃ রবি আলমের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, ক্যালিফোর্ণিয়া ছাত্রলীগের আহ্বায়ক শওকত আহমেদ চৌধুরী। স্থানীয় কমিউনিটির পক্ষে থেকে স্মৃতিচারণ করেন মোবারক হোসেন বাবলু, এম কে জামান, খন্দকার ইমতিয়াজ আহমেদ ইমু, কাজী নাজির আহমেদ হাসিব প্রমুখ।

বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যসহ যাঁরা ১৫ ই আগস্ট শাহাদাৎ বরণ করেছেন তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে ও বাংলাদেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়। এই উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর বর্ন্যাঢ্য জীবন নিয়ে চিত্র প্রর্দশনীর আয়োজন করা হয়।

লস এঞ্জেলেসে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত:ভিডিও:

The Liberator Bangabandhu Sheikh Mujib returns home: Video

http://www.facebook.com/v/10151325194521897

Pic: http://www.facebook.com/media/set/?set=a.10151325115691897.499885.826936896&type=1&l=a9c80f4b51

শুভ নববর্ষ স্বাগত স্বাগতম ২০১৩ Happy New Year 2013: Bangladeshi Los Angeles Style


শুভ নববর্ষ 2013: লস এঞ্জেলেসে আনন্দঘন আয়োজনে নতুন বছরকে স্বাগতমঃ
ভিডিওঃ আনন্দধারা বহিছে ভুবনেঃ

ছবি লিঙ্কঃ

http://www.facebook.com/media/set/?set=a.10151308912426897.497750.826936896&type=0a77cca6da

সবাইকে ইংরেজী নববর্ষ ২০১৩ সালের শুভেচ্ছা। প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে ২০১২ এই ইংরেজী সালটি আমাদের চলমান ডায়েরি থেকে খুয়ে গেলেও, ২০১৩ আসছে সম্ভাবনার নতুন বারতা নিয়ে। তাই এই নববর্ষটিকে জানাই সাদর সম্ভাষণ। মনের সব কালিমা ও ব্যর্থতাকে ঝেড়ে-মুছে লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নে চলুন নতুন করে সুন্দর এক ভবিষ্যত এর পানে ছুটে চলি যেখানে নিশ্চিত হবে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও প্রতিশ্রুতিশীল এক আবাসভূমি। সময় ও মহাকালের বহমান প্রবাহে কখনো কোন ছেদ ঘটে না। প্রতি মুহূর্তেই সময় বয়ে চলে সমান তালে। মানুষের মনে সেই বোধটা সবসময় উপলব্ধিতে আসে না। তবে কোনো কোনো সময় বেশ স্পষ্টভাবে সে সম্পর্কে বোধোদয় হয়। তেমনি একটি সময়কাল হলো ঠিক তখন, যখন আমরা পুরনো ক্যালেন্ডারটি বদলে দেয়ালে নতুন ক্যালান্ডার ঝুলাই। যখন পুরনো বছর সমাপনান্তে ঘটে আরেকটি নতুন বছরের সূচনা। তা সে হোক না বাংলা ক্যালেন্ডার কিংবা ইংরেজি ক্যালেন্ডার, যে কোনোটা। আজ নতুন ইংরেজি বছর ২০১৩-এর যাত্রা শুরু। অনেক চিন্তার সাথে আজ এ জিজ্ঞাসাটি জোরালোভাবে মনে জাগাটা বেশ স্বাভাবিক যে, পার হয়ে আসা ২০১২ সালটি কেমন গেল?

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্ণিয়ার বিজয় দিবস উদযাপন ২০১২ (Victory Day Celebration, 2012)


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্ণিয়ার বিজয় দিবস উদযাপন ২০১২
(Victory Day Celebration, 2012)

১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মত লস এঞ্জেলেসেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্ণিয়া বিজয় দিবস
উদযাপন করে। স্থানীয় স্টার অব ইন্ডিয়া রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত মহান বিজয় দিবসের ৪১তম বার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সাঈদুর রহমান পাটেল, বিশেষ অতিথি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মোস্তাইন দারা বিল্লাহ, ইংলিশ চ্যানেল বিজয়ী সাতারু স্বাধীনতা দিবস পদক প্রাপ্ত মোশারফ হোসেন ও মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ রেনু কনা বড়ুয়া।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্ণিয়ার প্রেসিডেন্ট শফিকুর রহমান। বক্তব্য রাখেন মোস্তাইন দারা বিল্লাহ, সাঈদুর রহমান পাটেল, শফিকুর রহমান, মোশারফ হোসেন, মোঃ আনিসুর রহমান, টি জাহান কাজল, মোবারক হোসেন বাবলু, জহির আহমেদ, লেঃ (অবঃ) জিয়া, ইমতিয়াজ হাসান সোহেল, সৈয়দ মুরাদ আলী, খন্দকার আহমেদ ইমু, ফজলুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম, শওকত আহমেদ চৌধুরী প্রমুখ।

ভিডিও কাভারেজঃ
বিজয় দিবস উদযাপন ২০১২ Bangladesh Awami League CA 1

একাত্তরের ঘাতকদের বিচার সম্পন্ন করে সামনের বছর চিহ্নিত রাজাকারমুক্ত বাংলাদেশে পরিপূর্ণ বিজয় দিবস উদযাপনের জন্যে চলমান বিচারের সপক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত সুসংহত করার প্রতয়ে লস এঞ্জেলেসে ৪২তম বিজয় দিবস উদযাপিত হলো।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্ণিয়ার বিজয় দিবস অনুষ্ঠানের কর্মসূচির মধ্যে ছিল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, আলোচনা সভা, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্র আলোকচিত্র প্রদর্শনী, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা প্রদান ও স্মৃতিচারণ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্যালিফোর্ণিয়ার সাধারন সম্পাদক ডাঃ রবি আলম।

ভিডিও কাভারেজঃ
বিজয় দিবস উদযাপন ২০১২ Bangladesh Awami League CA 2

ভিডিও কাভারেজঃ
Muktijuddhader Bijoy-Gatha 2 – Saidur Rahman Patel & Others

অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রবাসীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এম কে জামান, মিজানুর রহমান শাহীন, ফরিদ ইউ আহমেদ, ডাঃ নাসির আহমেদ অপু, এম হোসেন বাবু, মোঃ দিদার আহমেদ, মনিকা আহমেদ, মিঠু বড়ুয়া, আতিক রহমান, মিসেস সাঈদুর রহমান, মিঞা আব্দুর রব, মোঃ শামীম হোসেন, মোদাসসের হাসান মুহিত, মিসেস নিলা মোশারফ, খাজা এরশাদ মইনুদ্দীন পপসি, মাহবুব মোর্শেদ জুনায়েদ, জাহান হাসান ও আরো অনেকে।

ভিডিও কাভারেজঃ
Muktijuddhader apon kahini – Dr. Renukona Barua & Pic Story

‘বঙ্গবন্ধুকে যুদ্ধাপরাধের আসামি করার সক্রিয় পরিকল্পনা’ শিরোনামে সাপ্তাহিক ঠিকানা পত্রিকায় প্রকাশিত খবরের প্রতিবাদে স্টার অব ইন্ডিয়া রেস্টুরেন্টের পার্কিলটে পত্রিকা পোড়ানো হয়।

ভিডিও কাভারেজঃ
Thikana Burning in Los Angeles, Bijoy Dibosh 2012 by AL CA Chapter

Bijoy Dibosh 2012 by AL California (152 photos)
৪১তম মহান বিজয় দিবস উদযাপনঃ আয়োজনে – ক্যালিফোর্ণিয়া ষ্টেট আওয়ামী লীগ — at Star of India Tandoori Restaurant.
http://www.facebook.com/media/set/?set=a.10151282630466897.493794.826936896&type=1&l=745fad4556

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 85 other followers